
নিজস্ব প্রতিবেদক।।
বাউ রামনগর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে সুজন হাওলাদার (২৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত সুজন হাওলাদার বাউফল থানা দিন রামনগর গ্রামের আবুল বাশার হাওলাদারের ছেলে।
গত শুক্রবার দিন সকাল দশটায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহতকে উদ্ধার করে বাউফল থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করে। সেখানে আহত শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখা দিলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত সূত্রে জানাজায় প্রতিপক্ষ মাদক ব্যবসায়ী ডালিম হাওলাদারের মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় একের পর এক হামলার শিকার হয় সুজন হাওলাদার।আহত সূত্র আরও জানায়, দীর্ঘদিন আগে ডালিম হাওলাদার মাদক মামলায় আটক হয়। এ সময় পুলিশ বাদী হয়ে ডালিম হাওলাদারের বিরুদ্ধে মাদক মামলা দায়ের করে।
এ সময় প্রতিপক্ষ ডালিম হাওলাদার আহত সুজনকে বাদই মনে করে একাধিকবার হুমকি ধামকি দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় সুজন হাওলাদারের পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে ও সুজন হাওলাদার এর বাবা আবুল বাসার হাওলাদারের দোকান ভাঙচুর করে তাদের বাড়ি থেকে বের করে দেয়।
পরবর্তীতে সুজন হাওলাদারের কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা চাওয়ায় আদালতে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। আহত সূত্রে আরও জানায় এ ঘটনার পর ডালিম হাওলাদার তার স্ত্রীর দেওয়া মামলায় দীর্ঘদিন জেলা থাকার পরে জামিনে বের হয়ে গত শুক্রবার দিন সকাল দশটার দিকে রাস্তা থেকে রামনগর মৃধা বাড়ি বাজারের সামনে তুলে নিয়ে সুজন হাওলাদার কে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।
এ সময় ডালিম হাওলাদার, সোহেল, জাহিদুল, মাহবুব, সহ অজ্ঞাত ৮-১০ জন রামদা, চাপাতি, লাঠি ও রড দিয়ে সুজন হাওলাদারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে আহত ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসলে মুমূর্ষ অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
বর্তমানে এ ঘটনায় গুরুত্বর আহত সুজন হাওলাদার শেবাচিমের অর্থপেডিক ওয়ার্ডের মূমূর্ষ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ বিষয়ে আহত পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।























