Dhaka , Saturday, 17 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সিলেটের পর্যটনকে ব্যাপক প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে চালু হচ্ছে পর্যটন সম্পর্কিত মোবাইল অ্যাপ ফরিদপুরে দেড় কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, ২০ মামলার তথ্য পুলিশের দীঘিনালায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ৯ মণ্ডপ পরিদর্শন আলোচনায় অপু বিশ্বাসের ‘প্রিয় বন্ধু’, কে তিনি? সানচোকে দলে নিতে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব গেতাফের নোয়াখালীতে অসহায় নারীদের স্বাবলম্বী করতে সেলাই মেশিন বিতরণ নামাজ পড়ে ফেরা হলো না চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র মেহরাজের রূপগঞ্জ পল্লী চিকিৎসক সমিতির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবাগত ইউএনওর সৌজন্য সাক্ষাৎ খুলশীতে ৬ কেজি গাঁজা ও বিদেশি মদসহ মাদক সম্রাট সোহাগ এসআরবি-৭’র হাতে আটক শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক মানুষ হতে হবে:- হাটহাজারীতে ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল পাইকগাছায় ১৫১ পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা; সম্প্রীতি রক্ষার আহ্বান এমপি ফাহমিদা হকের মদিনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করার দাবি সৌদির বিশ্ব ডাক দিবসে সম্মাননা পেলেন ‘নগদ’-এর ৬ প্রতিনিধি সড়কে বেহাল গৌরনদী–বাবুগঞ্জে নদীভাঙনের হাহাকার: দ্রুত সমাধানের আশ্বাস স্বপনের, এলাকায় উদাসীন জয়নাল আবেদীন পাইকগাছার গজালিয়া কালুয়া আলিম মাদ্রাসার এডহক কমিটির- সভাপতি শরিফুল পাইকগাছায় মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান; জব্দ ৩টি ছান্দি জাল পুড়িয়ে ধ্বংস ২৪ ঘণ্টায় পাইকগাছায় মাদক, জুয়া, নাশকতাসহ বিভিন্ন অপরাধে আটক ১৭ বর্তমানে দেশের বাইরে থেকে নিষিদ্ধ সংগঠনের লোকজন দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে: ইঞ্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ নারায়ণগঞ্জে ইজিবাইক চলাচলের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ একটি চক্র সরকার ও দেশের ভাবমূর্তি নষ্টের ষড়যন্ত্র করছে: রিজভী ‘মেধার ভিত্তিতেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিত করতে চায় সরকার’ জাজিরায় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এমপির নির্দেশ রূপগঞ্জে শিক্ষিকার লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে ও হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন শীতলক্ষ্যায় কন্টেইনার পোর্ট নির্মাণ বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষে সাজেকে ফের সড়ক অবরোধ, বন্ধ যান চলাচল মাদারীপুরে মানকচুর ওজন ৪০ কেজি, দেখতে মানুষের ভিড় নেত্রকোনার মদনে শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপি নেতা কালিয়াকৈরে অবৈধ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে নারী পুরুষ কর্তৃপক্ষ সহ ৩৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ বিমান সেবা নিয়ে ক্ষুব্ধ অভিনেতা বললেন, ‘বেইমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’ সর্বকালের সেরা কে, জানালেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা

লালমনিরহাটে হাসাহাসির মতো তুচ্ছ ঘটনার জেরে সংঘর্ষ, আহত ৫

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:36:47 am, Saturday, 8 March 2025
  • 178 বার পড়া হয়েছে

লালমনিরহাটে হাসাহাসির মতো তুচ্ছ ঘটনার জেরে সংঘর্ষ, আহত ৫

তৌহিদুল ইসলাম চঞ্চল, বিশেষ প্রতিনিধি 

  

লালমনিরহাটে হাসাহাসির মত একটি তুচ্ছ ঘটনার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে  ৫ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সালাম “৪০”, তার ছেলে সেজান ও সেজানের বন্ধু রোহান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে “রমেক” চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে  ছুরিকাঘাতে আহত সেজানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

৭ মার্চ “শুক্রবার” সন্ধ্যায় পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড “ডায়াবেটিক হাসপাতাল” এর পাশে সংঘর্ষের ওই ঘটনায় চারজনকে আটক করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরনবী।

অপর ২ জন আহত ব্যক্তিরা হলেন- সেজানের মা ও সালামের স্ত্রী বিলকিছ ও সালামের বোন। তবে তারা হালকা আঘাত পাওয়ায় বাড়িতেই অবস্থান করছেন।

আটককৃতরা হলেন- জিয়া “২১”, সজীব”২৫”, শাহিন “২৭” ও সৈকত”২০”। তারা সকলেই দক্ষিণ খোর্দ্দ সাপটানা “ডায়াবেটিক হাসপাতাল সংলগ্ন” এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে।

এলাকাবাসী ও আহত ব্যক্তিদের স্বজনরা জানান, ৭ মার্চ “শুক্রবার” জুম্মার নামাজের পর সেজান এবং রোহান শাহিনকে দেখে হাসাহাসি করেন। ফলে শাহিন ও সেজানের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। সে সময় মসজিদের মুসল্লিরা তাদেরকে শান্ত করে সন্ধ্যায় মীমাংসার প্রস্তাব দেন। পরে সন্ধ্যার দিকে শফিকুলের নির্দেশ পেয়ে জিয়া,সজীব, শাহিন ও সৈকতসহ ৭-৮ জন সালাম, সেজান ও রোহানের উপর ছুরি দিয়ে হামলা চালায় ও আঘাত করে। ওই সময় সালামের স্ত্রী বিলকিস ও সালামের বোন তাদেরকে বাঁচাতে গেলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়। এরপর এলাকাবাসীরা আহতদের লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে রমেকে রেফার করেন। তারা এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। খবর পেয়ে লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরনবী’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উল্লিখিত ৪ জনকে জনতার হাত থেকে বাঁচান ও তাদেরকে আটক করে থানায় পাঠিয়ে দেন। গুরুতর আহত সেজান মারা গেছেন এই খবর পেয়ে এলাকাবাসী ক্ষুব্দ হয়ে শাহিন ও তার বন্ধু আলামিনের বাসায় ভাঙচুর চালান। তবে সদর থানার ওসি’র সাহসী হস্তক্ষেপে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পরে ওসি’র নির্দেশে পুলিশের আরেকটি দল ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজিত জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করেন। পরে রাতে সেনবাহিনী সদস্যরা সেখানে এসে এলাকাবাসীকে তাদের বাসায় পাঠিয়ে দেন।

ওই ঘটনায় শফিকুলসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে সদর থানায়  একটি মামলা দায়ের করা হয়।  

স্থানীয়দের অভিযোগ, শফিকুল সুদের বিনিময়ে মানুষকে টাকা ধার হিসেবে দেন। শফিকুল ও তার ছেলেরা বিগত আঃ লীগ সরকারের সময় এলাকায় বিভিন্ন ভাবে প্রভাব বিস্তার করে ও এলাকাবাসীকে নানাভাবে হয়রানি করেন। এলাকার কিছু মানুষের নামে একটি মিথ্যা মামলাও করেন শফিকুল।

সেজানের মা বিলকিস বলেন, “ছেলে ও স্বামীর জন্য দোয়া করবেন। ছেলের বন্ধু রোহানের মা নেই। সে আমার ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও আঘাত পায়। আমি দোষীদের কঠিন শাস্তির দাবি জানাই।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সদর থানার ওসি মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, “ দুপুরে জুম্মার নামাজের পরে হাসাহাসির মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোরদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। সন্ধ্যায় ছুরি দিয়ে ২ জনকে আঘাত করা হয়েছে এমন খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। এলাকাবাসী অভিযোগ করায় আমরা ৪ জনকে আটক করি। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুর করে। আমরা তাদেরকে নিভৃত করতে সক্ষম হই। আমি রংপুরে কথা বলেছি কেউ মারা যাননি। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটের পর্যটনকে ব্যাপক প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে চালু হচ্ছে পর্যটন সম্পর্কিত মোবাইল অ্যাপ

লালমনিরহাটে হাসাহাসির মতো তুচ্ছ ঘটনার জেরে সংঘর্ষ, আহত ৫

আপডেট সময় : 11:36:47 am, Saturday, 8 March 2025

তৌহিদুল ইসলাম চঞ্চল, বিশেষ প্রতিনিধি 

  

লালমনিরহাটে হাসাহাসির মত একটি তুচ্ছ ঘটনার জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে  ৫ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে সালাম “৪০”, তার ছেলে সেজান ও সেজানের বন্ধু রোহান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে “রমেক” চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে  ছুরিকাঘাতে আহত সেজানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

৭ মার্চ “শুক্রবার” সন্ধ্যায় পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড “ডায়াবেটিক হাসপাতাল” এর পাশে সংঘর্ষের ওই ঘটনায় চারজনকে আটক করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরনবী।

অপর ২ জন আহত ব্যক্তিরা হলেন- সেজানের মা ও সালামের স্ত্রী বিলকিছ ও সালামের বোন। তবে তারা হালকা আঘাত পাওয়ায় বাড়িতেই অবস্থান করছেন।

আটককৃতরা হলেন- জিয়া “২১”, সজীব”২৫”, শাহিন “২৭” ও সৈকত”২০”। তারা সকলেই দক্ষিণ খোর্দ্দ সাপটানা “ডায়াবেটিক হাসপাতাল সংলগ্ন” এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে।

এলাকাবাসী ও আহত ব্যক্তিদের স্বজনরা জানান, ৭ মার্চ “শুক্রবার” জুম্মার নামাজের পর সেজান এবং রোহান শাহিনকে দেখে হাসাহাসি করেন। ফলে শাহিন ও সেজানের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। সে সময় মসজিদের মুসল্লিরা তাদেরকে শান্ত করে সন্ধ্যায় মীমাংসার প্রস্তাব দেন। পরে সন্ধ্যার দিকে শফিকুলের নির্দেশ পেয়ে জিয়া,সজীব, শাহিন ও সৈকতসহ ৭-৮ জন সালাম, সেজান ও রোহানের উপর ছুরি দিয়ে হামলা চালায় ও আঘাত করে। ওই সময় সালামের স্ত্রী বিলকিস ও সালামের বোন তাদেরকে বাঁচাতে গেলে তাদের উপরও হামলা চালানো হয়। এরপর এলাকাবাসীরা আহতদের লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে রমেকে রেফার করেন। তারা এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। খবর পেয়ে লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরনবী’র নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে উল্লিখিত ৪ জনকে জনতার হাত থেকে বাঁচান ও তাদেরকে আটক করে থানায় পাঠিয়ে দেন। গুরুতর আহত সেজান মারা গেছেন এই খবর পেয়ে এলাকাবাসী ক্ষুব্দ হয়ে শাহিন ও তার বন্ধু আলামিনের বাসায় ভাঙচুর চালান। তবে সদর থানার ওসি’র সাহসী হস্তক্ষেপে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পরে ওসি’র নির্দেশে পুলিশের আরেকটি দল ঘটনাস্থলে এসে উত্তেজিত জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করেন। পরে রাতে সেনবাহিনী সদস্যরা সেখানে এসে এলাকাবাসীকে তাদের বাসায় পাঠিয়ে দেন।

ওই ঘটনায় শফিকুলসহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫ থেকে ৬ জনকে আসামি করে সদর থানায়  একটি মামলা দায়ের করা হয়।  

স্থানীয়দের অভিযোগ, শফিকুল সুদের বিনিময়ে মানুষকে টাকা ধার হিসেবে দেন। শফিকুল ও তার ছেলেরা বিগত আঃ লীগ সরকারের সময় এলাকায় বিভিন্ন ভাবে প্রভাব বিস্তার করে ও এলাকাবাসীকে নানাভাবে হয়রানি করেন। এলাকার কিছু মানুষের নামে একটি মিথ্যা মামলাও করেন শফিকুল।

সেজানের মা বিলকিস বলেন, “ছেলে ও স্বামীর জন্য দোয়া করবেন। ছেলের বন্ধু রোহানের মা নেই। সে আমার ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেও আঘাত পায়। আমি দোষীদের কঠিন শাস্তির দাবি জানাই।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত সদর থানার ওসি মোহাম্মদ নুরনবী বলেন, “ দুপুরে জুম্মার নামাজের পরে হাসাহাসির মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিশোরদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। সন্ধ্যায় ছুরি দিয়ে ২ জনকে আঘাত করা হয়েছে এমন খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে আসি। এলাকাবাসী অভিযোগ করায় আমরা ৪ জনকে আটক করি। পরে বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে ভাঙচুর করে। আমরা তাদেরকে নিভৃত করতে সক্ষম হই। আমি রংপুরে কথা বলেছি কেউ মারা যাননি। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে।