Dhaka , Tuesday, 24 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
লাখো পর্যটকে টইটম্বুর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত রামগঞ্জে মাদক প্রতিরোধে মিনি ম্যারাথন ও ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় লবণ পানি উত্তোলন বন্ধে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ মধুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতি পরিদর্শনে ডিসি ও প্রশাসন “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায়, সে জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকতে পারে না—সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বন্ধ পাটকল চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী রূপগঞ্জে স্বামীর গলায় ছুরি ধরে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই যুবক গ্রেফতার পাইকগাছায় ইউএনও’র সঙ্গে ঢাবি ছাত্র কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় পাইকগাছায় বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের শিল্পায়নের সম্ভাবনা শীর্ষক সভায় ত্রাণমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে মাদকসহ আটক ১: ইয়াবা ও বিপুল পরিমাণ সিরাপ জব্দ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবেও ষড়যন্ত্রের ছায়া:- গিয়াস কাদের চৌধুরী ঈদের ছুটিতে তীর্থস্থানে সনাতনীদের ঢল: ভক্তি, বিশ্বাস ও পূণ্যলাভের মহামিলন চন্দনাইশ প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন সভাপতি জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক সৈকত দাশ জাজিরায় ঈদের দিনেও দায়ীত্বে, রোগীদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছেন দুই চিকিৎসক টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখতে হবে….ডাক, টেলিযোগাযোগ তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ৬ মাসের মধ্যে ভূমি অফিসের দুর্নীতি ‘ওয়ান ডিজিটে’ নামিয়ে আনার প্রত্যয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলালের ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময়কালে ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামকে বাসযোগ্য নগরে পরিণত করতে কাজ করছি আসুন সম্প্রীতি ও মানবিকতার সমাজ গড়ে তুলতে ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিই:- ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দীন সমাজের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরুন, দুর্গাপুর প্রেসক্লাব এর রজতজয়ন্তীতে ডেপুটি স্পিকার রাঙ্গুনিয়ায় বিএনপি নেতা ওসমানকে এলোপাতাড়ি গুলি, মা-ছেলে গুলিবিদ্ধ লক্ষ্মীপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় ১ জন নিহত সিন্দুরমতি দিঘিকে দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থানে রূপান্তরের নানা পরিকল্পনার কথা জানালেন ত্রাণমন্ত্রী মৌলভীবাজারে পৌর ঈদগাহে তিন জামাত অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন এমপি এম নাসের রহমান সাতকানিয়ায় ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি: নগদ ৮ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট  কয়রায় মানবসম্পদ উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় বিশ্ব পানি দিবস পালিত; ওয়াটার সেফটি প্ল্যান নিয়ে আলোচনা পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক বন দিবস পালিত

সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদী ভাঙনে দুইশত পরিবার এবং পানিবন্ধি পাঁচ হাজার

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:00:12 pm, Monday, 20 June 2022
  • 195 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদী ভাঙনে দুইশত পরিবার এবং পানিবন্ধি পাঁচ হাজার

হযরত বেল্লাল, সুুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

 

অবিরাম বর্ষন এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে । পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে ৫ হাজার পরিবার। ভাঙনে নদীগর্ভে ২০০ পরিবারের বসতবাড়িসহ বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি, রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ি। ভাঙনের মুখে হাজারও একর ফসলি জমি ও শতাধিক বসতবাড়ি।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার পানি বর্তমানে বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে উপজেলার হরিপুর, শ্রীপুর চন্ডিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের তথ্য মতে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ২০০টি পরিবার এবং ৫০০ হেক্টর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। উজানের ঢলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় কমপক্ষে ৫ হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। পানিবন্ধি পরিবারগুলো আশ্রয় কেন্দ্র এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।
হরিপুর ইউনিয়নের চর পাড়া সাদুয়া গ্রামের আকবর আলী জানান, ইতিমধ্যে পানি প্রতিটি পরিবারের ঘরের ভিতরে উঠে গেছে। তিনি আরও বলেন, গত এক সপ্তাহের নদী ভাঙনে তার ৫ বিঘা জমি উঠতি তোষাপাটসহ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তার ইউনিয়নের কমপক্ষে ২ হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ১০০টি পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। অনেক পরিবার ইতিমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে গোটা চরাঞ্চলের কমপক্ষে ৬ হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভাঙন ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় হাজারও পরিবার ভাঙনের সন্মুখিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া চরাঞ্চলে চলাচল দূরহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মন্ডল জানান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের নিকট হতে পানিবন্ধি ও নদী ভাঙনের শিকার পরিবারদের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০টি পানিবন্ধি পরিবারদের তালিকা করা হয়েছে। তবে সংখ্যা আরও বাড়ছে। ইতিমধ্যে বানভাসিদের জন্য ৩৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
উপজেলা নিবার্হী মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, তিস্তায় পানি বাড়ছে। এখনও সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বন্যায় বানভাসিদের সহায়তায় সকল রকম প্রস্তুতি রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখো পর্যটকে টইটম্বুর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত

সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদী ভাঙনে দুইশত পরিবার এবং পানিবন্ধি পাঁচ হাজার

আপডেট সময় : 06:00:12 pm, Monday, 20 June 2022

হযরত বেল্লাল, সুুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

 

অবিরাম বর্ষন এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে । পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে ৫ হাজার পরিবার। ভাঙনে নদীগর্ভে ২০০ পরিবারের বসতবাড়িসহ বিলিন হচ্ছে ফসলি জমি, রাস্তাঘাট ও বসতবাড়ি। ভাঙনের মুখে হাজারও একর ফসলি জমি ও শতাধিক বসতবাড়ি।
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তার পানি বর্তমানে বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে উপজেলার হরিপুর, শ্রীপুর চন্ডিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় তীব্র আকারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের তথ্য মতে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ২০০টি পরিবার এবং ৫০০ হেক্টর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। উজানের ঢলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ায় কমপক্ষে ৫ হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। পানিবন্ধি পরিবারগুলো আশ্রয় কেন্দ্র এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে।
হরিপুর ইউনিয়নের চর পাড়া সাদুয়া গ্রামের আকবর আলী জানান, ইতিমধ্যে পানি প্রতিটি পরিবারের ঘরের ভিতরে উঠে গেছে। তিনি আরও বলেন, গত এক সপ্তাহের নদী ভাঙনে তার ৫ বিঘা জমি উঠতি তোষাপাটসহ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। পানি বাড়ার সাথে সাথে ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, তার ইউনিয়নের কমপক্ষে ২ হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ১০০টি পরিবার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে। অনেক পরিবার ইতিমধ্যে আশ্রয় কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছে। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে গোটা চরাঞ্চলের কমপক্ষে ৬ হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভাঙন ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় হাজারও পরিবার ভাঙনের সন্মুখিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া চরাঞ্চলে চলাচল দূরহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ মন্ডল জানান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের নিকট হতে পানিবন্ধি ও নদী ভাঙনের শিকার পরিবারদের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৫০টি পানিবন্ধি পরিবারদের তালিকা করা হয়েছে। তবে সংখ্যা আরও বাড়ছে। ইতিমধ্যে বানভাসিদের জন্য ৩৯ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
উপজেলা নিবার্হী মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, তিস্তায় পানি বাড়ছে। এখনও সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপদ সীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। বন্যায় বানভাসিদের সহায়তায় সকল রকম প্রস্তুতি রয়েছে।