Dhaka , Friday, 3 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডাইয়িং কারখানার বর্জ্যে বিপর্যস্ত পরিবেশ অভিযোগের পরও নীরব ভূমিকায় প্রশাসন রাতের আধারে বিষ ঢালছে কারখানা- মরছে মাছ! দূর্গন্ধে অতিষ্ট জনজীবন সাভারের আশুলিয়ায় রণক্ষেত্রের চিত্র: আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও গুলি বিনিময়—এলাকাজুড়ে চরম আতঙ্ক বাংলাদেশ ফেয়ার মাইন্ড ইউনাইটেড ফাউন্ডেশনের নতুন নেতৃত্বে রাকিব ও আব্দুল্লাহ রিহ্যাব নির্বাচন ২০২৬–২০২৮: স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকারে জাগরণ প্যানেলের প্রার্থীতা ঘোষণা স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধতামুক্ত হচ্ছে প্রবর্তক মোড় এলাকা:- মেয়র বায়েজিদের অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসী হত্যাকারী গলাকাটা বাচা আবারো সক্রিয় বৈশ্বিক সংকটেও জনস্বার্থে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায়নি সরকার: কুলাঘাটে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু লালমনিরহাটে শিক্ষা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আধুনিক আশ্রয়কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন ত্রাণমন্ত্রী সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র তিন অভিযান: ৯টি ভারতীয় গরু ও চিনি জব্দ হাতীবান্ধায় জমি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ: চাচাদের পিটুনিতে ভাতিজা খুনের অভিযোগ, একজন গ্রেফতার কলমাকান্দায় প্লাবিত হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ পরিদর্শনে ডেপুটি স্পিকার মা-বোনের সম্ভ্রমহানির সাথে যারা বেঈমানী করেন, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই: বরকত উল্লাহ বুলু ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখানায় আবারও বন্ধ থাকার উৎপাদন শুরু নিরাপদ পানির নিশ্চয়তায় রামপুর কুবরিকান্দা যুব উন্নয়ন সমিতির উদ্যোগ ভূমি ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করতে হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী মশা নিধনে মানবিক উদ্যোগ: ৬৬ নং ওয়ার্ডে আজিজুল হক আজিজের প্রশংসনীয় কার্যক্রম নোয়াখালীতে ডিএনসির অভিযান: ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৫ ফতুল্লায় বিএনপির ঈদ পুনর্মিলনী ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁওয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ১০ রূপগঞ্জে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি ॥ দুই শিশুর মৃত্যু, হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ১৫ শিশু ভর্তি খুলনায় নবাগত জেলা প্রশাসকের যোগদান; দায়িত্ব নিলেন হুরে জান্নাত পাইকগাছায় পাট চাষীদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ বিতরণ ফতুল্লায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও ছেলেসহ আটক, উদ্ধার ৫৩ রাউন্ড গুলি নারায়ণগঞ্জে দুই প্রাইভেট হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হজ শেষে দেশে ফিরলেন কৃষক দল নেতা খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের দাবি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে প্রতিদিনই বাড়ছে নিউমোনিয়া রোগী লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র পৃথক ৩ অভিযান: হাতীবান্ধা ও কুড়িগ্রাম সীমান্তে মাদক ও কসমেটিকস জব্দ নোয়াখালীতে ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ গ্রেপ্তার-২ দোহাজারী হাজারী টাওয়ারে মেজবানবাড়ী রেস্তোঁরায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি রূপগঞ্জে বিধবার বসতবাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ ছেলের মৃত্যু

হিলি স্থলবন্দরে আশঙ্কাজনক ভাবে কমেছে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য- কাজ না থাকায় বিপাকে হাজার খানেক শ্রমিক-কর্মচারিরা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:45:21 pm, Tuesday, 16 July 2024
  • 81 বার পড়া হয়েছে

হিলি স্থলবন্দরে আশঙ্কাজনক ভাবে কমেছে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য- কাজ না থাকায় বিপাকে হাজার খানেক শ্রমিক-কর্মচারিরা।।

কৌশিক চৌধুরী

হিলি প্রতিনিধি।।

    

     
দফায়-দফায় ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় পণ্য আমদানি করে খুব একটা লাভবান হতে পারছেন না হিলি বন্দরের ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও চাহিদা মাফিক ঋণপত্র না পাওয়া, পণ্য ছাড় করণে কাস্টমসের হয়রানি সহ নানা জটিলতায় তলানিতে ঠেকেছে এই বন্দরের পণ্য আমদানি-রফতানি বানিজ্য। কাজ না থাকায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছে বন্দরের হাজার খানেক শ্রমিক ও সিএন্ডএফ কর্মচারিরা।

হিলি বন্দরের শ্রমিক সিরাজুল ইসলাম বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে বন্দরের শ্রমিকরা। আগে প্রতিদিনি এইবন্দর দিয়ে ২০০ থেকে ২৫০ ট্রাক বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করতো। সেখানে এখন প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ টি ভারতীয ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করছে। এদিকে বন্দরে আমদানি রপ্তানি কমে যাওয়ায় আমাদের দৈনিক আয় ও রোজগার কমে যাওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বেকায়দায় অনেক শ্রমিকরা। আগে প্রতিদিন আমাদের দৈনিক আয় ছিলো ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা সেখানে এখান দৈনিক আয় প্রায় ১০০ টাকা মতো। এই ভাবে কতো দিন চলবে ।

হিলি স্থলবন্দর আমদানিকারক দিনেশ পোদ্দার বলেন- হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আগে প্রতিদিন দুইশ থেকে ২৫০ পণ্যবাহি ট্রাক পণ্য নিয়ে ভারত থেকে দেশে প্রবেশ করতো। বর্তমান এখন প্রতিদিনি আমদানির ট্রাকের পরিমান দাাঁড়িয়েছে ৪০ থেকে ৫০টি তে। এদিকে দফায়-দফায় ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ভারত থেকে আমদানি করে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে বন্দর ব্যবসায়ীদের। এইভাবে ডলারের দাম বাড়ার কারনে অনেক ব্যবসায়ী পণ্য আমদানি বন্ধ রেখেছে।

হিলি স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট জাবেদ হোসেন রাসেল বলেন- হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কম মূল্যে পণ্য আমদানি করা হলেও শুল্কায়ন করা হচ্ছে সর্বউচ্চ মূল্যে। অন্যান্য বন্দরে আমদানির বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থাকলেও হিলি বন্দরে কাস্টমসের নানা জটিলতায় অনেক আমদানিকারক এই বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি বন্ধ করে দিয়েছেন। চলে যাচ্ছে অন্য বন্দরে। ফলে আশঙ্কাজনক ভাবে কমেছে বন্দরের ব্যবসা-বাণিজ্য।

হিলি বন্দরের আমদানিকারকের প্রতিনিধি অহেদুর রহমান রিপন বলেন- একসময় হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে  প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ ট্রাক বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করলেও । বর্তমান ব্যাংকের নানা জটিলতা কারণে আমদানি কমে গেছে। ব্যাংকে এলসি খোলার সময় নির্ধারিত রেট বেধে দিলেও আমদানি করার পরে এলসি পরিষদ করতে গেলে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে আরেট রেট । এদিকে বেঁধে দেওয়া রেটের চেয়ে বেশি টাকা বেঁধে দেওযায় আমদানিকারককে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা যার কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি আনেকটায় কমে গেছে। এখন প্রতিদিন আমদানি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করে।

পানামা হিলি পোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাপ বলেন- আগে প্রতিদিনি এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করতো এবং আমদানি বেশি থাকায় বন্দরে শ্রদিকদের মধ্যে কর্মচঞ্চলতা ছিলো। এছাড়া তাদের দৈনিক আয় ভালো ছিলো। বর্তমান আমদানি কমে যাওয়ায় বন্দরে বেশির ভাগ শ্রমিকরা বেকার জিবন যাপন করছে। বন্দরে আমদানি বাড়লেও আবারও শ্রমিকদের মাঝে কর্মচঞ্চলতা ফিরে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে রনি নিট এন্ড কম্পোজিট ডাইয়িং কারখানার বর্জ্যে বিপর্যস্ত পরিবেশ অভিযোগের পরও নীরব ভূমিকায় প্রশাসন রাতের আধারে বিষ ঢালছে কারখানা- মরছে মাছ! দূর্গন্ধে অতিষ্ট জনজীবন

হিলি স্থলবন্দরে আশঙ্কাজনক ভাবে কমেছে আমদানি-রফতানি বাণিজ্য- কাজ না থাকায় বিপাকে হাজার খানেক শ্রমিক-কর্মচারিরা।।

আপডেট সময় : 01:45:21 pm, Tuesday, 16 July 2024

কৌশিক চৌধুরী

হিলি প্রতিনিধি।।

    

     
দফায়-দফায় ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় পণ্য আমদানি করে খুব একটা লাভবান হতে পারছেন না হিলি বন্দরের ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও চাহিদা মাফিক ঋণপত্র না পাওয়া, পণ্য ছাড় করণে কাস্টমসের হয়রানি সহ নানা জটিলতায় তলানিতে ঠেকেছে এই বন্দরের পণ্য আমদানি-রফতানি বানিজ্য। কাজ না থাকায় মানবেতর দিন কাটাচ্ছে বন্দরের হাজার খানেক শ্রমিক ও সিএন্ডএফ কর্মচারিরা।

হিলি বন্দরের শ্রমিক সিরাজুল ইসলাম বলেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানি কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে বন্দরের শ্রমিকরা। আগে প্রতিদিনি এইবন্দর দিয়ে ২০০ থেকে ২৫০ ট্রাক বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করতো। সেখানে এখন প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ টি ভারতীয ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করছে। এদিকে বন্দরে আমদানি রপ্তানি কমে যাওয়ায় আমাদের দৈনিক আয় ও রোজগার কমে যাওয়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে বেকায়দায় অনেক শ্রমিকরা। আগে প্রতিদিন আমাদের দৈনিক আয় ছিলো ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা সেখানে এখান দৈনিক আয় প্রায় ১০০ টাকা মতো। এই ভাবে কতো দিন চলবে ।

হিলি স্থলবন্দর আমদানিকারক দিনেশ পোদ্দার বলেন- হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আগে প্রতিদিন দুইশ থেকে ২৫০ পণ্যবাহি ট্রাক পণ্য নিয়ে ভারত থেকে দেশে প্রবেশ করতো। বর্তমান এখন প্রতিদিনি আমদানির ট্রাকের পরিমান দাাঁড়িয়েছে ৪০ থেকে ৫০টি তে। এদিকে দফায়-দফায় ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং ভারত থেকে আমদানি করে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে বন্দর ব্যবসায়ীদের। এইভাবে ডলারের দাম বাড়ার কারনে অনেক ব্যবসায়ী পণ্য আমদানি বন্ধ রেখেছে।

হিলি স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট জাবেদ হোসেন রাসেল বলেন- হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কম মূল্যে পণ্য আমদানি করা হলেও শুল্কায়ন করা হচ্ছে সর্বউচ্চ মূল্যে। অন্যান্য বন্দরে আমদানির বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থাকলেও হিলি বন্দরে কাস্টমসের নানা জটিলতায় অনেক আমদানিকারক এই বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি বন্ধ করে দিয়েছেন। চলে যাচ্ছে অন্য বন্দরে। ফলে আশঙ্কাজনক ভাবে কমেছে বন্দরের ব্যবসা-বাণিজ্য।

হিলি বন্দরের আমদানিকারকের প্রতিনিধি অহেদুর রহমান রিপন বলেন- একসময় হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে  প্রতিদিন ২০০ থেকে ২৫০ ট্রাক বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করলেও । বর্তমান ব্যাংকের নানা জটিলতা কারণে আমদানি কমে গেছে। ব্যাংকে এলসি খোলার সময় নির্ধারিত রেট বেধে দিলেও আমদানি করার পরে এলসি পরিষদ করতে গেলে বেঁধে দেওয়া হচ্ছে আরেট রেট । এদিকে বেঁধে দেওয়া রেটের চেয়ে বেশি টাকা বেঁধে দেওযায় আমদানিকারককে গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা যার কারণে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি আনেকটায় কমে গেছে। এখন প্রতিদিন আমদানি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করে।

পানামা হিলি পোর্টের গণসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক প্রতাপ বলেন- আগে প্রতিদিনি এই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বন্দরে প্রবেশ করতো এবং আমদানি বেশি থাকায় বন্দরে শ্রদিকদের মধ্যে কর্মচঞ্চলতা ছিলো। এছাড়া তাদের দৈনিক আয় ভালো ছিলো। বর্তমান আমদানি কমে যাওয়ায় বন্দরে বেশির ভাগ শ্রমিকরা বেকার জিবন যাপন করছে। বন্দরে আমদানি বাড়লেও আবারও শ্রমিকদের মাঝে কর্মচঞ্চলতা ফিরে আসবে বলে মনে করেন তিনি।