Dhaka , Thursday, 30 May 2024
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ ও বই প্রদর্শনী।। সাতক্ষীরায় জমে উঠেছে কুরবানির পশুর হাট।। পাবনার ৩ উপজেলায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যাঁরা।। হত্যা করে ফেলল মেঘনা নদীতে- জেলের রক্তাক্ত মরদেহ মিলল সন্দ্বীপে।। রূপগঞ্জে মাদ্রাসার জমি রক্ষার-দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন।। ডিমলায় ঝড়ে উড়ে গেল দেড় শতাধি বাড়িঘর।। রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে কমিশনার প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র জমা।। আটঘরিয়ায় টানা দ্বিতীয় বারের মত চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন তানভীর- ভাইস চেয়ারম্যান মহিদুল- তহুরা।। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচিত হলেন যারা।। জিংক ধান-বঙ্গবন্ধু -১০০ শীর্ষক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত।। তিতাসে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত।। সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনার সপ্তাহ্ পেরিয়েছ গেলেও আসামী গ্রেফতার করেনি পুলিশ।। প্রবাসীদের সচেতন করতে হুন্ডি বিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। হিলি সীমান্তে বিজিবি বিএসএফের ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত।। ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত আমতলীর বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত।। মেলান্দহে দিদারুল পাশা ও মাদারগঞ্জে রায়হান রহমতুল্লাহ চেয়ারম্যান নির্বাচিত।।  নোয়াখালীতে নির্বাচনী সহিংসতায় গুলিবিদ্ধ ৫।। নোয়াখালীতে তিন উপজেলায় আওয়ামী লীগ নেতারা জয়ী।। শরীয়তপুরের ডামুড্যায় আবদুর রশিদ ও গোসাইরহাটে মোশরফ হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত।। রামগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ১ জন নিহত।। তিতাসে বলগেটের ধাক্কায় সেতু ভেংগে নদীতে, জনসাধারণের চরম ভোগান্তি।। সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার।। দেবহাটায় জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন-এ্যাডভোকেসি ও পরিকল্পনা সভা।। দেবহাটা উপজেলা নির্বাচনে নবনির্বাচিতদের সংবর্ধনা।। আমতলীতে ঘূর্নিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ।। রেমালের আক্রমনে মোরেলগঞ্জে ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী।। ৪৮ ঘন্টা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পবিপ্রবি- ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা।। রূপগঞ্জে শেখ হাসিনা সরণির মূলসড়কের পরিবর্তে সার্ভিস রোডে বিআরটিসি বাস চলাচলের দাবি।। হিলিতে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরন ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত।। দেশের উন্নয়নে সেবাইত-পুরোহিতদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ-ধর্মমন্ত্রী।।

তীব্র গরমে হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগীর সংখ্যা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:33:14 am, Friday, 26 April 2024
  • 35 বার পড়া হয়েছে

তীব্র গরমে হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগীর সংখ্যা।।

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।।

 

প্রতিদিনই মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে বাড়েই চলছে শিশু রোগীর সংখ্যা। তীব্র গরমে জ্বর-সর্দি-
কাশি-নিউমোনিয়া-ডায়রিয়াসহ নানা রোগে এখন আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। এদিকে হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে
যাওয়ার কারণে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। একসাথে একই বেডে দুই থেকে তিনজন এবং পাশাপাশি ফ্লোরেও
রোগীরা থাকতে দেখা গেছে। এতে করে রোগীদের পড়তে হচ্ছে চরম সমস্যায়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে গাদাগাদি করে
থাকতে দেয়ায় রোগীসহ তাদের স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, মাদারীপুরে তীব্র তাপদাহে স্বাভাবিক জনজীবনে ভোগান্তি নেমে এসেছে।
মাদারীপুরে গত প্রায় দশদিন ধরে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ সেলসিয়াসে উঠানামা করছে। ফলে এতে করে জনজীবনে
চরম ভোগান্তি দেখা দেওয়াসহ আক্রান্ত হচ্ছে নানা রোগী। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি ভোগান্তিতে
আছেন। জ্বর, সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল)
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ১০৮ জন শিশুকে ভর্তি করা হয় দেখা যায়। এছাড়াও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ২৫ জন শিশুকে
ভর্তি হতে দেখা গেছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ৪০ শয্যা থাকায় একসাথে এত শিশুকে চিকিৎসা সেবা দিতে
হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের। শয্যা সংকট থাকার কারণে এক শয্যায় এক সাথে দুই
থেকে তিনজন শিশুকে থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও হাসপাতালের ফ্লোরেও রোগীরা মাদুর বিছিয়ে থাকছেন। প্রচণ্ড
গরমের মধ্যে এভাবে গাদাগাদি করে থাকতেও রোগীসহ অভিভাবকদের নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।
এছাড়াও হাসপাতালে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের ৪৯ জন রোগী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে
প্রায় ২৫ জনই শিশু রয়েছে। অতিরিক্ত গরমের জন্যই হঠাৎ করে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে
জানা যায়।
হাসপাতালে রোগীর সাথে থাকা ফুপু অদিতি বলেন, আমার ভাইয়ের ছেলে হাসপাতালে ভর্তি। অনেক গরমের কারণে
সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে সে জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছে। কিন্তু এক বেডে দুইজন থাকছে। এতে করে এই
গরমের মধ্যে থাকতে সমস্যা হচ্ছে। বাচ্চার মায়েদের সারারাত বসে ও দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। কি যে একটা
অবস্থা, তা বোঝাও যাবেনা।
রোগীর মা ফারজানা আক্তার বলেন, আমার বাড়ি মাদারীপুরের রঘুরামপুরে। আমার দুই ছেলেই অসুস্থ। একটার
বয়স পাঁচ বছর ও ছোটটার সময় ৭ মাস। বড় ছেলের টাইফয়েড ও ছোট ছেলের নিউমোনিয়া হয়েছে। গত ছয়দিন ধরে
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু কোন বেড পাইনি। তাই ফ্লোরেই থাকতে হচ্ছে।
হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স নিতু বাড়ৈ বলেন, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ১০৮ জন রোগী ভর্তি আছে।
গরমের কারণে কয়েকদিন ধরে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। কয়েকদিন ধরে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন শিশু রোগী
ভর্তি হচ্ছে আবার চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে। একসাথে এত রোগী থাকায় মাত্র ৪০ শয্যায় রোগীদের চিকিৎসা
দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবুও আমরা আমাদের সাধ্যমতো চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।
এ ব্যাপারে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মুনির চৌধুরী বলেন, সারা দেশের মতো
মাদারীপুরেও তাপদাহ বেশি হচ্ছে। এর ফলে রোগীর সংখ্যা আগের চেয়ে একটু বেশি। তবে এখন পর্যন্ত এখানে
হিট স্টোকে কেউ হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। তবে গরমের কারণে এখানে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি অসুস্থ হচ্ছে। তাই
সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বেশি বেশি বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। তবে বেশি ঠান্ডা পানি পান করার প্রয়োজন
নেই। যদি রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়, তাহলে কিছুক্ষণ পর পর ছায়ায় বিশ্রাম নিবেন। একটানা রোদের মধ্যে
কাজ করা যাবেনা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ ও বই প্রদর্শনী।।

তীব্র গরমে হাসপাতালে বেড়েছে শিশু রোগীর সংখ্যা।।

আপডেট সময় : 08:33:14 am, Friday, 26 April 2024

মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি।।

 

প্রতিদিনই মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে বাড়েই চলছে শিশু রোগীর সংখ্যা। তীব্র গরমে জ্বর-সর্দি-
কাশি-নিউমোনিয়া-ডায়রিয়াসহ নানা রোগে এখন আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। এদিকে হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে
যাওয়ার কারণে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট। একসাথে একই বেডে দুই থেকে তিনজন এবং পাশাপাশি ফ্লোরেও
রোগীরা থাকতে দেখা গেছে। এতে করে রোগীদের পড়তে হচ্ছে চরম সমস্যায়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে গাদাগাদি করে
থাকতে দেয়ায় রোগীসহ তাদের স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সরেজমিনে হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, মাদারীপুরে তীব্র তাপদাহে স্বাভাবিক জনজীবনে ভোগান্তি নেমে এসেছে।
মাদারীপুরে গত প্রায় দশদিন ধরে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ সেলসিয়াসে উঠানামা করছে। ফলে এতে করে জনজীবনে
চরম ভোগান্তি দেখা দেওয়াসহ আক্রান্ত হচ্ছে নানা রোগী। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি ভোগান্তিতে
আছেন। জ্বর, সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল)
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ১০৮ জন শিশুকে ভর্তি করা হয় দেখা যায়। এছাড়াও ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ২৫ জন শিশুকে
ভর্তি হতে দেখা গেছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ৪০ শয্যা থাকায় একসাথে এত শিশুকে চিকিৎসা সেবা দিতে
হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের। শয্যা সংকট থাকার কারণে এক শয্যায় এক সাথে দুই
থেকে তিনজন শিশুকে থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও হাসপাতালের ফ্লোরেও রোগীরা মাদুর বিছিয়ে থাকছেন। প্রচণ্ড
গরমের মধ্যে এভাবে গাদাগাদি করে থাকতেও রোগীসহ অভিভাবকদের নানা সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।
এছাড়াও হাসপাতালে শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের ৪৯ জন রোগী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে
প্রায় ২৫ জনই শিশু রয়েছে। অতিরিক্ত গরমের জন্যই হঠাৎ করে রোগীর সংখ্যা বেড়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে
জানা যায়।
হাসপাতালে রোগীর সাথে থাকা ফুপু অদিতি বলেন, আমার ভাইয়ের ছেলে হাসপাতালে ভর্তি। অনেক গরমের কারণে
সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে সে জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছে। কিন্তু এক বেডে দুইজন থাকছে। এতে করে এই
গরমের মধ্যে থাকতে সমস্যা হচ্ছে। বাচ্চার মায়েদের সারারাত বসে ও দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। কি যে একটা
অবস্থা, তা বোঝাও যাবেনা।
রোগীর মা ফারজানা আক্তার বলেন, আমার বাড়ি মাদারীপুরের রঘুরামপুরে। আমার দুই ছেলেই অসুস্থ। একটার
বয়স পাঁচ বছর ও ছোটটার সময় ৭ মাস। বড় ছেলের টাইফয়েড ও ছোট ছেলের নিউমোনিয়া হয়েছে। গত ছয়দিন ধরে
হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু কোন বেড পাইনি। তাই ফ্লোরেই থাকতে হচ্ছে।
হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স নিতু বাড়ৈ বলেন, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ১০৮ জন রোগী ভর্তি আছে।
গরমের কারণে কয়েকদিন ধরে শিশু রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। কয়েকদিন ধরে গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন শিশু রোগী
ভর্তি হচ্ছে আবার চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে। একসাথে এত রোগী থাকায় মাত্র ৪০ শয্যায় রোগীদের চিকিৎসা
দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবুও আমরা আমাদের সাধ্যমতো চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছি।
এ ব্যাপারে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডা. মুনির চৌধুরী বলেন, সারা দেশের মতো
মাদারীপুরেও তাপদাহ বেশি হচ্ছে। এর ফলে রোগীর সংখ্যা আগের চেয়ে একটু বেশি। তবে এখন পর্যন্ত এখানে
হিট স্টোকে কেউ হাসপাতালে ভর্তি হয়নি। তবে গরমের কারণে এখানে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি অসুস্থ হচ্ছে। তাই
সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বেশি বেশি বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। তবে বেশি ঠান্ডা পানি পান করার প্রয়োজন
নেই। যদি রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়, তাহলে কিছুক্ষণ পর পর ছায়ায় বিশ্রাম নিবেন। একটানা রোদের মধ্যে
কাজ করা যাবেনা।