Dhaka , Sunday, 18 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে এলাকা ভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল পাইকগাছার কপিলমুনিতে আরব আমিরাত সরকারের ত্রাণ ও কম্বল বিতরণ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে ২টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও ৪ রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী সৈকত ভোটের মাঠে আসায় ধানের শীষের পরাজয়ের সম্ভাবনা চরভদ্রাসনে কিশোরীর বাড়ীতে হামলায় প্রধান দুই আসামী চরভদ্রাসন থানা পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার। কক্সবাজারে স্বামীর দাপটে অফিস করেন না তানজিনা!  সতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ম্যাজিস্ট্রটকে কঠিন হুশিয়ারি হিলিতে শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ চরভদ্রাসন থানার ওসি আনোয়ার হোসেনের দুর্গম চরে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে মতবিনিময় সভা ও ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন। রূপগঞ্জের বাঘবের আইডিয়াল হাইস্কুল ও হাজী মোঃ ইদ্রিস আলী কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষাসফর অনুষ্ঠিত শহরকে সুন্দর রাখতে খালের পাড়ে ও যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের জাজিরায় ইকরা ক্যাডেট মাদরাসায় হাফেজ ছাত্রদের পাগরি প্রদান ও বাৎসরিক মাহফিল চলমান সংকট নিরসনে ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা’র প্রস্তাবনা: নারায়ণগঞ্জে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থেকে ৬ টি অস্ত্রসহ গোলাবারুদ উদ্ধার, গ্রেফতার ২ মুন্সী বাড়ি নূরানী হাফেজিয়া মাদরাসার শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গণভোট ২০২৬ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে কক্সবাজারে সভা ও প্রচার কার্যক্রম লক্ষ্মীপুরে জামায়াত বিএনপি সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলা হরিপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র উপজেলা কার্যালয় উদ্বোধন নোয়াখালীতে ৬ মামলার আসামিকে পিটিয়ে হত্যা, ডাকাত আখ্যা দিয়ে মিষ্টি বিতরণ পাবনায় দুটি অস্ত্র, গুলি ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামসহ আটক- ১ সিদ্ধিরগঞ্জে ক্যানেল থেকে ড্রামভর্তি অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার সিদ্ধিরগঞ্জে যুবকের আত্মহত্যা গাজীপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিলো প্রশাসন- কনের বাবাকে কারাদণ্ড খালেদা জিয়া ছিলেন জাতির ঐক্যের আহ্বায়ক: সাভারে আমান উল্লাহ আমান পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে তিন সহস্রাধিক দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ পাইকগাছায় সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে কাঠ বোঝাই ভ্যান উল্টে চালক নিহত নোয়াখালীতে পিকআপ–অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৩ চন্দনাইশে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা

কক্সবাজারে স্বামীর দাপটে অফিস করেন না তানজিনা! 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:44:57 pm, Sunday, 18 January 2026
  • 3 বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার অফিস:
এতিম ও দুস্থ শিশুদের আশ্রয়ের শেষ ঠিকানা সরকারি শিশু পরিবার। কিন্তু কক্সবাজার সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনস্থ খরুলিয়ার সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) যেন ব্যক্তিগত ইচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে। এখানকার উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন মাসের অধিকাংশ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। দীর্ঘ চার মাসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তানজিনা আফরিন মাসে মাত্র ৩ থেকে ৪ দিন অফিসে আসেন এবং অবস্থান করেন বড়জোর ৩০ থেকে ৬০ মিনিট।
অভিযোগ উঠেছে, তাঁর স্বামী কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিজাম উদ্দীন আহমেদ জেলা প্রশাসনের উচ্চপদে থাকায় ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন তানজিনা। গত সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সরেজমিনে অন্তত ২০ বার ওই কার্যালয়ে গিয়েও তানজিনা আফরিনের দেখা পাওয়া যায়নি।
হাজিরা খাতা ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি সপ্তাহে একদিনও নিয়মিত অফিস করেন না। মাঝেমধ্যে বিকেল ৫টার পর ব্যক্তিগত গাড়িতে করে এসে কিছু সময়ের জন্য সই-স্বাক্ষরেরকাজ সেরে আবার বেরিয়ে যান। প্রতিবেদক বারবার তাঁর সাথে দেখা করার চেষ্টা করলেও তিনি ‘শিশুদের জন্য বাজার করছেন’ এমন অযুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে গেছেন। পরে জানা যায়, দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি শিখিয়ে দিয়েছেন যাতে কেউ তাঁর খোঁজ করলে ‘বাজারের কাজে বাইরে আছেন’ বলে জানানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মচারী জানান, তানজিনা আফরিন যোগদানের পর থেকেই এই অনিয়ম নিয়মে পরিণত হয়েছে। কেউ কিছু বললে তিনি দাম্ভিকতার সুরে বলেন, ‘মানুষের ৩০-৩৫ বছর চাকরি করে যে অভিজ্ঞতা হয়, আমার তার চেয়ে বেশি আছে। সুতরাং আমার নিয়মিত অফিস করার দরকার নেই।’
এমনকি সমাজসেবা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে অবগত থাকলেও এডিসি নিজাম উদ্দীনের রোষানলে পড়ার ভয়ে কেউ ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছেন না।
জানা গেছে, একবার অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বললে এডিসি নিজাম উদ্দীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন। সরকারি শিশু পরিবারে ১০০ জন বালিকার বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৯৫ জন। প্রত্যেকের জন্য মাসে খাবার বাবদ ৪ হাজার এবং শিক্ষা উপকরণের জন্য ১ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এনজিও থেকেও নিয়মিত বড় অংকের অনুদান আসে।
অভিযোগ রয়েছে, এই বিশাল অংকের অর্থের সঠিক হিসাব রাখা হয় না। নিয়ম অনুযায়ী ৬-৯বছর বয়সী এতিম ও অতি অসচ্ছল বালিকাদের ভর্তির কথা থাকলেও, বাস্তবে সচ্ছল ও বাবা-মা জীবিত আছে এমন শিশুদেরও এখানে ভর্তি রাখা হয়েছে।
সূত্র বলছে, এনজিওর অনুদান দিয়েই অনেক খরচ চালানো হলেও সরকারি বরাদ্দের বড় একটি অংশ তছরুপ হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন দাবি করেন, তিনি প্রায়শই দাপ্তরিক কাজ ‘বাসায় বসে’ সম্পাদন করেন এবং বাকি সময় হোস্টেলের বাজার ও মিটিংয়ের কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁকে কার্যালয়ে পাওয়া যায় না।
তবে সরেজমিনে তাঁর এই দাবির কোনো সত্যতা মেলেনি; বরং অনুসন্ধানে দেখা গেছে তিনি মাঝেমধ্যে কেবল বিকেল ৫টার পর নামমাত্র সময়ের জন্য দপ্তরে আসেন। তাঁর এই রহস্যজনক অনুপস্থিতির বিষয়ে বক্তব্য নিতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে একাধিকবার সরাসরি ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সুকৌশলে তা এড়িয়ে গেছেন: এমনকি পূর্বনির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী তাঁর আমন্ত্রণে দপ্তরে গিয়েও তাঁকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, সরকারি শিশু পরিবারের হোস্টেলগুলোতে সপ্তাহে ৭ দিনই কর্মঘণ্টা নির্ধারিত। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকা বাধ্যতামূলক। এর ব্যত্যয় ঘটা সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করার শামিল।
অন্যদিকে, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সফি উদ্দিন বলেন, ‘একজন উপ-তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। কেউ যদি মাসে মাত্র ৪-৫দিন অফিস করেন, তবে সেটি গুরুতর অপরাধ। আমরা এই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বিধি-অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেব।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে এলাকা ভিত্তিক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

কক্সবাজারে স্বামীর দাপটে অফিস করেন না তানজিনা! 

আপডেট সময় : 06:44:57 pm, Sunday, 18 January 2026
কক্সবাজার অফিস:
এতিম ও দুস্থ শিশুদের আশ্রয়ের শেষ ঠিকানা সরকারি শিশু পরিবার। কিন্তু কক্সবাজার সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনস্থ খরুলিয়ার সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) যেন ব্যক্তিগত ইচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে। এখানকার উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন মাসের অধিকাংশ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। দীর্ঘ চার মাসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তানজিনা আফরিন মাসে মাত্র ৩ থেকে ৪ দিন অফিসে আসেন এবং অবস্থান করেন বড়জোর ৩০ থেকে ৬০ মিনিট।
অভিযোগ উঠেছে, তাঁর স্বামী কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিজাম উদ্দীন আহমেদ জেলা প্রশাসনের উচ্চপদে থাকায় ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন তানজিনা। গত সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সরেজমিনে অন্তত ২০ বার ওই কার্যালয়ে গিয়েও তানজিনা আফরিনের দেখা পাওয়া যায়নি।
হাজিরা খাতা ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি সপ্তাহে একদিনও নিয়মিত অফিস করেন না। মাঝেমধ্যে বিকেল ৫টার পর ব্যক্তিগত গাড়িতে করে এসে কিছু সময়ের জন্য সই-স্বাক্ষরেরকাজ সেরে আবার বেরিয়ে যান। প্রতিবেদক বারবার তাঁর সাথে দেখা করার চেষ্টা করলেও তিনি ‘শিশুদের জন্য বাজার করছেন’ এমন অযুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে গেছেন। পরে জানা যায়, দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি শিখিয়ে দিয়েছেন যাতে কেউ তাঁর খোঁজ করলে ‘বাজারের কাজে বাইরে আছেন’ বলে জানানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মচারী জানান, তানজিনা আফরিন যোগদানের পর থেকেই এই অনিয়ম নিয়মে পরিণত হয়েছে। কেউ কিছু বললে তিনি দাম্ভিকতার সুরে বলেন, ‘মানুষের ৩০-৩৫ বছর চাকরি করে যে অভিজ্ঞতা হয়, আমার তার চেয়ে বেশি আছে। সুতরাং আমার নিয়মিত অফিস করার দরকার নেই।’
এমনকি সমাজসেবা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে অবগত থাকলেও এডিসি নিজাম উদ্দীনের রোষানলে পড়ার ভয়ে কেউ ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছেন না।
জানা গেছে, একবার অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বললে এডিসি নিজাম উদ্দীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন। সরকারি শিশু পরিবারে ১০০ জন বালিকার বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৯৫ জন। প্রত্যেকের জন্য মাসে খাবার বাবদ ৪ হাজার এবং শিক্ষা উপকরণের জন্য ১ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এনজিও থেকেও নিয়মিত বড় অংকের অনুদান আসে।
অভিযোগ রয়েছে, এই বিশাল অংকের অর্থের সঠিক হিসাব রাখা হয় না। নিয়ম অনুযায়ী ৬-৯বছর বয়সী এতিম ও অতি অসচ্ছল বালিকাদের ভর্তির কথা থাকলেও, বাস্তবে সচ্ছল ও বাবা-মা জীবিত আছে এমন শিশুদেরও এখানে ভর্তি রাখা হয়েছে।
সূত্র বলছে, এনজিওর অনুদান দিয়েই অনেক খরচ চালানো হলেও সরকারি বরাদ্দের বড় একটি অংশ তছরুপ হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন দাবি করেন, তিনি প্রায়শই দাপ্তরিক কাজ ‘বাসায় বসে’ সম্পাদন করেন এবং বাকি সময় হোস্টেলের বাজার ও মিটিংয়ের কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁকে কার্যালয়ে পাওয়া যায় না।
তবে সরেজমিনে তাঁর এই দাবির কোনো সত্যতা মেলেনি; বরং অনুসন্ধানে দেখা গেছে তিনি মাঝেমধ্যে কেবল বিকেল ৫টার পর নামমাত্র সময়ের জন্য দপ্তরে আসেন। তাঁর এই রহস্যজনক অনুপস্থিতির বিষয়ে বক্তব্য নিতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে একাধিকবার সরাসরি ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সুকৌশলে তা এড়িয়ে গেছেন: এমনকি পূর্বনির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী তাঁর আমন্ত্রণে দপ্তরে গিয়েও তাঁকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, সরকারি শিশু পরিবারের হোস্টেলগুলোতে সপ্তাহে ৭ দিনই কর্মঘণ্টা নির্ধারিত। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকা বাধ্যতামূলক। এর ব্যত্যয় ঘটা সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করার শামিল।
অন্যদিকে, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সফি উদ্দিন বলেন, ‘একজন উপ-তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। কেউ যদি মাসে মাত্র ৪-৫দিন অফিস করেন, তবে সেটি গুরুতর অপরাধ। আমরা এই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বিধি-অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেব।