Dhaka , Thursday, 30 May 2024
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রামগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ১ জন নিহত।। তিতাসে বলগেটের ধাক্কায় সেতু ভেংগে নদীতে, জনসাধারণের চরম ভোগান্তি।। সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার।। দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন-এ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা।। দেবহাটা উপজেলা নির্বাচনে নবনির্বাচিতদের সংবর্ধনা।। আমতলীতে ঘূর্নিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ।। রেমালের আক্রমনে মোরেলগঞ্জে ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী।। ৪৮ ঘন্টা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পবিপ্রবি- ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা।। রূপগঞ্জে শেখ হাসিনা সরণির মূলসড়কের পরিবর্তে সার্ভিস রোডে বিআরটিসি বাস চলাচলের দাবি।। হিলিতে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরন ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত।। দেশের উন্নয়নে সেবাইত-পুরোহিতদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-ধর্মমন্ত্রী।। রূপগঞ্জে তাঁতিদের মাঝে পলিস্টার সুতা বিতরণ।। নরসিংদীতে ইউপির সাবেক চেয়ারম্যানকে  কুপিয়ে হত্যা।। শিক্ষার্থীদের চাকরি খোঁজা নয়, চাকরি দেয়ার জায়গাটায় নিজেদের তৈরি করতে হবে- ইবি উপাচার্য।। কোম্পানীগঞ্জে ভোট থেকে সরে দাঁড়ালেন ২ প্রার্থী।। হোমনায় মোটরসাইকেল প্রতীকের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।। নীলফামারতে চলছে ভোট গ্রহননীলফামারতে চলছে ভোট গ্রহন।। পাবনার ৩ উপজেলার কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছেছে নির্বাচনী  সরঞ্জাম।। প্রথম আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ ২০২৪ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী-লাল-সবুজের পতাকার সম্মান বৃদ্ধি করতে হবে।। রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে এমপি হাবিবুন নাহার।। রেমালের আক্রমনে  লন্ডভন্ড মোরেলগঞ্জ।।  ইবির ধর্মতত্ত্বে ১ম মেধাতালিকার ভর্তি শুরু পহেলা জুন।। দিনাজপুরের হিলিতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনাসভা-পুরস্কার বিতরণ।। তিতাসে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে শরীফুল ইসলামের যোগদান।। সরঞ্জাম বিতরণ নীলফামারীতে।। সাভারে সাংবাদিক আকাশকে মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার ২।। আশ্রয় কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরার পথে পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু।। চোখের সামনে ভেসে গেল ২ হাজার গবাদিপশু ও ১০ দোকান।। নোয়াখালীতে ট্রেনে কাটা পড়ে নারীর মৃত্যু।। হিলিতে বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যে উন্মুক্ত লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন।।

জাজিরা পৌর সড়কে বছর পেরোলেও আলোর মুখ দেখেনি আলোকসজ্জা প্রকল্প।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:57:50 am, Thursday, 16 May 2024
  • 17 বার পড়া হয়েছে

জাজিরা পৌর সড়কে বছর পেরোলেও আলোর মুখ দেখেনি আলোকসজ্জা প্রকল্প।।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।

অনুমোদনের এক বছর পেড়িয়ে গেলেও শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার সড়কে আলোর মুখ দেখেনি ‘আলোকসজ্জা’ প্রকল্প। জানতে চাইলে দায়সারা বক্তব্য দিচ্ছেন মেয়র।

সড়কবাতি স্থাপণ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও  কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ না দেখে পৌরসভার বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। তারা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে জাজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত। রাজধানী থেকে সরাসরি দিন-রাত আসা যাওয়া করে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। অথচ পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সড়কবাতি না থাকায় রাত হলে পৌরসভা এলাকা একটি ভূতুড়ে এলাকায় পরিণত হয়।

জাজিরা পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের মার্চে পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে ৭৫ টি সড়কবাতি স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন হয়। প্রকল্পটির ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। এ প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়েছে মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। অথচ ঠিকাদার বলছেন কাজটি কে করবে তা মেয়র জানে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাজিরা পৌরসভাটি -খ- শ্রেণি থেকে উন্নীত হয়ে “ক’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু পৌরবাসীর দাবী-খ- শ্রেণি থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দিতে ব্যর্থ হয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এখন “ক” শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে পৌরসভার শ্রেণি উন্নত হওয়া নিয়ে। পৌরসভার শ্রেণি উন্নত হওয়ায় আসলে লাভ হয়েছে কার? পৌরবাসীর নাকি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের। কারন যেখানে পৌরসভাটি -খ- শ্রেণির থাকা অবস্থায় একটি সড়কবাতি স্থাপনের টেন্ডার অনুমোদন হয়েছে তার মেয়াদ শেষ হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ পৌরসভাটি “ক” শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরদের সম্মানি ও কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি ঠিকই বেড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ নিয়ে বলেন- আমরা জাজিরার মানুষ আসলে অনেক আবেগী। যারা মুখে একটু হাসি নিয়ে কথা বলে তাদের অনেক ভালোবেসে ফেলি এবং বিশ্বাস করে নিজেদের প্রতিনিধি বানাই। অথচ তারা নির্বাচিত হয়ে আমাদের কথা মনে রাখেনা। সবাই নিজেদের আখের গুছানোয় ব্যস্ত। তারা আরো বলেন, সড়কবাতির মত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে চললেও মেয়রের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হলোনা। তাহলে কি মেয়র আমাদের থেকে অসাধু ঠিকাদারদের কথা বেশী ভাবেন।

বিষয়টি নিয়ে সড়কবাতি স্থাপন প্রকল্পের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী জাকির সরদারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংবাদ মাধ্যম কে  বলেন- আমার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি পেলেও কাজটি আমি নিজে করছিনা। কে করবে তা মেয়র জানে। আমার লাইসেন্স ব্যবহার করে আমাদের মেয়র অনেক প্রকল্পের কাজ করেন। আমি শুধু বিল উঠানোর সময় স্বাক্ষর করে দেই। সেখানে আমার একটি পারসেন্টিস থাকে।

এবিষয়ে  জানতে চাইলে জাজিরা পৌরসভার মেয়র মো: ইদ্রিস মিয়া  বলেন- সড়কের পাশে গাছ থাকার কারনে সড়কবাতি প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি। এখন গাছ কাটা ছাড়াই কাজ শুরু করা হবে। মালামাল ক্রয়ের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মেয়রের কাছে সড়কবাতি(আলোকসজ্জা- প্রকল্পের অনুমোদনের কপি চাইলে, তিনি বলেন- এগুলো দেখার সাংবাদিকদের কোন এখতিয়ার নেই। চাইলে শুধু তথ্য দেয়া যেতে পারে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও- সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন- সড়কবাতি প্রকল্পের কাজ পৌরসভার নিজস্ব কাজ। এখানে আমাদের কিছু করার নাই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো কি কারণে সড়কবাতির -আলোকসজ্জা- কাজ শুরু করা হয়নি। জাজিরায় রাতের বেলা সড়কে অন্ধকার নেমে আসে। বাতিগুলো লাগানো থাকলে পৌরবাসীর জন্য অনেক ভালো হবে চলাচল করতে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

রামগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ১ জন নিহত।।

জাজিরা পৌর সড়কে বছর পেরোলেও আলোর মুখ দেখেনি আলোকসজ্জা প্রকল্প।।

আপডেট সময় : 08:57:50 am, Thursday, 16 May 2024

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।

অনুমোদনের এক বছর পেড়িয়ে গেলেও শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার সড়কে আলোর মুখ দেখেনি ‘আলোকসজ্জা’ প্রকল্প। জানতে চাইলে দায়সারা বক্তব্য দিচ্ছেন মেয়র।

সড়কবাতি স্থাপণ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও  কর্তৃপক্ষের কোন পদক্ষেপ না দেখে পৌরসভার বাসিন্দাদের মধ্যে বিরাজ করছে চাপা ক্ষোভ। তারা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে জাজিরা একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত। রাজধানী থেকে সরাসরি দিন-রাত আসা যাওয়া করে বিভিন্ন এলাকার মানুষ। অথচ পৌরসভার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে সড়কবাতি না থাকায় রাত হলে পৌরসভা এলাকা একটি ভূতুড়ে এলাকায় পরিণত হয়।

জাজিরা পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের মার্চে পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে ৭৫ টি সড়কবাতি স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন হয়। প্রকল্পটির ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। এ প্রকল্পের দায়িত্ব পেয়েছে মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। অথচ ঠিকাদার বলছেন কাজটি কে করবে তা মেয়র জানে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে জাজিরা পৌরসভাটি -খ- শ্রেণি থেকে উন্নীত হয়ে “ক’ শ্রেণির পৌরসভা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। কিন্তু পৌরবাসীর দাবী-খ- শ্রেণি থাকা অবস্থায় পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা দিতে ব্যর্থ হয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। এখন “ক” শ্রেণিতে উন্নীত করা হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে পৌরসভার শ্রেণি উন্নত হওয়া নিয়ে। পৌরসভার শ্রেণি উন্নত হওয়ায় আসলে লাভ হয়েছে কার? পৌরবাসীর নাকি পৌরসভা কর্তৃপক্ষের। কারন যেখানে পৌরসভাটি -খ- শ্রেণির থাকা অবস্থায় একটি সড়কবাতি স্থাপনের টেন্ডার অনুমোদন হয়েছে তার মেয়াদ শেষ হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। অথচ পৌরসভাটি “ক” শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরদের সম্মানি ও কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বেতন ভাতাদি ঠিকই বেড়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে পৌরসভার একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ নিয়ে বলেন- আমরা জাজিরার মানুষ আসলে অনেক আবেগী। যারা মুখে একটু হাসি নিয়ে কথা বলে তাদের অনেক ভালোবেসে ফেলি এবং বিশ্বাস করে নিজেদের প্রতিনিধি বানাই। অথচ তারা নির্বাচিত হয়ে আমাদের কথা মনে রাখেনা। সবাই নিজেদের আখের গুছানোয় ব্যস্ত। তারা আরো বলেন, সড়কবাতির মত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে চললেও মেয়রের পক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ নেওয়া হলোনা। তাহলে কি মেয়র আমাদের থেকে অসাধু ঠিকাদারদের কথা বেশী ভাবেন।

বিষয়টি নিয়ে সড়কবাতি স্থাপন প্রকল্পের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জেরিন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী জাকির সরদারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সংবাদ মাধ্যম কে  বলেন- আমার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজটি পেলেও কাজটি আমি নিজে করছিনা। কে করবে তা মেয়র জানে। আমার লাইসেন্স ব্যবহার করে আমাদের মেয়র অনেক প্রকল্পের কাজ করেন। আমি শুধু বিল উঠানোর সময় স্বাক্ষর করে দেই। সেখানে আমার একটি পারসেন্টিস থাকে।

এবিষয়ে  জানতে চাইলে জাজিরা পৌরসভার মেয়র মো: ইদ্রিস মিয়া  বলেন- সড়কের পাশে গাছ থাকার কারনে সড়কবাতি প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি। এখন গাছ কাটা ছাড়াই কাজ শুরু করা হবে। মালামাল ক্রয়ের জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মেয়রের কাছে সড়কবাতি(আলোকসজ্জা- প্রকল্পের অনুমোদনের কপি চাইলে, তিনি বলেন- এগুলো দেখার সাংবাদিকদের কোন এখতিয়ার নেই। চাইলে শুধু তথ্য দেয়া যেতে পারে।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও- সাদিয়া ইসলাম লুনা বলেন- সড়কবাতি প্রকল্পের কাজ পৌরসভার নিজস্ব কাজ। এখানে আমাদের কিছু করার নাই। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো কি কারণে সড়কবাতির -আলোকসজ্জা- কাজ শুরু করা হয়নি। জাজিরায় রাতের বেলা সড়কে অন্ধকার নেমে আসে। বাতিগুলো লাগানো থাকলে পৌরবাসীর জন্য অনেক ভালো হবে চলাচল করতে।