Dhaka , Friday, 13 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের জয়জয়কার লালমনিরহাটে ধানের শীষের জয়জয়কার: নেপথ্যে দুলুর একক রাজনৈতিক ক্যারিশমা নরসিংদীতে ৫টি আসনেই বিএনপির বিজয় ঢাকা-১১ আসনে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী নাহিদ ইসলাম রূপগঞ্জে বিএনপির মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু বেসরকারিভাবে নির্বাচিত সীমান্তে ১৫ বিজিবির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: লালমনিরহাটে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম ও রিটার্নিং অফিসারে’র ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন সিলেটের ১৯ আসনের বেসরকারি ফল: ১৮টিতে বিএনপি, একটিতে মজলিসের জয় মৌলভীবাজার-৩ আসনে বিএনপির এম নাসের রহমান বেসরকারিভাবে বিজয়ী নোয়াখালী-৩ আসনে ধানের শীষের জয়, বরকত উল্লাহ বুলু বিজয়ী ঝালকাঠি-১ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলা, রাজাপুরে ৫ কেন্দ্রে বিএনপির দখলের চেষ্টার অভিযোগ, আহত ৮, আটক ৪ হাতিয়াতে হামলায় সাংবাদিকসহ আহত ৩০ রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার ৬১নং কেন্দ্রে দু’পক্ষের মধ্যে মারামারি। জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভোটার হিসেবে ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের অংশগ্রহণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট প্রদান করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান নোয়াখেলেীতে নারী ভোটারদের উপছে পড়া ভিড় উখিয়ার বালুখালীতে সেনাবাহিনীর বিশেষ যৌথ অভিযান: অস্ত্র-গোলাবারুদসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্রের সদস্য আটক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কক্সবাজারে প্রস্তুতি জোরদার: সদর ও রামু উপজেলা পরিষদ পরিদর্শনে ডিসি-এসপি স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কক্সবাজারে ব্রিফিং প্যারেড, বডি-ওর্ন ক্যামেরায় থাকবে নজরদারি নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীতে বিজিবির বিশেষ রোবাস্ট পেট্রোলিং, নিরাপত্তা জোরদার পাইকগাছায় নির্বাচনী ব্রিফিং অনুষ্ঠিত সাশ্রয়ী বাজার ব্যবস্থায় আরেক ধাপ এগিয়ে গেল আশ বাজার রামগঞ্জে হুমকির অভিযোগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাত পাখা প্রার্থীর সাংবাদিক সম্মেলন র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম’র অধিনায়ক কর্তৃক নগরীর বিভিন্ন ভোট কেন্দ্র পরিদর্শন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজধানীতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা: সেনাবাহিনীর টহল-তল্লাশি জোরদার রাজধানীতে ভোটের স্বচ্ছ বাক্স বিতরণ, শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি জোরদার বেতাগীতে ৪২ টি নির্বাচনী  কেন্দ্রের ১৩ টি ঝুঁকিপূর্ণ-উত্তেজনায় কাজীর হাট

লালমনিরহাটে ধানের শীষের জয়জয়কার: নেপথ্যে দুলুর একক রাজনৈতিক ক্যারিশমা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:39:02 pm, Friday, 13 February 2026
  • 2 বার পড়া হয়েছে

চঞ্চল,

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের রাজনৈতিক মানচিত্র এখন সম্পূর্ণ ধানের শীষের রঙে রঞ্জিত। জেলার তিনটি আসনেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে ক্লিন সুইপ করেছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অভাবনীয় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সুসংগঠিত নেতৃত্ব এবং কৌশলী নির্বাচনী প্রচারণা।

লালমনিরহাট জেলার ৩টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফলঃ

লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধান ১,৩৮,৬৮৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, যেখানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লার আনোয়ারুল ইসলাম রাজু পেয়েছেন ১,২৯,৫৭২ ভোট। লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনেও জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে রোকন উদ্দিন বাবুল ১,২৩,৯৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন এবং তার নিকটতম দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো: ফিরোজ হায়দার লাভলু পান ১,১৭,২৫২ ভোট। লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে নেতৃত্বের অনন্য রেকর্ড গড়ে বিজয়ী হয়েছেন অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু; তিনি ১,৩৯,৬৫১ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হন, বিপরীতে দাড়িপাল্লা প্রতীকের মো: আবু তাহের পেয়েছেন মাত্র ৫৬,২৪৪ ভোট।

সাফল্যের নেপথ্যে দুলুর অনন্য ত্যাগ ও কৌশলঃ

লালমনিরহাটের এই ঐতিহাসিক বিজয়ের পেছনে বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সাংগঠনিক তৎপরতা ছিল প্রশংসনীয়। লালমনিরহাট-১ ও ২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী অবস্থান থাকা সত্ত্বেও তাঁর জাদুকরী নেতৃত্ব এবং বিশাল নির্বাচনী জনসভাগুলো সাধারণ ভোটারদের ধানের শীষের অনুকূলে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। তিনি অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন এবং নেতাকর্মীদের সঠিক দিক-নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে পুরো জেলাকে ঐক্যবদ্ধ করতে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছেন।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, নিজের নির্বাচনী আসনে প্রচারণায় বিঘ্ন ঘটতে পারে জেনেও তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলীয় সামষ্টিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং জেলার প্রতিটি আসনে সময় দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে দলীয় লক্ষ্যই তাঁর কাছে প্রধান। তাঁর এই নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা লালমনিরহাটের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা বর্তমানে জেলাজুড়ে সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের জয়জয়কার

লালমনিরহাটে ধানের শীষের জয়জয়কার: নেপথ্যে দুলুর একক রাজনৈতিক ক্যারিশমা

আপডেট সময় : 03:39:02 pm, Friday, 13 February 2026

চঞ্চল,

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাটের রাজনৈতিক মানচিত্র এখন সম্পূর্ণ ধানের শীষের রঙে রঞ্জিত। জেলার তিনটি আসনেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে ক্লিন সুইপ করেছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই অভাবনীয় সাফল্যের মূল চাবিকাঠি ছিল অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সুসংগঠিত নেতৃত্ব এবং কৌশলী নির্বাচনী প্রচারণা।

লালমনিরহাট জেলার ৩টি আসনের চূড়ান্ত ফলাফলঃ

লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম-হাতীবান্ধা) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধান ১,৩৮,৬৮৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন, যেখানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লার আনোয়ারুল ইসলাম রাজু পেয়েছেন ১,২৯,৫৭২ ভোট। লালমনিরহাট-২ (আদিতমারী-কালীগঞ্জ) আসনেও জয়ের ধারা অব্যাহত রেখে রোকন উদ্দিন বাবুল ১,২৩,৯৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন এবং তার নিকটতম দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো: ফিরোজ হায়দার লাভলু পান ১,১৭,২৫২ ভোট। লালমনিরহাট-৩ (সদর) আসনে নেতৃত্বের অনন্য রেকর্ড গড়ে বিজয়ী হয়েছেন অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু; তিনি ১,৩৯,৬৫১ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হন, বিপরীতে দাড়িপাল্লা প্রতীকের মো: আবু তাহের পেয়েছেন মাত্র ৫৬,২৪৪ ভোট।

সাফল্যের নেপথ্যে দুলুর অনন্য ত্যাগ ও কৌশলঃ

লালমনিরহাটের এই ঐতিহাসিক বিজয়ের পেছনে বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর সাংগঠনিক তৎপরতা ছিল প্রশংসনীয়। লালমনিরহাট-১ ও ২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর শক্তিশালী অবস্থান থাকা সত্ত্বেও তাঁর জাদুকরী নেতৃত্ব এবং বিশাল নির্বাচনী জনসভাগুলো সাধারণ ভোটারদের ধানের শীষের অনুকূলে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে। তিনি অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসন এবং নেতাকর্মীদের সঠিক দিক-নির্দেশনা প্রদানের মাধ্যমে পুরো জেলাকে ঐক্যবদ্ধ করতে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছেন।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, নিজের নির্বাচনী আসনে প্রচারণায় বিঘ্ন ঘটতে পারে জেনেও তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলীয় সামষ্টিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন এবং জেলার প্রতিটি আসনে সময় দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে দলীয় লক্ষ্যই তাঁর কাছে প্রধান। তাঁর এই নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা এবং রাজনৈতিক প্রজ্ঞা লালমনিরহাটের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যা বর্তমানে জেলাজুড়ে সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে।