
শেরপুর প্রতিনিধি:
শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০০ র অধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং কিছু সময়ের জন্য জনজীবনে বিপর্যস্ত সৃষ্টি হয়। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলা স্টেডিয়ামে ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসন ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের একটি কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় জামাতের অধিক নেতাকর্মী আগমনে বিএনপি নেতাকর্মীর বসার চেয়ারের সংকট শুরু কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গিয়ে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, চেয়ারের ছোড়াছুড়ি এবং সংঘর্ষে রূপ নেয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এবং আশংকা জনকদেরকে শেরপুর সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর- ৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, “ঝিনাইগাতীতে শান্তিপূর্ণ ইশতেহার ঘোষণার কর্মসূচিতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, যা দুঃখজনক।” তিনি আরও বলেন,“আমরা চাই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে হোক। মানুষ আস্থা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে, সহিংসতার মাধ্যমে নয়।”
এ বিষয়ে শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সূরা সদস্য হাফেজ জাকারিয়া মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন বলেন, “আমাদের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার পর পুলিশ ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে টহল জোরদার করেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সংঘর্ষে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
























