Dhaka , Wednesday, 12 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নির্মাণাধীন মাদরাসার তদন্তে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৭ শ্রীপুরে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থেকে অনলাইন জুয়া চক্রের ০৪ জন সদস্য গ্রেফতার মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন জহিরুল আলম সৈরাচারী সরকারের মদতে খাল বেদখল ও ভরাট হয়ে গেছে- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে :- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল রামগঞ্জে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা লক্ষ্মীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রামগঞ্জের ফরিদ আহমেদ ভূইয়া একাডেমি বিগত স্বৈরাচারী সরকারের পরোক্ষ মদতে খাল গুলো দখল ও ভরাট হয়ে গিয়েছে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ রূপগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় তিন বিদ্যালয়ে শতভাগ পাস যে কারণে আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন ব্র্যাড পিট গোল উদযাপন করতে গিয়ে সুড়ঙ্গে পড়ে গেলেন ব্রাজিলের ফুটবলার, এরপর… ইরান নিজেদের অপরাজেয় শক্তি হিসেবে প্রমাণ করেছে: আরাগচি ১১ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? এসএসসিতে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে যে বার্তা শামারুহ মির্জার শেখ হাসিনার ছায়া পেরিয়ে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক কি নতুন পথে? ​প্রধানমন্ত্রীর নিকট হেফাজতে ইসলামের অন্যায্য দাবির তীব্র প্রতিবাদ হেযবুত তওহীদে মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে এসএসসিতে দুর্দান্ত সাফল্য: ৫১ জনের ৫০ জনই জিপিএ-৫ নোয়াখালীতে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ নোয়াখালীতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে পুড়ল ৫ দোকান এসএসসিতে সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে পাসের হার ৯৯.৫৯, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৯৩ জন কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হারে সর্বনিম্ন নোয়াখালী, জেলায় শীর্ষে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রাজাপুরে চার বিদ্যালয়ে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, অসচ্ছল ৭ শিক্ষার্থী পেল শিক্ষা উপকরণ এসএসসিতে MCPSC-এর কৃতিত্ব, ৩৮৮ পরীক্ষার্থীর ২৪১ জনই জিপিএ-৫ সাইকেলের চাকায় জামশেদের জীবন বদলে দিলেন মানবিক ডিসি জাহিদ আওয়ামী লীগের নেতাদের গলায় ডেলিগেট কার্ড, ১৭ বছরের ত্যাগীরা রেডিসনের বাইরে—চট্টগ্রামে ‘কার্ড বাণিজ্য’ নিয়ে তোলপাড় চট্টগ্রাম নেত্রকোণায় মাদক ও বাল্যবিবাহ কে লাল কার্ড প্রদর্শন শিক্ষার্থীদের নরসিংদী নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল অ্যান্ড হোমসে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়েছে রূপগঞ্জে মামলা করায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা-ভাংচুর ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন রূপগঞ্জে পিকনিক ট্রলারে মাদক ও নারী নিয়ে অসামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হওয়ার কারণে মুড়াপাড়া ইউপি সদস্যসহ ২০ জন গ্রেফতার

সুন্দরগঞ্জে ফের জেঁকে বসেছে  ঠান্ডা কাহিল জনজীবন।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:18:27 pm, Wednesday, 8 January 2025
  • 142 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে ফের জেঁকে বসেছে  ঠান্ডা কাহিল জনজীবন।।

হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
   
    
চলতি শীত মৌসুমে তৃতীয় দফায় বুধবার হতে ফের ঘন কুয়াশা- কন কনে ঠান্ডা- হিমেল হাওয়া ও শৈত প্রবাহের কারণে জনজীবন কাহিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের ভাসমান পরিবারগুলো ঠান্ডায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। স্থবির হয়ে পড়েছে সকল কার্যক্রম। ঘন কুয়াশা এবং ঠান্ডায় অফিস-আদালত- ব্যাংক-বীমা- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ীরা যথা নিয়মে কর্মস্থলে যেতে পারছে না। যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। ঠান্ডার কারণে নানাবিধ রোগব্যধির প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্র- কমিউনিটি ক্লিনিক ওষুধের দোকানগুলো রোগির ভিড় লক্ষা করা গেছে।  
         
উপজেলার নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে অসহনীয় ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে। চাহিদার তুলনায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের পরিমান একেবারেই অপ্রতুল। চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪০০ জন অসহায় শীতার্তদের মাঝে। দিনমজুররা এবং চরের ছিন্নমুল পরিবারগুলো খড় কুঁটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণ করছে। বিশেষ করে বৃদ্ধা-বৃদ্ধা, শিশু ও প্রসূতি মা’রা নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছে। 
কাপাসিয়া চরের ছকিনা বেওয়া বলেন-এ বারের ঠান্ডা বেশি। আগে তো চেয়ারম্যান নেম্বররা কম্বব দিছিল। এবারে এলাও তো কেউ আইসে নাই। হ্যামার ঘরে খুব কষ্ট হইছে।
       
দহবন্দ ইউনিয়নের ধুমাইটারী গ্রামের মোনারুল মিয়া বলেন- ঠান্ডার কারণে মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে খড় কুঁঠো জ্বালিয়ে হাত-পা গরম করতে হয়। এভাবে চলতে থাকলে কাজকর্ম ছেড়ে দিতে হবে। সরকারিভাবে এখন কোন প্রকার শীতবস্ত্র পাইনি।
হরিপুর ডাঙ্গার চরের মহির উদ্দিন বলেন গতকাল থাকি ঠান্ডায় চরের মানুষের অনেক কষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বয়বৃদ্ধা- শিশু ও গর্ভবতি মা’দের নিদারুন কষ্ট হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন প্রকার শীতবস্ত্র পাই নাই। ঠান্ডার কারণে কাজকর্ম করা যাচ্ছে না। অনেকে বাড়ির মধ্যে খড় কুটো জ্বালিয়ে বসবাস করছে। 
তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান- সরকারি ভাবে এ পর্যন্ত ৩০০ পিচ কম্বল পাওয়া গেছে। তাঁর ইউনিয়নে ছিন্নমুল মানুষের সংখ্যা কমপক্ষে ৬ হাজার। শীতার্ত মানুষের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে চেয়ারম্যান ও নেম্বারদের। শীতে যে ভাবে জেঁকে বসেছে- তাতে করে শীতবস্ত্রের চাহিদা মেটাতে না পারলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়বে। তিনি প্রশাসনের নিকট অতিদ্রুত চাহিদা মোতাবেক শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন।
       
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন গতকাল থেকে ফের প্রচন্ড ঠান্ডা দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে চলতি বছর ৩ হাজার ৪০০ শীতবস্ত্র কম্বল পাওয়া গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে তা বিতরণ করা হয়েছে। তবে শীতার্ত মানুষের চেয়ে শীতবস্ত্রের পরিমান অনেক কম।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. রাকিবুর ইসলাম বলেন- প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে হাপানি, এ্যজমা, নিমোনিয়া, পেটের পীড়া, স্বদি কাশিসহ নানাবিধ রোগীর সংখ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসের তুলনায় রোগীর সংখ্যা তুলনামুলক হারে বেড়ে গেছে। মুলত ঠান্ডর কারণে এসব রোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু, ও প্রসূতি মা’রা বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্মাণাধীন মাদরাসার তদন্তে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৭

সুন্দরগঞ্জে ফের জেঁকে বসেছে  ঠান্ডা কাহিল জনজীবন।।

আপডেট সময় : 06:18:27 pm, Wednesday, 8 January 2025
হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
   
    
চলতি শীত মৌসুমে তৃতীয় দফায় বুধবার হতে ফের ঘন কুয়াশা- কন কনে ঠান্ডা- হিমেল হাওয়া ও শৈত প্রবাহের কারণে জনজীবন কাহিল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীর চরাঞ্চলের ভাসমান পরিবারগুলো ঠান্ডায় দুর্বিষহ জীবন যাপন করছে। স্থবির হয়ে পড়েছে সকল কার্যক্রম। ঘন কুয়াশা এবং ঠান্ডায় অফিস-আদালত- ব্যাংক-বীমা- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ীরা যথা নিয়মে কর্মস্থলে যেতে পারছে না। যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে। প্রতিনিয়ত ঘটছে সড়ক দূর্ঘটনা। ঠান্ডার কারণে নানাবিধ রোগব্যধির প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য উপ-কেন্দ্র- কমিউনিটি ক্লিনিক ওষুধের দোকানগুলো রোগির ভিড় লক্ষা করা গেছে।  
         
উপজেলার নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো শীতবস্ত্রের অভাবে অসহনীয় ঠান্ডায় কাহিল হয়ে পড়েছে। চাহিদার তুলনায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণের পরিমান একেবারেই অপ্রতুল। চলতি মৌসুমে সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৪০০ জন অসহায় শীতার্তদের মাঝে। দিনমজুররা এবং চরের ছিন্নমুল পরিবারগুলো খড় কুঁটো জ্বালিয়ে ঠান্ডা নিবারণ করছে। বিশেষ করে বৃদ্ধা-বৃদ্ধা, শিশু ও প্রসূতি মা’রা নিদারুন কষ্টে দিনাতিপাত করছে। 
কাপাসিয়া চরের ছকিনা বেওয়া বলেন-এ বারের ঠান্ডা বেশি। আগে তো চেয়ারম্যান নেম্বররা কম্বব দিছিল। এবারে এলাও তো কেউ আইসে নাই। হ্যামার ঘরে খুব কষ্ট হইছে।
       
দহবন্দ ইউনিয়নের ধুমাইটারী গ্রামের মোনারুল মিয়া বলেন- ঠান্ডার কারণে মাঠে কাজ করা যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে খড় কুঁঠো জ্বালিয়ে হাত-পা গরম করতে হয়। এভাবে চলতে থাকলে কাজকর্ম ছেড়ে দিতে হবে। সরকারিভাবে এখন কোন প্রকার শীতবস্ত্র পাইনি।
হরিপুর ডাঙ্গার চরের মহির উদ্দিন বলেন গতকাল থাকি ঠান্ডায় চরের মানুষের অনেক কষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে বয়বৃদ্ধা- শিশু ও গর্ভবতি মা’দের নিদারুন কষ্ট হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোন প্রকার শীতবস্ত্র পাই নাই। ঠান্ডার কারণে কাজকর্ম করা যাচ্ছে না। অনেকে বাড়ির মধ্যে খড় কুটো জ্বালিয়ে বসবাস করছে। 
তারাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জানান- সরকারি ভাবে এ পর্যন্ত ৩০০ পিচ কম্বল পাওয়া গেছে। তাঁর ইউনিয়নে ছিন্নমুল মানুষের সংখ্যা কমপক্ষে ৬ হাজার। শীতার্ত মানুষের তোপের মুখে পড়তে হচ্ছে চেয়ারম্যান ও নেম্বারদের। শীতে যে ভাবে জেঁকে বসেছে- তাতে করে শীতবস্ত্রের চাহিদা মেটাতে না পারলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়বে। তিনি প্রশাসনের নিকট অতিদ্রুত চাহিদা মোতাবেক শীতবস্ত্র বিতরণের দাবি জানিয়েছেন।
       
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিয়ার রহমান বলেন গতকাল থেকে ফের প্রচন্ড ঠান্ডা দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে চলতি বছর ৩ হাজার ৪০০ শীতবস্ত্র কম্বল পাওয়া গেছে। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে তা বিতরণ করা হয়েছে। তবে শীতার্ত মানুষের চেয়ে শীতবস্ত্রের পরিমান অনেক কম।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. রাকিবুর ইসলাম বলেন- প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে হাপানি, এ্যজমা, নিমোনিয়া, পেটের পীড়া, স্বদি কাশিসহ নানাবিধ রোগীর সংখ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। গত মাসের তুলনায় রোগীর সংখ্যা তুলনামুলক হারে বেড়ে গেছে। মুলত ঠান্ডর কারণে এসব রোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু, ও প্রসূতি মা’রা বেশি আক্রান্ত হয়ে পড়ছে।