Dhaka , Thursday, 2 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ফতুল্লায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও ছেলেসহ আটক, উদ্ধার ৫৩ রাউন্ড গুলি নারায়ণগঞ্জে দুই প্রাইভেট হাসপাতালে মোবাইল কোর্ট, জরিমানা ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা হজ শেষে দেশে ফিরলেন কৃষক দল নেতা খলিলুর রহমান ইব্রাহিম, বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনের দাবি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে প্রতিদিনই বাড়ছে নিউমোনিয়া রোগী লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র পৃথক ৩ অভিযান: হাতীবান্ধা ও কুড়িগ্রাম সীমান্তে মাদক ও কসমেটিকস জব্দ নোয়াখালীতে ১৩৩০ লিটার চোরাই ডিজেলসহ গ্রেপ্তার-২ দোহাজারী হাজারী টাওয়ারে মেজবানবাড়ী রেস্তোঁরায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি রূপগঞ্জে বিধবার বসতবাড়িতে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দগ্ধ ছেলের মৃত্যু থানা থেকে আসামির পলায়ন, এসআই ক্লোজড এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী সংরক্ষিত নারী আসনের একজন যোগ্য প্রার্থী সীতাকুণ্ডে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু, দিশেহারা পরিবার টিসিজেএ নির্বাচনে সভাপতি এনামুল ও সাধারণ সম্পাদক মামুন নির্বাচিত সিএনজি-অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নে’র রামুর উপ-লাইন পরিচালনা কমিটি অনুমোদন ভূমি ভবনের সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন লক্ষ্মীপুরে খাল থেকে ১৩৬০ লিটার ডিজেল উদ্ধার কাঁচপুর সেতু এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন নারায়ণগঞ্জে এমআরআই কক্ষে নেওয়ার আগেই ক্যান্সার রোগীর মৃত্যু বন্দর উপজেলায় মাশরুম চাষে প্রদর্শনী, ১৫০ নারী উদ্যোক্তাকে সহায়তা সিএমপি’র কমিশনার হিসেবে যোগদান করলেন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক জনাব হাসান মোঃ শওকত আলী শ্রীপুরে নিখোঁজের ১৬ ঘণ্টা পর ২ সন্তানের জননীর লাশ উদ্ধার আড়াইহাজার থানা থেকে পালানো আসামি পূণরায় গ্রেফতার আড়াইহাজরে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু রামুতে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের কার্যক্রম পরিদর্শনে সহকারী পরিচালক ফরিদা ইয়াছমিন নোয়াখালীতে দুই হাসপাতালে মেয়াদোত্তীর্ণ ওধুধ রাখায় জরিমানা চবিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও আধুনিক ক্যাম্পাস গড়তে ছাত্রদলের ৮ দফা দাবি চবিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও আধুনিক ক্যাম্পাস গড়তে ছাত্রদলের ৮ দফা দাবি রূপগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি দিপুর আশ্বাস। হাম আক্তান্ত হলেই আতঙ্কিত না হওয়ার আহবান নারায়ণগঞ্জে হাম ও রুবেলা টিকার ৭৫ হাজার ডোজ মজুত- মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া দিপু রূপগঞ্জে বিএনপি কার্য্যালয়ে সন্ত্রাসীদের হামলা,ভাঙচুর, আহত ৫, স্থানীয় সাংসদের ছবি ভাংচুর ইবিতে গনভোটের রায় বাতিলের প্রতিবাদে ও সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবিতে মানববন্ধন

পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ- অপসারণ দাবি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:54:52 am, Wednesday, 14 August 2024
  • 205 বার পড়া হয়েছে

পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ- অপসারণ দাবি।।

পাবনা প্রতিনিধি।।
   
   
পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার মো: ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম- দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তাকে দ্রুত অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে সাধারণ মানুষ। 
বুধবার -১৪ আগষ্ট- দুপুরে পাবনা কোর্ট চত্বরের সাব রেজিষ্ট্রার অফিসের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় ভূয়া ভূয়া বলে শ্লোগান দেওয়া হয়। ইউসুফের দ্রুত অপসারণ চাই দিতে হবে। দুর্নীতির আস্তানা এই পাবনায় হবে। দুর্নীতিবাজের কালোহাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও। এই অফিসের রন্ধে রন্ধে অনিয়ম বন্ধ করো করতে হবে ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পাবনা ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল -প্রস্তাবিত- জায়গা গত বছরের জুন মাসে কলেজের নামে দাতা সদস্যের দানকৃত জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে পাবনা সদর সাব রেজিষ্টার পাবনা জেলা প্রসাশকের অনুমতি পত্র চেয়ে উক্ত কলেজের জমির রেজিষ্ট্রেশনের কাজ স্থগিত করে দেন। 
 আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গত বছরের ৫ আগষ্ট’ পাবনা জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র চেয়ে আবেদন করা হয়।  সেদিন পাবনা জেলা প্রসাশক কর্তৃক অনুমতিপত্র দেওয়া হয়। এসব অনুমতিপত্র ও প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ চলতি মাসের -১৩ মঙ্গলবার- তারিখে পাবনা ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও
হাসপাতাল -প্রস্তাবিত- কলেজের নামে দানকৃত জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে পাবনা সদর সাব-রেজিষ্টার মোঃ ইউসুফ আলী সকাল হতে বিভিন্ন ধরনের ভুলভাল দেখিয়ে তালবাহানা করে কালক্ষেপন করতে থাকেন। সাব-রেজিষ্টার মোঃ ইউসুফ আলী প্রতি দলিলে তার পেশকারের মাধ্যমে বড় অংকের টাকা নেন এবং কারনে অকারনে মানুষের সাথে খারাপ আচরণের পাশাপাশি আইনের কথা বলে হয়রানি করেন। 
পাবনা সদর রেজিস্ট্রার অফিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে প্রতিদিন প্রায় কমবেশী শত দলিল সম্পাদিত হয়। দিনে কয়েক লক্ষ টাকা অবৈধভাবে আয় করেন। ভুক্তভোগিদের মধ্যে আমরাও একজন। দলিলপ্রতি দাবিকৃত উৎকচ দেওয়ার পরও সারাদিন অতিবাহিত করে কার্য-দিবসের শেষ সময়ে তিনি বলেন এই জনি রেজিষ্ট্রেশন  করা যাবে কি না দেখি এবং আমাদের সাথে আচমকা বাজে ব্যবহার করেন। তখন আমরা অনুরোধ করলে তিনি আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অসদাচরণ করেন। রেগে এজলাস থেকে বের হয়ে যান।
বক্তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, দুর্নীতিবাজ এই অফিসারের আচরণে বুঝা যায় তিনি মোটা অংকের অবৈধ সুবিধা নিতে চান যাহা সম্পূর্ণ বে-আইনী। আমরা এদেশের সাধারণ নাগরিক- এদেশের জনগনের ট্যাক্সের টাকায় সরকারী অফিসের বেতন-বোনাস ও সকল আর্থিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্ত হোন। কিন্তু সেই নাগরিকের সঙ্গে খোলা-মেলা অবৈধ উৎকট গ্রহণ এবং এই খারাপ আচরণ খুবই দুঃখজনক।
এছারাও শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড, পাবনা সহ আশেপাশের পাঁচ জেলায় চিরচারিত ইউনানী-আয়ুর্বেদিক শিক্ষার কোন কলেজ নাই। উক্ত শিক্ষা কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য কলেজ কমিটির দাতা সদস্য ব্যক্তিমালিকানা জমি বিনা স্বার্থে কলেজকে দান করার জন্য ঢাকা হতে সরাসরি সাব-রেজিষ্ট্রার অফিলে দলিল করে দিতে যান কিন্তু সাব-রেজিষ্ট্রারের হীন-মানসিকতার কারনে দাতা অর্থ এবং সময় ব্যয় করে।
শুধু তাই নয় এখানে সেবা নিতে আসা প্রতিটি মানুষকে তারা মানুষই মনে করে না। টাকা না দিলে হয়রানি করা হয়। টাকা দিলেই মেলে সেবা। দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে।
দলিল লেখক সমিতির নামেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। এই অফিসে অনেক দুর্নীতিবাজ মহুরি রয়েছে। তাদের মাধ্যমে প্রতিদিনি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একট দলিল তুলতে গেলেও এখানে ঘুশ দিতে হয়। জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলেও আগে উৎকোচ দিতে হয়।  
তাছাড়া এজলাসের অফিসের ভিতরে যেতে দেওয়া হয় না। আগের সাব রেজিষ্ট্রার হাফিজও দুর্নীতিসহ নানা ক্যালেঙ্কারী মাথায় নিয়ে এখান থেকে বিদায় হতে হয়েছে। ইনি এসেও দুর্নীত ও গ্রাহক হয়রানি করছেন।
এজন্য দ্রুত এই দুর্নীতিবাজ পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার ইউসুফ আলীকে অপসারণ করতে হবে।  সেই সঙ্গে এই অফিসের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অনিয়মে জড়িত মহুরীদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বর্তমান সরকার সারাদেশের অফিসগুলো থেকে দুর্নীতবাজ অফিসারদের অপসারণ করছেন। তেমনি পাবনার সব রেজিষ্ট্রার অফিসসহ বেশ কিছু অফিসে এখনো অনিয়ম চলছেই। এদেরকেও দ্রুত বরখাস্ত করতে হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- পাবনা ইউনানি- আয়ুর্বেদীক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ মো: হাফিজুর রহমান- কলেজের প্রভাষক মো:বাকিবিল্লাহ, প্রভাষক হেকিম মো: মুরাদ হোসেন- পাবনা ইউনানি-আয়ুর্বেদীক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম্যানেজিং কমিটির সহসম্পাদক মুক্তার হোসেন ও কলেজটির অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
এ বিষয়ে বক্তব্যে পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার মো: ইউসুফ আলী বলেস- আমি অনুমতি পত্র চাইনি তাদের কাছ থেকে। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো ভিত্তিহীন।
পাবনা জেলা সাব রেজিষ্ট্রার দিপক কুমার সরকার বলেন- এসব অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফতুল্লায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও ছেলেসহ আটক, উদ্ধার ৫৩ রাউন্ড গুলি

পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ- অপসারণ দাবি।।

আপডেট সময় : 10:54:52 am, Wednesday, 14 August 2024
পাবনা প্রতিনিধি।।
   
   
পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার মো: ইউসুফ আলীর বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম- দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তাকে দ্রুত অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে সাধারণ মানুষ। 
বুধবার -১৪ আগষ্ট- দুপুরে পাবনা কোর্ট চত্বরের সাব রেজিষ্ট্রার অফিসের সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় ভূয়া ভূয়া বলে শ্লোগান দেওয়া হয়। ইউসুফের দ্রুত অপসারণ চাই দিতে হবে। দুর্নীতির আস্তানা এই পাবনায় হবে। দুর্নীতিবাজের কালোহাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও। এই অফিসের রন্ধে রন্ধে অনিয়ম বন্ধ করো করতে হবে ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, পাবনা ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল -প্রস্তাবিত- জায়গা গত বছরের জুন মাসে কলেজের নামে দাতা সদস্যের দানকৃত জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে পাবনা সদর সাব রেজিষ্টার পাবনা জেলা প্রসাশকের অনুমতি পত্র চেয়ে উক্ত কলেজের জমির রেজিষ্ট্রেশনের কাজ স্থগিত করে দেন। 
 আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে গত বছরের ৫ আগষ্ট’ পাবনা জেলা প্রশাসকের অনুমতিপত্র চেয়ে আবেদন করা হয়।  সেদিন পাবনা জেলা প্রসাশক কর্তৃক অনুমতিপত্র দেওয়া হয়। এসব অনুমতিপত্র ও প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্রসহ চলতি মাসের -১৩ মঙ্গলবার- তারিখে পাবনা ইউনানী আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও
হাসপাতাল -প্রস্তাবিত- কলেজের নামে দানকৃত জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলে পাবনা সদর সাব-রেজিষ্টার মোঃ ইউসুফ আলী সকাল হতে বিভিন্ন ধরনের ভুলভাল দেখিয়ে তালবাহানা করে কালক্ষেপন করতে থাকেন। সাব-রেজিষ্টার মোঃ ইউসুফ আলী প্রতি দলিলে তার পেশকারের মাধ্যমে বড় অংকের টাকা নেন এবং কারনে অকারনে মানুষের সাথে খারাপ আচরণের পাশাপাশি আইনের কথা বলে হয়রানি করেন। 
পাবনা সদর রেজিস্ট্রার অফিস খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ফলে প্রতিদিন প্রায় কমবেশী শত দলিল সম্পাদিত হয়। দিনে কয়েক লক্ষ টাকা অবৈধভাবে আয় করেন। ভুক্তভোগিদের মধ্যে আমরাও একজন। দলিলপ্রতি দাবিকৃত উৎকচ দেওয়ার পরও সারাদিন অতিবাহিত করে কার্য-দিবসের শেষ সময়ে তিনি বলেন এই জনি রেজিষ্ট্রেশন  করা যাবে কি না দেখি এবং আমাদের সাথে আচমকা বাজে ব্যবহার করেন। তখন আমরা অনুরোধ করলে তিনি আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে অসদাচরণ করেন। রেগে এজলাস থেকে বের হয়ে যান।
বক্তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, দুর্নীতিবাজ এই অফিসারের আচরণে বুঝা যায় তিনি মোটা অংকের অবৈধ সুবিধা নিতে চান যাহা সম্পূর্ণ বে-আইনী। আমরা এদেশের সাধারণ নাগরিক- এদেশের জনগনের ট্যাক্সের টাকায় সরকারী অফিসের বেতন-বোনাস ও সকল আর্থিক সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্ত হোন। কিন্তু সেই নাগরিকের সঙ্গে খোলা-মেলা অবৈধ উৎকট গ্রহণ এবং এই খারাপ আচরণ খুবই দুঃখজনক।
এছারাও শিক্ষা জাতীর মেরুদন্ড, পাবনা সহ আশেপাশের পাঁচ জেলায় চিরচারিত ইউনানী-আয়ুর্বেদিক শিক্ষার কোন কলেজ নাই। উক্ত শিক্ষা কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য কলেজ কমিটির দাতা সদস্য ব্যক্তিমালিকানা জমি বিনা স্বার্থে কলেজকে দান করার জন্য ঢাকা হতে সরাসরি সাব-রেজিষ্ট্রার অফিলে দলিল করে দিতে যান কিন্তু সাব-রেজিষ্ট্রারের হীন-মানসিকতার কারনে দাতা অর্থ এবং সময় ব্যয় করে।
শুধু তাই নয় এখানে সেবা নিতে আসা প্রতিটি মানুষকে তারা মানুষই মনে করে না। টাকা না দিলে হয়রানি করা হয়। টাকা দিলেই মেলে সেবা। দুর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে।
দলিল লেখক সমিতির নামেও অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। এই অফিসে অনেক দুর্নীতিবাজ মহুরি রয়েছে। তাদের মাধ্যমে প্রতিদিনি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। একট দলিল তুলতে গেলেও এখানে ঘুশ দিতে হয়। জমি রেজিষ্ট্রেশন করতে গেলেও আগে উৎকোচ দিতে হয়।  
তাছাড়া এজলাসের অফিসের ভিতরে যেতে দেওয়া হয় না। আগের সাব রেজিষ্ট্রার হাফিজও দুর্নীতিসহ নানা ক্যালেঙ্কারী মাথায় নিয়ে এখান থেকে বিদায় হতে হয়েছে। ইনি এসেও দুর্নীত ও গ্রাহক হয়রানি করছেন।
এজন্য দ্রুত এই দুর্নীতিবাজ পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার ইউসুফ আলীকে অপসারণ করতে হবে।  সেই সঙ্গে এই অফিসের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অনিয়মে জড়িত মহুরীদেরও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। বর্তমান সরকার সারাদেশের অফিসগুলো থেকে দুর্নীতবাজ অফিসারদের অপসারণ করছেন। তেমনি পাবনার সব রেজিষ্ট্রার অফিসসহ বেশ কিছু অফিসে এখনো অনিয়ম চলছেই। এদেরকেও দ্রুত বরখাস্ত করতে হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- পাবনা ইউনানি- আয়ুর্বেদীক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ মো: হাফিজুর রহমান- কলেজের প্রভাষক মো:বাকিবিল্লাহ, প্রভাষক হেকিম মো: মুরাদ হোসেন- পাবনা ইউনানি-আয়ুর্বেদীক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ম্যানেজিং কমিটির সহসম্পাদক মুক্তার হোসেন ও কলেজটির অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ।
এ বিষয়ে বক্তব্যে পাবনা সদর সাব রেজিষ্ট্রার মো: ইউসুফ আলী বলেস- আমি অনুমতি পত্র চাইনি তাদের কাছ থেকে। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে এগুলো ভিত্তিহীন।
পাবনা জেলা সাব রেজিষ্ট্রার দিপক কুমার সরকার বলেন- এসব অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।