Dhaka , Monday, 13 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ২০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা, উদ্বৃত ৩কোটি টাকা টানা বর্ষণে রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইলে জলাবদ্ধতা, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ পানি উন্নয়ন বোর্ডের করা স্লুইসগেটগেলো চসিককে হস্তান্তর করা হবে: – প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই আধুনিক নারায়ণগঞ্জ গড়ে তোলা সম্ভব ।। অধ্যাপক মামুন মাহমুদ…।। ‘জুরাসিক পার্ক’ তারকা স্যাম নিল আর নেই বেলিংহামের চোট, আর্জেন্টিনা ম্যাচে খেলবেন তো? খামেনিসহ সব হত্যার বিচার নিশ্চিত করবে ইরান দেশের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করেই আইএমএফের সঙ্গে নতুন প্রোগ্রাম হবে: অর্থমন্ত্রী সাবেক প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম আর নেই কুড়িগ্রামে একসঙ্গে যমজ তিন বোনের ট্যালেন্টপুল বৃত্তি অর্জন প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার, ২৫ কোটি বৃক্ষায়ন, সবুজ হোক দেশ, সুন্দর হোক পরিবেশ নরসিংদী টানা বর্ষণে জলাবদ্বতা, বিপাকে সাধারণ মানুষ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে পাইকগাছায় ৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্ব পুরস্কার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বন্যাদুর্গতদের জন্য বিপিসির ত্রাণ প্রদান বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ রূপগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে বালু ফেলার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে , বাঁধা দেওয়ায় হামলা, আহত -১০ রূপগঞ্জে ৪৪বস্তা চিনি ও ডাকাতের কাজে ব্যবহৃত হয় একটি ট্রাকসহ ৩জন ডাকাত সদস্য গ্রেফতার সাতকানিয়ার দক্ষিণ রূপকানিয়ায় বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে জামায়াতে ইসলামী ইমারত নির্মাণ আইনের কঠোর প্রয়োগের নির্দেশ, নকশাবহির্ভূত ভবনে ‘জিরো টলারেন্স’ সাতকানিয়ায় বন্যায় নিহত শিশু ইসমাইলের পরিবারকে জামায়াতের সমবেদনা ও আর্থিক সহায়তা পানিবন্দি পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মেয়র ডা. শাহাদাত ও সংসদ সদস্যরা চমেক হাসপাতাল থেকে অপহৃত শিশু উদ্ধার, অপহরণকারী দম্পতি গ্রেফতার পাহাড়ের পাদদেশে আর কোনো বসতি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে পুনর্বাসন করা হবে:- প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মধুপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, শ্রেষ্ঠ কর্মী ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা রাজনগরের মনসুরনগরে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে এমপি এম. নাসের রহমানের ত্রাণ বিতরণ রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের বার্ষিক আনন্দভ্রমণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত হাজারের বেশি অ্যাটর্নি জেনারেলের ছবি ও ‘কণ্ঠ নকল’ করে ৬০ হাজার টাকার প্রতারণা গাছ রোপণ থেকে অধিক ফলনের প্রশিক্ষণসহ ২০ বছরের সেবা ফ্রি! ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন হালাল না হারাম, জানালেন মুফতি তাকি উসমানি

শরীয়তপুরে চাঁদাবাজির এক ভিন্ন কৌশলে নিঃস্ব আলেকজান বিবি।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:45:38 pm, Friday, 4 April 2025
  • 164 বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":1,"adjust":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

 

চাঁদাবাজির এক ভিন্ন কৌশলের শিকার হয়ে চার বছর ধরে নিঃস্ব জীবনযাপন করছেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার আক্কেল মাহমুদ মুন্সী কান্দির বাসিন্দা আলেকজান বিবি। দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং সামাজিক বাধার মুখে পড়ে তিনি নিজের বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করতে পারছেন না।

 

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, ১৯৯০ সালের ১৮ জুন দলিল নং ১৫০৪ অনুযায়ী ৫৮ নং দাগে ১৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন আলেকজান বিবি ও তাঁর স্বামী মাইন উদ্দিন চৌকিদার। বৈধভাবে রেকর্ড, নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করে তারা ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন জমি নিয়ে কোনো বিরোধ না থাকলেও ২০২১ সালে সমস্যার সূত্রপাত হয়, যখন আলেকজান বিবির ছেলে মিজানুর রহমান চৌকিদার সৌদি আরব থেকে ফিরে টিনের ঘর ভেঙে পাকা বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেন।

 

এ সময় ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দা আবু কালাম বেপারী, শাহনাজ আক্তার ও লায়লা বেগম দাবি করেন, তাদের মা অজুফা বেগম ওয়ারিশ সূত্রে ওই জমির অংশীদার। তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন এবং কয়েক দফায় সালিশের মাধ্যমে আলেকজান বিবির ৪-৫ লাখ টাকা খরচ হয়, কিন্তু কোনো সমাধান মেলেনি।

শেষ পর্যন্ত ২০২১ সালে স্থানীয় সালিশগণ কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জানান, অজুফা বেগমের জমির কোনো দাবির ভিত্তি নেই। তবে তাকে শান্তনার স্বরূপ তিন লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আলেকজান বিবি তাতে রাজি হয়ে ৩০ হাজার টাকা বায়না দেন। কিন্তু আবু কালাম বেপারী জমি লিখে দেওয়ার শর্ত দেন, যা অজুফা বেগম ও তার পরিবার মেনে নিতে পারেননি।

 

এরপর প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অজুফা বেগম তার অন্যান্য জমির মামলা (মোকদ্দমা নং ৬৬৮/২১) করতে গিয়ে আলেকজান বিবির জমির দাগ বসিয়ে দেন এবং আদালতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আলেকজান বিবি যথাযথ কাগজপত্র আদালতে উপস্থাপন করলে নিষেধাজ্ঞা বাতিল হয়। কিন্তু প্রতিপক্ষ ক্ষান্ত হয়নি; তারা বাড়িতে হামলা চালিয়ে নির্মাণ শ্রমিকদের তাড়িয়ে দেন এবং আলেকজান বিবি ও তাঁর স্বামীকে মারধর করেন।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের নিরবতা:

 

আইনি লড়াই চালিয়ে গেলেও প্রশাসনের সহায়তা পাননি আলেকজান বিবি। ২০২১ সালে থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। তৎকালীন ওসি কেবল মৌখিকভাবে জানান, অজুফা বেগমের পরিবারকে বাড়ির কাজে বাধা না দিতে। কিন্তু প্রতিপক্ষ ডিবি অফিসে মিথ্যা অভিযোগ করে পুলিশ এনে পুনরায় কাজ বন্ধ করে দেয়। আদালতের নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও প্রতিপক্ষ ভুয়া কাগজ তৈরি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে গত চার বছর ধরে বাড়ি নির্মাণ আটকে রেখেছে।

 

বাড়ি নির্মাণের সরঞ্জাম নষ্ট ও চুরি:

 

প্রতিপক্ষের টানা বাধার কারণে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে না পেরে আলেকজান বিবির নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হয়ে যায়। লোহার রড, পানির পাম্প, গুনা, বাঁশ, সিমেন্টের বস্তাসহ বিভিন্ন সামগ্রী একে একে চুরি হয়ে যায়। এমনকি রান্নাঘর নির্মাণ করতেও বাধা দেওয়া হয়। পরে অনুসন্ধানে দেখা যায়, যে কোর্টের নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হচ্ছে, সেটি ছিল মিথ্যা; এটি মূলত ভেদেরগঞ্জ থানার দেওয়ানী মিস কেসের সমনের কাগজ, নিষেধাজ্ঞার আদেশ নয়।

 

চাঁদাবাজির অভিযোগ:

 

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অজুফা বেগম দেওয়ানী মোকদ্দমায় ৩৭ জনকে বিবাদী করে ৮৫ শতাংশ জমি দাবি করেছেন। তবে শুধুমাত্র দুর্বল পরিবারগুলোর উপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, যাতে ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করা যায়। তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আর্থিক সুবিধা আদায় করা।

 

বিচারের দাবি:

 

অবশেষে আলেকজান বিবি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন তারা সঠিক তদন্ত করে আইনি সহায়তা দেন। তিনি চান, তার বৈধ জমিতে বাধাহীনভাবে বাড়ি নির্মাণ করতে পারুক এবং পরিবারটি দীর্ঘ চার বছর পর ঈদের আনন্দ ফিরে পায়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ২০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা, উদ্বৃত ৩কোটি টাকা

শরীয়তপুরে চাঁদাবাজির এক ভিন্ন কৌশলে নিঃস্ব আলেকজান বিবি।

আপডেট সময় : 03:45:38 pm, Friday, 4 April 2025

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

 

চাঁদাবাজির এক ভিন্ন কৌশলের শিকার হয়ে চার বছর ধরে নিঃস্ব জীবনযাপন করছেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার আক্কেল মাহমুদ মুন্সী কান্দির বাসিন্দা আলেকজান বিবি। দীর্ঘ আইনি লড়াই এবং সামাজিক বাধার মুখে পড়ে তিনি নিজের বৈধভাবে ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ি নির্মাণ করতে পারছেন না।

 

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, ১৯৯০ সালের ১৮ জুন দলিল নং ১৫০৪ অনুযায়ী ৫৮ নং দাগে ১৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন আলেকজান বিবি ও তাঁর স্বামী মাইন উদ্দিন চৌকিদার। বৈধভাবে রেকর্ড, নামজারি ও খাজনা পরিশোধ করে তারা ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে বসবাস করছেন। দীর্ঘদিন জমি নিয়ে কোনো বিরোধ না থাকলেও ২০২১ সালে সমস্যার সূত্রপাত হয়, যখন আলেকজান বিবির ছেলে মিজানুর রহমান চৌকিদার সৌদি আরব থেকে ফিরে টিনের ঘর ভেঙে পাকা বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেন।

 

এ সময় ছাদ ঢালাইয়ের কাজ শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দা আবু কালাম বেপারী, শাহনাজ আক্তার ও লায়লা বেগম দাবি করেন, তাদের মা অজুফা বেগম ওয়ারিশ সূত্রে ওই জমির অংশীদার। তারা নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেন এবং কয়েক দফায় সালিশের মাধ্যমে আলেকজান বিবির ৪-৫ লাখ টাকা খরচ হয়, কিন্তু কোনো সমাধান মেলেনি।

শেষ পর্যন্ত ২০২১ সালে স্থানীয় সালিশগণ কাগজপত্র পর্যালোচনা করে জানান, অজুফা বেগমের জমির কোনো দাবির ভিত্তি নেই। তবে তাকে শান্তনার স্বরূপ তিন লাখ টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। আলেকজান বিবি তাতে রাজি হয়ে ৩০ হাজার টাকা বায়না দেন। কিন্তু আবু কালাম বেপারী জমি লিখে দেওয়ার শর্ত দেন, যা অজুফা বেগম ও তার পরিবার মেনে নিতে পারেননি।

 

এরপর প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে অজুফা বেগম তার অন্যান্য জমির মামলা (মোকদ্দমা নং ৬৬৮/২১) করতে গিয়ে আলেকজান বিবির জমির দাগ বসিয়ে দেন এবং আদালতে নিষেধাজ্ঞার আবেদন করেন। আলেকজান বিবি যথাযথ কাগজপত্র আদালতে উপস্থাপন করলে নিষেধাজ্ঞা বাতিল হয়। কিন্তু প্রতিপক্ষ ক্ষান্ত হয়নি; তারা বাড়িতে হামলা চালিয়ে নির্মাণ শ্রমিকদের তাড়িয়ে দেন এবং আলেকজান বিবি ও তাঁর স্বামীকে মারধর করেন।

 

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের নিরবতা:

 

আইনি লড়াই চালিয়ে গেলেও প্রশাসনের সহায়তা পাননি আলেকজান বিবি। ২০২১ সালে থানায় অভিযোগ জানালেও পুলিশ জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। তৎকালীন ওসি কেবল মৌখিকভাবে জানান, অজুফা বেগমের পরিবারকে বাড়ির কাজে বাধা না দিতে। কিন্তু প্রতিপক্ষ ডিবি অফিসে মিথ্যা অভিযোগ করে পুলিশ এনে পুনরায় কাজ বন্ধ করে দেয়। আদালতের নিষেধাজ্ঞা না থাকলেও প্রতিপক্ষ ভুয়া কাগজ তৈরি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে গত চার বছর ধরে বাড়ি নির্মাণ আটকে রেখেছে।

 

বাড়ি নির্মাণের সরঞ্জাম নষ্ট ও চুরি:

 

প্রতিপক্ষের টানা বাধার কারণে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে না পেরে আলেকজান বিবির নির্মাণ সামগ্রী নষ্ট হয়ে যায়। লোহার রড, পানির পাম্প, গুনা, বাঁশ, সিমেন্টের বস্তাসহ বিভিন্ন সামগ্রী একে একে চুরি হয়ে যায়। এমনকি রান্নাঘর নির্মাণ করতেও বাধা দেওয়া হয়। পরে অনুসন্ধানে দেখা যায়, যে কোর্টের নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হচ্ছে, সেটি ছিল মিথ্যা; এটি মূলত ভেদেরগঞ্জ থানার দেওয়ানী মিস কেসের সমনের কাগজ, নিষেধাজ্ঞার আদেশ নয়।

 

চাঁদাবাজির অভিযোগ:

 

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, অজুফা বেগম দেওয়ানী মোকদ্দমায় ৩৭ জনকে বিবাদী করে ৮৫ শতাংশ জমি দাবি করেছেন। তবে শুধুমাত্র দুর্বল পরিবারগুলোর উপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে, যাতে ভয় দেখিয়ে মোটা অংকের টাকা আদায় করা যায়। তাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে আর্থিক সুবিধা আদায় করা।

 

বিচারের দাবি:

 

অবশেষে আলেকজান বিবি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন তারা সঠিক তদন্ত করে আইনি সহায়তা দেন। তিনি চান, তার বৈধ জমিতে বাধাহীনভাবে বাড়ি নির্মাণ করতে পারুক এবং পরিবারটি দীর্ঘ চার বছর পর ঈদের আনন্দ ফিরে পায়।