Dhaka , Wednesday, 29 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন শুরু, মিলতে পারে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মধুপুরে ৫ গ্রাম হেরোইনসহ ব্যবসায়ী গ্রেফতার রূপগঞ্জে চার কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার মাদারীপুরে “ক্যাশলেস” ক্যাম্পেইন এর শুভ উদ্বোধন মাদারীপুরে ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে যুবকের আত্মহত্যা কাউখালীতে একই এলাকায় পরপর তিন চুরি, আতঙ্কে এলাকাবাসী রামু ফতেখাঁরকুলের দুই মাদক কারবারি নাইক্ষ্যংছড়ির চাকঢালায় ২০ হাজার ইয়াবা নিয়ে আটক : সিএনজি জব্দ ঈদগাঁওয়ের সংঘবদ্ধ ছিনতাই মামলার প্রধান দুই আসামি গ্রেফতার করেছে পুলিশ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের জন্মবার্ষিকী উদযাপনে পাইকগাছা প্রশাসনের প্রস্তুতি পাইকগাছায় হাসপাতাল কর্মকর্তার নয়া উদ্যোগ, চালু হলো জুতাবিহীন চলাচল নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ভারতীয় মাদক ও বিপুল পরিমান ব্লেড সহ আটক ০২ মেয়ের মৃত্যুর শোক কাটল না, তিন মাস পর ভোলায় পুলিশ কনস্টেবলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রামুর খুনিয়াপালংয়ে র‌্যাবের অভিযান: ৩ দেশীয় বন্দুক ও ৩ ধারালো অস্ত্র উদ্ধার অধ্যাপক পদে পদায়ন পেলেন ডা. মো. বেলায়েত হোসেন ঢালী বাঘ রক্ষা করা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ মাদারীপুরে মানব পাচার প্রতিরোধ ও মনিটরিং সেল এর শুভ উদ্বোধন নেত্রকোণার দুর্গাপুরে নানা আয়োজনে কমরেড মণি সিংহের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি গ্রেফতার। মানুষের সেবা করার জন্য বিএনপি ক্ষমতায় আসছে-এমপি খোকন তালুকদার সেনাবাহিনী প্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ কাউখালীতে জমিজমা ও পূর্ব শত্রুতার জেরে সংঘর্ষ, আহত ৮ র‍্যাব-৯ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে সিলেটের শাহপরাণে শব্দদূষণ বিধিমালা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১০টি গাড়ির মালিককে জরিমানা রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগে ১২ যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড বিলাসপুরে আবারও ককটেল বিস্ফোরণ, প্রবাসীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক বিধ্বস্ত মাধবদীতে দুই কোটি টাকার কারেন্ট জাল জব্দ, ৩ জনকে জরিমানা মধুপুরে টেকী নাগবাড়ী রোডের মীরবাড়ী এলাকায় রাস্তার উদ্বোধন নেত্রকোণার দুর্গাপুরে নানা আয়োজনে কমরেড মণি সিংহের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত চলন্ত স্ক্র্যাপবাহী লরিতে আগুন, এক ঘণ্টা যানজট ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে

মেহেরপুরে ফলের বাজার গরম, বেড়েছে কয়েকটির দাম 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:47:59 pm, Tuesday, 11 March 2025
  • 273 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে ফলের বাজার গরম, বেড়েছে কয়েকটির দাম 

মাজিদ আল মামুন, স্টাফ রিপোর্টার
  
মেহেরপুরে রয়েছে অসংখ্য ছোট বড় ফলের দোকান, যেখান থেকে ক্রেতারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী ফল ক্রয় করে থাকেন। এসব দোকানগুলোতে ঝুলতে দেখা যায় আঙুর আর সাজানো রয়েছে কমলা, আপেল, বেদানা, খেজুর ও তরমুজসহ নানা রকমের ফল।
তবে মাহে রমাদানেও বাজার দরে তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বেচাকেনা হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। আর পিস হিসাবে বেচাকেনা হচ্ছে আকারভেদে প্রতিটা ৩’শ থেকে ৫’শ টাকার মধ্যে। মাল্টা, কমলা ও আনারসের দামও কিছুটা কমতির দিকে। তবে বৃদ্ধি পেয়েছে বেদানা ও আঙ্গুরের দাম। 
মঙ্গলবার -১১ মার্চ- সকাল থেকে বিকেল অবধি মেহেরপুর জেলা শহরের হোটেল বাজার, কালিবাজার, কোর্ট রোড, মুজিবনগরের কেদারগঞ্জ বাজার, গাংনী উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড বাজার, হাসপাতাল বাজার, আমঝুপি বাজার, বামুন্দী বাজার, জোড়পুকুরিয়া, কাজীপুর গোলাম বাজার ও নওপাড়াসহ বেশ কিছু হাট বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
এসব বাজারে আপেল বেচাকেনা হচ্ছে ৩’শ থেকে ৩’শ ৩০ টাকা কেজি দরে, চায়না কমলা ৩’শ ৩০ থেকে ৩’শ ৪০ টাকা, সবুজ আঙ্গুর ৩’শ ৮০ টাকা, কালো আঙ্গুর ৫’শ টাকা, কমদামি লুজ খেজুর বেচা কেনা হচ্ছে ২’শ  টাকা, মধ্যম দামের ৪’শ ৮০ টাকা এবং ভালো খেজুর বেচাকেনা হচ্ছে ১হাজার ৩’শ ৮০ টাকা দরে। ডালিম ও বেদানা বেচা কেনা হচ্ছে ৫’শ  থেকে ৫’শ ৫০ টাকা কেজি দরে। পেয়ারা বেচাকেনা হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বেল প্রতি পিস ৪০ থেকে ৭০ টাকা, কলা প্রতি হালি ২৫ থেকে ৪০ টাকা, আনারস প্রতি পিস ১০ থেকে ৩০ টাকা, তেঁতুলের কেজি ৩’শ টাকা, কামরাঙ্গা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরই ৬০ টাকা, নারিকেল প্রতি পিস ১’শ ২০ টাকা থেকে ১’শ ৪০ টাকা এবং স্ট্রবেরি বেচাকেনা হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা দরে।
তবে মাহে রমাদনে ফলের চাহিদা বাড়লেও দাম না কমায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। আমদানি কম এবং পরিবহন খরচের কারণে দাম কমছে না বলে জানান ব্যবসায়ীরা। 
তাছাড়া কিছু ফলের দাম বৃদ্ধি হলেও তাদের লাভ কম হচ্ছে। কারণ ক্রেতারা বেশি দামে ফল কিনতে আগ্রহী না। অনেক ক্রেতা আবার বহু দোকান ঘুরে ঘুরে দামদর করে ফল কিনে থাকেন।
গাংনী বাজারে ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীরা জানান, রমাদান এলেও ফলের বেচাকেনা আশানুরূপ হচ্ছে না। প্রতিদিন ৪০ হাজার টাকার ফল বেচাকেনা হওয়ার কথা থাকলেও সেখানে বেচাকেনা হচ্ছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার।
ব্যবসায়ীরা জানান কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা থেকে তিনারা ফল ক্রয় করে থাকেন। সেখানকার ব্যবসায়ীরাও অনেক সময় ফল দিয়ে যায়। তাছাড়া মেহেরপুর জেলায় উৎপাদিত কিছু ফল স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা গ্রাম থেকে কিনে এনে বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে। এক্ষেত্রে তাদের চাওয়া দাম অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের ফল কিনতে হয়। এতে করে অধিকাংশ সময় বেশি দামেই এসব ফল কিনতে হয় এবং তা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। ভারত থেকেও গত ২-৩ দিন ধরে ফল আসেনি একারণেও বাজারে প্রভাব পড়েছে। যাদের পূর্বে কেনা রয়েছে তারা পূর্বের দামেই বেচাকেনা করছে। আর যারা নতুনভাবে কিনছেন তারা একটু চওড়া দামে বেচাকেনা করছেন। তবে ক্রেতারা যাতে করে রমজানে কম দামে ফল কিনতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ব্যবসায়ীরা বেচাবিক্রি করে থাকেন বলে জানান।
এদিকে ব্যবসায়ীরা ফল বেশি দামে কিনছেন নাকি কারসাজি করে বেশি দামে বিক্রি করছেন এটা তদারকি করা দরকার বলে অনেক ক্রেতা সাধারণ জানান। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপের খনন শুরু, মিলতে পারে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

মেহেরপুরে ফলের বাজার গরম, বেড়েছে কয়েকটির দাম 

আপডেট সময় : 07:47:59 pm, Tuesday, 11 March 2025
মাজিদ আল মামুন, স্টাফ রিপোর্টার
  
মেহেরপুরে রয়েছে অসংখ্য ছোট বড় ফলের দোকান, যেখান থেকে ক্রেতারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী ফল ক্রয় করে থাকেন। এসব দোকানগুলোতে ঝুলতে দেখা যায় আঙুর আর সাজানো রয়েছে কমলা, আপেল, বেদানা, খেজুর ও তরমুজসহ নানা রকমের ফল।
তবে মাহে রমাদানেও বাজার দরে তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বেচাকেনা হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। আর পিস হিসাবে বেচাকেনা হচ্ছে আকারভেদে প্রতিটা ৩’শ থেকে ৫’শ টাকার মধ্যে। মাল্টা, কমলা ও আনারসের দামও কিছুটা কমতির দিকে। তবে বৃদ্ধি পেয়েছে বেদানা ও আঙ্গুরের দাম। 
মঙ্গলবার -১১ মার্চ- সকাল থেকে বিকেল অবধি মেহেরপুর জেলা শহরের হোটেল বাজার, কালিবাজার, কোর্ট রোড, মুজিবনগরের কেদারগঞ্জ বাজার, গাংনী উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড বাজার, হাসপাতাল বাজার, আমঝুপি বাজার, বামুন্দী বাজার, জোড়পুকুরিয়া, কাজীপুর গোলাম বাজার ও নওপাড়াসহ বেশ কিছু হাট বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
এসব বাজারে আপেল বেচাকেনা হচ্ছে ৩’শ থেকে ৩’শ ৩০ টাকা কেজি দরে, চায়না কমলা ৩’শ ৩০ থেকে ৩’শ ৪০ টাকা, সবুজ আঙ্গুর ৩’শ ৮০ টাকা, কালো আঙ্গুর ৫’শ টাকা, কমদামি লুজ খেজুর বেচা কেনা হচ্ছে ২’শ  টাকা, মধ্যম দামের ৪’শ ৮০ টাকা এবং ভালো খেজুর বেচাকেনা হচ্ছে ১হাজার ৩’শ ৮০ টাকা দরে। ডালিম ও বেদানা বেচা কেনা হচ্ছে ৫’শ  থেকে ৫’শ ৫০ টাকা কেজি দরে। পেয়ারা বেচাকেনা হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বেল প্রতি পিস ৪০ থেকে ৭০ টাকা, কলা প্রতি হালি ২৫ থেকে ৪০ টাকা, আনারস প্রতি পিস ১০ থেকে ৩০ টাকা, তেঁতুলের কেজি ৩’শ টাকা, কামরাঙ্গা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরই ৬০ টাকা, নারিকেল প্রতি পিস ১’শ ২০ টাকা থেকে ১’শ ৪০ টাকা এবং স্ট্রবেরি বেচাকেনা হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা দরে।
তবে মাহে রমাদনে ফলের চাহিদা বাড়লেও দাম না কমায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। আমদানি কম এবং পরিবহন খরচের কারণে দাম কমছে না বলে জানান ব্যবসায়ীরা। 
তাছাড়া কিছু ফলের দাম বৃদ্ধি হলেও তাদের লাভ কম হচ্ছে। কারণ ক্রেতারা বেশি দামে ফল কিনতে আগ্রহী না। অনেক ক্রেতা আবার বহু দোকান ঘুরে ঘুরে দামদর করে ফল কিনে থাকেন।
গাংনী বাজারে ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীরা জানান, রমাদান এলেও ফলের বেচাকেনা আশানুরূপ হচ্ছে না। প্রতিদিন ৪০ হাজার টাকার ফল বেচাকেনা হওয়ার কথা থাকলেও সেখানে বেচাকেনা হচ্ছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার।
ব্যবসায়ীরা জানান কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা থেকে তিনারা ফল ক্রয় করে থাকেন। সেখানকার ব্যবসায়ীরাও অনেক সময় ফল দিয়ে যায়। তাছাড়া মেহেরপুর জেলায় উৎপাদিত কিছু ফল স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা গ্রাম থেকে কিনে এনে বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে। এক্ষেত্রে তাদের চাওয়া দাম অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের ফল কিনতে হয়। এতে করে অধিকাংশ সময় বেশি দামেই এসব ফল কিনতে হয় এবং তা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। ভারত থেকেও গত ২-৩ দিন ধরে ফল আসেনি একারণেও বাজারে প্রভাব পড়েছে। যাদের পূর্বে কেনা রয়েছে তারা পূর্বের দামেই বেচাকেনা করছে। আর যারা নতুনভাবে কিনছেন তারা একটু চওড়া দামে বেচাকেনা করছেন। তবে ক্রেতারা যাতে করে রমজানে কম দামে ফল কিনতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ব্যবসায়ীরা বেচাবিক্রি করে থাকেন বলে জানান।
এদিকে ব্যবসায়ীরা ফল বেশি দামে কিনছেন নাকি কারসাজি করে বেশি দামে বিক্রি করছেন এটা তদারকি করা দরকার বলে অনেক ক্রেতা সাধারণ জানান।