Dhaka , Tuesday, 21 May 2024
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিভিন্ন অনিয়মের ডিবি পরিচয়ে ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধারে পুলিশের গড়িমসি।। দুর্গাপুরে সেতু নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এমপি রুহী।। রাত পোহালে কালিয়াকৈর  উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।। ইবির এমফিল ও পিএইডি প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন শুরু।। কালিয়াকৈরের অভিভাবক- কে হবেন।। তিতাসের পল্লীরাজ আইডিয়াল স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া- সাংস্কৃতিক ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত।। ইবির ইনস্টিটিউট অব কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের নতুন পরিচালক ড. শাহজাহান।। টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ইবির জিয়া হলের প্রভোস্ট হলেন ড. জাকির।। লক্ষ্মীপুরের দুই উপজেলায় রাত পোহালেই ভোট উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।। ৭ লাখ ইয়াবাভর্তি পাজেরোসহ মাদকসম্রাট গ্রেপ্তার।। টেকনাফে অস্ত্র-গুলিসহ ১০ মামলার আসামি গ্রেপ্তার।। চকরিয়ায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত।। রাত পোহালেই-নোয়াখালীর তিন উপজেলায় ভোট।। ইবিতে আটকে গেল শিক্ষকদের প্রমোশন- শাপলার অসন্তোষ।। সেনবাগে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর এজেন্টদের হত্যার হুমকি- কেন্দ্রে যেতে নিষেধ।। হোমনা উপজেলা নির্বাচনের ৮ জন প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ।। ইবিতে ভূমি ব্যবস্থাপনায় তথ্য অধিকার আইন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত।। তিতাসের জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগ অফিসের জায়গা পরিদর্শন করেন-স্থানীয় এমপি ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর।। ইবির সিন্ডিকেট- বিরোধিতার মুখে ভণ্ডুল নিয়োগ-পদোন্নতি।। শরীয়তপুরে প্রার্থীর টাকা নিতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করায় পোলিং অফিসারকে মারধরের অভিযোগ।। ইরানের প্রেসিডেন্ট এব্রাহিম রাইসি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত্যু! ঈশ্বরদীতে রেল নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ফেনসিডিলসহ আটক।। গণধর্ষণের ঘটনা রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহারের অভিযোগ বাদীর।। হিলির পাইকারি বাজারে জিরার দাম  ঊর্ধ্বমূখী প্রতি কেজি প্রতি বেড়েছে ১শ থেকে ১শ ২০ টাকা।। আর মাত্র ১দিন পরেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচন  রামগঞ্জে জমে উঠেছে ভোটের মাঠ।।  হাতিয়াতে ৩০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ।। আশুলিয়ায় নিবন্ধনহীন দুই বেসরকারি হাসপাতাল সিলগালা।। কমলগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপণ মহড়া অনুষ্ঠিত।। মোরেলগঞ্জে দুদকের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিত অনুষ্ঠিত।।

ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী ভোলার বেশির ভাগ চাষিরা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:55:33 am, Thursday, 28 March 2024
  • 63 বার পড়া হয়েছে

ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী ভোলার বেশির ভাগ চাষিরা।।

আলী হোসেন রুবেল
স্টাফ রিপোর্টার ভোলা।।
ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী ভোলার বেশির ভাগ চাষিরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ক্যাপসিকাম চাষ করে লাভবান হবে বলে চাষিরা আশাবাদী। অল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়া যায় বলে বর্তমান সময়ে ভোলায় ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছে অনেক চাষীরা।
আর তাই ভোলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে কৃষকরা এ বছর লাভজনক ফসল ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে তেমন লাভবান না হওয়ায় এবার কৃষকরা ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকেছেন বলে দাবি করেন। তারা জানান, ক্যাপসিকাম ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের তেমন আক্রমণ না হওয়ায় তেমন পরিশ্রমও করতে হয়না। কম খরচে অধিক লাভজনক ক্যাপসিকাম চাষ।
ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন মাঝের চর ও দৌলতখান উপজেলার মদনপুর চরের কৃষকরা জানান, ভোলার বিছিন্ন চরাঞ্চলে প্রতি বছরই বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছেন তারা। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অসময়ে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি হানা দেয় ক্ষেতে। এতে বেশিভাগ সময়ই লাভের চেয়ে লোকসান গুনতে হয় কৃষকদের। তাই এবার লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বেশিভাগ কৃষকই ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকছেন।
মাঝের চরের কৃষক মোঃ মনির হোসেন, মোঃ ইউসুফ ও মদনপুর চরের কৃষক মোঃ আকবর ও ইসমাইল হোসেন জানান, চরাঞ্চলে তারা আগে ব্যাপক হারে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করতেন। কিন্তু জোয়ারের পানি, লবণাক্ত পানি ও বৃষ্টির পানির ক্ষতির কারণে তাদের তেমন একটা লাভ হতো না। এজন্য তারা চরে অন্যান্য কৃষকদের দেখাদেখি এ বছর ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। ক্যাপসিকাম রোগ-পোকা মাকড়ের আক্রমণ তেমন না থাকায় কম খরচে ও কম পরিশ্রমে ক্ষেতে ব্যাপক ফলন হওয়ায় খুশি তারা। এ পর্যন্ত তারা প্রত্যেকে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করেছেন।
তারা আরও জানান, সবজি চাষে ক্ষতি হলে ঘুড়ে দাঁড়ানো অনেকটাই অসম্ভব হয়ে পরে। কিন্তু ক্যাপসিকামে ক্ষতি হলেও ঘুরে দাঁড়ানো সহজ হয়। এজন্য মাঝের চর ও মদনপুর চরে কৃষকরা ক্যাপসিক্যাম চাষে ঝুঁকছেন। আগে দুই চরে এক থেকে দেড়শ কৃষক ক্যাপসিকাম চাষ করলেও এ বছর চাষ করেছেন ৮০০ থেকে ৯০০ কৃষক।
ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাসান ওয়ারিসূল কবীর জানান, ক্যাপসিকাম বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা দিন দিন চরাঞ্চলের কৃষকরা এটি চাষে ঝুঁকছেন। যার কারণে ওই দুই চরে ক্যাপসিকাম চাষের আবাদ বেড়েছে। এ বছর জেলায় প্রায় ১০০ একর জমিতে ক্যাপসিক্যামে আবাদ হয়েছে। এছাড়া এ বছর কৃষকরা ক্যাপসিকাম চাষ করে সফল হওয়ায় আগামীতে আবাদের পরিমাণ ৩ থেকে ৪ গুণ বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

অধ্যাপক বিমল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিভিন্ন অনিয়মের

ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী ভোলার বেশির ভাগ চাষিরা।।

আপডেট সময় : 10:55:33 am, Thursday, 28 March 2024
আলী হোসেন রুবেল
স্টাফ রিপোর্টার ভোলা।।
ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী ভোলার বেশির ভাগ চাষিরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি বছরের মতো এ বছরও ক্যাপসিকাম চাষ করে লাভবান হবে বলে চাষিরা আশাবাদী। অল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়া যায় বলে বর্তমান সময়ে ভোলায় ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছে অনেক চাষীরা।
আর তাই ভোলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে কৃষকরা এ বছর লাভজনক ফসল ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষে তেমন লাভবান না হওয়ায় এবার কৃষকরা ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকেছেন বলে দাবি করেন। তারা জানান, ক্যাপসিকাম ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের তেমন আক্রমণ না হওয়ায় তেমন পরিশ্রমও করতে হয়না। কম খরচে অধিক লাভজনক ক্যাপসিকাম চাষ।
ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের বিচ্ছিন্ন মাঝের চর ও দৌলতখান উপজেলার মদনপুর চরের কৃষকরা জানান, ভোলার বিছিন্ন চরাঞ্চলে প্রতি বছরই বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছেন তারা। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অসময়ে বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি হানা দেয় ক্ষেতে। এতে বেশিভাগ সময়ই লাভের চেয়ে লোকসান গুনতে হয় কৃষকদের। তাই এবার লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য বেশিভাগ কৃষকই ক্যাপসিকাম চাষে ঝুঁকছেন।
মাঝের চরের কৃষক মোঃ মনির হোসেন, মোঃ ইউসুফ ও মদনপুর চরের কৃষক মোঃ আকবর ও ইসমাইল হোসেন জানান, চরাঞ্চলে তারা আগে ব্যাপক হারে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করতেন। কিন্তু জোয়ারের পানি, লবণাক্ত পানি ও বৃষ্টির পানির ক্ষতির কারণে তাদের তেমন একটা লাভ হতো না। এজন্য তারা চরে অন্যান্য কৃষকদের দেখাদেখি এ বছর ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। ক্যাপসিকাম রোগ-পোকা মাকড়ের আক্রমণ তেমন না থাকায় কম খরচে ও কম পরিশ্রমে ক্ষেতে ব্যাপক ফলন হওয়ায় খুশি তারা। এ পর্যন্ত তারা প্রত্যেকে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করেছেন।
তারা আরও জানান, সবজি চাষে ক্ষতি হলে ঘুড়ে দাঁড়ানো অনেকটাই অসম্ভব হয়ে পরে। কিন্তু ক্যাপসিকামে ক্ষতি হলেও ঘুরে দাঁড়ানো সহজ হয়। এজন্য মাঝের চর ও মদনপুর চরে কৃষকরা ক্যাপসিক্যাম চাষে ঝুঁকছেন। আগে দুই চরে এক থেকে দেড়শ কৃষক ক্যাপসিকাম চাষ করলেও এ বছর চাষ করেছেন ৮০০ থেকে ৯০০ কৃষক।
ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক হাসান ওয়ারিসূল কবীর জানান, ক্যাপসিকাম বাজারে চাহিদা ও দাম বেশি হওয়ায় কৃষকরা দিন দিন চরাঞ্চলের কৃষকরা এটি চাষে ঝুঁকছেন। যার কারণে ওই দুই চরে ক্যাপসিকাম চাষের আবাদ বেড়েছে। এ বছর জেলায় প্রায় ১০০ একর জমিতে ক্যাপসিক্যামে আবাদ হয়েছে। এছাড়া এ বছর কৃষকরা ক্যাপসিকাম চাষ করে সফল হওয়ায় আগামীতে আবাদের পরিমাণ ৩ থেকে ৪ গুণ বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।