
মো.ইমরান হোসেন,
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি।।
গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধিন এক রোগীর স্বজনদের মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ওষুধ নিয়ে ওয়ার্ডে যাওয়ার সময় তারা রোগীর স্বজনদের বাধা দেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে বেধড়ক পেটান আনসার সদস্যরা। শনিবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালের অষ্টম তলার পুরুষ সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মহানগরীর সামন্তপুর এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে ইলিয়াস (২৮) হাসপাতালের ৮১০ নম্বর পুরুষ সার্জিক্যাল ওয়ার্ডে ভর্তি হন। রাত ৮টার দিকে রোগীর বড় ভাই এমদাদ ওষুধ দিতে ওয়ার্ডে প্রবেশ করতে গেলে বাধা দেন কর্তব্যরত আনসার সদস্য শাহ জালাল। এক পর্যায়ে জোর করে ওয়ার্ডে প্রবেশ করতে গেলে তিনি এমদাদের শার্টের কলার ধরে টেরে বাইরে এনে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকেন। এতে এমদাদ পাল্টা ঘুষি দেন আনসার সদস্যকে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আনসার সদস্য শাহ আলম ফোনে অন্য সদস্যদের ডেকে আনেন।
পরে আনসার সদস্যরা লাঠিসোটা নিয়ে এসে এমদাদকে বেধড়ক মারধর করেন। এ সময় এমদাদকে রক্ষা করতে গেলে তার ভাতিজা হাসিব ও মামা হাবিবকেও বেল্ট দিয়ে পেটানো হয়। পরে আহতদের ধরে নিচে নিয়ে যান। খবর পেয়ে এমদাদের বাবা হাসপাতালে ছুটে আসেন। মুহুর্তেই মারপিটের খবরে হাসপাতালের অন্যান্য ওয়ার্ডে রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এবিষয়ে হাসপাতালের আনসার কমান্ডার মঞ্জু মিয়া জানান, রোগীর স্বজনরা আনসার সদস্য শাহ জামালকে মারধর করেছিল। বিষয়টি রাতেই মীমাংসা হয়ে গেছে। রোগীর স্বজনরা ভুল বুঝতে পেরে ক্ষমা চেয়েছেন।
এব্যাপারে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. তপন কান্তি সরকার বলেন, আনসার সদস্য ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। বিষয়টি উভয় পক্ষ মীমাংসা করে নিয়েছে।

























