Dhaka , Sunday, 5 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রহস্যজনক চুরি, সিসি ক্যামেরার সরঞ্জাম উধাও পাইকগাছায় পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা বন্দরে মাদ্রাসা সভাপতির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন আড়াইহাজারে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, আহত ২ রাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, পটিয়ায় পুলিশের অভিযানে রিয়াদ বিন সেলিম গ্রেফতার ভাই’ সম্বোধনে ক্ষোভ কুড়িগ্রামের এসিল্যান্ডের, অপমানজনক আচরণের অভিযোগ বর্তমান সরকার শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কাজ করছে : প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত অতীত সরকারের ভুলে হামের সংকট, সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান — ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার রাজাপুরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে যৌথ অভিযানে ৩৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদককারবারি গ্রেপ্তার সাভারের জামগড়ায় পুলিশের ক্যাম্প উদ্বোধন, মাদক-সন্ত্রাস রোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র সাঁড়াশি অভিযান: সীমান্ত থেকে কসমেটিকস ও মাদকসহ ৯ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার রূপগঞ্জে ছেলের অত্যাচারের প্রতিবাদে মামলা-পিতার-মাতার মানববন্ধন জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে তীব্র ভোগান্তি: পাম্পে দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা নোয়াখালীতে ৩৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদককারবারি গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু বেগমগঞ্জে উপজেলা বিএনপির আহবায়কের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ ; বিক্ষোভ হাতিয়ায় পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দেশে তেল ও দ্রব্যের দাম বাড়েনি এটি বাংলাদেশ সরকারের সফলতা- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় সন্ত্রাসীদের দুগ্রুপের গোলাগুলিতে ১২ বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ প্রকৃত মৎস্যজীবীরাই পাবেন সরকারের নির্ধারিত সুযোগ সুবিধা:- প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি প্রকৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে গড়ে উঠছে আধুনিক ডিসি পার্ক:- চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আর্থিক সংকটে পরিবারের কাছে টাকা না পেয়ে কুড়িগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ঝালকাঠিতে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে  পকেটমারের সন্দেহে জনসম্মুখে বৃদ্ধাকে ন্যাড়া করে ভিডিও ছড়ানো অভিযোগ  ঈদের আগেই বাড়ছে ফেরি, হাতিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের আভাস অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চট্টগ্রামের উন্নয়নে বিএনপির তৃণমূল নেতৃবৃন্দকে ভূমিকা রাখতে হবে:- ডা. শাহাদাত হোসেন রূপগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ রূপগঞ্জে ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন ও তার স্ত্রী-সন্তানের উপর সন্ত্রাসী হামলা

মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:10:27 am, Saturday, 15 June 2024
  • 96 বার পড়া হয়েছে

মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।।

তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
   
  
সমাজে ভালো মানুষ আছে বলেই এখনো পর্যন্ত টিকে রয়েছে সমাজে বসবাসকারী মানুষেরা।আর সমাজে বসবাসকারী মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকার মতো উন্নত দেশ ছেড়ে নিজের জন্মভূমিতে চলে এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন-দেলোয়ার মোমেন। বলছি-কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দের চর ইউনিয়নের মাইজচর গ্রামের কৃতিসন্তান মো.দেলোয়ার মোমেনের কথা।তিনি নিজের এলাকার মানুষ মায়ার টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশে চলে আসেন।এবং মানবিক শান্তিপূর্ণ হোমনা বিনির্মাণে সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে উৎসাহিত করে। নিরবিচ্ছিন্ন মানবিক কাজ করে থাকেন মানুষ মানুষের জন্য সবসময়।এই ধরনের চিরন্তন বাণী শোনা যায় বহুকাল ধরে।কিন্তু এর মর্মবাণী ধারণ করতে দেখা যায় খুব কম সংখ্যক মানুষকেই।কিন্তু না জন্ম নেওয়া সব মানুষের চরিত্র এক নয়।এখনো সমাজে ভালো মানুষের জন্ম হয়।আর সেই ভালো মানুষটি হলেন- দেলোয়ার মমিন।তাঁর জন্ম হোমনা উপজেলার  চান্দেরচর  ইউনিয়নের মাইজচর গ্রামে।সমাজে বসবাসকারী অসহায় মানুষ গুলো হলো তাঁর পরম বন্ধু।সেই অসহায় মানুষ গুলোর মুখে হাসি ফোটানোই হলো তাঁর এক মাত্র কাজ। তিনি দেশের বাহিরে থেকেও গ্রাম এবং গ্রামের মানুষের খোঁজ রাখেন কে কীভাবে জীবনযাপন করছে এবং কী কী  সমস্যায় আছে।
তারপর তিনি তাঁর ভাতিজা ফারুক মোমেনসহ তাঁর লোকজনের মাধ্যমে নিজের সাধ্যমতো পাঠিয়ে দেন আর্থিক সহায়তা।এতেই তিনি অনেক আনন্দ লাভ করেন এবং এই সব ভালো মাঝে খোঁজে  পান অনেক তৃপ্তি ও  ভালবাসা।এই সমস্ত ভালো কাজ শুরু করেন ২০১১-২০১২ সালের দিকে।সেই থেকেই তিনি নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে ক্ষুদ্র ভাবে মানুষের জন্য সেবামূলক কাজ শুরু করেন।এরপর থেকেই হাঁটি হাঁটি পা পা করে আজ পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে কাজ করে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি।তাঁর এই মহৎ কাজের মাধ্যমে আশা ভরসার ঠিকানা খোঁজে পেয়েছেন এলাকার শত পরিবার।পেশাগত জীবনে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী।মহামারী করোনা ভাইরাসের সংকটকালীন সময়ে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি তাদেরকে সহযোগিতা করেছেন এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত  মৃত ব্যক্তির গোসল-কাফন দাফনসহ এলাকার কর্মহীন পরিবার গুলোর মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন।এছাড়া এতিম শিশুদেরকে নগদ অর্থ দেয়াসহ ছাগল প্রদান করেছেন দেলোয়ার মোমেন।তিনি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ প্রদান- বয়স্ক-বিধবা ও প্রতিবন্ধীদেরকে সাহায্য প্রদান- শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ,পিতৃহীন বিবাহ উপযুক্ত মেয়ের বিয়েতে আর্থিক সহায়তা প্রদান- পবিত্র  রমজান মাসে এতিম শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ- অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে রমজানের উপহার প্রদানসহ বিভিন্ন ব্লাড ডোনেশন সংগঠনের সাথে সম্পর্ক রাখা- সমাজের ছিন্নমূল মানুষের মাঝে প্যাকেট রান্না করা খাবার প্যাকেটের মাধ্যমে বিতরণ করেছেন।এছাড়া গেলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে হোমনা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ এবং মাদরাসা ও এতিমখানায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন তিনি। এই সব সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য তিনি ইতোমধ্যে নিজ এলাকা অর্থাৎ হোমনা উপজেলায় একজন ভালো মনের মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন।এরই ফলস্বরূপে একাধিক  সংগঠন থেকে তিনি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা স্মারকও।তাঁর এমন মহৎ গ্রাম উন্নয়ন এবং  মানবিক কর্মযজ্ঞ মুগ্ধ  হয়েছেন শিক্ষাবিদ,ব্যবসায়ীসহ গ্রামের প্রবীণ ও নবীন ব্যক্তিরাও।
এলাকাবাসীর একটাই চাওয়া যেনো তাকে দেখে সমাজের আরও ১০ জন মানুষ উৎসাহিত হয়ে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসেন এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে।এবিষয়ে জনহিতৈষী দেলোয়ার মমিন বলেন,নিজে ভালো থেকে বাচার নাম জীবন নয়- সবাইকে এক সাথে নিয়ে ভালো ভাবে বেঁচে থাকার নামই হলো জীবন।তাই মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করে নিজের মনের ভিতরে অফুরন্ত সুখ অনুভব করি।তিনি আরও বলেন- আমার প্রতিবেশী- গ্রামের জনগণ সবসময় সাপোর্ট ও অনুপ্রেরণা দেয় এবং আমার পাশপাশের মানুষজন যখন কোন সমস্যায় পড়ে তখন আমাকে জানায় এবং এরপর আমি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই।আমার কাজের দ্বারা সমাজের মানুষ উপকৃত হচ্ছে এতেই আমি আনন্দ উপভোগ করি।ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পকে জানতে চাইলে তিনি বলেন- হোমনার মানুষের আবাসন সমস্যা দূরীকরণ করা এবং ভবিষ্যতে পথশিশুদের জন্য একটি স্কুল- অসহায় বৃদ্ধ মানুষের জন্য বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করা। বিধবা মহিলাদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে স্বালম্বী করার  স্বপ্ন দেখি।আর সেই স্বপ্ন  বাস্তব না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। হোমনা বিণির্মাণে সারাজীবন মানুষের পাশে থাকতে চাই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রহস্যজনক চুরি, সিসি ক্যামেরার সরঞ্জাম উধাও

মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশের এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন- দেলোয়ার মোমেন।।

আপডেট সময় : 05:10:27 am, Saturday, 15 June 2024
তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
   
  
সমাজে ভালো মানুষ আছে বলেই এখনো পর্যন্ত টিকে রয়েছে সমাজে বসবাসকারী মানুষেরা।আর সমাজে বসবাসকারী মানুষকে ভালোবাসেন বলেই তাদের টানে আমেরিকার মতো উন্নত দেশ ছেড়ে নিজের জন্মভূমিতে চলে এসে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন-দেলোয়ার মোমেন। বলছি-কুমিল্লার হোমনা উপজেলার চান্দের চর ইউনিয়নের মাইজচর গ্রামের কৃতিসন্তান মো.দেলোয়ার মোমেনের কথা।তিনি নিজের এলাকার মানুষ মায়ার টানে আমেরিকা ছেড়ে দেশে চলে আসেন।এবং মানবিক শান্তিপূর্ণ হোমনা বিনির্মাণে সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে উৎসাহিত করে। নিরবিচ্ছিন্ন মানবিক কাজ করে থাকেন মানুষ মানুষের জন্য সবসময়।এই ধরনের চিরন্তন বাণী শোনা যায় বহুকাল ধরে।কিন্তু এর মর্মবাণী ধারণ করতে দেখা যায় খুব কম সংখ্যক মানুষকেই।কিন্তু না জন্ম নেওয়া সব মানুষের চরিত্র এক নয়।এখনো সমাজে ভালো মানুষের জন্ম হয়।আর সেই ভালো মানুষটি হলেন- দেলোয়ার মমিন।তাঁর জন্ম হোমনা উপজেলার  চান্দেরচর  ইউনিয়নের মাইজচর গ্রামে।সমাজে বসবাসকারী অসহায় মানুষ গুলো হলো তাঁর পরম বন্ধু।সেই অসহায় মানুষ গুলোর মুখে হাসি ফোটানোই হলো তাঁর এক মাত্র কাজ। তিনি দেশের বাহিরে থেকেও গ্রাম এবং গ্রামের মানুষের খোঁজ রাখেন কে কীভাবে জীবনযাপন করছে এবং কী কী  সমস্যায় আছে।
তারপর তিনি তাঁর ভাতিজা ফারুক মোমেনসহ তাঁর লোকজনের মাধ্যমে নিজের সাধ্যমতো পাঠিয়ে দেন আর্থিক সহায়তা।এতেই তিনি অনেক আনন্দ লাভ করেন এবং এই সব ভালো মাঝে খোঁজে  পান অনেক তৃপ্তি ও  ভালবাসা।এই সমস্ত ভালো কাজ শুরু করেন ২০১১-২০১২ সালের দিকে।সেই থেকেই তিনি নিজের ব্যক্তিগত অর্থায়নে ক্ষুদ্র ভাবে মানুষের জন্য সেবামূলক কাজ শুরু করেন।এরপর থেকেই হাঁটি হাঁটি পা পা করে আজ পর্যন্ত মানুষের কল্যাণে কাজ করে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছেন তিনি।তাঁর এই মহৎ কাজের মাধ্যমে আশা ভরসার ঠিকানা খোঁজে পেয়েছেন এলাকার শত পরিবার।পেশাগত জীবনে তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী।মহামারী করোনা ভাইরাসের সংকটকালীন সময়ে এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি তাদেরকে সহযোগিতা করেছেন এবং করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত  মৃত ব্যক্তির গোসল-কাফন দাফনসহ এলাকার কর্মহীন পরিবার গুলোর মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছেন।এছাড়া এতিম শিশুদেরকে নগদ অর্থ দেয়াসহ ছাগল প্রদান করেছেন দেলোয়ার মোমেন।তিনি দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ প্রদান- বয়স্ক-বিধবা ও প্রতিবন্ধীদেরকে সাহায্য প্রদান- শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ,পিতৃহীন বিবাহ উপযুক্ত মেয়ের বিয়েতে আর্থিক সহায়তা প্রদান- পবিত্র  রমজান মাসে এতিম শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ- অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে রমজানের উপহার প্রদানসহ বিভিন্ন ব্লাড ডোনেশন সংগঠনের সাথে সম্পর্ক রাখা- সমাজের ছিন্নমূল মানুষের মাঝে প্যাকেট রান্না করা খাবার প্যাকেটের মাধ্যমে বিতরণ করেছেন।এছাড়া গেলো পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে হোমনা উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ এবং মাদরাসা ও এতিমখানায় আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন তিনি। এই সব সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজের জন্য তিনি ইতোমধ্যে নিজ এলাকা অর্থাৎ হোমনা উপজেলায় একজন ভালো মনের মানুষ হিসেবে পরিচিতি লাভ করতে সক্ষম হয়েছেন।এরই ফলস্বরূপে একাধিক  সংগঠন থেকে তিনি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন বিশেষ সম্মাননা স্মারকও।তাঁর এমন মহৎ গ্রাম উন্নয়ন এবং  মানবিক কর্মযজ্ঞ মুগ্ধ  হয়েছেন শিক্ষাবিদ,ব্যবসায়ীসহ গ্রামের প্রবীণ ও নবীন ব্যক্তিরাও।
এলাকাবাসীর একটাই চাওয়া যেনো তাকে দেখে সমাজের আরও ১০ জন মানুষ উৎসাহিত হয়ে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসেন এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে।এবিষয়ে জনহিতৈষী দেলোয়ার মমিন বলেন,নিজে ভালো থেকে বাচার নাম জীবন নয়- সবাইকে এক সাথে নিয়ে ভালো ভাবে বেঁচে থাকার নামই হলো জীবন।তাই মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করে নিজের মনের ভিতরে অফুরন্ত সুখ অনুভব করি।তিনি আরও বলেন- আমার প্রতিবেশী- গ্রামের জনগণ সবসময় সাপোর্ট ও অনুপ্রেরণা দেয় এবং আমার পাশপাশের মানুষজন যখন কোন সমস্যায় পড়ে তখন আমাকে জানায় এবং এরপর আমি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেই।আমার কাজের দ্বারা সমাজের মানুষ উপকৃত হচ্ছে এতেই আমি আনন্দ উপভোগ করি।ভবিষ্যত পরিকল্পনা সম্পকে জানতে চাইলে তিনি বলেন- হোমনার মানুষের আবাসন সমস্যা দূরীকরণ করা এবং ভবিষ্যতে পথশিশুদের জন্য একটি স্কুল- অসহায় বৃদ্ধ মানুষের জন্য বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করা। বিধবা মহিলাদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে স্বালম্বী করার  স্বপ্ন দেখি।আর সেই স্বপ্ন  বাস্তব না হওয়া পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবো ইনশাআল্লাহ। হোমনা বিণির্মাণে সারাজীবন মানুষের পাশে থাকতে চাই।