
অরবিন্দ রায়,
নরসিংদীর ঘোড়াশাল – পলাশ সারকারখানা
আবারও উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পুনরায় গ্যাস সংযোগ পাওয়ার পর সারকারখানাটি উৎপাদনে ফিরে এসেছে।
গ্যাস সংকটে বন্ধ থাকার ২৭ দিন পর উৎপাদন শুরু হয়েছে। দেশের চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের কারনে দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহওম পরিবেশবান্ধন ২৮০০ শ মেঃটন দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন নরসিংদীর পলাশের ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন ২৭ দিন বন্ধ থাকার পর ৩১ মার্চ সন্ধায় গ্যাস পাওয়ার পর উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সারকারখানা কর্তৃপক্ষ ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার কারখানার মহা-ব্যাবস্থাপক(প্রশাসন) মোঃ ফখরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত ৪ মার্চ বিকাল থেকে সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে এ কারখানায় গ্যাস সংযোগ বন্ধ করা হয়। সারকারখানা গ্যাস সংকটের কারনে বন্ধ থাকার পর পূনরায় ৩১ মার্চ সন্ধায় গ্যাস সংযোগ পাওয়ার পর উৎপাদন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। গ্যাস পাওয়ার পর ৫ থেকে ৬ দিন সময় লাগে সার উৎপাদনে আসতে। ৪ অথবা ৫ এপ্রিল পুরোপুরি সার উৎপাদনে আসবে বলে জানান, কারখানার মহা-ব্যাবস্থাপক
(প্রশাসন) মোঃ ফখরুল আলম।
কারখানা সূএে জানা যায়,পুরো শতভাগ উৎপাদনে চালু ছিল এ সারকারখানাটি । উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ২৮০০ মেঃটন সার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে । এ সারকারখানার সার উৎপাদন সম্পূর্নভাবে গ্যাস নির্ভর একটি প্রক্রিয়া।
সূএে আরও জানা যায় সারকারখানাটিতে নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১-৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২-৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন চালিয়ে রাখা যায়।
সারকারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় প্রতিদিন ইউরিয়া সার উৎপাদন বন্ধ ছিল। সার উৎপাদন স্বাভাবিক থাকলে দেশের সার আমদানির উপর নির্ভরতা কমে যাবে। চলতি মৌসুমে ফসল উৎপাদনে সারের সংকট কম হবে।
























