Dhaka , Friday, 3 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কলমাকান্দায় প্লাবিত হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে ডেপুটি স্পিকার মা-বোনের সম্ভ্রমহানির সাথে যারা বেঈমানী করেন, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় আবারও বন্ধ থাকার উৎপাদন শুরু নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় রামপুর কুবরিকান্দা যুব উন্নয়ন সমিতির উদ্যোগ ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মশা নিধনে মানবিক উদ্যোগ: ৬৬ নং ওয়ার্ডে আজিজুল হক আজিজের প্রশংসনীয় কার্যক্রম নোয়াখালীতে ডিএনসির অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫ ফতুল্লায় বিএনপির ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁওয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০ রূপগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি ॥ দুই শিশুর মৃত্যু, হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ১৫ শিশু ভর্তি খুলনায় নবাগত জেলা প্রশাসকের যোগদান; দায়িত্ব নিলেন হুরে জান্নাত পাইকগাছায় পাট চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ ফতুল্লায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও ছেলেসহ আটক, উদ্ধার ৫৩ রাউন্ড গুলি নারায়ণগঞ্জে দুই প্রাইভেট হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হজ শেষে দেশে ফিরলেন কৃষক দল নেতা খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের দাবি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে প্রতিদিনই বাড়ছে নিউমোনিয়া রোগী লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র পৃথক ৩ অভিযান: হাতীবান্ধা ও কুড়িগ্রাম সীমান্তে মাদক ও কসমেটিকস জব্দ নোয়াখালীতে ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ গ্রেপ্তার-২ দোহাজারী হাজারী টাওয়ারে মেজবানবাড়ী রেস্তোঁরায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি রূপগঞ্জে বিধবার বসতবাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ ছেলের মৃত্যু থানা থেকে আসামির পলায়ন, এসআই ক্লোজড এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী সংরক্ষিত নারী আসনের একজন যোগ্য প্রার্থী সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার টিসিজেএ নির্বাচনে সভাপতি এনামুল ও সাধারণ সম্পাদক মামুন নির্বাচিত সিএনজি-অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নে’র রামুর উপ-লাইন পরিচালনা কমিটি অনুমোদন ভূমি ভবনের সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন লক্ষ্মীপুরে খাল থেকে ১৩৬০ লিটার ডিজেল উদ্ধার কাঁচপুর সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে এমআরআই কক্ষে নেওয়ার আগেই ক্যান্সার রোগীর মৃত্যু বন্দর উপজেলায় মাশরুম চাষে প্রদর্শনী, ১৫০ নারী উদ্যোক্তাকে সহায়তা

ঢাকা থেকে ভাইকে আনতে গিয়ে গুলিতে চিকিৎসক সজিবের মৃত্যু।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:32:44 am, Monday, 29 July 2024
  • 103 বার পড়া হয়েছে

ঢাকা থেকে ভাইকে আনতে গিয়ে গুলিতে চিকিৎসক সজিবের মৃত্যু।।

অরবিন্দ রায়

স্টাফ রিপোর্টার।।

   

কোটাসংস্কার আন্দোলন চলাকালে মাদরাসা পড়ুয়া ভাইকে আনতে গিয়ে ঢাকার আজমপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে  নিহত হন রায়পুরার বাসিন্দা চিকিৎসক সজিব সরকার -৩০- । ওইদিন রাতেই উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে স্বজনরা নিহতের লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরদিন তাঁর মরদেহ নিজ এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ঘটনার সপ্তাহ পেরোলেও থামেনি স্বজনদের শোক-আহাজারি। উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন সজিবের মৃত্যুতে এখন অথৈ সাগরে ভাসছে পুরো পরিবার। গত ১৯ জুলাই নিহত হন চিকিৎসক সজিব সরকার।

নিহত সজিব নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মেঝেরকান্দি গ্রামের মো. হালিম সরকারের ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণ্যবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের প্রভাষক  ছিলেন। বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীদের সেবা দিতেন।  তিন ভাই এক বোনের মাঝে তিনি  সবার বড় ছিলেন।  

রোববার নরসিংদীর ভেলানগরে ভাড়া বাসায় পরিবারটি বসবাস  করে । বাসায় গিয়ে দেখা যায়- ছেলেকে হারিয়ে মা ঝর্ণা বেগম -৫৬- অসুস্থ হয়ে অক্সিজেন নিচ্ছে। ছেলের স্মৃতিচারণ করে বিলাপ করে মুরছা যাচ্ছেন। অশ্রুশিক্ত নয়নে পানি ঝরছে।  দীর্ঘদিন যাবত তিনি  অসুস্থ। সজিব সবসময় আমাকে ছোট্ট সন্তানের মত আগলে রাখতো। আমিসহ সকলের খরচ যোগাতো। ওই দিন ১১ টায় বাসা থেকে ছোট ছেলেকে আনতে বের হন। বেলা সাড়ে ৪ থেকে ৫ টার মধ্যে আজমপুর পৌঁছে ফোনে কথা হয়। রাত ১ টা পর্যন্ত ছেলের অপেক্ষায় বসে ছিলাম। আমাদের যা ছিলো সব ছেলেকে ডাক্তার বানাতে ব্যয় হয়েছে। সব হারিয়ে এখন  আমাদের পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে।  আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই । সবাই যাতে জানে সজিব ডাক্তার নির্দোষ হয়ে মারা গেছে। সজিব যেনো আজিবন সবার মাঝে বেঁচে থাকে এমন কিছু একটা নামকরণ করা হউক।

বোন শিক্ষার্থী সুমাইয়া সরকার বলেন- গত ১৯ জুলাই দুপুরে ঢাকার উত্তরার রাজলক্ষ্মী দারুলউলুম মাদরাসায় পড়ুয়া ছোট ভাই আব্দুল্লাহকে আনতে নরসিংদীর বাসা থেকে বের হন। তুমুল আন্দোলনের সময় আজিমপুরে বাস থামে। বিকেল ৫-৬ টার মধ্যে আজমপুর বাস থেকে নেমে রাজলক্ষ্মী যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাস্তার পাশ ধরে হাঁটতে থাকে। এ সময় পুলিশের ছুঁড়া গুলিতে নিহত হন। সন্ধ্যা ৭ টায় ভাইয়ের বন্ধুর মাধ্যমে খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে আসি।  বিকেলে আজমপুরের রাস্তা থেকে কয়েকজন লোক গুলিবিদ্ধ ভাইকে হাসপাতালে আনে। পুলিশের ছুঁড়া গুলিতে নিহত হন। কি করে চলবে আমাদের সংসার?

 নিহতের ভাই আব্দুল্লাহ বলেন- আগের সপ্তাহে ভাই মাদরাসায় আসে । ওই সময় তার সাথে সর্বশেষ দেখা হয়।  বৃহস্পতিবার মাদরাসা ছুটি হলে  ভাই এসে আমাকে নিয়ে যাবে। ওই দিন বিকেলে তিন বার ভাইকে ফোন দিয়ে না পেয়ে ব্যাগ নিয়ে ভাইয়ের অপেক্ষায় বসে থাকি। রাত নয়টায় হাসপাতালে এসে ভাইয়ের লাশ দেখতে পাই। রাতেই উত্তরার একটি মসজিদে গোসল করাতে গিয়ে দেখি ভাইয়ের বুকের সামনে দিয়ে গুলির বড় গর্ত হয়ে পিছন দিখ দিয়ে বের হয়েছে। দুই তিনটা রাইফেলের ক্ষত নীল জমাটবদ্ধ রক্ত। ভাইয়ের উপার্জনে ভাই বোনের পড়াশোনা- মায়ের অসুস্থতা পরিবারের খরচ চলতো।

চিকিৎসকের বাবা মো. হালিম সরকার -৫৮- বলেন- ছেলেকে খুব কষ্ট করে ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত পড়াশোনা করাই। গত ২০২০ সালে টঙ্গীর বেসরকারি তাইরুন্নেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পাশ করেন । তাকে চিকিৎসক বানাতে গিয়ে দিতে হয়েছে সর্বত্র- ঋণে জর্জরিত। তার উপার্জনে অসুস্থ মা’র চিকিৎসা- ভাই বোনের পড়াশোনা ও সংসার চলতো দেয়া হতো ঋণ।
তিনি আরো বলেন- আমি আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার ছেলে খুব ধার্মিক ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন- সজিব ডাক্তার হয়ে সময় পেলেই এলাকায় এসে বিনামূল্যে মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কলমাকান্দায় প্লাবিত হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে ডেপুটি স্পিকার

ঢাকা থেকে ভাইকে আনতে গিয়ে গুলিতে চিকিৎসক সজিবের মৃত্যু।।

আপডেট সময় : 06:32:44 am, Monday, 29 July 2024

অরবিন্দ রায়

স্টাফ রিপোর্টার।।

   

কোটাসংস্কার আন্দোলন চলাকালে মাদরাসা পড়ুয়া ভাইকে আনতে গিয়ে ঢাকার আজমপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে  নিহত হন রায়পুরার বাসিন্দা চিকিৎসক সজিব সরকার -৩০- । ওইদিন রাতেই উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে স্বজনরা নিহতের লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে। পরদিন তাঁর মরদেহ নিজ এলাকায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ঘটনার সপ্তাহ পেরোলেও থামেনি স্বজনদের শোক-আহাজারি। উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন সজিবের মৃত্যুতে এখন অথৈ সাগরে ভাসছে পুরো পরিবার। গত ১৯ জুলাই নিহত হন চিকিৎসক সজিব সরকার।

নিহত সজিব নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মির্জানগর ইউনিয়নের মেঝেরকান্দি গ্রামের মো. হালিম সরকারের ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণ্যবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের প্রভাষক  ছিলেন। বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীদের সেবা দিতেন।  তিন ভাই এক বোনের মাঝে তিনি  সবার বড় ছিলেন।  

রোববার নরসিংদীর ভেলানগরে ভাড়া বাসায় পরিবারটি বসবাস  করে । বাসায় গিয়ে দেখা যায়- ছেলেকে হারিয়ে মা ঝর্ণা বেগম -৫৬- অসুস্থ হয়ে অক্সিজেন নিচ্ছে। ছেলের স্মৃতিচারণ করে বিলাপ করে মুরছা যাচ্ছেন। অশ্রুশিক্ত নয়নে পানি ঝরছে।  দীর্ঘদিন যাবত তিনি  অসুস্থ। সজিব সবসময় আমাকে ছোট্ট সন্তানের মত আগলে রাখতো। আমিসহ সকলের খরচ যোগাতো। ওই দিন ১১ টায় বাসা থেকে ছোট ছেলেকে আনতে বের হন। বেলা সাড়ে ৪ থেকে ৫ টার মধ্যে আজমপুর পৌঁছে ফোনে কথা হয়। রাত ১ টা পর্যন্ত ছেলের অপেক্ষায় বসে ছিলাম। আমাদের যা ছিলো সব ছেলেকে ডাক্তার বানাতে ব্যয় হয়েছে। সব হারিয়ে এখন  আমাদের পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে।  আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই । সবাই যাতে জানে সজিব ডাক্তার নির্দোষ হয়ে মারা গেছে। সজিব যেনো আজিবন সবার মাঝে বেঁচে থাকে এমন কিছু একটা নামকরণ করা হউক।

বোন শিক্ষার্থী সুমাইয়া সরকার বলেন- গত ১৯ জুলাই দুপুরে ঢাকার উত্তরার রাজলক্ষ্মী দারুলউলুম মাদরাসায় পড়ুয়া ছোট ভাই আব্দুল্লাহকে আনতে নরসিংদীর বাসা থেকে বের হন। তুমুল আন্দোলনের সময় আজিমপুরে বাস থামে। বিকেল ৫-৬ টার মধ্যে আজমপুর বাস থেকে নেমে রাজলক্ষ্মী যাওয়ার উদ্দেশ্যে রাস্তার পাশ ধরে হাঁটতে থাকে। এ সময় পুলিশের ছুঁড়া গুলিতে নিহত হন। সন্ধ্যা ৭ টায় ভাইয়ের বন্ধুর মাধ্যমে খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে আসি।  বিকেলে আজমপুরের রাস্তা থেকে কয়েকজন লোক গুলিবিদ্ধ ভাইকে হাসপাতালে আনে। পুলিশের ছুঁড়া গুলিতে নিহত হন। কি করে চলবে আমাদের সংসার?

 নিহতের ভাই আব্দুল্লাহ বলেন- আগের সপ্তাহে ভাই মাদরাসায় আসে । ওই সময় তার সাথে সর্বশেষ দেখা হয়।  বৃহস্পতিবার মাদরাসা ছুটি হলে  ভাই এসে আমাকে নিয়ে যাবে। ওই দিন বিকেলে তিন বার ভাইকে ফোন দিয়ে না পেয়ে ব্যাগ নিয়ে ভাইয়ের অপেক্ষায় বসে থাকি। রাত নয়টায় হাসপাতালে এসে ভাইয়ের লাশ দেখতে পাই। রাতেই উত্তরার একটি মসজিদে গোসল করাতে গিয়ে দেখি ভাইয়ের বুকের সামনে দিয়ে গুলির বড় গর্ত হয়ে পিছন দিখ দিয়ে বের হয়েছে। দুই তিনটা রাইফেলের ক্ষত নীল জমাটবদ্ধ রক্ত। ভাইয়ের উপার্জনে ভাই বোনের পড়াশোনা- মায়ের অসুস্থতা পরিবারের খরচ চলতো।

চিকিৎসকের বাবা মো. হালিম সরকার -৫৮- বলেন- ছেলেকে খুব কষ্ট করে ঢাকার উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে পঞ্চম থেকে দ্বাদশ পর্যন্ত পড়াশোনা করাই। গত ২০২০ সালে টঙ্গীর বেসরকারি তাইরুন্নেছা মেমোরিয়াল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এমবিবিএস পাশ করেন । তাকে চিকিৎসক বানাতে গিয়ে দিতে হয়েছে সর্বত্র- ঋণে জর্জরিত। তার উপার্জনে অসুস্থ মা’র চিকিৎসা- ভাই বোনের পড়াশোনা ও সংসার চলতো দেয়া হতো ঋণ।
তিনি আরো বলেন- আমি আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার ছেলে খুব ধার্মিক ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন- সজিব ডাক্তার হয়ে সময় পেলেই এলাকায় এসে বিনামূল্যে মানুষের চিকিৎসা সেবা দিতেন।