Dhaka , Saturday, 2 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চিলমারীতে ২ বছরের শিশু আয়েশা হত্যার রহস্য উদঘাটন: দম্পতি গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি দুই দিন ধরে হাতিয়া রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ নোয়াখালীতে চাচাতো ভাইকে পিটিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ১ সরাইলে মহান মে দিবস পালিত মডেলিংয়ে ধীরে ধীরে পরিচিত মুখ হচ্ছেন ঝালকাঠির জায়ান মেহেদী, পরিবারের বাধা পেরিয়ে স্বপ্নপূরণে দৃঢ় পদচারণা জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে সরকার আগামীতে স্বাস্থ্য কার্ড প্রদাণের কথা ভাবছে-তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় (এএইউবি) উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন আনবে: আসাদুল হাবিব দুলু বাংলাদেশ ও নেপালের গণআন্দোলন কাভারেজে ফটোসাংবাদিকদের ভূমিকা নিয়ে পিআইবিতে সেমিনার অনুষ্ঠিত কাচপুর ব্রিজের নিচে পরিত্যক্ত আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার মালয়েশিয়া থেকে বাড়ি ফেরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রবাসী যুবকের মৃত্যু, দাফন সম্পন্ন  ইবি’র শহীদ আনাস হলে নির্ধারিত সিটের বিপরীতে আবেদন সংখ্যা কম, সময় বাড়ছে দুই সপ্তাহ নিষেধাজ্ঞা শেষে মধ্যরাতেই মেঘনায় নামছে লক্ষ্মীপুরের জেলেরা মহান মে দিবস উদযাপন পাইকগাছায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস পালিত ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ উপলক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত। চরভদ্রাসনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান- মে দিবস ২০২৬ পালিত ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে আইন-শৃঙ্খলা উন্নয়নে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত। রামুতে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ পুলিশ সদস্য আটক করেছে বিজিবি শিকলে বাঁধা গণমাধ্যমের দিবস পালন শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা না গেলে উন্নয়ন টেকসই হবে না:- ডা. শাহাদাত হোসেন গত ১৭ বছর বাংলাদেশের শ্রমিকেরা ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল:- চট্টগ্রামে মহান মে দিবসের আলোচনায় ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এমপি মহান মে দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন সিএমইউজে’র বিবৃতি “গৌতম বুদ্ধের অহিংসা ও মানবতার শিক্ষা বিশ্বকে শান্তির পথ দেখায়” :- মেয়র শাহাদাত চট্টগ্রামে ভয়ংকর অস্ত্র সিন্ডিকেটের জাল উন্মোচন, ডিবি ও থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র গোলাবারুদসহ ৪ সন্ত্রাসী গ্রেফতার জনগণ ভালো থাকা মানে সরকার ভালো থাকা মধুপুরে- আইসিটি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম মধুপুরে উপজেলা শ্রমিক ফেডারেশনের মে দিবস পালন “কাজ হবে আমার এলাকায়, কাজ করবে আমার এলাকার মানুষ”- ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু কালীগঞ্জে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: বসতবাড়ির উঠান থেকে মাদকসহ নারী কারবারি গ্রেপ্তার লালমনিরহাটে ট্রাক উল্টে ক্ষেতের পাশে থাকা বৃদ্ধের করুণ মৃত্যু: মহাসড়ক অবরোধ করে জনতার বিক্ষোভ ইসলামি শ্রমনীতি বাস্তবায়ন করলেই শ্রমজীবী মানুষের অধিকার বাস্তবায়ন হবে ; মাওলানা বোরহান উদ্দিন।

মেহেরপুরে আদালত অবমাননা করে বিরোধপুর্ণ জমিতে চলছে উচ্চ ভবন নির্মাণ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:17:53 pm, Monday, 14 November 2022
  • 166 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে আদালত অবমাননা করে বিরোধপুর্ণ জমিতে চলছে উচ্চ ভবন নির্মাণ

মেহেরপুর প্রতিনিধি।।

কুষ্টিয়া-গাংনী সড়কের পল্লী বিদ্যুত সাব- স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্চ আদালতে মামলা বিচারাধিন থাকার পরও বিরোধপুর্ণ জমিতে জোর পুর্বক বাড়ি ঘর নির্মাণ করছেন একটি পক্ষ। এতে করে উভয় পক্ষের মধ্য টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা এমনকি জিবনহানী ঘটার আশংকাও দেখা দিয়েছে। তবে আদালতে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, মোছাঃ ফতেজান নেছার ওয়ারিশ রেজাউল হক ও সিরাজুল ইসলাম গং এবং আব্দুল মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গং। উক্ত ৫৪ শতক জমির মধ্য মেহেরপুর মুন্সেফ আদালতে ফতেজান নেছার ওয়ারিশগন ২৭ শতক উক্ত দাগে রায়ের বলে মালিক হন। পরবর্তিতে আঃ মোতালেব জেলা জজ আদালতে আপিল করলে জেলা জজের ২য় রায়ে প্রথম রায়টি কারো পক্ষে না দিয়ে স্থগিত করেণ (উভয় পক্ষকে উচ্চ আদালত হইতে ফয়সালা নিতে হবে)। জেলা জজের ২য় রায়ের পর ফতেজান নেছার ওয়ারিশ রেজাউল হক ও সিরাজুল ইসলাম গং মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল রুল রিভিশন পিটিশন করেন যাহার মামলা নং ৩৫২৭/২০১২। উক্ত মামলাটি বর্তমানে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে প্রস্তত অবস্থায় বিচারাধীন আছে। উক্ত মামলা নিস্পত্তি না হতেই আ: মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গং উক্ত জমিতে জোর পুর্বক ভবন নির্মান কাজ শুরু করেছেন। উক্ত নির্মান কাজকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্য টান টান উত্তেজনার উদ্ভব ঘটেছে। উক্ত নির্মান কাজ প্রশাসন বা আদালত কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা না হলে উভয় পক্ষের মধ্য যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা এমনকি জিবনহানী ঘটার আশংকাও দেখা দিয়েছে।

গাংনী বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সূধীজনদের আশংকা, ওখানে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটবে এবং জায়গাটি বাজার সংলগ্ন হওয়ায় বাজারে আইন সৃঙ্খলার বড় ধরণের অবনতি দেখা দিতে পারে। বাজার এলাকার অনেক ব্যাবসায়ী ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সাথে আলাপ করে জানা যায় উক্ত বিরোধপুর্ণ জমিতে নির্মাণ কাজ দ্রæত বন্ধ না করা হলে যে কোন সময় উভয় পক্ষের মধ্য রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে পড়বে।

জানা যায় ফতেজান নেছার ওয়ারিশগন রেজাউল হক ও সিরাজুল ইসলাম গং এক বছর পুর্বে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত মেহেরপুরে উক্ত জমিতে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে একটি নিষেধাজ্ঞার আদেশ চেয়ে আবেদন করলে আদালত উক্ত জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। আঃ মোতারেবের ওয়ারিশগন জেলা জজ আদালতে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল পিটিশন করলে উক্ত মামলা জেলা জজ কর্তৃক পুনরায় জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করলে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মহেদয় উক্ত জমিতে প্রকৃত অবস্থা কি সেটা জানতে চেয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাংনী থানাকে সরজমিনে তদন্ত পুর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিলে গাংনী থানা উক্ত জমিতে স্বরজমিনে তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন দাখিল করেন। যেখানে তদন্তে (ওসি) গাংনী থানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেণ উক্ত বিরোধপুর্ণ জমিতে নির্মাণ কাজ করলে উভয় পক্ষের মধ্য বড় ধরণের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও প্রানহাণীর আশংকা রহিয়াছে।

ওসি গাংনী থানার প্রতিবেদনের উপর আস্থা রেখে মহামান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মহোদয় উভয় পক্ষকে সংযত থাকার জন্য এবং উক্ত জমিতে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য ১৪৪ ধারা বহাল রাখেন। আবার উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে মহামান্য জেলা জজ আদালতে আ: মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গং আপিল করিলে উক্ত পিটিশনটি নিস্পত্তির জন্য জেলা জজ আদালত কর্তৃক অ্যাডিশনাল জজ আদালতে স্থানান্তর করেন। অ্যাডিশনাল জজ আদালতে কয়েকবার শুনানির তারিখ থাকলেও শুনানি না হওয়ায় মামলাটি শুনানির পুর্বেই খারিজ করে দেন। উক্ত ১৪৪ ধারা খারিজ হওয়ার পর আ: মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গং এলাকার প্রভাবশালীদের সাথে নিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

জমির বাদী পক্ষের সাথে ও এলাকার লোকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায়। জমির মুল মালিক ইরাদ আলী মোল্লা মেদিনিপুর জমিদার কোম্পানির নিকট হতে বন্দোবস্ত নেওয়া সম্পত্তি। ইরাদ আলী মোল্লার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশ দুই ছেলে মোজাহার আলী মোল্লা, আহাম্মদ আলী মোল্লা ও ও এক মেয়ে আকিমন নেছা ওয়ারিশ হন। আহাম্মদ আলীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশ হন আ: মোতালেব মোল্লা। পরবর্তিতে আকিমন নেছার অংশ আ: মোতালেব ও মোজাহার আলী মোল্লা কিনে নেয়। এবার মোজাহার আলী তার অংশ উক্ত জমি তার স্ত্রী ফতেজান নেছার নামে দেন মোহর বাবদ উক্ত দাগে ২৭ শতকসহ অন্যান্য দাগ মিলে মোট ১০৭ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রী করে দেয়। তার পর ফতেজান নেছা উক্ত জমি তার তিন ছেলে সিরাজুল, মোফাজ্জেল, ইকরামুলের নামে রেজিষ্ট্রী করে দেন। বর্তমানে রেজিষ্ট্রী সূত্রে তাহারা মালিক। মোতালেব হোসেনের মৃত্যুর পর তার ছেলে হাসান, জিয়া গং ওয়ারিশ সুত্রে বর্তমান উক্ত দাগের ৫৪ শতক জমির অর্ধেক ২৭ শতকের মালিক।

বাদী ফতেজান নেছার ওয়ারিশ সিরাজুল ইসলাম ও রেজাউল গং জানান, তারা আর্থিক ও সামাজিকভাবে দুর্বল হওয়ায় বিবাদী মোতালেব হোসেনের ওয়ারিশগন হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ায় বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় করে ভাড়াটিয়া লোকজন সাথে নিয়ে দিনে ও রাতের বেলায় বিদ্যুতের বাতি লাগিয়ে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আদালতের আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসনও কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না বলেও জানান বাদী পক্ষের লোকজন।
মামলার বিবাদী মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গংয়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিষয়টি আদালতৈ বিচারাধীন। সেহেতু এখানে থানা পুলিশের কিছুই করার নেই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে ২ বছরের শিশু আয়েশা হত্যার রহস্য উদঘাটন: দম্পতি গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তি

মেহেরপুরে আদালত অবমাননা করে বিরোধপুর্ণ জমিতে চলছে উচ্চ ভবন নির্মাণ

আপডেট সময় : 09:17:53 pm, Monday, 14 November 2022

মেহেরপুর প্রতিনিধি।।

কুষ্টিয়া-গাংনী সড়কের পল্লী বিদ্যুত সাব- স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্চ আদালতে মামলা বিচারাধিন থাকার পরও বিরোধপুর্ণ জমিতে জোর পুর্বক বাড়ি ঘর নির্মাণ করছেন একটি পক্ষ। এতে করে উভয় পক্ষের মধ্য টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা এমনকি জিবনহানী ঘটার আশংকাও দেখা দিয়েছে। তবে আদালতে মামলাটি বিচারাধীন থাকায় কোন ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছেনা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

জানা গেছে, মোছাঃ ফতেজান নেছার ওয়ারিশ রেজাউল হক ও সিরাজুল ইসলাম গং এবং আব্দুল মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গং। উক্ত ৫৪ শতক জমির মধ্য মেহেরপুর মুন্সেফ আদালতে ফতেজান নেছার ওয়ারিশগন ২৭ শতক উক্ত দাগে রায়ের বলে মালিক হন। পরবর্তিতে আঃ মোতালেব জেলা জজ আদালতে আপিল করলে জেলা জজের ২য় রায়ে প্রথম রায়টি কারো পক্ষে না দিয়ে স্থগিত করেণ (উভয় পক্ষকে উচ্চ আদালত হইতে ফয়সালা নিতে হবে)। জেলা জজের ২য় রায়ের পর ফতেজান নেছার ওয়ারিশ রেজাউল হক ও সিরাজুল ইসলাম গং মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল রুল রিভিশন পিটিশন করেন যাহার মামলা নং ৩৫২৭/২০১২। উক্ত মামলাটি বর্তমানে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে প্রস্তত অবস্থায় বিচারাধীন আছে। উক্ত মামলা নিস্পত্তি না হতেই আ: মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গং উক্ত জমিতে জোর পুর্বক ভবন নির্মান কাজ শুরু করেছেন। উক্ত নির্মান কাজকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্য টান টান উত্তেজনার উদ্ভব ঘটেছে। উক্ত নির্মান কাজ প্রশাসন বা আদালত কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা না হলে উভয় পক্ষের মধ্য যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা এমনকি জিবনহানী ঘটার আশংকাও দেখা দিয়েছে।

গাংনী বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও সূধীজনদের আশংকা, ওখানে যেকোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটবে এবং জায়গাটি বাজার সংলগ্ন হওয়ায় বাজারে আইন সৃঙ্খলার বড় ধরণের অবনতি দেখা দিতে পারে। বাজার এলাকার অনেক ব্যাবসায়ী ও গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সাথে আলাপ করে জানা যায় উক্ত বিরোধপুর্ণ জমিতে নির্মাণ কাজ দ্রæত বন্ধ না করা হলে যে কোন সময় উভয় পক্ষের মধ্য রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে পড়বে।

জানা যায় ফতেজান নেছার ওয়ারিশগন রেজাউল হক ও সিরাজুল ইসলাম গং এক বছর পুর্বে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত মেহেরপুরে উক্ত জমিতে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে একটি নিষেধাজ্ঞার আদেশ চেয়ে আবেদন করলে আদালত উক্ত জমিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। আঃ মোতারেবের ওয়ারিশগন জেলা জজ আদালতে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল পিটিশন করলে উক্ত মামলা জেলা জজ কর্তৃক পুনরায় জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করলে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মহেদয় উক্ত জমিতে প্রকৃত অবস্থা কি সেটা জানতে চেয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাংনী থানাকে সরজমিনে তদন্ত পুর্বক আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিলে গাংনী থানা উক্ত জমিতে স্বরজমিনে তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন দাখিল করেন। যেখানে তদন্তে (ওসি) গাংনী থানা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেণ উক্ত বিরোধপুর্ণ জমিতে নির্মাণ কাজ করলে উভয় পক্ষের মধ্য বড় ধরণের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও প্রানহাণীর আশংকা রহিয়াছে।

ওসি গাংনী থানার প্রতিবেদনের উপর আস্থা রেখে মহামান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মহোদয় উভয় পক্ষকে সংযত থাকার জন্য এবং উক্ত জমিতে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য ১৪৪ ধারা বহাল রাখেন। আবার উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে মহামান্য জেলা জজ আদালতে আ: মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গং আপিল করিলে উক্ত পিটিশনটি নিস্পত্তির জন্য জেলা জজ আদালত কর্তৃক অ্যাডিশনাল জজ আদালতে স্থানান্তর করেন। অ্যাডিশনাল জজ আদালতে কয়েকবার শুনানির তারিখ থাকলেও শুনানি না হওয়ায় মামলাটি শুনানির পুর্বেই খারিজ করে দেন। উক্ত ১৪৪ ধারা খারিজ হওয়ার পর আ: মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গং এলাকার প্রভাবশালীদের সাথে নিয়ে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

জমির বাদী পক্ষের সাথে ও এলাকার লোকজনের সাথে আলাপ করে জানা যায়। জমির মুল মালিক ইরাদ আলী মোল্লা মেদিনিপুর জমিদার কোম্পানির নিকট হতে বন্দোবস্ত নেওয়া সম্পত্তি। ইরাদ আলী মোল্লার মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশ দুই ছেলে মোজাহার আলী মোল্লা, আহাম্মদ আলী মোল্লা ও ও এক মেয়ে আকিমন নেছা ওয়ারিশ হন। আহাম্মদ আলীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশ হন আ: মোতালেব মোল্লা। পরবর্তিতে আকিমন নেছার অংশ আ: মোতালেব ও মোজাহার আলী মোল্লা কিনে নেয়। এবার মোজাহার আলী তার অংশ উক্ত জমি তার স্ত্রী ফতেজান নেছার নামে দেন মোহর বাবদ উক্ত দাগে ২৭ শতকসহ অন্যান্য দাগ মিলে মোট ১০৭ শতাংশ জমি রেজিষ্ট্রী করে দেয়। তার পর ফতেজান নেছা উক্ত জমি তার তিন ছেলে সিরাজুল, মোফাজ্জেল, ইকরামুলের নামে রেজিষ্ট্রী করে দেন। বর্তমানে রেজিষ্ট্রী সূত্রে তাহারা মালিক। মোতালেব হোসেনের মৃত্যুর পর তার ছেলে হাসান, জিয়া গং ওয়ারিশ সুত্রে বর্তমান উক্ত দাগের ৫৪ শতক জমির অর্ধেক ২৭ শতকের মালিক।

বাদী ফতেজান নেছার ওয়ারিশ সিরাজুল ইসলাম ও রেজাউল গং জানান, তারা আর্থিক ও সামাজিকভাবে দুর্বল হওয়ায় বিবাদী মোতালেব হোসেনের ওয়ারিশগন হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ায় বিপুল পরিমান অর্থ ব্যয় করে ভাড়াটিয়া লোকজন সাথে নিয়ে দিনে ও রাতের বেলায় বিদ্যুতের বাতি লাগিয়ে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। আদালতের আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত পুলিশ প্রশাসনও কোন ব্যবস্থা নিতে পারছেন না বলেও জানান বাদী পক্ষের লোকজন।
মামলার বিবাদী মোতালেবের ওয়ারিশ হাসান আলী ও জিয়াউর রহমান গংয়ের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিষয়টি আদালতৈ বিচারাধীন। সেহেতু এখানে থানা পুলিশের কিছুই করার নেই।