Dhaka , Monday, 13 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বর্ণিল আয়োজনে নববর্ষ বরণে প্রস্তুত ছায়ানট; রমনা বটমূলে আজ উৎসবের আমেজ পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণে ধীরগতি,খাল নয় যেন ময়লা আবর্জনার ভাগাড় নারায়ণগঞ্জে নকল টিকা কার্ডে প্রতারণা: এক নারীর কারাদণ্ড লালমনিরহাটে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব: সতর্কবস্থায় স্বাস্থ্য বিভাগ, ঝুঁকিতে শিশুরা সাজা এড়াতে ৫ বছর আত্মগোপন: আদিতমারীতে যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত মাদক কারবারি গ্রেপ্তার নিখোঁজের ১১ দিনেও মিলেনি হিফজ ছাত্র তন্ময়ের খোঁজ, দিশেহারা পরিবার নলছিটিতে নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সড়কের নিরাপত্তা বিঘ্নিত: অবৈধভাবে মাটি কাটায় সাতকানিয়ায় ইটভাটা মালিককে ২ লাখ টাকা জরিমানা  মধ্যপ্রাচর যুদ্ধের প্রভাবে রূপগঞ্জে টেক্সটাইল খাতে ধসের আশঙ্কা, লোকসানের মুখে ব্যবসায়ীরা পিএমকের উদ্যেগে রূপগঞ্জে বিনামূল্য স্বাস্থ্য ও চক্ষু সেবা, মেডিসিন, চসমা বিতরণ আড়াইহাজারে মামার বাড়ীতে ভাগনে খুন রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয়, শান্তিপূর্ণ বৈশাখের আশ্বাস শিক্ষার্থীদের জাতির সেবক হয়ে গড়ে উঠতে হবে: এমপি আবুল কালাম আজাদ ১২৫ বছরে মুড়াপাড়া সরকারি পাইলট মডেল হাই স্কুল: বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী উৎসবের ডাক নলছিটিতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে কুপিয়ে হত্যা ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলছিল কিশোরীরর মরেদহ ফরিদপুরের সালথায় আগুনে পুড়লো শিক্ষকের স্বপ্ন, সহায়তার আশ্বাস প্রশাসনের। মানুষের সেবায় দিনরাত মাঠে আজিজুল হক আজিজ, হামের টিকা কার্যক্রমে নিজে তদারকি চট্টগ্রামে অভিযানে ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা আটক ২ ফতুল্লায় ভোরে ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘দালাল সহিদ’ গ্রেফতারের দাবি ফতুল্লা সাংবাদিকদের ইরান যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ও উত্তরণের উপায় নারায়ণগঞ্জে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফতুল্লায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিসি কার্যালয়ে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সাথে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় স্বাক্ষী দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রূপগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে গৃহবধূ ও শিশুর ওপর হামলার অভিযোগ, ঘরে আগুন

আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণে ধীরগতি,খাল নয় যেন ময়লা আবর্জনার ভাগাড়

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:40:55 pm, Monday, 13 April 2026
  • 2 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ড পশ্চিম বাকলিয়ার খালপাড় দিয়ে বয়ে যাওয়া চাক্তাই ডাইভারশন খালের অংশে ময়লা আবর্জনার স্তূপ।
দেখে বুঝার উপায় নেই এটি খাল নাকি ময়লা আবর্জনার ভাগার।

চসিক মেয়র দায়িত্বভার গ্রহণের পর একাধিক বার এই খালের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
অপরদিকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, সিডিএ ও ৩৪ ইন্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকল্পের আওতাধীন চাক্তাই ডাইভারশন খালের ওয়াপদ সৈয়দ শাহ সড়ক অংশের আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণের ধীর গতিতে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।

ময়লা আবর্জনা পূর্ণ এই খালসহ নগরীর প্রায় প্রতিটি খাল, নালা এখন যেন আবর্জনার ভাগার।
ময়লা আবর্জনায় ভরাট হয়ে এসব খাল,নালা এখন পানি নিষ্কাশনের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভরাট খালে জন্মেছে কচুরিপানা সহ বিভিন্ন প্রজাতির আগাছা ও পানিবাহিত রোগের কীটপতঙ্গ। পরিণত হয়েছে ডেঙ্গু মশার অভয়ারণ্যে।
দ্রুত এসব খাল,নালার ময়লা আবর্জনা অপসারণ না করলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরীতে জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অন্যান্য বছরে তুলনায় গত বছর নগরীতে জলবদ্ধতা তেমন প্রকট হয়নি। অন্তবর্তী সরকারে চার উপদেষ্টার তদারকি ও চসিক মেয়রের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বর্ষার আগে খাল নালা থেকে ময়লা আবর্জনা দ্রুত অপসারণের ফলে নগরীর বাসিন্দারা স্বস্তিতে ছিলেন।
নগরীতে জলবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের চলমান কাজের জন্য মাটি ভরাট করা খাল ও ময়লা আবর্জনা পরিপূর্ণ খালে পানি প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুম খালের ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পানি উপঁচে পড়ে সড়ক ও আশেপাশের বাসা বাড়িতে ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমের সামান্য বৃষ্টিতে গত সপ্তাহে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়।পানির তোড়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রবর্তক মোড়ের রাস্তার একাংশ দেবে যায়।

সিটি কর্পোরেশনের হিসেবে, নগরীতে প্রতিদিন ৩ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে নিজেদের ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ ২২০০ টন অপসারণ করতে পারে সিটি কর্পোরেশন। বাকি বর্জ্য পড়ে থাকে খাল নালায়।যা জলাবদ্ধতা সৃষ্টির জন্য দায়ী। এর পাশাপাশি নগরীতে পাহাড় কাটা অব্যাহত আছে। সামান্য বৃষ্টি হলে পাহাড় থেকে নেমে আসা কাদামাটিতে ভরাট হয়ে যায় খাল নালাগুলো। বেশিরভাগ খালের তলা ভরাট হয়ে গেছে।
সিটি কর্পোরেশন বলছে, সিডিএ এখনো এসব খাল তাদের বুঝিয়ে দেয়নি। আর এইসব কারনে খালের নিয়মিত সংস্কার কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান দুই পক্ষের ঠেলাঠেলিতে হাজার কোটি টাকা ব্যয়, সংস্কারকৃত খাল পুনরায় আগের অবস্থায় ফেরত যাচ্ছে। আর এর মাসুল দিতে হবে বর্ষা মৌসুমে খালের উভয়পারে বসবাসকারী বাসিন্দাদেরকে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় সমস্যা জনসচেতনতার অভাব, নগরীর প্রায় খালের আশেপাশে বসবাসকারী বাসিন্দারা সরাসরি ময়লা আবর্জনা খাল নালায় ফেলছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নানা উদ্বেগ নিলেও তা ফলপ্রসূ হচ্ছে না।

বর্তমানে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় চলমান খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের কাজের ধীর গতির ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পুনরায় জলাবদ্ধতার আতঙ্ক বিরাজ করছে।১৭ জানুয়ারি ২০২৬ বক্স কালভার্ট নির্মাণ কাজের শুরু ও শেষ ৩০ মার্চ শেষ উল্লেখ থাকলেও এখনও কালভার্টের পিলারের কাজই শেষ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবী জলবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের জন্য খালে ভরাটকৃত মাটি অপসারণ ও ব্রিজ, কালভার্টের কাজ দ্রুততার সহিত সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নগরবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জলবদ্ধতার আতংক থেকে যেনো শংকা মুক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বর্ণিল আয়োজনে নববর্ষ বরণে প্রস্তুত ছায়ানট; রমনা বটমূলে আজ উৎসবের আমেজ

আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণে ধীরগতি,খাল নয় যেন ময়লা আবর্জনার ভাগাড়

আপডেট সময় : 06:40:55 pm, Monday, 13 April 2026

ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ড পশ্চিম বাকলিয়ার খালপাড় দিয়ে বয়ে যাওয়া চাক্তাই ডাইভারশন খালের অংশে ময়লা আবর্জনার স্তূপ।
দেখে বুঝার উপায় নেই এটি খাল নাকি ময়লা আবর্জনার ভাগার।

চসিক মেয়র দায়িত্বভার গ্রহণের পর একাধিক বার এই খালের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
অপরদিকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে, সিডিএ ও ৩৪ ইন্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকল্পের আওতাধীন চাক্তাই ডাইভারশন খালের ওয়াপদ সৈয়দ শাহ সড়ক অংশের আরসিসি বক্স কালভার্ট নির্মাণের ধীর গতিতে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।

ময়লা আবর্জনা পূর্ণ এই খালসহ নগরীর প্রায় প্রতিটি খাল, নালা এখন যেন আবর্জনার ভাগার।
ময়লা আবর্জনায় ভরাট হয়ে এসব খাল,নালা এখন পানি নিষ্কাশনের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ভরাট খালে জন্মেছে কচুরিপানা সহ বিভিন্ন প্রজাতির আগাছা ও পানিবাহিত রোগের কীটপতঙ্গ। পরিণত হয়েছে ডেঙ্গু মশার অভয়ারণ্যে।
দ্রুত এসব খাল,নালার ময়লা আবর্জনা অপসারণ না করলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নগরীতে জলাবদ্ধতা প্রকট আকার ধারণ করবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
অন্যান্য বছরে তুলনায় গত বছর নগরীতে জলবদ্ধতা তেমন প্রকট হয়নি। অন্তবর্তী সরকারে চার উপদেষ্টার তদারকি ও চসিক মেয়রের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বর্ষার আগে খাল নালা থেকে ময়লা আবর্জনা দ্রুত অপসারণের ফলে নগরীর বাসিন্দারা স্বস্তিতে ছিলেন।
নগরীতে জলবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের চলমান কাজের জন্য মাটি ভরাট করা খাল ও ময়লা আবর্জনা পরিপূর্ণ খালে পানি প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুম খালের ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পানি উপঁচে পড়ে সড়ক ও আশেপাশের বাসা বাড়িতে ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমের সামান্য বৃষ্টিতে গত সপ্তাহে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে যায়।পানির তোড়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রবর্তক মোড়ের রাস্তার একাংশ দেবে যায়।

সিটি কর্পোরেশনের হিসেবে, নগরীতে প্রতিদিন ৩ হাজার মেট্রিক টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে নিজেদের ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ ২২০০ টন অপসারণ করতে পারে সিটি কর্পোরেশন। বাকি বর্জ্য পড়ে থাকে খাল নালায়।যা জলাবদ্ধতা সৃষ্টির জন্য দায়ী। এর পাশাপাশি নগরীতে পাহাড় কাটা অব্যাহত আছে। সামান্য বৃষ্টি হলে পাহাড় থেকে নেমে আসা কাদামাটিতে ভরাট হয়ে যায় খাল নালাগুলো। বেশিরভাগ খালের তলা ভরাট হয়ে গেছে।
সিটি কর্পোরেশন বলছে, সিডিএ এখনো এসব খাল তাদের বুঝিয়ে দেয়নি। আর এইসব কারনে খালের নিয়মিত সংস্কার কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান দুই পক্ষের ঠেলাঠেলিতে হাজার কোটি টাকা ব্যয়, সংস্কারকৃত খাল পুনরায় আগের অবস্থায় ফেরত যাচ্ছে। আর এর মাসুল দিতে হবে বর্ষা মৌসুমে খালের উভয়পারে বসবাসকারী বাসিন্দাদেরকে।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বড় সমস্যা জনসচেতনতার অভাব, নগরীর প্রায় খালের আশেপাশে বসবাসকারী বাসিন্দারা সরাসরি ময়লা আবর্জনা খাল নালায় ফেলছে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নানা উদ্বেগ নিলেও তা ফলপ্রসূ হচ্ছে না।

বর্তমানে জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতায় চলমান খালের উপর ব্রিজ নির্মাণের কাজের ধীর গতির ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে পুনরায় জলাবদ্ধতার আতঙ্ক বিরাজ করছে।১৭ জানুয়ারি ২০২৬ বক্স কালভার্ট নির্মাণ কাজের শুরু ও শেষ ৩০ মার্চ শেষ উল্লেখ থাকলেও এখনও কালভার্টের পিলারের কাজই শেষ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবী জলবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কাজের জন্য খালে ভরাটকৃত মাটি অপসারণ ও ব্রিজ, কালভার্টের কাজ দ্রুততার সহিত সম্পন্ন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নগরবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জলবদ্ধতার আতংক থেকে যেনো শংকা মুক্ত করেন।