
মো.ইমরান হোসেন,
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি।।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসমা আক্তার নামে এক নারী শ্রমিকের পায়ু পথে বাতাস ঢকিয়ে দিলেন কারখানার সহকর্মীরা। শনিবার ভোরে উপজেলার সফিপুরস্থ দোকানপাড় এলাকায় সাহাবুদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অসুস্থ আসমা আক্তার নামে ওই নারীকে মুমূর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আহত আসমা আক্তার উপজেলার রতনপুর এলাকার মো. আবু বকর মিয়ার স্ত্রী।
জানা যায়, আসমা আক্তার উপজেলার সফিপুরস্থ সাহাবুদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় ফিনিশিং সেকশনে চাকুরী করেন। শুক্রবার রাতে কারখানায় তিনি ওই কারখানায় ডিউটি করতে যান। শনিবার ভোরে অফিসের ফ্লোর পরিস্কার করা নিয়ে কারখানার তিন নারী ও এক পুরুষ সহকর্মীর সাথে আসমার দ্বন্ধ হয়।এঘটনার এক পর্যায়ে সহকর্মীরা মেশিন দিয়ে জোরপুর্বক আসমার পায়ু পথে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এসময় সে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকর্মীরা তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যান। এ খবর পেয়ে আসমার আত্মীয়-স্বজনরা ওই হাসপাতাল থেকে তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহম্মেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থা আরো খারাপ হলে ওই হাসপাতাল থেকে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসাপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এব্যপারে জানার জন্য কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিনের ০১৭২৮৩০৪৬৭৬ নম্বর মোবাইল ফোনে কল করলে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ফোন বন্ধ করে দেন। কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. আকবর আলী জানান, বিষয়টি শুনেছি, তবে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের ওসি মোঃ আবু মোকাদ্দেম আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অসুস্থ আসমা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধিন আছেন। তদন্ত চলছে, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গাজীপুরে নারী শ্রমিকের পায়ু পথে বাতাস ঢুকিয়ে দিলেন সহকর্মীরা
মো.ইমরান হোসেন,
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি।।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসমা আক্তার নামে এক নারী শ্রমিকের পায়ু পথে বাতাস ঢকিয়ে দিলেন কারখানার সহকর্মীরা। শনিবার ভোরে উপজেলার সফিপুরস্থ দোকানপাড় এলাকায় সাহাবুদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অসুস্থ আসমা আক্তার নামে ওই নারীকে মুমূর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আহত আসমা আক্তার উপজেলার রতনপুর এলাকার মো. আবু বকর মিয়ার স্ত্রী।
জানা যায়, আসমা আক্তার উপজেলার সফিপুরস্থ সাহাবুদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় ফিনিশিং সেকশনে চাকুরী করেন। শুক্রবার রাতে কারখানায় তিনি ওই কারখানায় ডিউটি করতে যান। শনিবার ভোরে অফিসের ফ্লোর পরিস্কার করা নিয়ে কারখানার তিন নারী ও এক পুরুষ সহকর্মীর সাথে আসমার দ্বন্ধ হয়।এঘটনার এক পর্যায়ে সহকর্মীরা মেশিন দিয়ে জোরপুর্বক আসমার পায়ু পথে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এসময় সে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকর্মীরা তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যান। এ খবর পেয়ে আসমার আত্মীয়-স্বজনরা ওই হাসপাতাল থেকে তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহম্মেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থা আরো খারাপ হলে ওই হাসপাতাল থেকে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসাপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এব্যপারে জানার জন্য কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিনের ০১৭২৮৩০৪৬৭৬ নম্বর মোবাইল ফোনে কল করলে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ফোন বন্ধ করে দেন। কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. আকবর আলী জানান, বিষয়টি শুনেছি, তবে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের ওসি মোঃ আবু মোকাদ্দেম আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অসুস্থ আসমা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধিন আছেন। তদন্ত চলছে, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গাজীপুরে নারী শ্রমিকের পায়ু পথে বাতাস ঢুকিয়ে দিলেন সহকর্মীরা
মো.ইমরান হোসেন,
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি।।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসমা আক্তার নামে এক নারী শ্রমিকের পায়ু পথে বাতাস ঢকিয়ে দিলেন কারখানার সহকর্মীরা। শনিবার ভোরে উপজেলার সফিপুরস্থ দোকানপাড় এলাকায় সাহাবুদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় এঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অসুস্থ আসমা আক্তার নামে ওই নারীকে মুমূর্ষ অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আহত আসমা আক্তার উপজেলার রতনপুর এলাকার মো. আবু বকর মিয়ার স্ত্রী।
জানা যায়, আসমা আক্তার উপজেলার সফিপুরস্থ সাহাবুদ্দিন টেক্সটাইল কারখানায় ফিনিশিং সেকশনে চাকুরী করেন। শুক্রবার রাতে কারখানায় তিনি ওই কারখানায় ডিউটি করতে যান। শনিবার ভোরে অফিসের ফ্লোর পরিস্কার করা নিয়ে কারখানার তিন নারী ও এক পুরুষ সহকর্মীর সাথে আসমার দ্বন্ধ হয়।এঘটনার এক পর্যায়ে সহকর্মীরা মেশিন দিয়ে জোরপুর্বক আসমার পায়ু পথে বাতাস ঢুকিয়ে দেয়। এসময় সে মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে সহকর্মীরা তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করে পালিয়ে যান। এ খবর পেয়ে আসমার আত্মীয়-স্বজনরা ওই হাসপাতাল থেকে তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহম্মেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থা আরো খারাপ হলে ওই হাসপাতাল থেকে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল হাসাপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এব্যপারে জানার জন্য কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নুরুল আমিনের ০১৭২৮৩০৪৬৭৬ নম্বর মোবাইল ফোনে কল করলে তিনি তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ফোন বন্ধ করে দেন। কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. আকবর আলী জানান, বিষয়টি শুনেছি, তবে এখনো কোন অভিযোগ পাইনি অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
গাজীপুর শিল্প পুলিশের ওসি মোঃ আবু মোকাদ্দেম আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অসুস্থ আসমা ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধিন আছেন। তদন্ত চলছে, অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

























