Dhaka , Saturday, 18 May 2024
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নির্বাচনী প্রচারণার সময় ককটেল বিস্ফোরনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন।। সড়কের শৃংখলা নিয়ে মতবিনিময় করেছেন ওয়ারী ট্রাফিক পুলিশ।। রূপগঞ্জে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনা।। সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সফিউল ইসলাম।। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দুর্গাপুরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। আনোয়ার খাঁন মডার্ণ ডায়াগনস্টিক সেন্টার রামগঞ্জ শাখার শুভ উদ্বোধন।।  প্রধানমন্ত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ইবিতে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল।। তিতাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। যমুনায় সিবিএ নির্বাচন- রবিউল সভাপতি শাহজাহান সম্পাদক নির্বাচিত।। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব হলেন রামগঞ্জের কৃতি সন্তান আবদুর রহমান খাঁন।। মোরেলগঞ্জের পোলেরহাট বাজারে আগুনে ১১ টি দোকান পুড়ে ছাই-ক্ষতির পরিমান কোটি টাকা।। শরীয়তপুরে রাসেলস ভাইপার সাপ পিটিয়ে মারলো কৃষকরা।। ২২ বছর পর স্ত্রী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত স্বামী গ্রেপ্তার।। জাজিরায় মাতৃদুগ্ধ বিষয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত।। ধামরাই সরকারি কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত।। মোরেলগঞ্জে তরুণ সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন তালুকদারের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত।। পাবনায় ফ্যানের বাতাসে ধান উড়াতে গি‌য়ে কৃষকের মৃত্যু।। মাদারীপুরে ভোক্তা অধিকারে অভিযান- দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা।। মোটরসাইকেল মার্কার উৎসবমুখর উঠান বৈঠক।। নারায়ণগঞ্জ টিভি সাংবাদিক ফোরামের ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা।। জাজিরা পৌর সড়কে বছর পেরোলেও আলোর মুখ দেখেনি আলোকসজ্জা প্রকল্প।। রামগঞ্জে আনারস প্রতীকের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত।। পাবনায় পানি উন্নয়ন বোর্ডে -পাউবো- কর্মরত ৩৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী একযোগে বদলি আবেদনে সমালোচনার ঝড়।। মোংলায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আ: হামিদ শেখ কে গার্ড অব অনার।। দেবহাটায় পুষ্টি সপ্তাহ উদ্যাপন।। সখিপুর ইউনিয়ন স্ট্যান্ডিং কমিটির সভা।। দেবহাটা বাল্যবিবাহ ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে সভা।।  ঘুম থেকে উঠছে দেখতাম অস্ত্র আমাদের দিকে তাককরা- নাবিক রাজু।। দাউদকান্দিতে আইফোন না পেয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে এক কিশোরের আত্মহত্যা।। আটঘরিয়ায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে মোটরসাইকেল-ঘোড়া।।

আটঘরিয়ায় প্রথম বারের মতো বারি ২ মৌরি মশলা চাষ করে সফল কৃষক।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:35:05 am, Saturday, 24 February 2024
  • 74 বার পড়া হয়েছে

আটঘরিয়ায় প্রথম বারের মতো বারি ২ মৌরি মশলা চাষ করে সফল কৃষক।।

পাবনা প্রতিনিধি।।
মশলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী হিসেবে আটঘরিয়ার হাজিপাড়ায় কৃষক জহুরা বেগম টেবুনিয়া হর্টিকালচার এর মাধ্যমে তার ১০ শতক জমিতে বারি মৌরি -চাষ করেছেন। জানাযায়, পাবনার আটঘরিয়ায় প্রথম বারের মতো বরি -২ মৌরি চাষ করা হয়েছে। 
সবজির পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে মৌরি চাষ বেশ লাভজনক। চাহিদা থাকায় অধিক মুনাফার আশায় বিকল্প এই ফসল চাষে আকৃষ্ট হচ্ছেন কৃষক। এই ফসল চাষে অতিরিক্ত মুনাফায় কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘুরবে। এ কারণে আটঘরিয়ায় আগামী দিনগুলোতে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এই মৌরি চাষ। এই ফসল পান মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। স্থানীয়ভাবে একে গুয়োমুরিও বলা হয়। এখানে এখন বাণিজ্যিকভাবেই চাষ হচ্ছে এই মৌরি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শীতের সবজি তোলার পর পতিত জমিতে কৃষক কিছু না কিছু করার চেষ্টা করেন। সে চেষ্টা থেকেই মৌরির চাষ হয়ে আসছে। আলাদা ভাবে সার সেচ কিছুই লাগে না। এটিকে বোনাস ফসল হিসেবে নিয়েছেন এখানকার চাষিরা। কারণ, শীত মৌসুমে বাঁধা ও ফুল কপি রোপণ করার পর ক্ষেতে সারিবদ্ধ ভাবে ফাঁকা করে চারা রোপণ করা হয়। ক্ষেত থেকে কপি তোলার পর ক্ষেতেই গাছ বেড়ে ওঠে।  এজন্য বাড়তি সার, সেচ ও কীটনাশক ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না । 
সংশ্লিষ্টরা জানান, সুগন্ধযুক্ত উচ্চমূল্যের এই মৌরি দৈনন্দিন রান্নার কাজেও ব্যবহার হচ্ছে। পাঁচ ফোঁড়নের এক ফোঁড়ন মৌরি। এতে ঔষধি গুণও বিদ্যমান। পাইকাররা ক্ষেতসহ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে কৃষকদের ফসল বিক্রির জন্য দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়না। 
কৃষকরা জানান,  জমির কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য এলোমেলো করে নকশা ব্যবহার করে বাঁধাকপি, ফুলকপি ও অন্যান্য ফসলের সাথী ফসল হিসেবে মৌরি চাষ লাভজনক। এই গাছের পাতা, বীজ, কন্দ, শিকড় কোনো কিছুই ফেলার নয়। বর্তমানে মৌরির কন্দ ইউরোপে সর্বাধিক জনপ্রিয়। মৌরির ফল বা বীজ মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের মাছ-মাংসের তরকারি, আচার, পিঠা, রকমারি মিষ্টি খাবারে মৌরি ব্যবহৃত হয়।
টেবুনিয়া হটিকালচার সেন্টার এর উপ-সহকারী উদ্যান কর্মকতা মিজানুর রহমান জানান, এর গাছ দুই থেকে পাঁচ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। ফুল দেখতে অনেকটা খোলা ছাতার মতো। সাধারণত ফুলের রঙ হলুদ আর সাদা হয়ে থাকে। পাতাগুলো চিরল, মসৃণ এবং পাখির পালকের মতো। চাষের জন্য বেলে, বেলে দো-আঁশ মাটি ভালো। জমি একটু উঁচু সুনিষ্কাশিত হলে ভালো হয়।
 কৃষক ইব্রাহিম জানান, মৌরি তাদের জন্য লাভজনক ফসল। এ বছর ফলন ভালো হলেও বৃষ্টির জন্য সামান্য ক্ষতি হয়েছে। মৌরি মশলার বাজার মূল্য ৪০থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এবিষয় উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শও পাচ্ছেন তারা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এক প্রতিবেদনে জানাগেছে-বারি -২ মৌরি গাছ উচ্চতায় ১০০-১৩০ সেন্টি মিটার পর্যন্ত হতে পারে। প্রতি গাছে গড় শাখা-প্রশাখা ৬-৭ টি, আম্বেল ২৫-৩০ টি, প্রতি আম্বেলে আম্বেললেটের সংখ্যা প্রায় ২০-২৫ টি এবং প্রতি আম্বেললেটে বীজের সংখ্যা প্রায় ১০-১৫ টি। প্রতি ১০০০ বীজের গড় ওজন ৫-৬ গ্রাম। ফলের আকার আয়তাকার ও গাঢ় সবুজ।  ফলন ১.৫৬-১.৭৫ টন/হে.
চাষাবাদ পদ্ধতিঃবপনের সময় : মধ্য আশ্বিন থেকে মধ্য কার্তিক (মধ্য অক্টোবর-মধ্য নভেম্বর) মাস বীজ ফসলের জন্য উত্তম। সাথী ফসল হিসাবে মরিচ, শাক-সব্জি, আখ, আলু, ডাল, মসলা জাতীয় অন্য ফসলের জমিতে মৌরির চাষ করা যায়। অতিরিক্ত সূর্যালোকে বীজ বপন করলে অঙ্কুরোদগমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। মৌরি বীজের জন্য বিলম্বে বীজ বপনে এর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হয় এবং বিভিন্ন রোগবালাই এর আক্রমণ বেড়ে যায় ও বীজের মান খারাপ হয়ে যায়।
 মাড়াইয়ের সময় : বপনের ১৪০-১৫০ দিন পর মৌরি পাকে। পাকলে বীজগুলো হালকা হলদে হয়ে পাতা শুকিয়ে যায়। সাধারনত খুব ভোরে অর্থাৎ সূর্যের আলোর প্রখরতা বৃদ্ধির পূর্বে গাছ উঠাতে হবে। মৌরির বীজ হালকা সবুজ অবস্থায় থাকতেই গাছ থেকে বীজসহ তুলতে হবে। এভাবে ২-৩ ধাপে বীজ সংগ্রহ করতে হবে নতুবা বীজের মান ভাল হয় না বীজ কালো হয়ে নষ্ট হযে যায়। মৌরি বীজ সাধারনত রৌদ্রাজ্জল দিনে সংগ্রহ করতে হবে। বীজ সংগ্রহের পর এক জায়গায় গাদা করে রাখা যাবে না কারন গাদা করে রাখলে বীজ কালচে হয়ে যায়। বীজ রোদে শুকিয়ে ঝাড়াই-মাড়াই করে পৃথক করা হয়। বীজে আর্দ্রতার পরিমান ৮-১০% রেখে শুকিয়ে ভালোভাবে সংরক্ষন করতে হবে।
 সার ব্যবস্থাপনা : জমি তৈরীর সময় গোবর, এমওপি, টিএসপি, জিপসাম, জিংক ও বোরণ সার প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা গজানোর ২৫ দিন পর ১ম কিস্তি এবং ফুল ফোটার পর পর বাকি সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় ককটেল বিস্ফোরনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন।।

আটঘরিয়ায় প্রথম বারের মতো বারি ২ মৌরি মশলা চাষ করে সফল কৃষক।।

আপডেট সময় : 09:35:05 am, Saturday, 24 February 2024
পাবনা প্রতিনিধি।।
মশলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি প্রদর্শনী হিসেবে আটঘরিয়ার হাজিপাড়ায় কৃষক জহুরা বেগম টেবুনিয়া হর্টিকালচার এর মাধ্যমে তার ১০ শতক জমিতে বারি মৌরি -চাষ করেছেন। জানাযায়, পাবনার আটঘরিয়ায় প্রথম বারের মতো বরি -২ মৌরি চাষ করা হয়েছে। 
সবজির পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে মৌরি চাষ বেশ লাভজনক। চাহিদা থাকায় অধিক মুনাফার আশায় বিকল্প এই ফসল চাষে আকৃষ্ট হচ্ছেন কৃষক। এই ফসল চাষে অতিরিক্ত মুনাফায় কৃষকের ভাগ্যের চাকা ঘুরবে। এ কারণে আটঘরিয়ায় আগামী দিনগুলোতে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এই মৌরি চাষ। এই ফসল পান মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। স্থানীয়ভাবে একে গুয়োমুরিও বলা হয়। এখানে এখন বাণিজ্যিকভাবেই চাষ হচ্ছে এই মৌরি।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, শীতের সবজি তোলার পর পতিত জমিতে কৃষক কিছু না কিছু করার চেষ্টা করেন। সে চেষ্টা থেকেই মৌরির চাষ হয়ে আসছে। আলাদা ভাবে সার সেচ কিছুই লাগে না। এটিকে বোনাস ফসল হিসেবে নিয়েছেন এখানকার চাষিরা। কারণ, শীত মৌসুমে বাঁধা ও ফুল কপি রোপণ করার পর ক্ষেতে সারিবদ্ধ ভাবে ফাঁকা করে চারা রোপণ করা হয়। ক্ষেত থেকে কপি তোলার পর ক্ষেতেই গাছ বেড়ে ওঠে।  এজন্য বাড়তি সার, সেচ ও কীটনাশক ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না । 
সংশ্লিষ্টরা জানান, সুগন্ধযুক্ত উচ্চমূল্যের এই মৌরি দৈনন্দিন রান্নার কাজেও ব্যবহার হচ্ছে। পাঁচ ফোঁড়নের এক ফোঁড়ন মৌরি। এতে ঔষধি গুণও বিদ্যমান। পাইকাররা ক্ষেতসহ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। ফলে কৃষকদের ফসল বিক্রির জন্য দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়না। 
কৃষকরা জানান,  জমির কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য এলোমেলো করে নকশা ব্যবহার করে বাঁধাকপি, ফুলকপি ও অন্যান্য ফসলের সাথী ফসল হিসেবে মৌরি চাষ লাভজনক। এই গাছের পাতা, বীজ, কন্দ, শিকড় কোনো কিছুই ফেলার নয়। বর্তমানে মৌরির কন্দ ইউরোপে সর্বাধিক জনপ্রিয়। মৌরির ফল বা বীজ মসলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ধরনের মাছ-মাংসের তরকারি, আচার, পিঠা, রকমারি মিষ্টি খাবারে মৌরি ব্যবহৃত হয়।
টেবুনিয়া হটিকালচার সেন্টার এর উপ-সহকারী উদ্যান কর্মকতা মিজানুর রহমান জানান, এর গাছ দুই থেকে পাঁচ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। ফুল দেখতে অনেকটা খোলা ছাতার মতো। সাধারণত ফুলের রঙ হলুদ আর সাদা হয়ে থাকে। পাতাগুলো চিরল, মসৃণ এবং পাখির পালকের মতো। চাষের জন্য বেলে, বেলে দো-আঁশ মাটি ভালো। জমি একটু উঁচু সুনিষ্কাশিত হলে ভালো হয়।
 কৃষক ইব্রাহিম জানান, মৌরি তাদের জন্য লাভজনক ফসল। এ বছর ফলন ভালো হলেও বৃষ্টির জন্য সামান্য ক্ষতি হয়েছে। মৌরি মশলার বাজার মূল্য ৪০থেকে ৪৫ হাজার টাকা। এবিষয় উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শও পাচ্ছেন তারা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এক প্রতিবেদনে জানাগেছে-বারি -২ মৌরি গাছ উচ্চতায় ১০০-১৩০ সেন্টি মিটার পর্যন্ত হতে পারে। প্রতি গাছে গড় শাখা-প্রশাখা ৬-৭ টি, আম্বেল ২৫-৩০ টি, প্রতি আম্বেলে আম্বেললেটের সংখ্যা প্রায় ২০-২৫ টি এবং প্রতি আম্বেললেটে বীজের সংখ্যা প্রায় ১০-১৫ টি। প্রতি ১০০০ বীজের গড় ওজন ৫-৬ গ্রাম। ফলের আকার আয়তাকার ও গাঢ় সবুজ।  ফলন ১.৫৬-১.৭৫ টন/হে.
চাষাবাদ পদ্ধতিঃবপনের সময় : মধ্য আশ্বিন থেকে মধ্য কার্তিক (মধ্য অক্টোবর-মধ্য নভেম্বর) মাস বীজ ফসলের জন্য উত্তম। সাথী ফসল হিসাবে মরিচ, শাক-সব্জি, আখ, আলু, ডাল, মসলা জাতীয় অন্য ফসলের জমিতে মৌরির চাষ করা যায়। অতিরিক্ত সূর্যালোকে বীজ বপন করলে অঙ্কুরোদগমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। মৌরি বীজের জন্য বিলম্বে বীজ বপনে এর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হয় এবং বিভিন্ন রোগবালাই এর আক্রমণ বেড়ে যায় ও বীজের মান খারাপ হয়ে যায়।
 মাড়াইয়ের সময় : বপনের ১৪০-১৫০ দিন পর মৌরি পাকে। পাকলে বীজগুলো হালকা হলদে হয়ে পাতা শুকিয়ে যায়। সাধারনত খুব ভোরে অর্থাৎ সূর্যের আলোর প্রখরতা বৃদ্ধির পূর্বে গাছ উঠাতে হবে। মৌরির বীজ হালকা সবুজ অবস্থায় থাকতেই গাছ থেকে বীজসহ তুলতে হবে। এভাবে ২-৩ ধাপে বীজ সংগ্রহ করতে হবে নতুবা বীজের মান ভাল হয় না বীজ কালো হয়ে নষ্ট হযে যায়। মৌরি বীজ সাধারনত রৌদ্রাজ্জল দিনে সংগ্রহ করতে হবে। বীজ সংগ্রহের পর এক জায়গায় গাদা করে রাখা যাবে না কারন গাদা করে রাখলে বীজ কালচে হয়ে যায়। বীজ রোদে শুকিয়ে ঝাড়াই-মাড়াই করে পৃথক করা হয়। বীজে আর্দ্রতার পরিমান ৮-১০% রেখে শুকিয়ে ভালোভাবে সংরক্ষন করতে হবে।
 সার ব্যবস্থাপনা : জমি তৈরীর সময় গোবর, এমওপি, টিএসপি, জিপসাম, জিংক ও বোরণ সার প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। চারা গজানোর ২৫ দিন পর ১ম কিস্তি এবং ফুল ফোটার পর পর বাকি সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে।