
ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম:
র্যাব-৭, পতেঙ্গা, চট্টগ্রামের নিকট গত ২০১৮, ২০২০ এবং ২০২৪ সালে দক্ষিণ বঙ্গপসাগর উপকূলীয় অঞ্চল থেকে আত্মসমর্পণকৃত ১২৭ জন আলোর পথের অভিযাত্রীদের মাঝে মহা-পরিচালক র্যাব ফোর্সেস এর পক্ষ থেকে অধিনায়ক র্যাব-৭, চট্টগ্রাম কর্তৃক পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে উপহার সামগ্রী বিতরণ এবং তাদের বর্তমান জীবন যাপনের উপর বিশেষ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
র্যাব-৭, চট্টগ্রামের বিশেষ অভিযান এবং নিবিড় তত্বাবধাণের মাধ্যমে গত ২০১৮ এবং ২০২০ সালের ৭৭ জন জলদস্যুকে আত্মসমর্পণ করাতে সক্ষম হয় এবং তাদের আত্মসমর্পণ পরবর্তী সময়ে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম কর্তৃক বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সহযোগিতার মাধ্যমে তারা স্বাভাবিক জীবন যাপনে ফিরে আসে। উপকুলীয় এলাকায় ডাকাতি, জলদস্যুতাসহ নানামূখী অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর বিকল্প ব্যবস্থা হিসাবে ২০২৪ সালে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম আরোও ৫০ জন জলদস্যুকে আত্মসমর্পণ করাতে সক্ষম হয়।
র্যাব-৭, চট্টগ্রাম উল্লেখিত জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের পর থেকে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন সময়ে তাদেরকে ঈদ সামগ্রী উপহার এবং প্রণোদনা প্রদান করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১৮ মার্চ ২০২৬ইং, রোজ বুধবার ১১০০ ঘটিকায় মহাপরিচালক, র্যাব ফোর্সেস এর পক্ষ থেকে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, বাঁশখালী এবং পেকুয়া উপকূলীয় অঞ্চলের আত্মসমর্পণকৃত আলোর পথের অভিযাত্রীদের মাঝে র্যাব-৭, পতেঙ্গা, চট্টগ্রামের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এলিট হল পতেঙ্গা, চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী বিতরণ এবং তাদের বর্তমান জীবন যাপনের উপর একটি বিশেষ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
এসময় লেঃ কর্ণেল মোঃ হাফিজুর রহমান, পিএসসি, অধিনায়ক, র্যাব-৭, চট্টগ্রাম এবং র্যাব-৭, চট্টগ্রামে কর্মরত অফিসার র্ফোস, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্মানিত সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য যে, আত্মসমর্পণকৃত জলদস্যুরা র্যাবের এরুপ কল্যাণমূলক কর্মকান্ডে সন্তুষ্টি প্রকাশ ও অপকর্ম থেকে ফিরে এসে সুন্দর ও স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপনের অনুপ্রেরণা যোগানোর কথা প্রকাশ করে।
























