Dhaka , Tuesday, 1 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
‘শরীর পোশাক আমার, সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও আমার’ ১৯ বছর বয়সি মিডফিল্ডারকে দলে টানল রিয়াল মাদ্রিদ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় দুর্গাপুরে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপিত সবুজ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গঠনে ছাত্রদল নেতা ঝলকের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নোয়াখালীতে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আটক ৩ নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নোবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে পাইকগাছা পৌরসভার অভিযান: মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার পাইকগাছায় জিয়া প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টার পরিদর্শনে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা স্বামীকে খুঁজতে মধুপুরে, পাশে দাঁড়াল প্রয়াস টিম—ইউএনওর নির্দেশে বাড়ি ফেরার ব্যবস্থা বিজিবির বিশেষ অভিযান: দুর্গাপুরে ভারতীয় মদসহ ইজিবাইক জব্দ বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিলেটে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিজয়কে এবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় টিভিকে নারায়ণগঞ্জে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা ফতুল্লায় পরিত্যক্ত ফ্যাক্টরি থেকে বিদেশি রিভলবার ও গুলি উদ্ধার সেপ্টেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ ওমরা থেকে ফিরে বিএনপির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুললেন আসিফ মাহমুদ কাউখালীতে নজরুল বর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বিএসএস’র নেতৃত্বে কাদের গণি চৌধুরী: সিএমইউজে’র অভিনন্দন বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে আইপিইউ মহাসচিবের সাক্ষাৎ মধুপুরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা নরসিংদী লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ মধুপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পূর্বাচলে বেড়াতে এসে বন্ধুদের হাতে বন্ধু খুন/ লাশ উদ্ধার/ দুই বন্ধু গ্রেফতার তিস্তা-ধরলার পলিমাটির সুর ও ঐতিহ্য তুলে ধরার প্রয়াস: লালমনিরহাটে সূর্যমুখী সংগীত একাডেমির মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা বিলুপ্তির মুখে বাঙালির আবহমান কৃষ্টি: লালমনিরহাটে ঐতিহ্য ধরে রাখতে ‘দি নিউ কাজলী অপেরা পুতুল নাচ’ প্রদর্শনী খাদ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত করতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সাভারে খাদ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ জাতীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন উৎফল বড়ুয়া বেশি দামে সার বিক্রি: কলমাকান্দায় দুই ডিলারকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা রক্তস্নাত মাটিতে ৫৫ বছর পর শহীদ আব্দুল জব্বারের সমাধিতে প্রথম শ্রদ্ধাঞ্জলি সন্তোষ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলে ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন

গাজীপুরে বাজারে মাছ কেটে সংসার চালায় শতাধিক পরিবার 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:10:40 pm, Thursday, 15 May 2025
  • 134 বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরে বাজারে মাছ কেটে সংসার চালায় শতাধিক পরিবার 

উৎপল রক্ষিত, গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরে বিভিন্ন হাটে, বাজারে মাছ কেটে সাংসার চালায় শতাধিক পরিবার। বাজারে মাছ কাটাকে এখন অনেকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন। এই পেশায় অনেকেই অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। বাজার থেকে মাছ কেনার পর সেই মাছ বাসায় নিয়ে কাটা একটি ঝামেলা পূর্ণ কাজ মনে করে বাজারে টাকা দিয়ে  মাছ কেটে বাসায় নিয়ে যায়। টাকা দিয়ে হলেও ক্রেতারা  বাজার থেকেই মাছ কেটে নিতে পারছেন । অনেক মানুষ  মাছ কাটাকে পেশা হিসেবে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে। 
গাজীপুর বাজার, চৌরাস্তা বাজার, কাপাসিয়া বাজার, কালীগঞ্জ, কালিয়াকৈর বাজার, কাপাসিয়া বাজার, শ্রীপুর বাজার, বর্মী বাজার, টঙ্গী বাজার, কোনাবাড়ী বাজার, মৌচাক বাজার, ভাওয়াল মির্জাপুর বাজার, সফিপুর বাজার, বোর্ড বাজার  ছোট বড় প্রায় সব বাজারে মাছ কেটে জীবিকা অর্জন করছে। 
বিভিন্ন বাজারের শতাধিক নারী পুরুষ। মাছ কাটা পেশা হিসেবে নিয়ে একদিকে যেমন অর্থনৈতিকভাবে তাদেরকে স্বাবলম্বী করছে অন্যদিকে সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরে পেয়েছে । 
 কাঁটা মাছের বিভিন্ন উচ্ছিষ্ট অংশ নানা ধরণের শিল্পে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে করে বাড়ছে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। এক সারিতে বসে বৃহদাকৃতির বটি দিয়ে ছোট বড় প্রায় সব ধরণের মাছ কাটতে দেখা গেছে এই পেশাজীবীদের।
গতকাল বুধবার ভাওয়াল মির্জাপুর হাটে সরজমিনে দেখা যায়  ধারালো বটি নিয়ে বসে মাছ কাটতে । ক্রেতাদের মাছ কেনার পরই মাছ কাটানীদের কাছে ছুটে যায়। ক্রেতাদের ইচ্ছামত তারা মাছ কেটে, পরিষ্কার করে পলিথিন ব্যাগে ভরে দিচ্ছে। কাটানীরা বড় মাছ কেজি ১০-২০ টাকা ও ছোট মাছ প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা নিচ্ছে।
বাজারে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহকারী 
বলেন, প্রতিটি গদিতে মাছ কাটার কাজে মোট ৪/৫ জন লোক কাজ করে। এদের মধ্যে এক জন বটি ওয়ালা, একজন আইশারি ও একজন করে কাস্টমার ডেকে আনার কাজ। 
সকাল থেকে রাত  পর্যন্ত ক্রেতাদের ক্রয়কৃত মাছ তাদের চাহিদা অনুযায়ী কেটে দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন বিভিন্ন জাতের মাছ কাটে তারা জীবিকা নির্বাহ করছেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাছ কেটে প্রতিদিনই গড়ে ৬ শত টাকা থেকে হাজার টাকা আয় হয় । সংসারও ভালই চলে। অনেক বেকার ছেলে  কোন কাজ না পেয়ে মাছ কাটায় নেমে পড়েছে।  
বাজারে এক দম্পতি মাছ কাটে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহিলাকে তার স্বামী সাহায্য করে। এ দম্পতির আয় দৈনিক আটশত হতে বারশত টাকা। ভাগ্য ভালো হলে হাটের দিন ১৫০০ টাকাও হয়। এই আয় দিয়েই তাদের সংসার ভালোই চলছে। সপ্তাহে ছুটির দিনগুলোতে বাজারে ক্রেতা বেশি থাকায় কিছুটা বাড়তি আয় হয়। 
অনেক দম্পতি দুজনই চাকরি করেন বাজার থেকে মাছ কেটে নিয়ে গেলে তাদের সময়টা বেঁচে যায়। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার জন্যও রয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
 শিক্ষক দীনেশ চক্রবর্তী  বলেন, যে সব পরিবারে দুই জন চাকরিজীবি তারা সময় বাঁচানোর জন্য মাছ বাজার থেকে কেটে নিয়ে আসে। এ ছাড়াও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এখন বাজার থেকে মাছ কেটে নিয়ে আসে। 
দেশের বেকারত্বের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়ে চলছে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্হা না থাকায় বাজারে মাছ কাটাকে অনেকেই নতুন কর্মসংস্থান হিসেবে বেঁচে নিয়েছেন। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘শরীর পোশাক আমার, সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও আমার’

গাজীপুরে বাজারে মাছ কেটে সংসার চালায় শতাধিক পরিবার 

আপডেট সময় : 03:10:40 pm, Thursday, 15 May 2025
উৎপল রক্ষিত, গাজীপুর প্রতিনিধি
গাজীপুরে বিভিন্ন হাটে, বাজারে মাছ কেটে সাংসার চালায় শতাধিক পরিবার। বাজারে মাছ কাটাকে এখন অনেকেই পেশা হিসেবে নিয়েছেন। এই পেশায় অনেকেই অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। বাজার থেকে মাছ কেনার পর সেই মাছ বাসায় নিয়ে কাটা একটি ঝামেলা পূর্ণ কাজ মনে করে বাজারে টাকা দিয়ে  মাছ কেটে বাসায় নিয়ে যায়। টাকা দিয়ে হলেও ক্রেতারা  বাজার থেকেই মাছ কেটে নিতে পারছেন । অনেক মানুষ  মাছ কাটাকে পেশা হিসেবে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে। 
গাজীপুর বাজার, চৌরাস্তা বাজার, কাপাসিয়া বাজার, কালীগঞ্জ, কালিয়াকৈর বাজার, কাপাসিয়া বাজার, শ্রীপুর বাজার, বর্মী বাজার, টঙ্গী বাজার, কোনাবাড়ী বাজার, মৌচাক বাজার, ভাওয়াল মির্জাপুর বাজার, সফিপুর বাজার, বোর্ড বাজার  ছোট বড় প্রায় সব বাজারে মাছ কেটে জীবিকা অর্জন করছে। 
বিভিন্ন বাজারের শতাধিক নারী পুরুষ। মাছ কাটা পেশা হিসেবে নিয়ে একদিকে যেমন অর্থনৈতিকভাবে তাদেরকে স্বাবলম্বী করছে অন্যদিকে সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরে পেয়েছে । 
 কাঁটা মাছের বিভিন্ন উচ্ছিষ্ট অংশ নানা ধরণের শিল্পে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে করে বাড়ছে বাণিজ্যিক সম্ভাবনা। এক সারিতে বসে বৃহদাকৃতির বটি দিয়ে ছোট বড় প্রায় সব ধরণের মাছ কাটতে দেখা গেছে এই পেশাজীবীদের।
গতকাল বুধবার ভাওয়াল মির্জাপুর হাটে সরজমিনে দেখা যায়  ধারালো বটি নিয়ে বসে মাছ কাটতে । ক্রেতাদের মাছ কেনার পরই মাছ কাটানীদের কাছে ছুটে যায়। ক্রেতাদের ইচ্ছামত তারা মাছ কেটে, পরিষ্কার করে পলিথিন ব্যাগে ভরে দিচ্ছে। কাটানীরা বড় মাছ কেজি ১০-২০ টাকা ও ছোট মাছ প্রতি কেজি ৫০-৬০ টাকা নিচ্ছে।
বাজারে মাছ কেটে জীবিকা নির্বাহকারী 
বলেন, প্রতিটি গদিতে মাছ কাটার কাজে মোট ৪/৫ জন লোক কাজ করে। এদের মধ্যে এক জন বটি ওয়ালা, একজন আইশারি ও একজন করে কাস্টমার ডেকে আনার কাজ। 
সকাল থেকে রাত  পর্যন্ত ক্রেতাদের ক্রয়কৃত মাছ তাদের চাহিদা অনুযায়ী কেটে দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন বিভিন্ন জাতের মাছ কাটে তারা জীবিকা নির্বাহ করছেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মাছ কেটে প্রতিদিনই গড়ে ৬ শত টাকা থেকে হাজার টাকা আয় হয় । সংসারও ভালই চলে। অনেক বেকার ছেলে  কোন কাজ না পেয়ে মাছ কাটায় নেমে পড়েছে।  
বাজারে এক দম্পতি মাছ কাটে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মহিলাকে তার স্বামী সাহায্য করে। এ দম্পতির আয় দৈনিক আটশত হতে বারশত টাকা। ভাগ্য ভালো হলে হাটের দিন ১৫০০ টাকাও হয়। এই আয় দিয়েই তাদের সংসার ভালোই চলছে। সপ্তাহে ছুটির দিনগুলোতে বাজারে ক্রেতা বেশি থাকায় কিছুটা বাড়তি আয় হয়। 
অনেক দম্পতি দুজনই চাকরি করেন বাজার থেকে মাছ কেটে নিয়ে গেলে তাদের সময়টা বেঁচে যায়। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতার জন্যও রয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
 শিক্ষক দীনেশ চক্রবর্তী  বলেন, যে সব পরিবারে দুই জন চাকরিজীবি তারা সময় বাঁচানোর জন্য মাছ বাজার থেকে কেটে নিয়ে আসে। এ ছাড়াও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ এখন বাজার থেকে মাছ কেটে নিয়ে আসে। 
দেশের বেকারত্বের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়ে চলছে। কর্মসংস্থানের ব্যবস্হা না থাকায় বাজারে মাছ কাটাকে অনেকেই নতুন কর্মসংস্থান হিসেবে বেঁচে নিয়েছেন।