
তৌহিদুল ইসলাম চঞ্চল,
লালমনিরহাট আদর্শ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইশাকে শ্বাসরোধ করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে একই কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. রবিউল ইসলাম -৪৭- ও মো. হাবিবুর রহমান -৫৩- এর বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে সোমবার -১৬ জুন- দুপুরে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ।
অভিযুক্ত মো. রবিউল ইসলাম সদর উপজেলার পূর্ব সাপটানা নয়ারহাট — এলাকার মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
হাবিবুর রহমান উচাটাঁড়ি এলাকার মৃত আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে ও পৌরনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
অভিযোগসূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১১.৩০ মিনিটে ভুক্তভোগী অধ্যক্ষ তার অফিসে বসে নিজ দায়িত্বব পালন করছিলেন। সে সময় অভিযুক্তরা অফিস কক্ষে প্রবেশ করে তার সামনের চেয়ারে বসেন। এরপর ভুক্তভোগী ঈশার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করার যোগ্যতা নেই এমন মন্তব্য করে তাকে পদত্যাগপত্রে সই করে কলেজ ত্যাগের কথা বলেন অভিযুক্ত রবিউল । অন্যথায় ভুক্তভোগীর বিপদ হবে বলেও শাসান রবিউল। এ সময় ভুক্তভোগী নীরব থাকলে তার মা-বাবাকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন এই সহকারী অধ্যাপক। তখন ভুক্তভোগী ঈসা অভিযুক্ত রবিউলকে অফিসের ভদ্রতা মেনে চলা ও সীমা লঙ্ঘন না করার কথা কথা বলেন। এমতাবস্থায় রবিউল আরো উত্তেজিত হয়ে ভুক্তভোগ শার্টের কলার ধরে তার মুখের উপর এলোপাথাড়ি ঘুসি মারেন রবিউল। এর কিছুক্ষণ পর অভিযুক্ত হাবিবুর অধ্যক্ষ ইশার গলা চেপে ধরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। পরে একই কলেজের কিছু শিক্ষক ও কর্মচারী অধ্যক্ষ ইশাকে অভিযুক্তদের হাত থেকে উদ্ধার করেন। এরপর অভিযুক্তরা অধ্যক্ষের টেবিল থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল জোর করে ছিনিয়ে নেয় ও টেবিলের উপর ঢাকা কিছু সম্মাননা ক্রেস্ট ভাঙচুর করেন।
ভুক্তভোগী মো. ইশা বলেন, “রবিউল এর আগেও আমার অফিসে এসে টেবিল চাপড়িয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এ বিষয়ে গত মিটিংয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি -জিডি- করা হয়। আমার ভয় যদি আমি পদত্যাগ না করি তাহলে ভবিষ্যতে আমার মৃত্যু ঝুঁকি রয়েছে। “
এ বিষয়ে লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা – ওসি – মোহাম্মদ নূরনবী বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























