Dhaka , Saturday, 11 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
টেকনাফ-উখিয়ার জনগণ নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে, অপহরণ, মাদক ও মানব পাচার, বন্ধের পদক্ষেপ – কবীর ছিদ্দিকী। টেকনাফের হ্নীলাতে মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ পিস ইয়াবা রামু থানা পুলিশের অভিযানে ৩০ হাজার ইয়াবাসহ এক মাদককারবারী গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জে জামায়াতের রোকন সম্মেলন অনুষ্ঠিত নগরীর ফুটপাথ থেকে হকার উচ্ছেদ ও যানজট নিরসনে মতবিনিময় সভা সোনারগাঁওয়ে পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু মধুপুরে ২ দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলার শুভ উদ্বোধন কোলোরেক্টাল ক্যান্সার সচেতনতা মাস-২০২৬ উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত কোতোয়ালী থানার চাঞ্চল্যকর সন্ত্রাসী হামলায় যুবকের কবজি বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনায় ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অন্যতম আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র‌্যাব-৯, সিলেট পাহাড়ের বৈচিত্র্যে মানবিক ঐক্যের সুর: বিজু-সাংগ্রাই-বৈসু-বিষু-চাংক্রান চা-শ্রমিকরা দেশের সম্পদ, তাদের জীবনমান উন্নয়ন জরুরি:- ডিসি জাহিদ চট্টগ্রামে শয়তানের নিঃশ্বাস তৈরীর কারিগর বেলাল গ্রেপ্তার রূপ পাল্টেও হয়নি শেষ রক্ষা, অবশেষে গ্রেফতার মুহসিন কলেজের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ক্যাডার সাদিক আব্দুল্লাহ। সব ধর্মের মানুষদের জন্য নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়তে চাই :- মেয়র ডা. শাহাদাত কোস্ট গার্ডের তাৎক্ষণিক অভিযানে রক্ষা পেলেন নিউজিল্যান্ডের পর্যটকরা নগরীতে হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হওয়া মামলাসহ ১৮টি মামলার এজাহারনামীয় আসামী কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী তুহিন গ্রেফতার পাঁচবিবিতে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন, উপকৃত হবেন স্থানীয় কৃষকরা পাইকগাছায় বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত বাকলিয়ায় গুলিবর্ষণকারী অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী শ্যুটার ফারুক গ্রেফতার গণভোটের অধিকার ফেরানোর দাবি: লালমনিরহাটে ১১ দলীয় জোটের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ রূপগঞ্জে অনুমতি ছাড়াই ভোজ্যতেল ব্র্যান্ডিং দুই প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা সীমান্তে ১৫ বিজিবির অ্যাকশন: মাদক ও বিপুল পরিমাণ ডিজেলসহ কারবারি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় ঝুট দখল নিয়ে যুবদলের দুই গ্রুপে বন্দুকযুদ্ধ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০ টাঙ্গাইলের মধুপুরে খাল খনন উদ্বোধন ঢাকায় সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমী গ্রেফতার: কড়া নিরাপত্তায় আনা হলো লালমনিরহাটে ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয়তায় উৎসব পালনের আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর… ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে আশ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ নোয়াখালীতে ৩ হাজার লিটার অবৈধ জ্বালানি ডিজেল জব্দ মোংলায় জাতীয় গোয়েন্ধা সংস্থার সংবাদে অবৈধ তেলের গোডাউনে র‌্যাবের অভিযান বিজিবির হস্তক্ষেপে দেশে ফিরল লাশ: পাটগ্রামে আলী হোসেনের মরদেহ বুঝে নিল পরিবার

নগরীতে জলাবদ্ধতা প্রকল্পে ভবন ভাঙায় আতঙ্কে ৪৪ পরিবার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:08:26 pm, Tuesday, 7 April 2026
  • 14 বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অনুকূলে বরাদ্দপ্রাপ্ত জমিতে নির্মিত ‘সাফ জাফর ভিলা’ নামের ১২তলা ভবনে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন ৪৪টি পরিবার। ভবনটির পাশ দিয়ে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ভবনের পেছনের অংশে বিএস শিট অনুযায়ী খালের প্রকৃত প্রস্থ পশ্চিমে ৫১ ফিট ও পূর্বে ৪৮ ফিট। কিন্তু সিডিএ সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ৫৮ ফুট দাবি করে পশ্চিম দিকে ভবনের ৮ ফিট অংশ ভেঙে ফেলে। একইভাবে পূর্ব দিকে ৬ ফিট অংশও ভেঙে ফেলা হয়।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির হাউস-১৮, রোড-৪ এর ফ্ল্যাট ও প্লট ওনার্সের পক্ষে হুমায়ন কবির চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল, মোয়াজ্জেম হোসেন, কাদের নেওয়াজ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ও সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

তাদের দাবি, ভবনটি খালের মধ্যে পড়ে না বরং আইন মেনেই নির্মাণ করা হয়েছে। তবুও তথ্য বিকৃতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জোর প্রয়োগ করে ৪৪টি পরিবারের একমাত্র আশ্রয়স্থল আংশিকভাবে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবারগুলো চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ভবনটি একটি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি হওয়ায় এ ভাঙচুরের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও অবমাননা করা হয়েছে। ভাঙচুরের ফলে ৪৪টি পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। নারী, শিশু, রোগী ও বয়স্করা মানবিক সংকটে রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো, অবিলম্বে ভাঙচুর বন্ধ, হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪টি পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের অনিয়ম তদন্ত করা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফ-উখিয়ার জনগণ নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছে, অপহরণ, মাদক ও মানব পাচার, বন্ধের পদক্ষেপ – কবীর ছিদ্দিকী।

নগরীতে জলাবদ্ধতা প্রকল্পে ভবন ভাঙায় আতঙ্কে ৪৪ পরিবার

আপডেট সময় : 04:08:26 pm, Tuesday, 7 April 2026

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অনুকূলে বরাদ্দপ্রাপ্ত জমিতে নির্মিত ‘সাফ জাফর ভিলা’ নামের ১২তলা ভবনে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছেন ৪৪টি পরিবার। ভবনটির পাশ দিয়ে ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্প’ বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ভবনের পেছনের অংশে বিএস শিট অনুযায়ী খালের প্রকৃত প্রস্থ পশ্চিমে ৫১ ফিট ও পূর্বে ৪৮ ফিট। কিন্তু সিডিএ সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ৫৮ ফুট দাবি করে পশ্চিম দিকে ভবনের ৮ ফিট অংশ ভেঙে ফেলে। একইভাবে পূর্ব দিকে ৬ ফিট অংশও ভেঙে ফেলা হয়।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের এস রহমান হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির হাউস-১৮, রোড-৪ এর ফ্ল্যাট ও প্লট ওনার্সের পক্ষে হুমায়ন কবির চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা কামাল, মোয়াজ্জেম হোসেন, কাদের নেওয়াজ, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম ও সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।

তাদের দাবি, ভবনটি খালের মধ্যে পড়ে না বরং আইন মেনেই নির্মাণ করা হয়েছে। তবুও তথ্য বিকৃতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও জোর প্রয়োগ করে ৪৪টি পরিবারের একমাত্র আশ্রয়স্থল আংশিকভাবে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। এতে পরিবারগুলো চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানান তারা।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ভবনটি একটি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সম্পত্তি হওয়ায় এ ভাঙচুরের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও অবমাননা করা হয়েছে। ভাঙচুরের ফলে ৪৪টি পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। নারী, শিশু, রোগী ও বয়স্করা মানবিক সংকটে রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলন থেকে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো, অবিলম্বে ভাঙচুর বন্ধ, হাইকোর্টের আদেশ বাস্তবায়ন, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪টি পরিবারের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের অনিয়ম তদন্ত করা।