Dhaka , Friday, 29 August 2025
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নৈতিকতা ও সামাজিক জীবনধারায় ওসি নাজমুল আলম জনগণের পাশে  সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি রাজাপুরে নবাগত ইউএনওকে যুবদল ও ইসলামি আন্দোলনের শুভেচ্ছা সাতকানিয়ায় ৮০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার সাভার আশুলিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৯ জন রূপগঞ্জে প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পাবনায় ১শ ৮০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ” মাসকলাই বীজ ও সার” বিতরণ জামায়াতে ইসলামী  নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে : বকুল কালিয়াকৈরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত  সদরপুরে বাইশরশি শিব সুন্দরী একাডেমীতে দুঃসাহসিক চুরি  সিলেটে ওসিসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ রূপগঞ্জে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাসান আলীর সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে গ্যাসের চার শতাধিক অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হাটহাজারিতে শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিতকরণে প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময়।  দেশের জনগন বুঝে না  পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন  রাজাপুরে ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বিমানবন্দর সড়ক সম্প্রসারণে ফ্লাইওভার নির্মাণের বিষয় বিবেচনা করবে চসিক :- মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে কিশোর রাকিব হত্যা ও দুই চাঁদাবাজি মামলার আসামি গ্রেফতার সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল কর্তৃক ৭০ লক্ষ টাকার ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার জোর প্রচেষ্টায় রামগঞ্জে স্থাপিত হচ্ছে মিনি স্টেডিয়াম মির্জাপুরে শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে করণীয় সম্পর্কে মতবিনিময় সভা রাস্তা পাকা করার দাবিতে তথ্য উপদেষ্টার ইউনিয়ন বাসির মানববন্ধন স্টাফ কোয়ার্টার-সারুলিয়া রোডে ছিনতাইয়ের রাজত্ব: গভীর রাতে অটোরিকশায় হামলা, পুলিশের টহল বাড়ানোর দাবি এলাকাবাসীর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি সেভ দ্য কক্সবাজারের মানববন্ধন দুই মসজিদ ও এক মন্দির বরাদ্দ পেলো রেলের জমি রামগঞ্জে বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ভোটার বাদ দেওয়ার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন হিজাবী ছাত্রীদের ক্লাস থেকে বের করে দেওয়া এবং দাড়ি রাখায় তিন কনস্টেবলকে শাস্তি প্রদান ধর্মীয় স্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন-হেফাজতে ইসলাম। ঢাকার সাভারে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কাজে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সাভার মডেল থানায় অভিযোগ ও একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। নোয়াখালীতে চালককে হত্যা অটোরিকশা ছিনতাই ঝালকাঠিতে প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নাগরিক সমাজের দাবি: রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসানই একমাত্র ও টেকসই সমাধান

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:09:29 pm, Sunday, 24 August 2025
  • 49 বার পড়া হয়েছে

শওকত আলম, ককসবাজার :

স্থানীয়-জাতীয় সংস্থা এবং মানবিক কর্মীরা রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসনের উপর জোর দেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ এবং কক্সবাজারবাসী নতুন করে আর কোন রোহিঙ্গার ভার নিতে পারবে না।
রোববার ৮ম রোহিঙ্গা বার্ষিকী উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশন এবং সিসিএনএফ কর্তৃক “বাংলাদেশে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা: মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং টেকসই সমাধানের দিকে পদক্ষেপ” শীর্ষক একটি ওয়েবিনারে বক্তারা এসব বলেন।
সেমিনারটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোস্তফা কামাল আকন্দ এবং সদস্য সচিব সিসিএনএফ, সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
বিশিষ্ট বক্তাদের মধ্যে ছিলেন দুর্যোগ ফোরামের গওহার নঈম ওয়ারা, হোয়াইকং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর আহমদ আনোয়ারী, কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট সাকি এ কাওসার, পালংখালী ইউনিয়নের মোজাফফর আহমেদ, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক ফারুক আহমেদ, ইমাম খাইর সিনিয়র সাংবাদিক, তৌহিদ বেলাল- চেয়্যারমান সেভ দ্য কক্সবাজার, আব্দুর রহমান হাশেমী, অগ্রযাত্রার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এনজিও প্ল্যাটফর্মের আমির হোসেন এবং সুকর্ণা আবদুল্লাহ।

গওহার নঈম ওয়ারা বলেন, রোহিঙ্গা দের শরণার্থীর স্বীকৃতি না দিলে আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারবো না। শিক্ষা রোহিঙ্গা শিশুদের অধিকার যা বঞ্চিত করতে পারি না। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য স্থানীয় পন্য সামাগ্রী ও সম্পদের ব্যবহার যেন করা হয়। সর্বপরি যেন, রোহিঙ্গাদের জন্য কি কি করা হবে তার একটি রোড় ম্যাপ তৈরি করা হয়।

মোঃ শাহিনুর ইসলাম, সহকারী পরিচালক-হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স অধিবেশনের মূল নোট উপস্থাপন করেন। তিনি দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট এবং সম্ভাব্য টেকসই সমাধান উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশ উখিয়া এবং টেকনাফে প্রায় ১,১৪৮,৫২৯ জন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তাদের বেঁচে থাকার জন্য সম্পূর্ণরূপে মানবিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল এবং সাম্প্রতিক তহবিল হ্রাসের কারণে মানবিক সংস্থাগুলো সহায়তা হ্রাস করতে বাধ্য হচ্ছে। তার সুপারিশগুলোতে তিনি বলেন, সরকারকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত এবং কোনও দায়মুক্তি দেওয়া উচিত নয় ।

সাকি এ কাউসার বলেন, কক্সবাজারের মামলা জটের মূল কারন রোহিঙ্গা শরনার্থী। রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারে ইয়াবা, ধর্ষণ, মানবপাচারের মামলার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এতো সংখ্যক মামলার কারণে মামলাগুলো আর আগাচ্ছে না। তিনি, এই সমস্যা সমাধানে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা আদালত তৈরির কথা বলেন।

নূর আহমদ আনোয়ারী বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ২৫% তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে আইন শৃংঙ্খলার অবনতি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হলো একমাত্র চুড়ান্ত এবং টেকসই সমাধান।

মোজাফফর আহমেদ বলেন, যেই রোহিঙ্গা শিশুটা ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে জন্ম নিয়েছিল, আজ তার অনেকগুলো চাহিদা হয়েছে। খাদ্য, বাসস্থান ও শিক্ষার দরকার। কাজেই মানবিক সহায়তায় কোনভাবেই কাটছাট কাম্য নয়। বরং টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য যদি মানবিক সহয়তা বাড়ানো না হয়, তাহলে তার চাপ স্থানীয় মানুষের মধ্যে এসে পরবে। তাই তিনি, বৈদেশিক সহায়তা বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ইমাম খাইর বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা আজ দাবির মধ্যে রয়ে গেছে। আগামী নির্বাচিত সরকারের উচিত হবে এটাকে সমাধান করা।

সেভ দ্য কক্সবাজার-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক তৌহিদ বেলাল বলেন, উখিয়া-টেকনাফের বড় সমস্যা সূপেয় পানির সমস্যা। এর জন্য তিনি মাস্টার প্লানের দাবি করেন।
মোহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ক্যাম্পের নিরাপত্তা ভংগুর এবং ক্যাম্পে বিভিন্ন সঅস্ত্র দল সক্রিয় যা প্রত্যাবাসনকে বিলম্বিত করছে। তাই তিনি তৃতীয় দেশে প্রত্যাবাসন ও রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার কথা বলেন। আব্দুর রহমান হাশেমী বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কক্সবাজারবাসি নতুন করে আর একজন রোহিঙ্গার ভারও নিতে পারবে না।

এনজিও প্লাটফর্মের আমির হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বরোপ করেন। তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, স্থানীয়দের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সুকর্ণা আব্দুল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্যের সুরক্ষা ও স্থায়ী সমাধানের উপর জোর দিকে হবে। স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের কথা বিবেচনায় নিতে হবে। এই জন্য আঞ্চলিক পর‌্যায়ের বিশেষ করে আসিয়ানকে কাজে লাগাতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নাগরিক সমাজের দাবি: রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসানই একমাত্র ও টেকসই সমাধান

আপডেট সময় : 04:09:29 pm, Sunday, 24 August 2025

শওকত আলম, ককসবাজার :

স্থানীয়-জাতীয় সংস্থা এবং মানবিক কর্মীরা রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান হিসেবে প্রত্যাবাসনের উপর জোর দেন। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে প্রয়োজন একটি পরিষ্কার রোডম্যাপ এবং কক্সবাজারবাসী নতুন করে আর কোন রোহিঙ্গার ভার নিতে পারবে না।
রোববার ৮ম রোহিঙ্গা বার্ষিকী উপলক্ষে কোস্ট ফাউন্ডেশন এবং সিসিএনএফ কর্তৃক “বাংলাদেশে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা: মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং টেকসই সমাধানের দিকে পদক্ষেপ” শীর্ষক একটি ওয়েবিনারে বক্তারা এসব বলেন।
সেমিনারটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন কোস্ট ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোস্তফা কামাল আকন্দ এবং সদস্য সচিব সিসিএনএফ, সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম।
বিশিষ্ট বক্তাদের মধ্যে ছিলেন দুর্যোগ ফোরামের গওহার নঈম ওয়ারা, হোয়াইকং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূর আহমদ আনোয়ারী, কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অ্যাডভোকেট সাকি এ কাওসার, পালংখালী ইউনিয়নের মোজাফফর আহমেদ, উখিয়া প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক ফারুক আহমেদ, ইমাম খাইর সিনিয়র সাংবাদিক, তৌহিদ বেলাল- চেয়্যারমান সেভ দ্য কক্সবাজার, আব্দুর রহমান হাশেমী, অগ্রযাত্রার মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এনজিও প্ল্যাটফর্মের আমির হোসেন এবং সুকর্ণা আবদুল্লাহ।

গওহার নঈম ওয়ারা বলেন, রোহিঙ্গা দের শরণার্থীর স্বীকৃতি না দিলে আমরা অনেক কিছু অর্জন করতে পারবো না। শিক্ষা রোহিঙ্গা শিশুদের অধিকার যা বঞ্চিত করতে পারি না। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য স্থানীয় পন্য সামাগ্রী ও সম্পদের ব্যবহার যেন করা হয়। সর্বপরি যেন, রোহিঙ্গাদের জন্য কি কি করা হবে তার একটি রোড় ম্যাপ তৈরি করা হয়।

মোঃ শাহিনুর ইসলাম, সহকারী পরিচালক-হিউম্যানিটেরিয়ান রেসপন্স অধিবেশনের মূল নোট উপস্থাপন করেন। তিনি দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট এবং সম্ভাব্য টেকসই সমাধান উপস্থাপন করেন। বাংলাদেশ উখিয়া এবং টেকনাফে প্রায় ১,১৪৮,৫২৯ জন রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। রোহিঙ্গা শরণার্থীরা তাদের বেঁচে থাকার জন্য সম্পূর্ণরূপে মানবিক সহায়তার উপর নির্ভরশীল এবং সাম্প্রতিক তহবিল হ্রাসের কারণে মানবিক সংস্থাগুলো সহায়তা হ্রাস করতে বাধ্য হচ্ছে। তার সুপারিশগুলোতে তিনি বলেন, সরকারকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা উচিত এবং কোনও দায়মুক্তি দেওয়া উচিত নয় ।

সাকি এ কাউসার বলেন, কক্সবাজারের মামলা জটের মূল কারন রোহিঙ্গা শরনার্থী। রোহিঙ্গাদের কারণে কক্সবাজারে ইয়াবা, ধর্ষণ, মানবপাচারের মামলার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। এতো সংখ্যক মামলার কারণে মামলাগুলো আর আগাচ্ছে না। তিনি, এই সমস্যা সমাধানে রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা আদালত তৈরির কথা বলেন।

নূর আহমদ আনোয়ারী বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য ২৫% তহবিল বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের কারণে আইন শৃংঙ্খলার অবনতি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসন হলো একমাত্র চুড়ান্ত এবং টেকসই সমাধান।

মোজাফফর আহমেদ বলেন, যেই রোহিঙ্গা শিশুটা ২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে জন্ম নিয়েছিল, আজ তার অনেকগুলো চাহিদা হয়েছে। খাদ্য, বাসস্থান ও শিক্ষার দরকার। কাজেই মানবিক সহায়তায় কোনভাবেই কাটছাট কাম্য নয়। বরং টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তিনি আরো বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য যদি মানবিক সহয়তা বাড়ানো না হয়, তাহলে তার চাপ স্থানীয় মানুষের মধ্যে এসে পরবে। তাই তিনি, বৈদেশিক সহায়তা বাড়ানোর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। ইমাম খাইর বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা আজ দাবির মধ্যে রয়ে গেছে। আগামী নির্বাচিত সরকারের উচিত হবে এটাকে সমাধান করা।

সেভ দ্য কক্সবাজার-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক তৌহিদ বেলাল বলেন, উখিয়া-টেকনাফের বড় সমস্যা সূপেয় পানির সমস্যা। এর জন্য তিনি মাস্টার প্লানের দাবি করেন।
মোহাম্মাদ হেলাল উদ্দিন বলেন, ক্যাম্পের নিরাপত্তা ভংগুর এবং ক্যাম্পে বিভিন্ন সঅস্ত্র দল সক্রিয় যা প্রত্যাবাসনকে বিলম্বিত করছে। তাই তিনি তৃতীয় দেশে প্রত্যাবাসন ও রোহিঙ্গা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার কথা বলেন। আব্দুর রহমান হাশেমী বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের উপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কক্সবাজারবাসি নতুন করে আর একজন রোহিঙ্গার ভারও নিতে পারবে না।

এনজিও প্লাটফর্মের আমির হোসেন বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার উপর গুরুত্বরোপ করেন। তিনি আরো বলেন, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, স্থানীয়দের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সুকর্ণা আব্দুল্লাহ বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্যের সুরক্ষা ও স্থায়ী সমাধানের উপর জোর দিকে হবে। স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের কথা বিবেচনায় নিতে হবে। এই জন্য আঞ্চলিক পর‌্যায়ের বিশেষ করে আসিয়ানকে কাজে লাগাতে হবে।