Dhaka , Tuesday, 10 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে অবসরপ্রাপ্ত ১৪ শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা নোয়াখালীতে খাল পড়ে ছিল অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ ড্রপ টেস্ট করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হবে-  এমপি জামাল ঝালকাঠিতে আগুনে পুড়ে যাওয়া ব্যবসায়ীদের পাশে এমপি ইলেন ভুট্টো পীরগঞ্জে ঢাকাইয়াপট্টি মার্কেটে কাপড় ও কসমেটিকস দাম নিয়ে চলছে অনিয়ম পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে:- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পাইকগাছা পৌরসভার উদ্যোগে দুস্থ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান পাইকগাছা পৌর এলাকার ড্রেন পরিষ্কার ও মশক নিধন অভিযান জোরদার ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিপণীবিতানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকে পুলিশের হানা: লালমনিরহাটে গাঁজাসহ আটক ২ শেরপুরে ১০ কেজি গাঁজা সহ পিক আপ আটক ঝালকাঠিতে হাদির পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: শুধু শুটার নয়, পুরো চক্রের বিচার দাবি কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষক দম্পতির বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকাসহ ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট  চাটখিলে কিশোর অটোচালক হত্যা: র‍্যাবের জালে ৩ ঘাতক দুই যুগের সন্ত্রাসী অভয়ারণ্যে ঢুকেছে যৌথ বাহিনী, আলীনগর কেন্দ্র করে অপরাধ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র সাফল্য: মাদকসহ আটক ১, বিপুল ইয়াবা জব্দ আড়াইহাজারে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে ২টি পাইপগান উদ্ধার পাইকগাছায় আদর্শ লাইব্রেরি ও আদর্শ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল নারায়ণগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মানববন্ধন ত্বকী হত্যার বিচার দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মোমবাতি প্রজ্বলন শ্রীপুরে মাদকসহ পৃথক তিন মামলায় গ্রেফতার ৩ লালমনিরহাটে বিরল বন্যপ্রাণী উদ্ধার: ডিবির জালে ৩টি তক্ষক লালমনিরহাটে নাটকীয় মোড়: জামিন পেয়ে আদালত চত্বর ছাড়ার আগেই ডিবির জালে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী লক্ষ্মীপুরে ঈদের বাজার করতে এসে দেওয়াল ধ্বসে যুবকের মৃত্যু মধুপুরে এক সেবনকারীকে ১ বছরের কারাদণ্ড মধুপুরে চাঞ্চল্যকর অটো চুরির মামলার রহস্য উদঘাটন চোর গ্রেফতার পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার ও মতবিনিময় সভা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ বন্ধে ড্রেনেজ আটকে রূপগঞ্জের স্কুলে ময়লা পানির সয়লাব, মানববন্ধন জলাবদ্ধতা কমাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

মেহেরপুরে ফুলকপি এখন গরু ছাগলের খাদ্য।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:20:26 am, Tuesday, 31 December 2024
  • 130 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে ফুলকপি এখন গরু ছাগলের খাদ্য।।

স্টাফ রিপোর্টার- মেহেরপুর।।
  
  
   
প্রতিবারের ন্যায় এবারও মেহেরপুর জেলায় প্রচুর পরিমাণ জমিতে পাতাকপি ও ফুলকপির উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় কপির ফলন আশানুরূপ হলেও বাজার মূল্যে হতাশ চাষিরা।
জেলায় এখন ফ্রীতে ফুলকপি নেওয়ার লোকজনও নেই। তবে গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে নিতে কোন কোন এলাকায় চলছে ধুম।
মঙ্গলবার -৩১ ডিসেম্বর- সরেজমিনে জেলার সাহারবাটী- ভাটপাড়া- মাইলমারী- টেংরামারী- হিন্দা- গাড়াডোব- কাথুলী ও শ্যামপুরসহ কয়েকটি এলাকায় কৃষকদের সাথে কথা বলে তিনারা জানান, বাজারে ফুলকপি কেনার কোন লোক না থাকায় কৃষকের ক্ষেতেই ফুলকপি ফুটে নষ্ট হচ্ছে।
মেহেরপুরের খুচরা বাজারে প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকায়। পাইকারি বাজারে ফুলকপির চাহিদা না থাকায় কৃষকরা পড়েছে বিপদে। ফুলকপির ক্ষেতেই এসব কপি ফুটে, ফেটে এবং পঁচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
প্রতি বিঘা জমির ফুলকপি ১ হাজার টাকায় কেনার লোকও নেই। চাহিদা না থাকায় কেউ কেউ ক্ষেতেই আর আবাদ করবেনা বলে কর্তন করে ফেলে দিচ্ছেন।
অন্যান্য বছরগুলোতে গরুর খাদ্য হিসেবে খামারিসহ সাধারণ মানুষ এসব সবজি ৪-৫ টাকা পিস কিনে থাকলেও এবার কেনার লোক নেই। ফ্রী দিতেও এসব কপি নেওয়ার লোক না থাকায় অনেকের কপি ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। নতুন ফসলের আবাদ করতে জমি চাষের উপযোগী করতে গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে দিতে চাইলেও অনেক এলাকায় নেওয়ার কেউ নেই। তবে কিছু এলাকায় চলছে ফ্রীতে ফুলকপি নেওয়ার ধুম।
সাহারবাটী ও মাইলমারী গ্রামের সুজন- আশিক ও সিপাহি জানান- ১ বিঘা জমিতে ফুলকপি আবাদ করতে ৩০-৩৫ হাজার টাকা এমনকি ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয় কিন্তু খরচ উঠানো তো দূরের কথা জমি পরিষ্কার করতেই এখন গুনতে হবে বাড়তি টাকা।
হেমন্তের শেষের দিকে এসব কপি প্রতি বিঘা ৭০-৮০ হাজার টাকায় ব্যবসায়ীরা কিনলেও এখন ৫ হাজার টাকাতেও কেনার লোক নেই। তবে পাতা কপি কেনা অব্যাহত রয়েছে ৭০-৮০ হাজার টাকা বিঘা। যদিও ফুলকপি ও পাতাকপি একই মূল্যে ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন। 
টেংরামারী গ্রামের হুদা- মতিয়ার- একলাচ জানান- গত সপ্তাহে ১০-১২ হাজার টাকায় ফুলকপি কিনলেও এখন তাদের হদিস মিলছেনা। টাকা না দিয়েই উধাও তারা। এমতবস্থায় কৃষকরাও এসব কপি নিয়ে উপায় না পেয়ে ফ্রীতে দিতে চাইলেও লোক পাচ্ছেন না।
বিষয়টি নিয়ে সরেজমিনে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
তবে কথা বলেছেন এমন ব্যবসায়ীও পাওয়া গেছে। যিনি পাতা ও ফুলকপির বাজার ও সমস্যা সম্বন্ধে বলেছেন। দেশের বিভিন্ন জেলার সবজি একত্রে উঠা এবং বাজারে প্রচুর পরিমাণে আমদানি হওয়ায় চাহিদা কমেছে। একারণে তিনারাও কপি কেনা আপাততঃ বন্ধ রেখেছেন।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার জানান- চলতি মৌসুমে জেলায় প্রচুর পরিমাণ জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। গত কয়েকদিন পূর্বেও ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমান বাজার মূল্য কমেছে। কৃষকরা একই ফসল অধিক পরিমাণ জমিতে আবাদ করায় এমনটি হচ্ছে। এক্ষেত্রে কৃষকরা অল্প অল্প করে বিভিন্ন ফসলের আবাদ করলে ক্ষতির সম্মুখীন হতো না।
তিনি জানান, কৃষকদের লোকসান পুষিয়ে নিতে তেমন কিছুই করণীয় নেই। তবে আগামীতে কোন প্রণোদনা সহায়তা আসলে সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে দেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে অবসরপ্রাপ্ত ১৪ শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা

মেহেরপুরে ফুলকপি এখন গরু ছাগলের খাদ্য।।

আপডেট সময় : 11:20:26 am, Tuesday, 31 December 2024
স্টাফ রিপোর্টার- মেহেরপুর।।
  
  
   
প্রতিবারের ন্যায় এবারও মেহেরপুর জেলায় প্রচুর পরিমাণ জমিতে পাতাকপি ও ফুলকপির উৎপাদন হয়েছে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় কপির ফলন আশানুরূপ হলেও বাজার মূল্যে হতাশ চাষিরা।
জেলায় এখন ফ্রীতে ফুলকপি নেওয়ার লোকজনও নেই। তবে গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে নিতে কোন কোন এলাকায় চলছে ধুম।
মঙ্গলবার -৩১ ডিসেম্বর- সরেজমিনে জেলার সাহারবাটী- ভাটপাড়া- মাইলমারী- টেংরামারী- হিন্দা- গাড়াডোব- কাথুলী ও শ্যামপুরসহ কয়েকটি এলাকায় কৃষকদের সাথে কথা বলে তিনারা জানান, বাজারে ফুলকপি কেনার কোন লোক না থাকায় কৃষকের ক্ষেতেই ফুলকপি ফুটে নষ্ট হচ্ছে।
মেহেরপুরের খুচরা বাজারে প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকায়। পাইকারি বাজারে ফুলকপির চাহিদা না থাকায় কৃষকরা পড়েছে বিপদে। ফুলকপির ক্ষেতেই এসব কপি ফুটে, ফেটে এবং পঁচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
প্রতি বিঘা জমির ফুলকপি ১ হাজার টাকায় কেনার লোকও নেই। চাহিদা না থাকায় কেউ কেউ ক্ষেতেই আর আবাদ করবেনা বলে কর্তন করে ফেলে দিচ্ছেন।
অন্যান্য বছরগুলোতে গরুর খাদ্য হিসেবে খামারিসহ সাধারণ মানুষ এসব সবজি ৪-৫ টাকা পিস কিনে থাকলেও এবার কেনার লোক নেই। ফ্রী দিতেও এসব কপি নেওয়ার লোক না থাকায় অনেকের কপি ক্ষেতেই নষ্ট হচ্ছে। নতুন ফসলের আবাদ করতে জমি চাষের উপযোগী করতে গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে দিতে চাইলেও অনেক এলাকায় নেওয়ার কেউ নেই। তবে কিছু এলাকায় চলছে ফ্রীতে ফুলকপি নেওয়ার ধুম।
সাহারবাটী ও মাইলমারী গ্রামের সুজন- আশিক ও সিপাহি জানান- ১ বিঘা জমিতে ফুলকপি আবাদ করতে ৩০-৩৫ হাজার টাকা এমনকি ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হয় কিন্তু খরচ উঠানো তো দূরের কথা জমি পরিষ্কার করতেই এখন গুনতে হবে বাড়তি টাকা।
হেমন্তের শেষের দিকে এসব কপি প্রতি বিঘা ৭০-৮০ হাজার টাকায় ব্যবসায়ীরা কিনলেও এখন ৫ হাজার টাকাতেও কেনার লোক নেই। তবে পাতা কপি কেনা অব্যাহত রয়েছে ৭০-৮০ হাজার টাকা বিঘা। যদিও ফুলকপি ও পাতাকপি একই মূল্যে ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন। 
টেংরামারী গ্রামের হুদা- মতিয়ার- একলাচ জানান- গত সপ্তাহে ১০-১২ হাজার টাকায় ফুলকপি কিনলেও এখন তাদের হদিস মিলছেনা। টাকা না দিয়েই উধাও তারা। এমতবস্থায় কৃষকরাও এসব কপি নিয়ে উপায় না পেয়ে ফ্রীতে দিতে চাইলেও লোক পাচ্ছেন না।
বিষয়টি নিয়ে সরেজমিনে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলতে চাইলে তারা কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
তবে কথা বলেছেন এমন ব্যবসায়ীও পাওয়া গেছে। যিনি পাতা ও ফুলকপির বাজার ও সমস্যা সম্বন্ধে বলেছেন। দেশের বিভিন্ন জেলার সবজি একত্রে উঠা এবং বাজারে প্রচুর পরিমাণে আমদানি হওয়ায় চাহিদা কমেছে। একারণে তিনারাও কপি কেনা আপাততঃ বন্ধ রেখেছেন।
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ হালদার জানান- চলতি মৌসুমে জেলায় প্রচুর পরিমাণ জমিতে ফুলকপির আবাদ হয়েছে। গত কয়েকদিন পূর্বেও ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমান বাজার মূল্য কমেছে। কৃষকরা একই ফসল অধিক পরিমাণ জমিতে আবাদ করায় এমনটি হচ্ছে। এক্ষেত্রে কৃষকরা অল্প অল্প করে বিভিন্ন ফসলের আবাদ করলে ক্ষতির সম্মুখীন হতো না।
তিনি জানান, কৃষকদের লোকসান পুষিয়ে নিতে তেমন কিছুই করণীয় নেই। তবে আগামীতে কোন প্রণোদনা সহায়তা আসলে সেগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে দেওয়া হবে।