Dhaka , Thursday, 30 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন শুরু, মিলতে পারে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মধুপুরে ৫ গ্রাম হেরোইনসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার রূপগঞ্জে চার কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাদারীপুরে “ক্যাশলেস” ক্যাম্পেইন এর শুভ উদ্বোধন মাদারীপুরে ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা কাউখালীতে একই এলাকায় পরপর তিন চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী রামু ফতেখাঁরকুলের দুই মাদক কারবারি নাইক্ষ্যংছড়ির চাকঢালায় ২০ হাজার ইয়াবা নিয়ে আটক : সিএনজি জব্দ ঈদগাঁওয়ের সংঘবদ্ধ ছিনতাই মামলার প্রধান দুই আসামি গ্রেফতার করেছে পুলিশ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মবার্ষিকী উদযাপনে পাইকগাছা প্রশাসনের প্রস্তুতি পাইকগাছায় হাসপাতাল কর্মকর্তার নয়া উদ্যোগ, চালু হলো জুতাবিহীন চলাচল নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ভারতীয় মাদক ও বিপুল পরিমান ব্লেড সহ আটক ০২ মেয়ের মৃত্যুর শোক কাটল না, তিন মাস পর ভোলায় পুলিশ কনস্টেবলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রামুর খুনিয়াপালংয়ে র‌্যাবের অভিযান: ৩ দেশীয় বন্দুক ও ৩ ধারালো অস্ত্র উদ্ধার অধ্যাপক পদে পদায়ন পেলেন ডা. মো. বেলায়েত হোসেন ঢালী বাঘ রক্ষা করা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ মাদারীপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও মনিটরিং সেল এর শুভ উদ্বোধন নেত্রকোণার দুর্গাপুরে নানা আয়োজনে কমরেড মণি সিংহের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার। মানুষের সেবা করার জন্য বিএনপি ক্ষমতায় আসছে-এমপি খোকন তালুকদার সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ কাউখালীতে জমিজমা ও পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষ, আহত ৮ র‍্যাব-৯ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে সিলেটের শাহপরাণে শব্দদূষণ বিধিমালা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১০টি গাড়ির মালিককে জরিমানা রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগে ১২ যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড বিলাসপুরে আবারও ককটেল বিস্ফোরণ, প্রবাসীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক বিধ্বস্ত মাধবদীতে দুই কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ, ৩ জনকে জরিমানা মধুপুরে টেকী নাগবাড়ী রোডের মীরবাড়ী এলাকায় রাস্তার উদ্বোধন নেত্রকোণার দুর্গাপুরে নানা আয়োজনে কমরেড মণি সিংহের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত চলন্ত স্ক্র্যাপবাহী লরিতে আগুন, এক ঘণ্টা যানজট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

মেহেরপুরে ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ! 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:47:30 am, Sunday, 30 March 2025
  • 174 বার পড়া হয়েছে

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 45;

মাজিদ আল মামুন, মেহেরপুর:
মেহেরপুরে মাংস ব্যবসায়ীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গরু ক্রয়, জবেহ ও মাংস ভাগাভাগিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অধিকাংশ লোকজন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর আসলেই কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক মাংসের মূল্য বৃদ্ধি করা ও ঈদে ৭/৮ হাজার টাকার মাংস কেনার সক্ষমতা না থাকায় মেহেরপুরের অধিকাংশ লোকজন এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
শনিবার (২৯ মার্চ), সকাল থেকে বিকেল অবধি মেহেরপুরের সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা ঘুরে গরু জবেহ ও মাংস ভাগাভাগির দৃশ্য চোখে মেলে।
শুধু নিম্ন আয়ের মানুষই নয় বরং মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী ও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন এ  উদ্যোগ নিয়েছেন।
মেহেরপুরে গত ২ বছর ধরে এমন দৃশ্য চোখে মিলছে। ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নিজেরাই কেন এমন উদ্যোগ নিয়েছেন এমন প্রশ্নে মাংস সমিতির সদস্যরা জানান, ঈদ আসলেই অসাধু মাংস ব্যবসায়ীরা মাংস মূল্য বৃদ্ধি করে দেয়। এতে করে অনেকেই বেশি মূল্যে মাংস কিনে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনা। তাছাড়া বেশি মাংস কেনার সামর্থ্যও অনেকের থাকেনা। যার কারণে ঈদুল ফিতর শেষ হলেই পরবর্তী বছরের জন্য প্রথমে ৫’শ টাকা জমা দিয়ে সদস্য হতে হয় মাংস সমিতির। পরবর্তীতে প্রতি সপ্তাহে প্রতি সদস্য একজন নির্দিষ্ট সদস্যের কাছে ১’শ থেকে ১’শ ৫০ টাকা করে জমা রাখেন। এভাবে প্রায় ৫০ সপ্তাহ ধরে টাকা জমা দিয়ে থাকেন। পরে ঈদুল ফিতরের ৮/১০ দিন পূর্বে ঐ টাকা দিয়ে গরু ক্রয় করে থাকেন। যারা ১’শ টাকা করে জমা রাখেন তারা ১ লক্ষ ৩৫/৪০ হাজার টাকায় গরু ক্রয় করেন। আর যারা ১’শ ৫০ টাকা বা ২’শ টাকা করে জমা রাখেন তারা বড় ও বেশি মূল্যের গরু ক্রয় করে থাকেন। যা ঈদের ১ সপ্তাহ পূর্ব থেকে ঈদের পূর্বের দিন পর্যন্ত জবেহ করা হয়ে থাকে। আর মাংস সমিতির সদস্যের অধিকাংশই নারী সদস্য। অবশ্য পুরুষ সদস্যরাও এ সমিতি করে থাকে। প্রতিটা সমিতিতে ১০/১৫ এমনকি ২০/৩০ জন সদস্যও রয়েছে। অধিকাংশ গ্রামে ৫/১০ টি এমন সমিতি রয়েছে। এসব সমিতির সদস্যরাই নিজ উদ্যোগে এসব গরু জবেহ করে তা ভাগাভাগি করে থাকে। অনেকে ঝামেলা এড়াতে কসাইকে ৩ হাজার টাকা, কোন কোন এলাকায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে কসাইয়ের মাধ্যমে এসব গরু জবেহ করে কাটাছেঁড়া করে থাকে।
মাংস সমিতির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী গরু জবেহ ও ভাগাভাগির মধ্যেও অনেক আনন্দ রয়েছে। কেউ বলেন বনভোজনের মতো, কেউ বা বলেন ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ।
সাধারণত মহিলা সদস্যরা ভুঁড়ি কাটা ধোয়ার কাজ করেন এবং পুরুষ সদস্যরা মাংস ভাগাভাগি ও বিলি করে থাকেন।
মাইলমারী গ্রামের আতিয়ার রহমান জানান, গত ২ বছর ধরে এ গ্রামে এমন উৎসব চলে আসছে। এতে করে জনসাধারণকে মাংস কেনার টাকা যোগানে টেনশন করতে হচ্ছে না। ধনী-গরিব সকলেই এ সমিতির মাধ্যমে ১২/১৮ কেজি করে মাংস পাচ্ছেন। এক্ষেত্রে সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধের ন্যায় ৫০ সপ্তাহে টাকা গুনতে হচ্ছে সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা। যে মাংস ব্যবসায়ীর কাছে কিনতে গুনতে হবে বাড়তি টাকা।
হাফেজ উদ্দীন জানান, এ সমিতির মাধ্যমে সকলে খুব সহজেই ১০/১২ কেজি মাংস পাচ্ছে। সমিতি ব্যতিরেকে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১০/১২ কেজি মাংস কেনার সামর্থ্য অনেকেরই থাকেনা।
আজান গ্রামের মাহাবুল ইসলাম জানান, আমাদের গ্রামে এমন ৯/১০ টি সমিতি রয়েছে।
সাহারবাটী গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, ইতিপূর্বে এমন দেখা যায়নি তবে গত ২ বছর ধরে ব্যবসায়ীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের অধিকাংশই সমিতির মাধ্যমে গরু ক্রয় করে তা ভাগাভাগি করে ঈদ উদযাপন করছেন।
এদিকে এ সমিতি চালু হওয়ায় অধিকাংশ কসাইয়ের মাথায় হাত! ঈদ এলেই দাম বাড়িয়ে ৮’শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলেও এবারে হয়তো তা সম্ভব হবেনা। কারণ প্রতিটা গ্রামেই অসংখ্য মাংস সমিতি রয়েছে সুতরাং কসাইদের কাছে মাংস কেনার লোকজন তেমন একটা নেই বললেই চলে। অন্যান্য বছরে প্রতিটা গ্রামে কসাইগণ ২/৪ টা গরু মহিষ জবেহ করার প্রচারণার মাইকিং করলেও  এবারে তেমন একটা প্রচারণা কানে আসেনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন শুরু, মিলতে পারে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

মেহেরপুরে ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ! 

আপডেট সময় : 10:47:30 am, Sunday, 30 March 2025
মাজিদ আল মামুন, মেহেরপুর:
মেহেরপুরে মাংস ব্যবসায়ীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গরু ক্রয়, জবেহ ও মাংস ভাগাভাগিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অধিকাংশ লোকজন।
পবিত্র ঈদুল ফিতর আসলেই কিছু সংখ্যক অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক মাংসের মূল্য বৃদ্ধি করা ও ঈদে ৭/৮ হাজার টাকার মাংস কেনার সক্ষমতা না থাকায় মেহেরপুরের অধিকাংশ লোকজন এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
শনিবার (২৯ মার্চ), সকাল থেকে বিকেল অবধি মেহেরপুরের সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলার অধিকাংশ এলাকা ঘুরে গরু জবেহ ও মাংস ভাগাভাগির দৃশ্য চোখে মেলে।
শুধু নিম্ন আয়ের মানুষই নয় বরং মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী ও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার লোকজন এ  উদ্যোগ নিয়েছেন।
মেহেরপুরে গত ২ বছর ধরে এমন দৃশ্য চোখে মিলছে। ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে নিজেরাই কেন এমন উদ্যোগ নিয়েছেন এমন প্রশ্নে মাংস সমিতির সদস্যরা জানান, ঈদ আসলেই অসাধু মাংস ব্যবসায়ীরা মাংস মূল্য বৃদ্ধি করে দেয়। এতে করে অনেকেই বেশি মূল্যে মাংস কিনে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারেনা। তাছাড়া বেশি মাংস কেনার সামর্থ্যও অনেকের থাকেনা। যার কারণে ঈদুল ফিতর শেষ হলেই পরবর্তী বছরের জন্য প্রথমে ৫’শ টাকা জমা দিয়ে সদস্য হতে হয় মাংস সমিতির। পরবর্তীতে প্রতি সপ্তাহে প্রতি সদস্য একজন নির্দিষ্ট সদস্যের কাছে ১’শ থেকে ১’শ ৫০ টাকা করে জমা রাখেন। এভাবে প্রায় ৫০ সপ্তাহ ধরে টাকা জমা দিয়ে থাকেন। পরে ঈদুল ফিতরের ৮/১০ দিন পূর্বে ঐ টাকা দিয়ে গরু ক্রয় করে থাকেন। যারা ১’শ টাকা করে জমা রাখেন তারা ১ লক্ষ ৩৫/৪০ হাজার টাকায় গরু ক্রয় করেন। আর যারা ১’শ ৫০ টাকা বা ২’শ টাকা করে জমা রাখেন তারা বড় ও বেশি মূল্যের গরু ক্রয় করে থাকেন। যা ঈদের ১ সপ্তাহ পূর্ব থেকে ঈদের পূর্বের দিন পর্যন্ত জবেহ করা হয়ে থাকে। আর মাংস সমিতির সদস্যের অধিকাংশই নারী সদস্য। অবশ্য পুরুষ সদস্যরাও এ সমিতি করে থাকে। প্রতিটা সমিতিতে ১০/১৫ এমনকি ২০/৩০ জন সদস্যও রয়েছে। অধিকাংশ গ্রামে ৫/১০ টি এমন সমিতি রয়েছে। এসব সমিতির সদস্যরাই নিজ উদ্যোগে এসব গরু জবেহ করে তা ভাগাভাগি করে থাকে। অনেকে ঝামেলা এড়াতে কসাইকে ৩ হাজার টাকা, কোন কোন এলাকায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা দিয়ে কসাইয়ের মাধ্যমে এসব গরু জবেহ করে কাটাছেঁড়া করে থাকে।
মাংস সমিতির সদস্যদের বক্তব্য অনুযায়ী গরু জবেহ ও ভাগাভাগির মধ্যেও অনেক আনন্দ রয়েছে। কেউ বলেন বনভোজনের মতো, কেউ বা বলেন ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ।
সাধারণত মহিলা সদস্যরা ভুঁড়ি কাটা ধোয়ার কাজ করেন এবং পুরুষ সদস্যরা মাংস ভাগাভাগি ও বিলি করে থাকেন।
মাইলমারী গ্রামের আতিয়ার রহমান জানান, গত ২ বছর ধরে এ গ্রামে এমন উৎসব চলে আসছে। এতে করে জনসাধারণকে মাংস কেনার টাকা যোগানে টেনশন করতে হচ্ছে না। ধনী-গরিব সকলেই এ সমিতির মাধ্যমে ১২/১৮ কেজি করে মাংস পাচ্ছেন। এক্ষেত্রে সাপ্তাহিক কিস্তি পরিশোধের ন্যায় ৫০ সপ্তাহে টাকা গুনতে হচ্ছে সাড়ে ৭ হাজার টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা। যে মাংস ব্যবসায়ীর কাছে কিনতে গুনতে হবে বাড়তি টাকা।
হাফেজ উদ্দীন জানান, এ সমিতির মাধ্যমে সকলে খুব সহজেই ১০/১২ কেজি মাংস পাচ্ছে। সমিতি ব্যতিরেকে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১০/১২ কেজি মাংস কেনার সামর্থ্য অনেকেরই থাকেনা।
আজান গ্রামের মাহাবুল ইসলাম জানান, আমাদের গ্রামে এমন ৯/১০ টি সমিতি রয়েছে।
সাহারবাটী গ্রামের আনিসুর রহমান জানান, ইতিপূর্বে এমন দেখা যায়নি তবে গত ২ বছর ধরে ব্যবসায়ীদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সাধারণ মানুষের অধিকাংশই সমিতির মাধ্যমে গরু ক্রয় করে তা ভাগাভাগি করে ঈদ উদযাপন করছেন।
এদিকে এ সমিতি চালু হওয়ায় অধিকাংশ কসাইয়ের মাথায় হাত! ঈদ এলেই দাম বাড়িয়ে ৮’শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলেও এবারে হয়তো তা সম্ভব হবেনা। কারণ প্রতিটা গ্রামেই অসংখ্য মাংস সমিতি রয়েছে সুতরাং কসাইদের কাছে মাংস কেনার লোকজন তেমন একটা নেই বললেই চলে। অন্যান্য বছরে প্রতিটা গ্রামে কসাইগণ ২/৪ টা গরু মহিষ জবেহ করার প্রচারণার মাইকিং করলেও  এবারে তেমন একটা প্রচারণা কানে আসেনি।