মো: আবু তৈয়ব
হাটহাজারী- চট্টগ্রাম-প্রতিনিধি।।
চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলার আল জামিয়াতুল কাছেমুল উলূম চারিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা হাটহাজারী সড়ক ও জনপথ (স.ও.জ) এর
উপ-সহকারী প্রকৌশলী -সিভিল- আবু আহসান মু: আজিজুল মোস্তফা বরাবর নিরাপদ সড়ক ও সড়কে স্পিড ব্রেকারের জন্য স্মারক লিপি প্রধান করেন।
রবিবার -২০ অক্টোবর- রবিবার দুপুরে এই স্মারক লিপি প্রধান করেন চারিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ,স্মারক লিপিতে তাদের দাবি গুলো ছিল-
১। মাদ্রাসা সংলগ্ন রাস্তায় তিনটি স্প্রিড ব্রেকার দেওয়া।
২। নিহত ছাত্রকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
৩। রাস্তা পারাপারের জন্য ফুটওভার ব্রিজের ব্যবস্থা করে দেওয়া ও রাস্তার উভয় পার্শ্বে গাড়ি পার্কিং সম্পূর্ণ নিষেধ করা।
স্মারক লিপিতে আরো লেখা হয়- সম্মানিত মহোদয়ের কাছে আকুল আবেদন এই যে অতিদ্রুত আমাদের দাবি গুলো পুরণ করে দিলে আপনার নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকিব। অতিদ্রুত আমাদের দাবি গুলো পুরণ না হলে এর কারণে কোনো অস্বাভাবিক অবস্থা সৃষ্টি হয়- এর জন্য সম্পুর্ন প্রশাসন দায়ী থাকিবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- চারিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ যে- মঙ্গলবার -১৫ অক্টোবর-সকালে ৯ টার দিকে চট্টগ্রাম -খাগড়াছড়ি মহাসড়কের হাটহাজারী উপজেলার চারিয়া নয়া হাট বাজারে চারিয়া মাদ্রাসার ছাত্র রাস্তা পারাপারের সময় বেপরোয়া গতিতে আসা স্বপ্ন বিলাস ট্রান্সপোর্ট নামের -ঢাকা মেট্রো ১৫-2676-বাসের ধাক্কায় মো: জাওয়াত মাহিন -১১- নামের এক ছাত্র নিহত হয়।
জানা যায়- জাওয়াত মাহিনের বাড়ি হাটহাজারী উপজেলার আলীপুর পুরাতন থানার পাশে। মোঃ জাওয়া মাহিন বাবার নাম মোঃ আলমগীর। জাওয়াত মাহিন ছিল তার বাবার ২য় সন্তান।
সড়ক দুর্ঘটনার পর মাদ্রাসার ছাত্র ও স্থানীয়রা সড়ক অবরোধ করে রাখে এতে সাধারণ যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হয়।
এক শিক্ষার্থী জানান- সড়ক দুর্ঘটনার পর ঐই সময় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবিএম মশিউজ্জামানের কাছে কিছু দাবি জানান- তখন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা তাদের দাবি গুলো মেনে নেওয়ার কথা জানালেও তিনি ৫দিন পার হয়ে গেলেও কিছু করতে পারেনি তাই আমরা আজকে হাটহাজারী সড়ক ও জনপদের প্রকৌশলী বরাবর স্মারক লিপি প্রধান করি।

























