Dhaka , Sunday, 1 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সাতকানিয়ায় টপসয়েল কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ট্রাক-এক্সেভেটর জব্দ, জরিমানা ৪০ হাজার আইসিটি খাতে ১০লাখ লোকের কর্মসংস্থান করা হবে: তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ঝালকাঠিতে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোচালক নিহত নোয়াখালীতে নিখোঁজের ২ দিন পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ স্বামীর দেয়া আগুনে দগ্ধ অন্তঃসত্ত্বা আমেনা (২০) বেতন ভাতা, শ্রমিক নির্যাতন ও ছাটাই এর প্রতিবাদে রূপগঞ্জে শ্রমিক অসন্তোষ, শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ২০, ৫ ঘন্টা ঢাকা সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, ১৮ কিমি যানজট নারায়নগঞ্জ আইন কলেজের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহাফিল কাজে বের হয়ে প্রাণ হারালেন ওয়ালটন ব্যবস্থাপক; মহাসড়কে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ত্যাগ সংগ্রাম ও সাহসের অনন্য দৃষ্টান্ত এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী গাজীপুরে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড,ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস এমপি মজিবুর রহমান বেতাগী ১০০ একর জমিতে তরমুজ চাষে বাম্পার ফলন -খুশি কৃষক  কালীগঞ্জে ১৫ বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযান; গাঁজা ও ফেয়ারডিল সিরাপ জব্দ কুড়িগ্রাম সীমান্তে দুই ভারতীয় নাগরিক আটক; বিএসএফ-এর কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি দুর্গাপুরে আল-খিদমাহ স্বেচ্ছাসেবক যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসংস্থান গড়ে তোলা নির্বাচিত সরকারের বড় কর্মসূচি:- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ইসলামের শিক্ষার আলোকে সম্প্রীতির চট্টগ্রাম গড়তে চাই:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার উপকূলে শক্তিশালী ভূমিকম্প, পাইকগাছায় স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি আড়াইহাজারে প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আহত-৩ নিজ জেলা মাগুরায় প্রথম সফরে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী- চাঁদাবাজি-দুর্নীতি ও মাদকবিরোধী কঠোর বার্তা কুড়িগ্রামে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লাখ ৪৭ হাজার টাকা মুল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ। ঝালকাঠিতে যুবদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ, গুরুতর আহত অবস্থায় বরিশালে প্রেরণ ঝালকাঠি: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা প্যারোলে মুক্তি পেয়ে বাবার জানাজায় অংশ নিলেন, পায়ে ডান্ডাবেড়ি চন্দনাইশে গরু লুটে বাধা দেয়ায় খামারিকে গুলি করে হত্যা, ৩ টি গরু লুট ব্যাংকিং খাতের উন্নয়ন ও স্থানীয় অর্থনীতিতে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান শরীয়তপুরে ঢাকা পোস্টের সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলা পাইকগাছায় নিসচার উদ্যোগে তিন প্রতিবন্ধীর মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ পাইকগাছায় নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন উদ্ভাবনী প্রকল্পের উদ্বোধন নিরাপদ পানি নিশ্চিতে পাইকগাছায় উদ্যোক্তাদের সমন্বয় সভা পাইকগাছায় বাজার পরিদর্শন ও মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন

মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী আব্দুল করিম।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:15:35 am, Sunday, 22 September 2024
  • 196 বার পড়া হয়েছে

মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী আব্দুল করিম।।

উৎপল রক্ষিত
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
   
মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার কালমেঘা গ্রামের আব্দুল করিম আজাদ। তিনি ১০ বছর ধরে মালটা চাষ করে আসছেন। ১৫ বিঘা জমিতে  ২ হাজার ৪ শত মালটা বপন করেছেন। মালটা বাগানে নিয়মিত ১১- ১২ জন শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। 
আব্দুল করিম আজাদ জানান- কিছু সংখ্যক মালটা চাষী অপরিপক্ক মালটা বাজারে বিক্রি করে মালটার সুনাম নষ্ট করছেন।মালটা চাষে
 তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন গ্রীন বাংলা। এ ছাড়াও কৃষি উপ সহকারী সাইদুর রহমান পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 
বাংলাদেশে দিনে দিনে মালটা চাষ  জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।  মালটা প্রায় সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায়।  মালটাতে রয়েছে ভিটামিন সি- ভিটামিন বি- ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম এবং চর্বি মুক্ত ক্যালরি- ভিটামিন সি এর  চাহিদা পূরণে মালটার বিকল্প নেই । বাংলাদেশের বারি-১ জাতের মালটা চাষ বেশি হয়। 
একটি গবেষণায় দেখা গেছে- মালটা খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বেড়ে যায়।  নিয়মিত যারা মালটা খায় তাদের দাঁতের রোগ অনেক কম হয়। ঠোঁটে ঘা- জ্বরের সময় জিব্বা  অনেক রোগ ভালো করে। মালটা  সর্দি- নাক বন্ধ থাকা ট্রান্সফারের সমস্যা গলা ব্যথা- জ্বর জ্বর ভাব হাসি কাঁশি- মাথা ব্যথা-  ঠান্ডা  সহ বিভিন্ন রোগের  মালটা উপকার করে।  এছাড়াও মালটাতে উপস্থিত- লিমিনয়েড,মূখ- ত্বক- ফুসফুস ও পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। মালটায় হেসপেরিডিন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারনে এটি ব্লাড প্রেসার নিয়ন্রনে সাহায্য করে।এ্যান্টি-একসিডেন্ট থাকার কারনে ওজন কমাতে সাহায্য করে।মালটা শরীরের ক্ষতিকর কোলেষটেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
গ্রীষ্ম  ও শীতকালের জলবায়ু মালটা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।  মালটা গাছ আলো পছন্দ করে।  মালটা গাছ  ছায়ায় বৃদ্ধি ও গুণগত মান কমে যায়। সারাদিন রোদ পড়ে বৃষ্টির পানি জমে না, এ রকম জায়গায় মালটা চাষ ভালো হয়। মালটা চাষ করতে জমিতে  আগাছা পরিষ্কার ও আশে পাশের উঁচু গাছ থাকলে ডালপোড়া ছেঁটে দিতে হবে। 
কলমের মাধ্যমে মালটা বংশবিস্তার করা যায়।  তবে বীজ ছাড়া আমাদের দেশে মাটি আবহাওয়া সাথে সমন্বয় করে মালটা  বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। তাই মালটা  কলমের মাধ্যমে চারা তৈরি করাই  ভালো । জাম্বুরার বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে যদি তার মালটার কলম স্হাপন করা হলে গাছ বেশিদিন স্থায়ী হয়।
শুষ্ক মৌসুমে  নিয়মিত মালটার কাছে জল দেওয়া প্রয়োজন হয়।  মালটা গাছের  গোড়ায় যেন পানি না জমে সেজন্য দ্রুত নিষ্কাশন ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ লাগানোর পর  মালটা ধরার পূর্ব পর্যন্ত ধীরে ধীরে গাছকে নির্দিষ্ট আকারে দিতে হবে। যাতে কাজ উচু না হয়ে চারিদিকে সরাতে পারে। মালটা  ফলের পরিপক্ষতা সাথে সাথে ফলের গারো সবুজ বর্ণ হালকা সবুজ হয়ে  থাকে। 
বাংলাদেশের মালটা চাষের প্রতি কৃষকের আগ্রহ রেড়েছে।  রোগ বলাই কম থাকায়  উৎপাদন   লাভ বেশি  হয়। এ কারণে দিনে দিনে  মালটা চাষ  বৃদ্ধি পেয়েছে। 
আব্দুল করিম  আজাদ আরো জানান- তার ছেলে সাখাওয়াত হোসেন সৌরভ বর্তমানে অনার্সে পড়ছে। ছেলেকে চাকরি পিছনে না ঘুরে নিজে তাকে মালটা চাষ করা শিখাবেন।
তিনি আশে পাশের এলাকার মানুষকে মালটা চাষের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। 
ড.  চিওরঞ্জন রায়  মনে করেন-, দেশের মালটা চাষীদের প্রশিক্ষন দিয়ে দক্ষ করতে হবে। মালটা চাষীদের উন্নত মানের চারা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।  মানব দেহের বিভিন্ন  রোগ প্রতিরোধে মালটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা থাকে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাতকানিয়ায় টপসয়েল কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ট্রাক-এক্সেভেটর জব্দ, জরিমানা ৪০ হাজার

মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী আব্দুল করিম।।

আপডেট সময় : 10:15:35 am, Sunday, 22 September 2024
উৎপল রক্ষিত
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
   
মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার কালমেঘা গ্রামের আব্দুল করিম আজাদ। তিনি ১০ বছর ধরে মালটা চাষ করে আসছেন। ১৫ বিঘা জমিতে  ২ হাজার ৪ শত মালটা বপন করেছেন। মালটা বাগানে নিয়মিত ১১- ১২ জন শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। 
আব্দুল করিম আজাদ জানান- কিছু সংখ্যক মালটা চাষী অপরিপক্ক মালটা বাজারে বিক্রি করে মালটার সুনাম নষ্ট করছেন।মালটা চাষে
 তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন গ্রীন বাংলা। এ ছাড়াও কৃষি উপ সহকারী সাইদুর রহমান পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 
বাংলাদেশে দিনে দিনে মালটা চাষ  জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।  মালটা প্রায় সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায়।  মালটাতে রয়েছে ভিটামিন সি- ভিটামিন বি- ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম এবং চর্বি মুক্ত ক্যালরি- ভিটামিন সি এর  চাহিদা পূরণে মালটার বিকল্প নেই । বাংলাদেশের বারি-১ জাতের মালটা চাষ বেশি হয়। 
একটি গবেষণায় দেখা গেছে- মালটা খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বেড়ে যায়।  নিয়মিত যারা মালটা খায় তাদের দাঁতের রোগ অনেক কম হয়। ঠোঁটে ঘা- জ্বরের সময় জিব্বা  অনেক রোগ ভালো করে। মালটা  সর্দি- নাক বন্ধ থাকা ট্রান্সফারের সমস্যা গলা ব্যথা- জ্বর জ্বর ভাব হাসি কাঁশি- মাথা ব্যথা-  ঠান্ডা  সহ বিভিন্ন রোগের  মালটা উপকার করে।  এছাড়াও মালটাতে উপস্থিত- লিমিনয়েড,মূখ- ত্বক- ফুসফুস ও পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। মালটায় হেসপেরিডিন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারনে এটি ব্লাড প্রেসার নিয়ন্রনে সাহায্য করে।এ্যান্টি-একসিডেন্ট থাকার কারনে ওজন কমাতে সাহায্য করে।মালটা শরীরের ক্ষতিকর কোলেষটেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
গ্রীষ্ম  ও শীতকালের জলবায়ু মালটা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।  মালটা গাছ আলো পছন্দ করে।  মালটা গাছ  ছায়ায় বৃদ্ধি ও গুণগত মান কমে যায়। সারাদিন রোদ পড়ে বৃষ্টির পানি জমে না, এ রকম জায়গায় মালটা চাষ ভালো হয়। মালটা চাষ করতে জমিতে  আগাছা পরিষ্কার ও আশে পাশের উঁচু গাছ থাকলে ডালপোড়া ছেঁটে দিতে হবে। 
কলমের মাধ্যমে মালটা বংশবিস্তার করা যায়।  তবে বীজ ছাড়া আমাদের দেশে মাটি আবহাওয়া সাথে সমন্বয় করে মালটা  বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। তাই মালটা  কলমের মাধ্যমে চারা তৈরি করাই  ভালো । জাম্বুরার বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে যদি তার মালটার কলম স্হাপন করা হলে গাছ বেশিদিন স্থায়ী হয়।
শুষ্ক মৌসুমে  নিয়মিত মালটার কাছে জল দেওয়া প্রয়োজন হয়।  মালটা গাছের  গোড়ায় যেন পানি না জমে সেজন্য দ্রুত নিষ্কাশন ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ লাগানোর পর  মালটা ধরার পূর্ব পর্যন্ত ধীরে ধীরে গাছকে নির্দিষ্ট আকারে দিতে হবে। যাতে কাজ উচু না হয়ে চারিদিকে সরাতে পারে। মালটা  ফলের পরিপক্ষতা সাথে সাথে ফলের গারো সবুজ বর্ণ হালকা সবুজ হয়ে  থাকে। 
বাংলাদেশের মালটা চাষের প্রতি কৃষকের আগ্রহ রেড়েছে।  রোগ বলাই কম থাকায়  উৎপাদন   লাভ বেশি  হয়। এ কারণে দিনে দিনে  মালটা চাষ  বৃদ্ধি পেয়েছে। 
আব্দুল করিম  আজাদ আরো জানান- তার ছেলে সাখাওয়াত হোসেন সৌরভ বর্তমানে অনার্সে পড়ছে। ছেলেকে চাকরি পিছনে না ঘুরে নিজে তাকে মালটা চাষ করা শিখাবেন।
তিনি আশে পাশের এলাকার মানুষকে মালটা চাষের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। 
ড.  চিওরঞ্জন রায়  মনে করেন-, দেশের মালটা চাষীদের প্রশিক্ষন দিয়ে দক্ষ করতে হবে। মালটা চাষীদের উন্নত মানের চারা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।  মানব দেহের বিভিন্ন  রোগ প্রতিরোধে মালটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা থাকে।