Dhaka , Friday, 29 August 2025
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নৈতিকতা ও সামাজিক জীবনধারায় ওসি নাজমুল আলম জনগণের পাশে  সংশোধনী বিজ্ঞপ্তি রাজাপুরে নবাগত ইউএনওকে যুবদল ও ইসলামি আন্দোলনের শুভেচ্ছা সাতকানিয়ায় ৮০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার সাভার আশুলিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৯ জন রূপগঞ্জে প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পাবনায় ১শ ৮০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ” মাসকলাই বীজ ও সার” বিতরণ জামায়াতে ইসলামী  নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে : বকুল কালিয়াকৈরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত  সদরপুরে বাইশরশি শিব সুন্দরী একাডেমীতে দুঃসাহসিক চুরি  সিলেটে ওসিসহ পাঁচ পুলিশ কর্মকর্তা ও স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ রূপগঞ্জে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাসান আলীর সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে গ্যাসের চার শতাধিক অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হাটহাজারিতে শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিতকরণে প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময়।  দেশের জনগন বুঝে না  পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন  রাজাপুরে ছাত্রদলের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বিমানবন্দর সড়ক সম্প্রসারণে ফ্লাইওভার নির্মাণের বিষয় বিবেচনা করবে চসিক :- মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে কিশোর রাকিব হত্যা ও দুই চাঁদাবাজি মামলার আসামি গ্রেফতার সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) এর বিশেষ টহলদল কর্তৃক ৭০ লক্ষ টাকার ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার জোর প্রচেষ্টায় রামগঞ্জে স্থাপিত হচ্ছে মিনি স্টেডিয়াম মির্জাপুরে শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে করণীয় সম্পর্কে মতবিনিময় সভা রাস্তা পাকা করার দাবিতে তথ্য উপদেষ্টার ইউনিয়ন বাসির মানববন্ধন স্টাফ কোয়ার্টার-সারুলিয়া রোডে ছিনতাইয়ের রাজত্ব: গভীর রাতে অটোরিকশায় হামলা, পুলিশের টহল বাড়ানোর দাবি এলাকাবাসীর রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি সেভ দ্য কক্সবাজারের মানববন্ধন দুই মসজিদ ও এক মন্দির বরাদ্দ পেলো রেলের জমি রামগঞ্জে বিএনপির প্রতিনিধি নির্বাচনে আওয়ামীলীগ ভোটার বাদ দেওয়ার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন হিজাবী ছাত্রীদের ক্লাস থেকে বের করে দেওয়া এবং দাড়ি রাখায় তিন কনস্টেবলকে শাস্তি প্রদান ধর্মীয় স্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন-হেফাজতে ইসলাম। ঢাকার সাভারে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কাজে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা সাভার মডেল থানায় অভিযোগ ও একাধিক সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। নোয়াখালীতে চালককে হত্যা অটোরিকশা ছিনতাই ঝালকাঠিতে প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন…….

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:04:32 pm, Sunday, 24 August 2025
  • 96 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন ভূমিকা তুলে ধরে বিএনপি নেতা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এ নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের কোনো ইতিহাস রচিত হবে না।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে যখন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে জামায়াত ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছিল, তখনই আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, এরশাদের সাথে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না। ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে খালেদা জিয়া এ ঘোষণা দেন। তখন শেখ হাসিনাও একই কথা বললেও ঢাকায় গিয়ে তিনি এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেন। অথচ বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি।

তিনি শনিবার (২৩ আগষ্ট) বিকেলে নগরীর নাসিরাবাদ কনভেনশন হলে ড‍্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের পক্ষ থেকে ভোটার এবং চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চসিক মেয়র বলেন, শেখ হাসিনা ও জামায়াতে ইসলাম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণেই এরশাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হয়েছিল। অন্যথায় এরশাদের পতন ১৯৮৬ সালেই হতো।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালেও আন্দোলনের মুখে এরশাদ নির্বাচনের ঘোষণা দিলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কারণে। এর পরপরই আন্দোলন জোড়দার হয়। সেসময় আমি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রদলের প্রভাব বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, বুয়েট, চুয়েট, ঢাকা মেডিক্যাল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ব্রিলিয়ান্ট ইনস্টিটিউশনে ছাত্রদলের জয়জয়কার দেখা গেছে। এমনকি ডাকসু নির্বাচনে আমান-খোকনের প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

তিন বলেন, ২৭ নভেম্বর নুর হোসেন, মোজাম্মেল, জিয়াদসহ অনেকে শহীদ হয়েছেন। বিএমএর যুগ্ম সম্পাদক ডা. মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন, অথচ আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন তার পাশে থেকেও অক্ষত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতন ঘটে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যদি বেগম খালেদা জিয়া ভূমিকা না রাখতেন তাহলে এরশাদের পতন এত সহজে সম্ভব হতো না। আর ১৯৯১ সালে জনগণ ভুল করেনি, খালেদা জিয়ার গলায় বিজয়ের মালা পড়িয়ে দিয়েছিল।

তিনি ১/১১ এর সময়কার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মাইনাস টু ফর্মূলা বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনাকে বিদেশে পাঠানো হয়। সে সময় মনের আনন্দে হাতে মেহেদি নিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হলেও তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি বলেছিলেন ‘যদি বাঁচতে হয় এ দেশেই বাঁচব, মরতে হলে এ দেশেই মরব।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কুকর্মের বৈধতা দিতে রাজি হওয়ায় ২০০৮ সালে তাঁকে ক্ষমতায় বসানো হয়। আর খালেদা জিয়া বৈধতা দিতে রাজি হননি। এজন্যই ১৬ বছর ধরে নির্বিচারে হত্যা, গুম, মামলা হামলা চলছে।

মানুষের অধিকার আদায়ে কথা বলার কারণে খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, খাবার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বেঁচে থাকার অধিকারের কথা বলতে গিয়ে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে, গৃহবন্দি রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যাকে সম্মান দিতে চান তাকেই সম্মান দেন। রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বিপরীতে খালেদা জিয়া রানীর মতো বিদেশে গেছেন, রানীর মতো সম্মান নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশনায়ক তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করি।

ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডা. এস এম সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ডা. রিফাত কামাল রনির পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ড‍্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক, মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম, চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জসীম উদ্দীন, ডা. এম এ মান্নান, অধ‍্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক চোধুরী, অধ‍্যাপক ডা. মো. আব্দুল মোত্তালিব, অধ্যাপক ডা. ইকবাল হোসেন, ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, ডা. মো. ইব্রাহিম চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা ড‍্যাবের সভাপতি ডা. নীলু কুমার তন্চংগ‍্যা, জেলা ড‍্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব নেতা ডা. মো. টিপু সুলতান, ডা. জীবক চাকমা, অধ্যাপক ডা. অজয় দেব, ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, ডা. জোনায়েদ মাহমুদ খান, ডা. মো. আইউব, ডা. মো. ইয়াসিন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, অধ্যাপক ডা. রাশেদ মীরজাদা, ডা. শাহাদাত হোসেন, ডা. জিনাত আরা চৌধুরী, ডা. এস মুজিবুর রহমান, ডা. ফিরোজ খান, ডা. মনোজ কুমার বড়ুয়া, ডা. আলী আজগর চৌধুরী, ডা. একেএম আশরাফুল করিম, ডা. শিহাবুল ইসলাম, ডা. জামাল হোসেন, ডা. এনামুল হক, ডা. মাফরুহা খানম পরাগ, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোতাহার হোসেন, ডা. আবদুর রাজ্জাক শিকদার, ডা. রাসেল ফরিদ চৌধুরী, ডা. মিজানুর রহমান, ডা. তৌহিদুর রহমান, ডা. শোয়েবুল করিম পিউ, ডা. আকরাম হোসেন, ডা. মিনহাজ রানা, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন, অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলম, ডা. মাজেদ সুলতান, ডা. মো. রিজওয়ানুল হক, ডা. রাহাত খান অন্জন, ডা. রাশেদুল হাসান, অধ্যাপক ডা. ময়নাল হোসেন, ডা. নাজমুল মোরশেদ, ডা. এরশাদুল হক, ডা. মো. মিনহাজুল আলম, ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ডা. তানভীর হাবিব তান্না, ডা. ইফতেখার মো. আদনান, ডা. ফারাহ মাবুদ সিলভী, ডা. সালমা আক্তার শিমু, ডা. চিন্ময় বড়ুয়া, ডা. মো. মোদ্দাচ্ছির রহমান, ডা. মো. মইনুদ্দিন, ডা. জোনায়েদ রায়হান, ডা. রিয়াসাদ শাহাবুদ্দিন, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. মেহেদি হাসান, ডা. মাহমুদ হোসেন, ডা. তারেকুল ইসলাম জনি, ডা. মো. জায়েদ, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. ইয়াসির আরাফাত, ডা. জাহেদুল আলম ইমন, ডা. গিয়াস উদ্দিন নয়ন প্রমূখ।

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম
০১৮১০২৮৪১৯২

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন…….

আপডেট সময় : 04:04:32 pm, Sunday, 24 August 2025

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি:

স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার আপোষহীন ভূমিকা তুলে ধরে বিএনপি নেতা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, এ নেত্রীকে বাদ দিয়ে দেশের কোনো ইতিহাস রচিত হবে না।

তিনি বলেন, স্বৈরাচারী হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে যখন আওয়ামী লীগ থেকে শুরু করে জামায়াত ইসলামীসহ অন্যান্য দলগুলো কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছিল, তখনই আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা দিয়েছিলেন, এরশাদের সাথে কোনো নির্বাচনে বিএনপি যাবে না। ১৯৮৬ সালে চট্টগ্রামের লালদিঘীর ময়দানে খালেদা জিয়া এ ঘোষণা দেন। তখন শেখ হাসিনাও একই কথা বললেও ঢাকায় গিয়ে তিনি এরশাদের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেন। অথচ বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপোষ করেননি।

তিনি শনিবার (২৩ আগষ্ট) বিকেলে নগরীর নাসিরাবাদ কনভেনশন হলে ড‍্যাবের কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চট্টগ্রাম শাখা ড্যাবের পক্ষ থেকে ভোটার এবং চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

চসিক মেয়র বলেন, শেখ হাসিনা ও জামায়াতে ইসলাম নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণেই এরশাদের ক্ষমতা দীর্ঘায়িত হয়েছিল। অন্যথায় এরশাদের পতন ১৯৮৬ সালেই হতো।

তিনি বলেন, ১৯৮৮ সালেও আন্দোলনের মুখে এরশাদ নির্বাচনের ঘোষণা দিলে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের কারণে। এর পরপরই আন্দোলন জোড়দার হয়। সেসময় আমি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ছাত্রদলের প্রভাব বৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরে শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, বুয়েট, চুয়েট, ঢাকা মেডিক্যাল, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ব্রিলিয়ান্ট ইনস্টিটিউশনে ছাত্রদলের জয়জয়কার দেখা গেছে। এমনকি ডাকসু নির্বাচনে আমান-খোকনের প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

তিন বলেন, ২৭ নভেম্বর নুর হোসেন, মোজাম্মেল, জিয়াদসহ অনেকে শহীদ হয়েছেন। বিএমএর যুগ্ম সম্পাদক ডা. মিলন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন, অথচ আওয়ামী লীগের মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন তার পাশে থেকেও অক্ষত ছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদের পতন ঘটে।

বিএনপির এ নেতা বলেন, এই প্রক্রিয়ায় যদি বেগম খালেদা জিয়া ভূমিকা না রাখতেন তাহলে এরশাদের পতন এত সহজে সম্ভব হতো না। আর ১৯৯১ সালে জনগণ ভুল করেনি, খালেদা জিয়ার গলায় বিজয়ের মালা পড়িয়ে দিয়েছিল।

তিনি ১/১১ এর সময়কার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মাইনাস টু ফর্মূলা বাস্তবায়নের জন্য শেখ হাসিনাকে বিদেশে পাঠানো হয়। সে সময় মনের আনন্দে হাতে মেহেদি নিয়ে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হলেও তিনি দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি বলেছিলেন ‘যদি বাঁচতে হয় এ দেশেই বাঁচব, মরতে হলে এ দেশেই মরব।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনা কুকর্মের বৈধতা দিতে রাজি হওয়ায় ২০০৮ সালে তাঁকে ক্ষমতায় বসানো হয়। আর খালেদা জিয়া বৈধতা দিতে রাজি হননি। এজন্যই ১৬ বছর ধরে নির্বিচারে হত্যা, গুম, মামলা হামলা চলছে।

মানুষের অধিকার আদায়ে কথা বলার কারণে খালেদা জিয়াকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষের অধিকার, ভোটের অধিকার, মানবাধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, খাবার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বেঁচে থাকার অধিকারের কথা বলতে গিয়ে তাঁকে ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় জেলে ঢোকানো হয়েছে, গৃহবন্দি রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহ যাকে সম্মান দিতে চান তাকেই সম্মান দেন। রাতের অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনার বিপরীতে খালেদা জিয়া রানীর মতো বিদেশে গেছেন, রানীর মতো সম্মান নিয়ে দেশে ফিরেছেন।

আগামী নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশনায়ক তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করি।

ড্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির আহবায়ক ডা. এস এম সারোয়ার আলমের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ডা. রিফাত কামাল রনির পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ড‍্যাব চমেক শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিক, মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আব্বাস উদ্দীন, উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল আলীম, চমেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. জসীম উদ্দীন, ডা. এম এ মান্নান, অধ‍্যাপক ডা. আনোয়ারুল হক চোধুরী, অধ‍্যাপক ডা. মো. আব্দুল মোত্তালিব, অধ্যাপক ডা. ইকবাল হোসেন, ডা. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর, ডা. মো. ইব্রাহিম চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা ড‍্যাবের সভাপতি ডা. নীলু কুমার তন্চংগ‍্যা, জেলা ড‍্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, ড্যাব নেতা ডা. মো. টিপু সুলতান, ডা. জীবক চাকমা, অধ্যাপক ডা. অজয় দেব, ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, ডা. জোনায়েদ মাহমুদ খান, ডা. মো. আইউব, ডা. মো. ইয়াসিন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান নাহিদ, ডা. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, অধ্যাপক ডা. রাশেদ মীরজাদা, ডা. শাহাদাত হোসেন, ডা. জিনাত আরা চৌধুরী, ডা. এস মুজিবুর রহমান, ডা. ফিরোজ খান, ডা. মনোজ কুমার বড়ুয়া, ডা. আলী আজগর চৌধুরী, ডা. একেএম আশরাফুল করিম, ডা. শিহাবুল ইসলাম, ডা. জামাল হোসেন, ডা. এনামুল হক, ডা. মাফরুহা খানম পরাগ, ডা. হোসনে আরা বেগম, ডা. মোতাহার হোসেন, ডা. আবদুর রাজ্জাক শিকদার, ডা. রাসেল ফরিদ চৌধুরী, ডা. মিজানুর রহমান, ডা. তৌহিদুর রহমান, ডা. শোয়েবুল করিম পিউ, ডা. আকরাম হোসেন, ডা. মিনহাজ রানা, ডা. শাহনেওয়াজ সিরাজ মামুন, অধ্যাপক ডা. সুলতানা রুমা আলম, ডা. মাজেদ সুলতান, ডা. মো. রিজওয়ানুল হক, ডা. রাহাত খান অন্জন, ডা. রাশেদুল হাসান, অধ্যাপক ডা. ময়নাল হোসেন, ডা. নাজমুল মোরশেদ, ডা. এরশাদুল হক, ডা. মো. মিনহাজুল আলম, ডা. মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, ডা. তানভীর হাবিব তান্না, ডা. ইফতেখার মো. আদনান, ডা. ফারাহ মাবুদ সিলভী, ডা. সালমা আক্তার শিমু, ডা. চিন্ময় বড়ুয়া, ডা. মো. মোদ্দাচ্ছির রহমান, ডা. মো. মইনুদ্দিন, ডা. জোনায়েদ রায়হান, ডা. রিয়াসাদ শাহাবুদ্দিন, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. মেহেদি হাসান, ডা. মাহমুদ হোসেন, ডা. তারেকুল ইসলাম জনি, ডা. মো. জায়েদ, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. ইয়াসির আরাফাত, ডা. জাহেদুল আলম ইমন, ডা. গিয়াস উদ্দিন নয়ন প্রমূখ।

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম
০১৮১০২৮৪১৯২