Dhaka , Wednesday, 14 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন:- চট্টগ্রামে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মধুপুরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি-১ আসনে প্রার্থীতা ফিরে পেলেন গোলাম আজম সৈকত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি- সালাহউদ্দিন আহমদ  ঝালকাঠি ট্রাফিক পুলিশের প্রকাশ্য মাসোয়ারা বাণিজ্যর অভিযোগে সার্জেন্টকে ক্লোজ ঝালকাঠি সদর থানায় অপমৃত্যু মামলার আলামত সংরক্ষণে অবহেলার অভিযোগ কক্সবাজারে জামায়াতের প্রতিনিধি সমাবেশ সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টির দাবি অপারেশন ডেভিল হান্ট-২: নোয়াখালীতে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ২ কক্সবাজারে ইউপি সদস্য কামাল হত্যামামলার ৮ আসামি কারাগারে দেশ থেকে জলাতঙ্ক নির্মূলের লক্ষে চন্দনাইশে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত ছাত্রীকে নিয়ে পালালো প্রধান শিক্ষক,মাদরাসায় অগ্নিসংযোগ নারায়ণগঞ্জ আদালত চত্বরে হাতাহাতি, পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক গণভোটে জনসচেতনতা বাড়াতে ফতুল্লায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা ষষ্ঠবার দেশসেরার মুকুটে এস দিলীপ রায়: লালমনিরহাটের সাংবাদিকতায় অনন্য মাইলফলক জিয়া সাইবার ফোর্স-এর লালমনিরহাট জেলা কমিটি ঘোষণা; সভাপতি রাশেদুল, সাধারণ সম্পাদক শাহিন শীর্ষ সন্ত্রাসী বার্মা সাইফুল গ্রেফতার কক্সবাজারে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করছে ‘রুম টু রিড’ পাইকগাছায় পূজা উদযাপন পরিষদের একতরফা কমিটি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে নরসিংদীতে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ ৩ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড রূপগঞ্জে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ ১৩০৬ টাকার সিলিন্ডার ২ হাজার টাকা নেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন ঝিনাইগাতীতে বন বিভাগের রাতব্যাপী অভিযানে মাহিন্দ্র–ট্রাকসহ একাধিক অবৈধ যানবাহন আটক, একাধিক মামলা রূপগঞ্জ পূর্বাচল উপশহরে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও শীতবস্ত্র বিতরণ জয়পুরহাট জেলায় শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত আফরোজা খানম চৌধুরী তাপমাত্রা বাড়লে ও শীত অনুভূত হচ্ছে হিলিতে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষজন জাসাসের সাংস্কৃতিক উপকমিটিতে লালমনিরহাটের গৌরব চারুশিল্পী রুস্তম: নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নোবিপ্রবিতে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোক ও আলোচনা সভা আগামী নির্বাচন হবে জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন- সালাহউদ্দিন আহমদ  ন্যায়বিচারের জন্য গ্রহণযোগ্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে হবে: জেলা প্রশাসক আড়াইহাজারে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্র, ককটেল ও ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকাসহ ৪ মাদক কারবারি গ্রেফতার নারায়ণগঞ্জ পাসপোর্ট অফিসে রোহিঙ্গা নাগরিক আটক

ঝালকাঠি ট্রাফিক পুলিশের প্রকাশ্য মাসোয়ারা বাণিজ্যর অভিযোগে সার্জেন্টকে ক্লোজ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:36:23 pm, Wednesday, 14 January 2026
  • 1 বার পড়া হয়েছে
মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাসোয়ারা বাণিজ্যের অভিযোগ নতুন করে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বছরখানেক আগে এই অনিয়ম বন্ধ হয়েছে—এমন দাবি থাকলেও বাস্তবে তা আরও সংগঠিত ও প্রকাশ্যভাবে চলছিল বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১৫দিন ধরে ঝালকাঠি শহরের কৃষ্ণকাঠি পেট্রোল পাম্প মোড়, কলেজ মোড়, ফায়ার সার্ভিস মোড়সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন চেকপোস্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্জেন্ট, টিএসআই ও এটিএসআইরা প্রকাশ্যেই যানবাহন থামিয়ে অর্থ আদায় করছেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর ট্রাফিক সার্জেন্ট হাসানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—একজন সার্জেন্ট ক্লোজ করলেই কি এই বহুমাত্রিক চাঁদাবাজি থেমে যাবে?
পরিবহন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দৈনিক আদায়ের বাইরে পার্সেল পরিবহন, টমটম, ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস, দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস এবং বিভিন্ন কোম্পানির কাভার ভ্যান থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা আদায় করা হচ্ছে। জেলার ৭০টির বেশি দূরপাল্লার বাস থেকে গাড়িপ্রতি মাসে ৫০০ টাকা, মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড থেকে গাড়িপ্রতি ৩০০ টাকা এবং কোনো রিকুইজিশন ছাড়াই স্লিপ সরবরাহ করে স্লিপপ্রতি ৫০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব খাত থেকেই প্রতি মাসে প্রায় তিন লাখ টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
শুধু স্থানীয় যানবাহন নয়, অন্য জেলা থেকে ঝালকাঠিতে প্রবেশকারী প্রতিটি পিকআপ ও ট্রাকও এই চাঁদাবাজির বাইরে নয়। চালকদের ভাষ্য, শহরের প্রবেশদ্বার কৃষ্ণকাঠি পেট্রোল পাম্প মোড়ে গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ট্রাক ও কাভার ভ্যান চালকরা জানান, বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও ‘ত্রুটি আছে’—এমন অজুহাতে হয়রানি করে টাকা আদায় করা হয়। টাকা দিলেই নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ মেলে।
অন্যদিকে শহরের ভেতরে মোটরসাইকেল চালকদের হেলমেট পরীক্ষা নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়লেও ফিটনেসবিহীন ট্রলি ও টমটম গাড়ি বীরদর্পে চলাচল করছে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত মাসোয়ারার বিনিময়ে এসব অবৈধ যানবাহনের দিকে ইচ্ছাকৃতভাবে চোখ বন্ধ করে রাখা হচ্ছে।
জানা গেছে, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য তুষার ও ইউসুফ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বিভিন্ন কোম্পানির কাভার ভ্যান থেকে মাসোয়ারা সংগ্রহ করতেন। আর সার্জেন্ট হাসান মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড ও বাস টার্মিনাল থেকে মাসোয়ারা তোলা এবং রিকুইজিশন স্লিপ বিক্রির কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) রহমত গণমাধ্যমে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, “সিনিয়র স্যারের নির্দেশে মিডিয়ায় বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি নেই।” এই নীরবতা আরও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে সচেতন মহল বলছে, একজন সার্জেন্ট ক্লোজ করা হলেও অভিযোগের ব্যাপ্তি অনেক বড়। তারা পুরো ট্রাফিক বিভাগের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং জড়িত সকলের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, “ট্রাফিক বিভাগে কেউ দুর্নীতিতে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে ক্লোজ করা হয়েছে। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তে আরও কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন:- চট্টগ্রামে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ঝালকাঠি ট্রাফিক পুলিশের প্রকাশ্য মাসোয়ারা বাণিজ্যর অভিযোগে সার্জেন্টকে ক্লোজ

আপডেট সময় : 10:36:23 pm, Wednesday, 14 January 2026
মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠি জেলা পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাসোয়ারা বাণিজ্যের অভিযোগ নতুন করে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বছরখানেক আগে এই অনিয়ম বন্ধ হয়েছে—এমন দাবি থাকলেও বাস্তবে তা আরও সংগঠিত ও প্রকাশ্যভাবে চলছিল বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১৫দিন ধরে ঝালকাঠি শহরের কৃষ্ণকাঠি পেট্রোল পাম্প মোড়, কলেজ মোড়, ফায়ার সার্ভিস মোড়সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করা হয়। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন চেকপোস্টে দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্জেন্ট, টিএসআই ও এটিএসআইরা প্রকাশ্যেই যানবাহন থামিয়ে অর্থ আদায় করছেন। অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর ট্রাফিক সার্জেন্ট হাসানকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছেন ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান। তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—একজন সার্জেন্ট ক্লোজ করলেই কি এই বহুমাত্রিক চাঁদাবাজি থেমে যাবে?
পরিবহন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দৈনিক আদায়ের বাইরে পার্সেল পরিবহন, টমটম, ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস, দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস এবং বিভিন্ন কোম্পানির কাভার ভ্যান থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা আদায় করা হচ্ছে। জেলার ৭০টির বেশি দূরপাল্লার বাস থেকে গাড়িপ্রতি মাসে ৫০০ টাকা, মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড থেকে গাড়িপ্রতি ৩০০ টাকা এবং কোনো রিকুইজিশন ছাড়াই স্লিপ সরবরাহ করে স্লিপপ্রতি ৫০০ টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এসব খাত থেকেই প্রতি মাসে প্রায় তিন লাখ টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
শুধু স্থানীয় যানবাহন নয়, অন্য জেলা থেকে ঝালকাঠিতে প্রবেশকারী প্রতিটি পিকআপ ও ট্রাকও এই চাঁদাবাজির বাইরে নয়। চালকদের ভাষ্য, শহরের প্রবেশদ্বার কৃষ্ণকাঠি পেট্রোল পাম্প মোড়ে গাড়ি থামিয়ে কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে মামলা দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ২০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। ট্রাক ও কাভার ভ্যান চালকরা জানান, বৈধ কাগজ থাকা সত্ত্বেও ‘ত্রুটি আছে’—এমন অজুহাতে হয়রানি করে টাকা আদায় করা হয়। টাকা দিলেই নির্বিঘ্নে চলাচলের সুযোগ মেলে।
অন্যদিকে শহরের ভেতরে মোটরসাইকেল চালকদের হেলমেট পরীক্ষা নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের তৎপরতা চোখে পড়লেও ফিটনেসবিহীন ট্রলি ও টমটম গাড়ি বীরদর্পে চলাচল করছে। অভিযোগ রয়েছে, নিয়মিত মাসোয়ারার বিনিময়ে এসব অবৈধ যানবাহনের দিকে ইচ্ছাকৃতভাবে চোখ বন্ধ করে রাখা হচ্ছে।
জানা গেছে, ট্রাফিক পুলিশের সদস্য তুষার ও ইউসুফ শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বিভিন্ন কোম্পানির কাভার ভ্যান থেকে মাসোয়ারা সংগ্রহ করতেন। আর সার্জেন্ট হাসান মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড ও বাস টার্মিনাল থেকে মাসোয়ারা তোলা এবং রিকুইজিশন স্লিপ বিক্রির কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) রহমত গণমাধ্যমে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি বলেন, “সিনিয়র স্যারের নির্দেশে মিডিয়ায় বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি নেই।” এই নীরবতা আরও সন্দেহের জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এদিকে সচেতন মহল বলছে, একজন সার্জেন্ট ক্লোজ করা হলেও অভিযোগের ব্যাপ্তি অনেক বড়। তারা পুরো ট্রাফিক বিভাগের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত এবং জড়িত সকলের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, “ট্রাফিক বিভাগে কেউ দুর্নীতিতে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে ক্লোজ করা হয়েছে। কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্তে আরও কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”