Dhaka , Sunday, 8 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষায় দারুল কুরআন নুরানী মাদ্রাসার উজ্জ্বল সাফল্য সাভারে ভেজাল তেল ও ডিটারজেন্ট কারখানা সিলগালা, ব্যবস্থাপক কারাদণ্ড ও জরিমানা। ডাক্তার দেখানোর ছদ্মবেশে ইয়াবা বিক্রি, নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পূর্বাচল প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দুস্থ্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মোটরসাইকেল যোগে ছিনতাইকালে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক ছিনতাইকারী নিহত। দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে বিজিবি–র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ২৯৯ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপসহ আটক ২ কক্সবাজারের উন্নয়ন: সমস্যা-সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল। মমতা’র উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাজে অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে সরকার সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি পালন করছে: মীর হেলাল চট্টগ্রামের বায়েজিদে মাদকের অঘোষিত সাম্রাজ্য, নিয়ন্ত্রণে দুই ভাই সাইফুল ও টুটুল যমুনা ইলেকট্রনিক্সের ‘ডাবল খুশি অফার–সিজন ৪’ শুরু, ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ হবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের দ্বিতীয় দিনের কর্মশালা চলছে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন নিখোঁজের চারদিন পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে লিফটের ঘরে মিলল এক নারীর মৃতদেহ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে চান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শামীমা আক্তার দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ৩ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখার উৎপাদন বন্ধ মিতালী বাজার এসএসসি ২০২০ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ: ৫০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবার পেল রমজানের উপহার। রূপগঞ্জের মুরাপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদক কারবারিদের কঠোর হুঁশিয়ারি কক্সবাজারের রামু থেকে জাল টাকার সরঞ্জামসহ ডিবির হাতে যশোরের এক যুবক আটক পাইকগাছায় সেই মৎস্য ঘের নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চরমে; বাঁধ কেটে দেওয়ার অভিযোগ খলিফা ওমরের আদর্শ অনুসরণ করে অর্পিত দায়িত্ব পালন করবো: এমপি আবুল কালাম আজাদ কুলাউড়ায় কানাডা পাঠানোর নামে কোটি টাকার প্রতারণা বাহুবল–নবীগঞ্জ সার্কেলের এএসপি জহিরুল ইসলামের বদলি ইবি শিক্ষিকা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুর রহমান গ্রেফতার মহাকালের এক অলৌকিক যুদ্ধের সাক্ষী বদরের প্রান্তর রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে জামাতের সংবর্ধনা ও ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত। চট্টগ্রামে ড্যাবের ইফতার মাহফিলে ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার তথ্যমন্ত্রীর সফরকে বানচাল করতে ফ্যাসিবাদী দোসরদের সার্কিট হাউজে মব সৃষ্টি

মেহেরপুরে ফলের বাজার গরম, বেড়েছে কয়েকটির দাম 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:47:59 pm, Tuesday, 11 March 2025
  • 219 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে ফলের বাজার গরম, বেড়েছে কয়েকটির দাম 

মাজিদ আল মামুন, স্টাফ রিপোর্টার
  
মেহেরপুরে রয়েছে অসংখ্য ছোট বড় ফলের দোকান, যেখান থেকে ক্রেতারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী ফল ক্রয় করে থাকেন। এসব দোকানগুলোতে ঝুলতে দেখা যায় আঙুর আর সাজানো রয়েছে কমলা, আপেল, বেদানা, খেজুর ও তরমুজসহ নানা রকমের ফল।
তবে মাহে রমাদানেও বাজার দরে তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বেচাকেনা হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। আর পিস হিসাবে বেচাকেনা হচ্ছে আকারভেদে প্রতিটা ৩’শ থেকে ৫’শ টাকার মধ্যে। মাল্টা, কমলা ও আনারসের দামও কিছুটা কমতির দিকে। তবে বৃদ্ধি পেয়েছে বেদানা ও আঙ্গুরের দাম। 
মঙ্গলবার -১১ মার্চ- সকাল থেকে বিকেল অবধি মেহেরপুর জেলা শহরের হোটেল বাজার, কালিবাজার, কোর্ট রোড, মুজিবনগরের কেদারগঞ্জ বাজার, গাংনী উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড বাজার, হাসপাতাল বাজার, আমঝুপি বাজার, বামুন্দী বাজার, জোড়পুকুরিয়া, কাজীপুর গোলাম বাজার ও নওপাড়াসহ বেশ কিছু হাট বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
এসব বাজারে আপেল বেচাকেনা হচ্ছে ৩’শ থেকে ৩’শ ৩০ টাকা কেজি দরে, চায়না কমলা ৩’শ ৩০ থেকে ৩’শ ৪০ টাকা, সবুজ আঙ্গুর ৩’শ ৮০ টাকা, কালো আঙ্গুর ৫’শ টাকা, কমদামি লুজ খেজুর বেচা কেনা হচ্ছে ২’শ  টাকা, মধ্যম দামের ৪’শ ৮০ টাকা এবং ভালো খেজুর বেচাকেনা হচ্ছে ১হাজার ৩’শ ৮০ টাকা দরে। ডালিম ও বেদানা বেচা কেনা হচ্ছে ৫’শ  থেকে ৫’শ ৫০ টাকা কেজি দরে। পেয়ারা বেচাকেনা হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বেল প্রতি পিস ৪০ থেকে ৭০ টাকা, কলা প্রতি হালি ২৫ থেকে ৪০ টাকা, আনারস প্রতি পিস ১০ থেকে ৩০ টাকা, তেঁতুলের কেজি ৩’শ টাকা, কামরাঙ্গা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরই ৬০ টাকা, নারিকেল প্রতি পিস ১’শ ২০ টাকা থেকে ১’শ ৪০ টাকা এবং স্ট্রবেরি বেচাকেনা হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা দরে।
তবে মাহে রমাদনে ফলের চাহিদা বাড়লেও দাম না কমায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। আমদানি কম এবং পরিবহন খরচের কারণে দাম কমছে না বলে জানান ব্যবসায়ীরা। 
তাছাড়া কিছু ফলের দাম বৃদ্ধি হলেও তাদের লাভ কম হচ্ছে। কারণ ক্রেতারা বেশি দামে ফল কিনতে আগ্রহী না। অনেক ক্রেতা আবার বহু দোকান ঘুরে ঘুরে দামদর করে ফল কিনে থাকেন।
গাংনী বাজারে ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীরা জানান, রমাদান এলেও ফলের বেচাকেনা আশানুরূপ হচ্ছে না। প্রতিদিন ৪০ হাজার টাকার ফল বেচাকেনা হওয়ার কথা থাকলেও সেখানে বেচাকেনা হচ্ছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার।
ব্যবসায়ীরা জানান কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা থেকে তিনারা ফল ক্রয় করে থাকেন। সেখানকার ব্যবসায়ীরাও অনেক সময় ফল দিয়ে যায়। তাছাড়া মেহেরপুর জেলায় উৎপাদিত কিছু ফল স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা গ্রাম থেকে কিনে এনে বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে। এক্ষেত্রে তাদের চাওয়া দাম অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের ফল কিনতে হয়। এতে করে অধিকাংশ সময় বেশি দামেই এসব ফল কিনতে হয় এবং তা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। ভারত থেকেও গত ২-৩ দিন ধরে ফল আসেনি একারণেও বাজারে প্রভাব পড়েছে। যাদের পূর্বে কেনা রয়েছে তারা পূর্বের দামেই বেচাকেনা করছে। আর যারা নতুনভাবে কিনছেন তারা একটু চওড়া দামে বেচাকেনা করছেন। তবে ক্রেতারা যাতে করে রমজানে কম দামে ফল কিনতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ব্যবসায়ীরা বেচাবিক্রি করে থাকেন বলে জানান।
এদিকে ব্যবসায়ীরা ফল বেশি দামে কিনছেন নাকি কারসাজি করে বেশি দামে বিক্রি করছেন এটা তদারকি করা দরকার বলে অনেক ক্রেতা সাধারণ জানান। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষায় দারুল কুরআন নুরানী মাদ্রাসার উজ্জ্বল সাফল্য

মেহেরপুরে ফলের বাজার গরম, বেড়েছে কয়েকটির দাম 

আপডেট সময় : 07:47:59 pm, Tuesday, 11 March 2025
মাজিদ আল মামুন, স্টাফ রিপোর্টার
  
মেহেরপুরে রয়েছে অসংখ্য ছোট বড় ফলের দোকান, যেখান থেকে ক্রেতারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী ফল ক্রয় করে থাকেন। এসব দোকানগুলোতে ঝুলতে দেখা যায় আঙুর আর সাজানো রয়েছে কমলা, আপেল, বেদানা, খেজুর ও তরমুজসহ নানা রকমের ফল।
তবে মাহে রমাদানেও বাজার দরে তেমন একটা পরিবর্তন আসেনি। তরমুজ ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বেচাকেনা হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে। আর পিস হিসাবে বেচাকেনা হচ্ছে আকারভেদে প্রতিটা ৩’শ থেকে ৫’শ টাকার মধ্যে। মাল্টা, কমলা ও আনারসের দামও কিছুটা কমতির দিকে। তবে বৃদ্ধি পেয়েছে বেদানা ও আঙ্গুরের দাম। 
মঙ্গলবার -১১ মার্চ- সকাল থেকে বিকেল অবধি মেহেরপুর জেলা শহরের হোটেল বাজার, কালিবাজার, কোর্ট রোড, মুজিবনগরের কেদারগঞ্জ বাজার, গাংনী উপজেলা শহরের বাসস্ট্যান্ড বাজার, হাসপাতাল বাজার, আমঝুপি বাজার, বামুন্দী বাজার, জোড়পুকুরিয়া, কাজীপুর গোলাম বাজার ও নওপাড়াসহ বেশ কিছু হাট বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
এসব বাজারে আপেল বেচাকেনা হচ্ছে ৩’শ থেকে ৩’শ ৩০ টাকা কেজি দরে, চায়না কমলা ৩’শ ৩০ থেকে ৩’শ ৪০ টাকা, সবুজ আঙ্গুর ৩’শ ৮০ টাকা, কালো আঙ্গুর ৫’শ টাকা, কমদামি লুজ খেজুর বেচা কেনা হচ্ছে ২’শ  টাকা, মধ্যম দামের ৪’শ ৮০ টাকা এবং ভালো খেজুর বেচাকেনা হচ্ছে ১হাজার ৩’শ ৮০ টাকা দরে। ডালিম ও বেদানা বেচা কেনা হচ্ছে ৫’শ  থেকে ৫’শ ৫০ টাকা কেজি দরে। পেয়ারা বেচাকেনা হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, বেল প্রতি পিস ৪০ থেকে ৭০ টাকা, কলা প্রতি হালি ২৫ থেকে ৪০ টাকা, আনারস প্রতি পিস ১০ থেকে ৩০ টাকা, তেঁতুলের কেজি ৩’শ টাকা, কামরাঙ্গা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, বরই ৬০ টাকা, নারিকেল প্রতি পিস ১’শ ২০ টাকা থেকে ১’শ ৪০ টাকা এবং স্ট্রবেরি বেচাকেনা হচ্ছে প্রতি কেজি ১ হাজার টাকা দরে।
তবে মাহে রমাদনে ফলের চাহিদা বাড়লেও দাম না কমায় ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে ক্রেতাদের মধ্যে। আমদানি কম এবং পরিবহন খরচের কারণে দাম কমছে না বলে জানান ব্যবসায়ীরা। 
তাছাড়া কিছু ফলের দাম বৃদ্ধি হলেও তাদের লাভ কম হচ্ছে। কারণ ক্রেতারা বেশি দামে ফল কিনতে আগ্রহী না। অনেক ক্রেতা আবার বহু দোকান ঘুরে ঘুরে দামদর করে ফল কিনে থাকেন।
গাংনী বাজারে ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীরা জানান, রমাদান এলেও ফলের বেচাকেনা আশানুরূপ হচ্ছে না। প্রতিদিন ৪০ হাজার টাকার ফল বেচাকেনা হওয়ার কথা থাকলেও সেখানে বেচাকেনা হচ্ছে মাত্র ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার।
ব্যবসায়ীরা জানান কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা থেকে তিনারা ফল ক্রয় করে থাকেন। সেখানকার ব্যবসায়ীরাও অনেক সময় ফল দিয়ে যায়। তাছাড়া মেহেরপুর জেলায় উৎপাদিত কিছু ফল স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীরা গ্রাম থেকে কিনে এনে বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে। এক্ষেত্রে তাদের চাওয়া দাম অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের ফল কিনতে হয়। এতে করে অধিকাংশ সময় বেশি দামেই এসব ফল কিনতে হয় এবং তা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়। ভারত থেকেও গত ২-৩ দিন ধরে ফল আসেনি একারণেও বাজারে প্রভাব পড়েছে। যাদের পূর্বে কেনা রয়েছে তারা পূর্বের দামেই বেচাকেনা করছে। আর যারা নতুনভাবে কিনছেন তারা একটু চওড়া দামে বেচাকেনা করছেন। তবে ক্রেতারা যাতে করে রমজানে কম দামে ফল কিনতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ব্যবসায়ীরা বেচাবিক্রি করে থাকেন বলে জানান।
এদিকে ব্যবসায়ীরা ফল বেশি দামে কিনছেন নাকি কারসাজি করে বেশি দামে বিক্রি করছেন এটা তদারকি করা দরকার বলে অনেক ক্রেতা সাধারণ জানান।