Dhaka , Sunday, 10 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে জলাবদ্ধতা শীর্ষক সেমিনারে ডা. শাহাদাত হোসেন গাজীপুরে ৫ হত্যা: আগেই হত্যার হুমকি দিয়েছিল ফুরকান পাইকগাছায় অবৈধভাবে লবণ পানি উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন নির্বাচনী প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রূপগঞ্জে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেয়া বহু মামলার আসামি শামীম মিয়া কক্সবাজারে গ্রেফতার লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতার চাঁদাবাজি মামলায় যুবদল নেতা গ্রেপ্তার পাইকগাছায় বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস পালন সীমান্তে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: লালমনিরহাটে ১৫ বিজিবির বিশেষ সতর্কতা ও মাইকিং মাহমুদ ক্যালিগ্রাফি সেন্টারের আয়োজনে হয়ে গেলো ব্যতিক্রমধর্মী ক্যালিগ্রাফি আর্ট ক্যাম্প যুদ্ধ থামলে বদলে যাবে বিশ্ব রাজনীতির সমীকরণ: নতুন বিশ্বব্যবস্থার ইঙ্গিত রূপগঞ্জে রংতুলি ব্লাড ফাউন্ডেশনের ফ্রি ব্লাড গ্রুপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা ক্যাম্পিং চট্টগ্রামের মহেশখালীতে আশ বাজারের ১৬তম আউটলেট উদ্বোধন কে সি দে ইনস্টিটিউট অফিসার্স ক্লাবের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সাধারণ সম্পাদক হলেন সাবেক জেলা নাজির জামাল উদ্দিন জনগণই দেশের মালিক, তাদের সেবা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য:- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি পদ পদবী নয়, দলের আদর্শ ধারণ করে জনগণের সেবাই প্রকৃত রাজনীতি:- ডা. শাহাদাত হোসেন নোয়াখালীতে ৪২ বোতল বিদেশি মদসহ ১১ মামলার আসামি গ্রেপ্তার স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে স্বামীর বাড়িতে অনশন কুড়িগ্রামের তরুণীর চিকিৎসার নামে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার পলাশে ইয়াবাসহ যুবক আটক চবির ঐতিহ্যবাহী আলাওল হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক জামালুল আকবর চৌধুরী দুর্গাপুরে ‘মুসলিম হজ ট্যুরস’-এর হজযাত্রীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও উপহার প্রদান সম্ভাবনাময় সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্র বাস্তবায়নে দ্রুত কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দাবি সম্পূর্ণ কুতুবপুর ইউনিয়নকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি ও অবস্থান কর্মসূচি ফতুল্লায় পুলিশের অভিযানে বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার ১ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গুলাবারুদসহ ৪ জলদস্যু আটক চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় হাজার মানুষের বিশাল যোগদান চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম’র দায়িত্বভার গ্রহণ রূপগঞ্জে খাল পুনঃখননের দাবিতে কৃষক-গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবির অভিযানে মাদকসহ নারী কারবারি আটক রংপুর বিভাগের দুই জেলায় র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান: ৯৪ কেজি গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩

নাগরিক সমাজের দাবি: রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসানই একমাত্র ও টেকসই সমাধান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:09:29 pm, Sunday, 24 August 2025
  • 151 বার পড়া হয়েছে

শওকত আলম, ককসবাজার :

স্থানীয়-জাতীয় সংস্থা এবং মানবিক কর্মীরা রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসনের উপর জোর দেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ এবং কক্সবাজারবাসী নতুন করে আর কোন রোহিঙ্গার ভার নিতে পারবে না।
রোববার ৮ম রোহিঙ্গা বার্ষিকী উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশন এবং সিসিএনএফ কর্তৃক “বাংলাদেশে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা: মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং টেকসই সমাধানের দিকে পদক্ষেপ” শীর্ষক একটি ওয়েবিনারে বক্তারা এসব বলেন।
সেমিনারটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোস্তফা কামাল আকন্দ এবং সদস্য সচিব সিসিএনএফ, সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
বিশিষ্ট বক্তাদের মধ্যে ছিলেন দুর্যোগ ফোরামের গওহার নঈম ওয়ারা, হোয়াইকং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর আহমদ আনোয়ারী, কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট সাকি এ কাওসার, পালংখালী ইউনিয়নের মোজাফফর আহমেদ, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক ফারুক আহমেদ, ইমাম খাইর সিনিয়র সাংবাদিক, তৌহিদ বেলাল- চেয়্যারমান সেভ দ্য কক্সবাজার, আব্দুর রহমান হাশেমী, অগ্রযাত্রার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এনজিও প্ল্যাটফর্মের আমির হোসেন এবং সুকর্ণা আবদুল্লাহ।

গওহার নঈম ওয়ারা বলেন, রোহিঙ্গা দের শরণার্থীর স্বীকৃতি না দিলে আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারবো না। শিক্ষা রোহিঙ্গা শিশুদের অধিকার যা বঞ্চিত করতে পারি না। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য স্থানীয় পন্য সামাগ্রী ও সম্পদের ব্যবহার যেন করা হয়। সর্বপরি যেন, রোহিঙ্গাদের জন্য কি কি করা হবে তার একটি রোড় ম্যাপ তৈরি করা হয়।

মোঃ শাহিনুর ইসলাম, সহকারী পরিচালক-হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স অধিবেশনের মূল নোট উপস্থাপন করেন। তিনি দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট এবং সম্ভাব্য টেকসই সমাধান উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশ উখিয়া এবং টেকনাফে প্রায় ১,১৪৮,৫২৯ জন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তাদের বেঁচে থাকার জন্য সম্পূর্ণরূপে মানবিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল এবং সাম্প্রতিক তহবিল হ্রাসের কারণে মানবিক সংস্থাগুলো সহায়তা হ্রাস করতে বাধ্য হচ্ছে। তার সুপারিশগুলোতে তিনি বলেন, সরকারকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত এবং কোনও দায়মুক্তি দেওয়া উচিত নয় ।

সাকি এ কাউসার বলেন, কক্সবাজারের মামলা জটের মূল কারন রোহিঙ্গা শরনার্থী। রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারে ইয়াবা, ধর্ষণ, মানবপাচারের মামলার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এতো সংখ্যক মামলার কারণে মামলাগুলো আর আগাচ্ছে না। তিনি, এই সমস্যা সমাধানে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা আদালত তৈরির কথা বলেন।

নূর আহমদ আনোয়ারী বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ২৫% তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে আইন শৃংঙ্খলার অবনতি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হলো একমাত্র চুড়ান্ত এবং টেকসই সমাধান।

মোজাফফর আহমেদ বলেন, যেই রোহিঙ্গা শিশুটা ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে জন্ম নিয়েছিল, আজ তার অনেকগুলো চাহিদা হয়েছে। খাদ্য, বাসস্থান ও শিক্ষার দরকার। কাজেই মানবিক সহায়তায় কোনভাবেই কাটছাট কাম্য নয়। বরং টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য যদি মানবিক সহয়তা বাড়ানো না হয়, তাহলে তার চাপ স্থানীয় মানুষের মধ্যে এসে পরবে। তাই তিনি, বৈদেশিক সহায়তা বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ইমাম খাইর বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা আজ দাবির মধ্যে রয়ে গেছে। আগামী নির্বাচিত সরকারের উচিত হবে এটাকে সমাধান করা।

সেভ দ্য কক্সবাজার-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক তৌহিদ বেলাল বলেন, উখিয়া-টেকনাফের বড় সমস্যা সূপেয় পানির সমস্যা। এর জন্য তিনি মাস্টার প্লানের দাবি করেন।
মোহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ক্যাম্পের নিরাপত্তা ভংগুর এবং ক্যাম্পে বিভিন্ন সঅস্ত্র দল সক্রিয় যা প্রত্যাবাসনকে বিলম্বিত করছে। তাই তিনি তৃতীয় দেশে প্রত্যাবাসন ও রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার কথা বলেন। আব্দুর রহমান হাশেমী বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কক্সবাজারবাসি নতুন করে আর একজন রোহিঙ্গার ভারও নিতে পারবে না।

এনজিও প্লাটফর্মের আমির হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বরোপ করেন। তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, স্থানীয়দের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সুকর্ণা আব্দুল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্যের সুরক্ষা ও স্থায়ী সমাধানের উপর জোর দিকে হবে। স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের কথা বিবেচনায় নিতে হবে। এই জন্য আঞ্চলিক পর‌্যায়ের বিশেষ করে আসিয়ানকে কাজে লাগাতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে জলাবদ্ধতা শীর্ষক সেমিনারে ডা. শাহাদাত হোসেন

নাগরিক সমাজের দাবি: রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসানই একমাত্র ও টেকসই সমাধান

আপডেট সময় : 04:09:29 pm, Sunday, 24 August 2025

শওকত আলম, ককসবাজার :

স্থানীয়-জাতীয় সংস্থা এবং মানবিক কর্মীরা রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসনের উপর জোর দেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ এবং কক্সবাজারবাসী নতুন করে আর কোন রোহিঙ্গার ভার নিতে পারবে না।
রোববার ৮ম রোহিঙ্গা বার্ষিকী উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশন এবং সিসিএনএফ কর্তৃক “বাংলাদেশে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা: মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং টেকসই সমাধানের দিকে পদক্ষেপ” শীর্ষক একটি ওয়েবিনারে বক্তারা এসব বলেন।
সেমিনারটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোস্তফা কামাল আকন্দ এবং সদস্য সচিব সিসিএনএফ, সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
বিশিষ্ট বক্তাদের মধ্যে ছিলেন দুর্যোগ ফোরামের গওহার নঈম ওয়ারা, হোয়াইকং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর আহমদ আনোয়ারী, কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট সাকি এ কাওসার, পালংখালী ইউনিয়নের মোজাফফর আহমেদ, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক ফারুক আহমেদ, ইমাম খাইর সিনিয়র সাংবাদিক, তৌহিদ বেলাল- চেয়্যারমান সেভ দ্য কক্সবাজার, আব্দুর রহমান হাশেমী, অগ্রযাত্রার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এনজিও প্ল্যাটফর্মের আমির হোসেন এবং সুকর্ণা আবদুল্লাহ।

গওহার নঈম ওয়ারা বলেন, রোহিঙ্গা দের শরণার্থীর স্বীকৃতি না দিলে আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারবো না। শিক্ষা রোহিঙ্গা শিশুদের অধিকার যা বঞ্চিত করতে পারি না। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য স্থানীয় পন্য সামাগ্রী ও সম্পদের ব্যবহার যেন করা হয়। সর্বপরি যেন, রোহিঙ্গাদের জন্য কি কি করা হবে তার একটি রোড় ম্যাপ তৈরি করা হয়।

মোঃ শাহিনুর ইসলাম, সহকারী পরিচালক-হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স অধিবেশনের মূল নোট উপস্থাপন করেন। তিনি দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট এবং সম্ভাব্য টেকসই সমাধান উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশ উখিয়া এবং টেকনাফে প্রায় ১,১৪৮,৫২৯ জন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তাদের বেঁচে থাকার জন্য সম্পূর্ণরূপে মানবিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল এবং সাম্প্রতিক তহবিল হ্রাসের কারণে মানবিক সংস্থাগুলো সহায়তা হ্রাস করতে বাধ্য হচ্ছে। তার সুপারিশগুলোতে তিনি বলেন, সরকারকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত এবং কোনও দায়মুক্তি দেওয়া উচিত নয় ।

সাকি এ কাউসার বলেন, কক্সবাজারের মামলা জটের মূল কারন রোহিঙ্গা শরনার্থী। রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারে ইয়াবা, ধর্ষণ, মানবপাচারের মামলার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এতো সংখ্যক মামলার কারণে মামলাগুলো আর আগাচ্ছে না। তিনি, এই সমস্যা সমাধানে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা আদালত তৈরির কথা বলেন।

নূর আহমদ আনোয়ারী বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ২৫% তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে আইন শৃংঙ্খলার অবনতি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হলো একমাত্র চুড়ান্ত এবং টেকসই সমাধান।

মোজাফফর আহমেদ বলেন, যেই রোহিঙ্গা শিশুটা ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে জন্ম নিয়েছিল, আজ তার অনেকগুলো চাহিদা হয়েছে। খাদ্য, বাসস্থান ও শিক্ষার দরকার। কাজেই মানবিক সহায়তায় কোনভাবেই কাটছাট কাম্য নয়। বরং টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য যদি মানবিক সহয়তা বাড়ানো না হয়, তাহলে তার চাপ স্থানীয় মানুষের মধ্যে এসে পরবে। তাই তিনি, বৈদেশিক সহায়তা বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ইমাম খাইর বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা আজ দাবির মধ্যে রয়ে গেছে। আগামী নির্বাচিত সরকারের উচিত হবে এটাকে সমাধান করা।

সেভ দ্য কক্সবাজার-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক তৌহিদ বেলাল বলেন, উখিয়া-টেকনাফের বড় সমস্যা সূপেয় পানির সমস্যা। এর জন্য তিনি মাস্টার প্লানের দাবি করেন।
মোহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ক্যাম্পের নিরাপত্তা ভংগুর এবং ক্যাম্পে বিভিন্ন সঅস্ত্র দল সক্রিয় যা প্রত্যাবাসনকে বিলম্বিত করছে। তাই তিনি তৃতীয় দেশে প্রত্যাবাসন ও রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার কথা বলেন। আব্দুর রহমান হাশেমী বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কক্সবাজারবাসি নতুন করে আর একজন রোহিঙ্গার ভারও নিতে পারবে না।

এনজিও প্লাটফর্মের আমির হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বরোপ করেন। তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, স্থানীয়দের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সুকর্ণা আব্দুল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্যের সুরক্ষা ও স্থায়ী সমাধানের উপর জোর দিকে হবে। স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের কথা বিবেচনায় নিতে হবে। এই জন্য আঞ্চলিক পর‌্যায়ের বিশেষ করে আসিয়ানকে কাজে লাগাতে হবে।