Dhaka , Friday, 21 June 2024
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মোংলায় রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।। পাবনায় ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু।। ভেদরগঞ্জে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার আড়ালে চলছে রমরমা মাদক সেবন ও বিক্রি।। সাংবাদিকের উপর হামলাকারী বাশঁখালীর ইউপি সদস্যকে গ্রেপ্তারের আল্টিমেটাম।। চট্টগ্রামে অবৈধ পানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ বিচ্ছিন্নের নির্দেশ।। পাবনায় পানিতে ডুবে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু।। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ পরিবারে জোড়া খুন – লাশ উদ্ধার।। ভারতে কোরবানির চামড়া পাচাররোধে সাতক্ষীরা সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার।। দেবহাটা উপজেলা পরিষদের নব-নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব গ্রহন।। সুন্দরগঞ্জে তিস্তায় পানিবন্ধি হাজারও  পরিবার- ভাঙন অব্যাহত।। সুন্দরগঞ্জে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভা।। রূপগঞ্জে মেয়র প্রার্থীর উপর হামলার ঘটনায় কাউন্সিলরকে শোকজ।। পাবনায় মাইক্রোবাসের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ১০ লাখ টাকা ক্ষতি।। মৌলভীবাজার পানিতে ডুবে দুই কিশোরের মৃত্যু।। রূপগঞ্জে জমে উঠেছে কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচন।। তিতাসে ছয়টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী অনুষ্ঠিত।। গোলাপগঞ্জ ঢাকাদক্ষিণ মসজিদ মার্কেটের বিল্ডিং মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ – থানায় জিডি।। সিলেট নগরীতে সেপটিক ট্যাষ্কের ভেতরে বন্যার পানি ঢুকে দুর্গন্ধে ছড়াচ্ছে শহর জুড়ে।। তোমাদের মানবিক গুণাবলীগুলো অর্জন করতে হবে- শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে এমপি রুহী।। ডিমেনশিয়া রোগ হয়েছে বলে ধারনা করেই আইনজীবীর আত্মহত্যা।। পাবনায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সদস্য সম্মিলন অনুষ্ঠিত।। সিলেটে আরো ১০ দিন ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে, জেলা ও উপজেলা শহরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।। ভারতে চামরা পাচার রোধে হিলি সীমান্তে বাড়তি সতকর্তামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিজিবি ও পুলিশ।। শরীয়তপুরে -কিলিংমেশিন- খ্যাত বিষধর রাসেল ভাইপার সাপ উদ্ধার।। তিতাসে ফ্রেন্ডস এ্যাসোসিয়েশন-১৯৮৪ ব্যাচের ঈদ পূর্ণমিলনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। মহিষ দেখতে গিয়ে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু।। সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ঝড় ও বজ্রাপাতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।। মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।। শরীয়তপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টা কালে জনতার হাতে যুবক আটক।। রামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আরাফাতের  নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তা সংস্কার।।

৪৮ ঘন্টা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পবিপ্রবি- ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:05:51 pm, Wednesday, 29 May 2024
  • 9 বার পড়া হয়েছে

৪৮ ঘন্টা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পবিপ্রবি- ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা।।

জান্নাতীন নাঈম জীবন

পবিপ্রবি প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে -পবিপ্রবি- বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।  একটু বাতাস  হলেই থাকেনা  বিদ্যুৎ।  শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই এমনটা বার বার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

গত সোমবার ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডব পটুয়াখালী জেলাসহ বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলায় আঘাত হানে। অথচ পবিপ্রবি ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহ রোববার রাত থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে পবিপ্রবি ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

পবিপ্রবিতে  বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য  জেনারেটর রয়েছে। কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলোতে জেনারেটর চালিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় না। অথচ প্রতিটি শিক্ষার্থী জেনারেটর বিল বাবদ ১৫০ টাকা  ফি প্রদান করে থাকেন। ফি দিলেও বছরের পর বছর শিক্ষার্থীরা জেনারেটরের সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানাজায়- যে জেনারেটর ও বিদ্যুৎ সরবরাহের কেবল রয়েছে তা কৃষি কলেজ সময়ের অর্থাৎ ২০০০ সালের পূর্বের।  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরে কোন জেনারেটর বা বিদ্যুৎ  সরবরাহের জন্য নতুন সাবস্টেশন স্থাপন করা হয় নাই। “দুর্যোগ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় পবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা- গোসল- খাওয়া-দাওয়া সবকিছুতেই চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আবাসিক হলগুলোতে দেখা দেয় পানি সংকট এবং খাদ্যাভাব। এমনকি ছিলনা কোনো আলোর ব্যবস্থা। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ এর বিকল্প হিসেবে জেনারেটর থাকার পরেও শিক্ষার্থীদের এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে কেন প্রশ্ন হাজারো শিক্ষার্থীর।

কৃষি অনুষদের  শিক্ষার্থী হৃদয়  বলেন-রবিবার রাত আনুমানিক ২টার পর থেকে হলে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে হলের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর গোসল এবং খাওয়া-দাওয়ায় বেগ পোহাতে হয়েছে। অনেকে বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে খেয়েছেন। এমন ভয়াবহ দুর্যোগে যখন সারাদেশজুড়ে  প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল সেখানে পবিপ্রবি প্রশাসন ছিলেন নীরব দর্শকের মতো।

২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী মাহমুব আলম জয় বলেন- আমার সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। বিদ্যুৎ না থাকায় খাওয়া-দাওয়া ও পড়ালেখা থেকে শুরু সবকিছুই বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়াও আমরা একটু বাতাস বা বৃষ্টিতেই বিদ্যুৎহীন অবস্থায় পড়ি। এই ছোট্ট একটি ক্যাম্পাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে প্রশাসন বৈদুতিক লাইনগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে এখনো কোনো উদ্যোগ নেননি। যা খুবই দুঃখজনক।

বিদ্যুৎ বা জেনারেটরের সরবরাহের জন্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রতি হলে নিজস্ব জেনারেটরের দাবি জানিয়ে বলেন- আমরা শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর প্রায় ১০ লক্ষ টাকা  জেনারেটর এর ফি দেওয়া সত্ত্বেও জেনারেটর সুবিধা পাচ্ছি না। রিমেলের জন্য  পল্লী বিদ্যুৎ না থাকায় দুইদিন ধরে ছাত্রাবাসে বিদ্যুৎ নাই।  বিদ্যুৎ না থাকায় বাথরুমে পানি নাই- শিক্ষার্থীরা সারা রাত অন্ধকারে ছিলো। ৷ আমাদের ফি দিতে একদিন দেরি হলে পরিক্ষা দিতে দেওয়া হয় না। কিন্তু দুইদিন ধরে জেনারেটর চালানো হচ্ছে না- অনেক অনুষদের পরীক্ষা চলছে। জেনারেটর না চালাতে পারলে ফি নেওয়া বন্ধ করুক।

প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইউনুস শরীফ বলেন- বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্ব যে রয়েছে তার সাথে কথা বললে ভালো হবে, প্রধান  প্রকৌশলী আসলে জেনেরেটরের দায়িত্বে না৷  দায়িত্বে কে জানতে চাইলে তিনি বলেন- জেনারেটর পরিচালনার জন্য একটা কমিটি রয়েছে তারা জেনারেটরের সকল কিছু পরিচালনা করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু বলেন-  প্রয়োজনীয় মেরামতের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।  নতুন ১১কেবি ক্ষমতা সম্পন্ন জেনারেটর কেনার জন্য টেন্ডার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

মোংলায় রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।।

৪৮ ঘন্টা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পবিপ্রবি- ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা।।

আপডেট সময় : 01:05:51 pm, Wednesday, 29 May 2024

জান্নাতীন নাঈম জীবন

পবিপ্রবি প্রতিনিধি।।

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে -পবিপ্রবি- বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।  একটু বাতাস  হলেই থাকেনা  বিদ্যুৎ।  শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। প্রশাসনের উদাসীনতার কারণেই এমনটা বার বার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

গত সোমবার ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডব পটুয়াখালী জেলাসহ বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলায় আঘাত হানে। অথচ পবিপ্রবি ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহ রোববার রাত থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে পবিপ্রবি ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।

পবিপ্রবিতে  বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য  জেনারেটর রয়েছে। কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও ক্যাম্পাস এবং আবাসিক হলগুলোতে জেনারেটর চালিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় না। অথচ প্রতিটি শিক্ষার্থী জেনারেটর বিল বাবদ ১৫০ টাকা  ফি প্রদান করে থাকেন। ফি দিলেও বছরের পর বছর শিক্ষার্থীরা জেনারেটরের সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানাজায়- যে জেনারেটর ও বিদ্যুৎ সরবরাহের কেবল রয়েছে তা কৃষি কলেজ সময়ের অর্থাৎ ২০০০ সালের পূর্বের।  বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরে কোন জেনারেটর বা বিদ্যুৎ  সরবরাহের জন্য নতুন সাবস্টেশন স্থাপন করা হয় নাই। “দুর্যোগ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় পবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা- গোসল- খাওয়া-দাওয়া সবকিছুতেই চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আবাসিক হলগুলোতে দেখা দেয় পানি সংকট এবং খাদ্যাভাব। এমনকি ছিলনা কোনো আলোর ব্যবস্থা। বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ এর বিকল্প হিসেবে জেনারেটর থাকার পরেও শিক্ষার্থীদের এমন ভোগান্তির শিকার হচ্ছে কেন প্রশ্ন হাজারো শিক্ষার্থীর।

কৃষি অনুষদের  শিক্ষার্থী হৃদয়  বলেন-রবিবার রাত আনুমানিক ২টার পর থেকে হলে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে হলের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর গোসল এবং খাওয়া-দাওয়ায় বেগ পোহাতে হয়েছে। অনেকে বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে খেয়েছেন। এমন ভয়াবহ দুর্যোগে যখন সারাদেশজুড়ে  প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল সেখানে পবিপ্রবি প্রশাসন ছিলেন নীরব দর্শকের মতো।

২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী মাহমুব আলম জয় বলেন- আমার সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। বিদ্যুৎ না থাকায় খাওয়া-দাওয়া ও পড়ালেখা থেকে শুরু সবকিছুই বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়াও আমরা একটু বাতাস বা বৃষ্টিতেই বিদ্যুৎহীন অবস্থায় পড়ি। এই ছোট্ট একটি ক্যাম্পাসে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে প্রশাসন বৈদুতিক লাইনগুলোকে সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করতে এখনো কোনো উদ্যোগ নেননি। যা খুবই দুঃখজনক।

বিদ্যুৎ বা জেনারেটরের সরবরাহের জন্য আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রতি হলে নিজস্ব জেনারেটরের দাবি জানিয়ে বলেন- আমরা শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর প্রায় ১০ লক্ষ টাকা  জেনারেটর এর ফি দেওয়া সত্ত্বেও জেনারেটর সুবিধা পাচ্ছি না। রিমেলের জন্য  পল্লী বিদ্যুৎ না থাকায় দুইদিন ধরে ছাত্রাবাসে বিদ্যুৎ নাই।  বিদ্যুৎ না থাকায় বাথরুমে পানি নাই- শিক্ষার্থীরা সারা রাত অন্ধকারে ছিলো। ৷ আমাদের ফি দিতে একদিন দেরি হলে পরিক্ষা দিতে দেওয়া হয় না। কিন্তু দুইদিন ধরে জেনারেটর চালানো হচ্ছে না- অনেক অনুষদের পরীক্ষা চলছে। জেনারেটর না চালাতে পারলে ফি নেওয়া বন্ধ করুক।

প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোঃ ইউনুস শরীফ বলেন- বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্ব যে রয়েছে তার সাথে কথা বললে ভালো হবে, প্রধান  প্রকৌশলী আসলে জেনেরেটরের দায়িত্বে না৷  দায়িত্বে কে জানতে চাইলে তিনি বলেন- জেনারেটর পরিচালনার জন্য একটা কমিটি রয়েছে তারা জেনারেটরের সকল কিছু পরিচালনা করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু বলেন-  প্রয়োজনীয় মেরামতের জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।  নতুন ১১কেবি ক্ষমতা সম্পন্ন জেনারেটর কেনার জন্য টেন্ডার করা হয়েছে।