
গিয়াস রনি, নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে বিএনপি নেতা আব্দুর রহিমের (৪৩) ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলাটি করেন। যাহার মামলা নং-৪৬। মামলায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মানছুরুল হক বাবর (৫৫) ও তার বড় ভাই মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হক শাহজাহানসহ ১৬জনকে আসামি করা হয়। এর আগে, গত শুক্রবার ৩ এপ্রিল উপজেলার মুছারপুর ইউনিয়নের কালু মোল্লার মসজিদ ও স্থানীয় মদিনা বাজারে দুই দফায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলার শিকার আব্দুর রহিম মুছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও একই ইউনিয়ন বিএনপির নেতা এবং সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী।
ভুক্তভোগী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, মুছাপুর ইউনিয়নের ফারুক নামে এক ব্যক্তির জমি দখল করে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হক শাহজাহান ও তার ভাইয়েরা মাটি বিক্রি করে দেয়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন জিকুকে লাঞ্ছিত করে তারা। খবর পেয়ে শুক্রবার সন্ধ্যা আমি জিকুকে দেখতে তার বাড়িতে যাই এবং অন্যের জমি দখল করি মাটি কাটার প্রতিবাদ করি। পরে তার বাড়ি থেকে ফেরার পথে কালু মোল্লার মসজিদের সামনে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মানছুরুল হক বাবার ও তার বড় ভাই মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফেজ আব্দুল হক শাহজাহানসহ শাহজাদা,কাওছার,রুমন. আলমগীর ও আরাফাতের নেতৃত্বে হত্যার উদ্দেশ্যে আমার ওপর হামলা চালানো হয়।
তিনি জানান, একই দিন রাত পৌনে ৮টার দিকে আহত অবস্থায় আমাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে স্থানীয় মদিনা বাজারে ফের বাবর-শাহজাহানের অনুসারীরা আমার গাড়ি বহরে হামলা চালায়। তখন আমার চাচী স্কুল শিক্ষিকা জান্নাতুল ফেরদাউসকে শ্লীলতাহানি করে তার স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। চাচীকে বাঁচাতে আমার ভাই আব্দুল আউয়াল (৩৭) ও আব্দুর রহমান (২১) এগিয়ে গেলে তাদের কুপিয়ে ও বেধড়ক পিটিয়ে আহত করা হয়।
অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মানছুরুল হক বাবর ও তার বড় ভাই মুছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল হক শাহজাহান বলেন, এ হামলার সাথে তারা জড়িত নয়। আপনারা মাঠে এসে দেখেন।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নুরুল হাকিম বলেন, এ ঘটনায় দুটি পক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলা করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
























