
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরে কলেজ শিক্ষার্থী ফজলে রাব্বি বাবু (২১) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। পাওনা টাকার জন্য ডেকে নিয়ে মুগুর দিয়ে আঘাত ও পরে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় হত্যাকারী মো. শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর আসামি মাহফুজুর রহমান ওরফে কানা মাহফুজকে গ্রেপ্তারের জন্য খুঁজছে পুলিশ।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার শাহেদ হাজিরপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব আলাদাদপুর গ্রামের মৃত আবুল বাশারের ছেলে। তিনি ১১ মাস আগে সৌদি আরব থেকে দেশে আসেন। পলাতক আসামি মাহফুজ একই এলাকার বাসিন্দা। নিহত রাব্বি সদর উপজেলার পূর্ব আলাদাদপুর গ্রামের সৈয়দ মিয়া পাটওয়ারী বাড়ির বেল্লাল হোসেনের ছেলে। তিনি চন্দ্রগঞ্জ কফিল উদ্দিন কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। রাব্বি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিলেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, গত ১৭ জানুয়ারি রাতে রাব্বি নিখোঁজ হয়। পরদিন তার বাবা পূর্ব আলাদাদপুর গ্রামের বেলাল হোসেন চন্দ্রগঞ্জ থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী করেন। ঘটনাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হান কাজেমীর তত্ত্ববধানে চন্দ্রগঞ্জ থানা ও গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তদন্তের স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদসহ তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে শাহেদ ও মাহফুজকে সন্দেহ করে। তবে তারা আত্মগোপনে চিল। টানা অভিযান চালিয়ে রাজধানীর দোহার এলাকা থেকে শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চন্দ্রপ্রবাহবাঘ গ্রামের একটি টয়লেটের সেফটি ট্যাংকের ভেতর থেকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় রাব্বির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার রহস্য উন্মোচিত করে।

























