Dhaka , Thursday, 30 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মাদকে জিরো টলারেন্স ঘোষিত আড়াইহাজারে মাদক নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা পুলিশ ভবিষ্যতে মন্দিরের জন্য বরাদ্দ প্রদানে বিন্দুমাত্র অবহেলা করা হবে না,পুরোহিতদের সঙ্গে সাক্ষাতে ডেপুটি স্পিকার চট্টগ্রাম মা ও হাসপাতালে সন্তান সম্ভবা চিকিৎসকসহ কর্তব্যরত চিকিৎসকদের উপর রোগীর স্বজনদের হামলার ঘটনায় ড্যাব চট্টগ্রাম এর প্রতিবাদ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৯ সদস্যের সমন্বয় কমিটি গঠন রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় আহত মৎস্য খামারির মৃত্যু ৩৪৪ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক: সারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ বছরের জেল রামুতে বন্যহাতির আক্রমনে মা-মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু র‍্যাব ৭’র অভিযান এক লাখ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয় কমিটি করবে সরকার:- প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রবাসীদের জন্য প্রথম অনলাইন গণশুনানি, সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের নির্দেশ দিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সদরপুরে হত্যা চেষ্টা মামলায় বিতর্ক, আসামি তালিকা নিয়ে প্রশ্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র রূপগঞ্জে মাদকসেবীদের হামলায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যালয়ের চাল উড়ে গেল, পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ ২ জন কারাগারে ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় রাতে দোকান খোলা রাখায় জরিমানা পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ৬৪ কেজি গাঁজা ও ১২ বোতল বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: গৃহশিক্ষকের ফাঁসির আদেশ গণসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শব্দদূষণ প্রতিরোধ সম্ভব : বিভাগীয় কমিশনার নরসিংদী বৃষ্টির মধ্যে হাঁটু পানির নিচে সড়ক ঢালাই, এলাকাবাসীর ক্ষোভ শিট না আনায় ক্লাস থেকে বের করে দেয় শিক্ষক, প্যানিক অ্যাটাকে মেডিকেলে এক শিক্ষার্থী নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে রামু থেকে ৩২ লাখ টাকা চুরি ও অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেনের দ্রুত পদক্ষেপে জলাবদ্ধতা কমে স্বস্তি ফিরেছে নগরীতে রাজনগরে বন্যায় প্লাবিত দুই গ্রাম, দুর্ভোগে মানুষ চন্দনাইশে মমতা’র আয়োজনে উত্তম ব্যবস্থাপনায় নিরাপদ প্রাণিসম্পদ উৎপাদন প্রশিক্ষণ বারবার স্থগিত চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনী ভাগ্য কোন পথে? গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৩০ কক্সবাজারে ডিএসকে’র উদ্যোগে যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত নরসিংদী পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ

জগন্নাথপুরে নলুয়ার হাওরের পশ্চিম প্রান্তরে দ্রæত চলছে বাঁধের কাজ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:24:13 pm, Monday, 23 January 2023
  • 167 বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুরে নলুয়ার হাওরের পশ্চিম প্রান্তরে দ্রæত চলছে বাঁধের কাজ

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সর্ববৃহৎ হাওরের নাম হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী নলুয়ার হাওর। বিশাল আয়তনের এ হাওরের দিকে সবার নজর রয়েছে। প্রতি বছর নলুয়ার হাওর থেকে উৎপাদিত ধান স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। তাই নলুয়ার হাওরের ফসল রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়রা ঝাঁপিয়ে পড়েন। গেল বছরও অকাল বন্যায় ঝুঁকিতে পড়ে যায় নলুয়ার হাওর। বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিলে চারদিকে হাহাকার শুরু হয়ে যায়। এ সময় জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন, পাউবো, কৃষি বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পিআইসি সহ সর্বস্তরের মানুষের প্রচেষ্টায় দিনরাত মাটি ভরাট কাজ করা হয়। অবশেষে সবার প্রাণপন প্রচেষ্টায় হাওর রক্ষা হয় এবং কৃষকদের গোলায় উঠে কষ্টার্জিত সোনার ফসল।
এবারো গেল বারের আতঙ্ক সবাইকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। যে কারণে কাজের শুরু থেকে প্রশাসন, পিআইসি সহ সবাই সতর্ক রয়েছেন। যাতে আগামী বৈশাখ মৌসুমে ভালোয় ভালোয় কৃষকরা তাদের কষ্টের ফসল গোলায় তুলতে পারেন। সেই লক্ষকে সামনে রেখে যারা অতীতে ভালো কাজ করেছেন এবং যাদের উপর ভরসা রাখা যায় এমন পিআইসিদের কাজ প্রদান করা হচ্ছে।
এবার গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে পৌণে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৭টি পিআইসি প্রকল্পের মাধ্যমে নলুয়ার হাওর ও মইয়ার হাওর সহ বিভিন্ন হাওরের ২৬ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কাজ সম্পন্ন করতে কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে অনেক প্রকল্পের কাজ এখনো শুরু হয়নি। তবে অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে দ্রæত গতিতে চলছে। এর মধ্যে অনেকে কার্যাদেশ ও প্রথম বিল না পেয়েও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। হাওর রক্ষার স্বার্থে সময়মতো কাজ করতে গিয়ে এভাবে কাজ করানো হচ্ছে।
এর মধ্যে ২৩ জানুয়ারি সোমবার জগন্নাথপুর ও দিরাই উপজেলার সীমান্ত বিশাল আয়তনের নলুয়ার হাওরের পশ্চিম প্রান্ত বেতাউকা গ্রাম এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৬, ১৭ ও ১৮ নং পিআইসি অংশে দ্রæত গতিতে বাঁধ নির্মাণ কাজ চলছে। এ সময় ১৬নং পিআইসি কমিটির সভাপতি আবুল কাশেম জানান, আমাদের অঞ্চলের বাঁধ সব সময় ঝুঁকিপূর্ণ থাকে। তাই সময়মতো সঠিকভাবে কাজ করতে হয়। যে কারণে বৃষ্টিপাত হওয়ার আগেই বড় বড় ভাঙনে দ্রæত মাটি ভরাট করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া ১৭ ও ১৮নং প্রকল্পের প্রায় ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। যদিও এখনো প্রথম বিল পাননি পিআইসিরা। এর মধ্যে ১৮নং প্রকল্পের কার্যাদেশ না পেয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মৌখিক অনুমোদনে কাজ করা হচ্ছে। এ সময় এসব প্রকল্পের মাটি কাটার কাজ দেখে স্থানীয় জনতা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাঁধের কাজ দ্রæত সম্পন্ন করার স্বার্থে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব সকল পিআইসিদের কার্যাদেশ সহ প্রথম বিল প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। সেই সাথে হাওর রক্ষার স্বার্থে দ্রæত কাজ শেষ করতে সকল পিআইসিদের প্রতিও আহবান জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
এদিকে-উপজেলার বাউধরণ গ্রাম এলাকায় ৩০নং পিআইসি কমিটির মাধ্যমে ছোট-বড় ভাঙনে মাটি ভরাট কাজ চলতে দেখা যায়। এ প্রকল্পের সভাপতি স্থানীয় ইউপি সদস্য সালেহ উদ্দিন জানান, যতো দ্রæত সম্ভব কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি। তবে আমার প্রকল্পে ১০টি ভাঙন রয়েছে। বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। কাজের তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম। তাই আবারো সরেজমিনে দেখে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ সাজেদুল ইসলাম জানান, এবার ধাপে ধাপে প্রকল্প অনুমোদন হচ্ছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ প্রকল্পের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। আগামী ২/১ দিনের মধ্যে সব প্রকল্প কার্যাদেশ পাবেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকে জিরো টলারেন্স ঘোষিত আড়াইহাজারে মাদক নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা পুলিশ

জগন্নাথপুরে নলুয়ার হাওরের পশ্চিম প্রান্তরে দ্রæত চলছে বাঁধের কাজ

আপডেট সময় : 08:24:13 pm, Monday, 23 January 2023

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সর্ববৃহৎ হাওরের নাম হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী নলুয়ার হাওর। বিশাল আয়তনের এ হাওরের দিকে সবার নজর রয়েছে। প্রতি বছর নলুয়ার হাওর থেকে উৎপাদিত ধান স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হয়। তাই নলুয়ার হাওরের ফসল রক্ষায় সরকারের পাশাপাশি স্থানীয়রা ঝাঁপিয়ে পড়েন। গেল বছরও অকাল বন্যায় ঝুঁকিতে পড়ে যায় নলুয়ার হাওর। বাঁধের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিলে চারদিকে হাহাকার শুরু হয়ে যায়। এ সময় জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন, পাউবো, কৃষি বিভাগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পিআইসি সহ সর্বস্তরের মানুষের প্রচেষ্টায় দিনরাত মাটি ভরাট কাজ করা হয়। অবশেষে সবার প্রাণপন প্রচেষ্টায় হাওর রক্ষা হয় এবং কৃষকদের গোলায় উঠে কষ্টার্জিত সোনার ফসল।
এবারো গেল বারের আতঙ্ক সবাইকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে। যে কারণে কাজের শুরু থেকে প্রশাসন, পিআইসি সহ সবাই সতর্ক রয়েছেন। যাতে আগামী বৈশাখ মৌসুমে ভালোয় ভালোয় কৃষকরা তাদের কষ্টের ফসল গোলায় তুলতে পারেন। সেই লক্ষকে সামনে রেখে যারা অতীতে ভালো কাজ করেছেন এবং যাদের উপর ভরসা রাখা যায় এমন পিআইসিদের কাজ প্রদান করা হচ্ছে।
এবার গত ১৫ ডিসেম্বর থেকে পৌণে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৭টি পিআইসি প্রকল্পের মাধ্যমে নলুয়ার হাওর ও মইয়ার হাওর সহ বিভিন্ন হাওরের ২৬ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ ও মেরামত কাজ সম্পন্ন করতে কাজ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে অনেক প্রকল্পের কাজ এখনো শুরু হয়নি। তবে অধিকাংশ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়ে দ্রæত গতিতে চলছে। এর মধ্যে অনেকে কার্যাদেশ ও প্রথম বিল না পেয়েও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। হাওর রক্ষার স্বার্থে সময়মতো কাজ করতে গিয়ে এভাবে কাজ করানো হচ্ছে।
এর মধ্যে ২৩ জানুয়ারি সোমবার জগন্নাথপুর ও দিরাই উপজেলার সীমান্ত বিশাল আয়তনের নলুয়ার হাওরের পশ্চিম প্রান্ত বেতাউকা গ্রাম এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১৬, ১৭ ও ১৮ নং পিআইসি অংশে দ্রæত গতিতে বাঁধ নির্মাণ কাজ চলছে। এ সময় ১৬নং পিআইসি কমিটির সভাপতি আবুল কাশেম জানান, আমাদের অঞ্চলের বাঁধ সব সময় ঝুঁকিপূর্ণ থাকে। তাই সময়মতো সঠিকভাবে কাজ করতে হয়। যে কারণে বৃষ্টিপাত হওয়ার আগেই বড় বড় ভাঙনে দ্রæত মাটি ভরাট করছি। ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়ে গেছে। এছাড়া ১৭ ও ১৮নং প্রকল্পের প্রায় ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। যদিও এখনো প্রথম বিল পাননি পিআইসিরা। এর মধ্যে ১৮নং প্রকল্পের কার্যাদেশ না পেয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মৌখিক অনুমোদনে কাজ করা হচ্ছে। এ সময় এসব প্রকল্পের মাটি কাটার কাজ দেখে স্থানীয় জনতা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাঁধের কাজ দ্রæত সম্পন্ন করার স্বার্থে যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব সকল পিআইসিদের কার্যাদেশ সহ প্রথম বিল প্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান। সেই সাথে হাওর রক্ষার স্বার্থে দ্রæত কাজ শেষ করতে সকল পিআইসিদের প্রতিও আহবান জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
এদিকে-উপজেলার বাউধরণ গ্রাম এলাকায় ৩০নং পিআইসি কমিটির মাধ্যমে ছোট-বড় ভাঙনে মাটি ভরাট কাজ চলতে দেখা যায়। এ প্রকল্পের সভাপতি স্থানীয় ইউপি সদস্য সালেহ উদ্দিন জানান, যতো দ্রæত সম্ভব কাজ শেষ করার চেষ্টা করছি। তবে আমার প্রকল্পে ১০টি ভাঙন রয়েছে। বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মাত্র ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। কাজের তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম। তাই আবারো সরেজমিনে দেখে বরাদ্দ বাড়ানোর জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দাবি জানান।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোঃ সাজেদুল ইসলাম জানান, এবার ধাপে ধাপে প্রকল্প অনুমোদন হচ্ছে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ প্রকল্পের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। আগামী ২/১ দিনের মধ্যে সব প্রকল্প কার্যাদেশ পাবেন।