
ধর্ম ডেস্ক,
মানুষের জীবন যে কতটা অনিশ্চিত—এই বাস্তবতাই ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। আজ যে ব্যক্তি সুস্থ, কর্মক্ষম ও স্বচ্ছল, আগামীকাল সে অসুস্থতা, বার্ধক্য কিংবা মৃত্যুর মুখোমুখি হতে পারে। তাই Muhammad (সা.) উম্মতকে নেক আমলে দ্রুত হওয়ার প্রতি বিশেষভাবে উৎসাহিত করেছেন।
হাদিসে এসেছে—
“তোমরা সাতটি বিষয় আসার আগে নেক আমলে দ্রুত হয়ে যাও…”
— জামে তিরমিজি, হাদিস: ২৩০৬
এই সাতটি বিষয় হলো—
- দারিদ্র্য
- সম্পদের অহংকার
- অসুস্থতা
- বার্ধক্য
- আকস্মিক মৃত্যু
- দাজ্জালের ফিতনা
- কিয়ামতের ভয়াবহতা
ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের সবচেয়ে বড় ক্ষতি তখনই হয়, যখন সে “পরে করব” বলতে বলতে নেক আমল পিছিয়ে দেয়। অথচ মৃত্যু কখন আসবে, তা কেউ জানে না।
আল-কুরআন–এ আল্লাহ তাআলা বলেন—
“কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন ভূমিতে তার মৃত্যু হবে।”
— সুরা লুকমান, আয়াত ৩৪
এই শিক্ষাগুলো আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—
- সুস্থতা ও অবসর বড় নিয়ামত
- যৌবন ইবাদতের শ্রেষ্ঠ সময়
- সম্পদ ও সংকট—দুটিই মানুষের ঈমানের পরীক্ষা
- তওবা ও নেক আমলে দেরি করা উচিত নয়
- প্রতিটি দিনকে আখিরাতের প্রস্তুতির সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত
একজন মুমিনের প্রকৃত প্রজ্ঞা হলো, দুনিয়ার ব্যস্ততার মাঝেও আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং সুযোগ থাকা অবস্থায় নিজেকে নেক আমলে সমৃদ্ধ করা। কারণ আজকের যে সময় ও শক্তি আছে, তা আগামীকাল নাও থাকতে পারে।
























