
তৌহিদ বেলাল
কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালিতে নিজের বড়ভাই মুহাম্মদ শফি ও ভাবি কহিনুরকে কুপিয়ে ক্ষতবিক্ষত করেছে সন্ত্রাসী ফিরোজ ও ইউনুস। এবিষয়ে মামলা হলে আসামিরা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে।
ঈদগাঁও উপজেলার পোকখালি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মধ্যম পোকখালির ফকিরপাড়ায় এই ঘটনা ঘটেছে।
আহত মুহাম্মদ শফি (৪১) মধ্যম পোকখালির ফকিরপাড়ার মৃত নুরুল আমিন ও ছফুরা বেগমের পুত্র এবং কহিনুর আকতার (৩৫) মুহাম্মদ শফি’র স্ত্রী। এছাড়া হামলাকারী ফিরোজ মিয়া (৩৪) ও মুহাম্মদ ইউনুস (৩৯) আহত মুহাম্মদ শফি’র আপন ছোটভাই।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই ভাই ফিরোজ ও ইউনুস তাদের আরেক ভাই মুহাম্মদ শফির বসতবাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় বড়ভাই শফি প্রতিবাদ করলে ফিরোজ ও ইউনুস তাদের হাতে থাকা দা-কিরিচ নিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। স্ত্রী কহিনুর আকতার স্বামী শফিকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসী দেবরদ্বয় তাকেও উপুর্যুপরি কোপায়। তারা কহিনুরের শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা করে। এসময় সন্ত্রাসীরা শফির বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
পরে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনেরা গুরুতর আহত শফি ও কহিনুরকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। পরে এঘটনায় মুহাম্মদ শফি নিজে বাদী হয়ে তার সন্ত্রাসী ভাইদের বিরুদ্ধে ঈদগাঁও থানায় মামলা (১০/৯৬) করেন।
জানা যায়, মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি মুহাম্মদ ইউনুসকে গ্রেফতার করে। তবে মামলার অপর আসামি ফিরোজ মিয়া এখনো পলাতক রয়েছে।
ভুক্তভোগী মুহাম্মদ শফি বলেন- ‘একই পিতার সন্তান হিসেবে বাড়ি-ভিটেয় আমার সমান ভাগ পাবার কথা। কিন্তু ছোট দুই ভাই ইউনুস ও ফিরোজ অন্যায়ভাবে, সন্ত্রাসী কায়দায় আমাকে ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত করার পায়তারা করছে। এজন্য তারা আমাকে হত্যা করতে চায়। আসামিরা বর্তমানে আমাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে’।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও), ঈদগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গিয়াস উদ্দিন বলেন- ‘মামলার পর আসামি ইউনুসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রধান আসামি ফিরোজকে গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে’
























