
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
ভিকটিম মোঃ মিনহাজ চট্টগ্রাম জেলার বাকলিয়া থানার মাস্টারপুলের বাসিন্দা এবং পেশায় একজন কাপড়ের দোকানের কর্মচারী। ভিকটিম মিনহাজ ও বিবাদীরা পাশ্ববর্তী এলাকার পূর্ব পরিচিত। গত ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ইং সকাল ১১টার দিকে ভিকটিম রিক্সোযোগে তার কর্মস্থল কতোয়ালি থানাধীন কোটস্থ জহুর হকার্স মার্কেটে যাওয়ার পথে কোতায়ালী থানাধীন কোরবানীগঞ্জ বলুয়াদিঘীর পশ্চিমপাড় মেসার্স মাষ্টার এন্টারপ্রাইজ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌঁছামাত্র পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দূর্বৃত্যরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হাতে ধামা, কিরিচ, ছোরা সহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে কুপিয়ে ভিকটিমের দুই হাত, দুই পা, মুখমন্ডল সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত গুরুতর জখম করে এবং ভিকটিমের ডান হাতের কব্জির সম্পূর্ন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। পর্ববতীতে উপস্থিত স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় ভিকটিমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করেন। উক্ত ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হলে ব্যাপক আলোচিত হয়।
উক্ত ঘটনার ভিকটিমের বোন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানায় ০৩ জনকে এজাহারনামীয় এবং ৩/৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-১৯, তাং-০৬ এপ্রিল ২০২৬, ধারা-১৪৩/৩৪১/৩২৬/৩০৭/৫০৬(২)/৩৪, পেনাল কোড-১৮৬০।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম সূত্রে বর্নিত মামলার আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারী এবং ছায়াতদন্ত অব্যহত রাখে। নজরদারীর একপর্যায়ে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সূত্রে বর্নিত মামলার ০২নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ সবুজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানা এলাকায় অবস্থান করছে। উক্ত তথ্যের ভিত্তিতে গত ০৯ এপ্রিল আনুমানিক ১০:২০ মিনিটের সময় র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এবং র্যাব-৯, সিলেট এর যৌথ আভিযানিক দল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানাধীন ইমামপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পলাতক ২ নং এজাহাহারনামীয় আসামি মোঃ সবুজ (২৫), পিতা-মোঃ সুমন, সাং-বড় ধুশিয়া, থানা-ব্রাহ্মনপাড়া, জেলা-চট্টগ্রাম’কে আটক করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামি সংক্রান্তে পরর্বতী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে তাকে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

























