Dhaka , Thursday, 20 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরের ঐতিহ্যবাহী বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনস্টিটিউশন এন্ড কলেজের সভাপতি হলেন ভিপি ইব্রাহিম নকশাবহির্ভূত ভবনের বিরুদ্ধে চউকের অভিযান অব্যাহত, সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের ভবনসহ ৭টিতে ২৭ লাখ টাকা জরিমানা পাইকগাছায় অবৈধ জাল জব্দ; আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট সরাইল থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে নারীসহ গ্রেপ্তার-১০ দোহাজারীতে কোদালের কোপে স্ত্রীর মৃত্যু, ঘাতক স্বামী আটক পাইকগাছায় জাতীয় মৎস্য পক্ষের সমাপনী অনুষ্ঠিত আমরা একটি সুস্থ ও অপরাধমুক্ত সমাজ উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ – জেলা পুলিশ সুপার মোবারক হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন চট্টগ্রামে তৃতীয়বারের মতো শ্রেষ্ঠ সাতকানিয়া সার্কেল অফিসার আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী নীলফামারীতে হামলার শিকার চবির চারুকলা শিক্ষার্থী, মাথায় চার সেলাই সাইনবোর্ডে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ, যানজট নিরসনে অভিযান তীব্র সমালোচনার মুখে রাহাত ফতেহ আলী খান, নেপথ্যে যে কারণ কোচের যে ৬ শব্দে পাল্টে গেল টাইগাররা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা নেমে এলো সর্বনিম্নে চট্টগ্রামে নারীদের জন্য চালু হলো বিশেষ বাসসেবা আন্তর্জাতিক অ্যাবাকাস অলিম্পিয়াডে ‘চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস’ জোড়া মুকুট জয় রামু সেনানিবাসের শিক্ষার্থী আফিয়ার রূপগঞ্জে বিক্রমপুর স্টিলে বিষাক্ত কালো ধোঁয়ার প্রমাণ পেয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তরের আড়াইহাজারে ম্যাজিস্ট্রেট দেখে ওষুধের দোকান বন্ধ করে পালালো ওষুধ ব্যবসায়ীরা ভোলায় বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কমিটি গঠন নিয়ে প্রশ্ন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদত্যাগ কাউখালীতে কাঠের ডাসার আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার ১৮ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? নগরীর কাপ্তাই রাস্তার মাথায় ভাড়া নৈরাজ্য , ঘাটে ঘাটে যাত্রী নামিয়ে ‘ভেঙে ভেঙে’ দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ কোম্পানীগঞ্জে মার্কেটে অগ্নিকান্ডে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি, ৯ দোকান ক্ষতিগ্রস্থ হাটহাজারীতে দিনদুপুরে তরুণকে ধাওয়া করে গুলি রামুতে ১০ হাজার পিস ইয়াবাসহ নারী আটক নেত্রকোণায় ৪০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার স্থায়ী কমিটির নতুন ৪ সদস্যের মহাসড়কে কোনো ধরনের থ্রি হুইলার চলতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাইল পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান: ইয়াবা-গাঁজা ও চোলাই মদসহ গ্রেপ্তার ৯ পাইকগাছায় টেকসই মৎস্য উৎপাদনে মতবিনিময়

মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী আব্দুল করিম।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:15:35 am, Sunday, 22 September 2024
  • 246 বার পড়া হয়েছে

মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী আব্দুল করিম।।

উৎপল রক্ষিত
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
   
মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার কালমেঘা গ্রামের আব্দুল করিম আজাদ। তিনি ১০ বছর ধরে মালটা চাষ করে আসছেন। ১৫ বিঘা জমিতে  ২ হাজার ৪ শত মালটা বপন করেছেন। মালটা বাগানে নিয়মিত ১১- ১২ জন শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। 
আব্দুল করিম আজাদ জানান- কিছু সংখ্যক মালটা চাষী অপরিপক্ক মালটা বাজারে বিক্রি করে মালটার সুনাম নষ্ট করছেন।মালটা চাষে
 তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন গ্রীন বাংলা। এ ছাড়াও কৃষি উপ সহকারী সাইদুর রহমান পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 
বাংলাদেশে দিনে দিনে মালটা চাষ  জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।  মালটা প্রায় সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায়।  মালটাতে রয়েছে ভিটামিন সি- ভিটামিন বি- ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম এবং চর্বি মুক্ত ক্যালরি- ভিটামিন সি এর  চাহিদা পূরণে মালটার বিকল্প নেই । বাংলাদেশের বারি-১ জাতের মালটা চাষ বেশি হয়। 
একটি গবেষণায় দেখা গেছে- মালটা খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বেড়ে যায়।  নিয়মিত যারা মালটা খায় তাদের দাঁতের রোগ অনেক কম হয়। ঠোঁটে ঘা- জ্বরের সময় জিব্বা  অনেক রোগ ভালো করে। মালটা  সর্দি- নাক বন্ধ থাকা ট্রান্সফারের সমস্যা গলা ব্যথা- জ্বর জ্বর ভাব হাসি কাঁশি- মাথা ব্যথা-  ঠান্ডা  সহ বিভিন্ন রোগের  মালটা উপকার করে।  এছাড়াও মালটাতে উপস্থিত- লিমিনয়েড,মূখ- ত্বক- ফুসফুস ও পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। মালটায় হেসপেরিডিন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারনে এটি ব্লাড প্রেসার নিয়ন্রনে সাহায্য করে।এ্যান্টি-একসিডেন্ট থাকার কারনে ওজন কমাতে সাহায্য করে।মালটা শরীরের ক্ষতিকর কোলেষটেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
গ্রীষ্ম  ও শীতকালের জলবায়ু মালটা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।  মালটা গাছ আলো পছন্দ করে।  মালটা গাছ  ছায়ায় বৃদ্ধি ও গুণগত মান কমে যায়। সারাদিন রোদ পড়ে বৃষ্টির পানি জমে না, এ রকম জায়গায় মালটা চাষ ভালো হয়। মালটা চাষ করতে জমিতে  আগাছা পরিষ্কার ও আশে পাশের উঁচু গাছ থাকলে ডালপোড়া ছেঁটে দিতে হবে। 
কলমের মাধ্যমে মালটা বংশবিস্তার করা যায়।  তবে বীজ ছাড়া আমাদের দেশে মাটি আবহাওয়া সাথে সমন্বয় করে মালটা  বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। তাই মালটা  কলমের মাধ্যমে চারা তৈরি করাই  ভালো । জাম্বুরার বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে যদি তার মালটার কলম স্হাপন করা হলে গাছ বেশিদিন স্থায়ী হয়।
শুষ্ক মৌসুমে  নিয়মিত মালটার কাছে জল দেওয়া প্রয়োজন হয়।  মালটা গাছের  গোড়ায় যেন পানি না জমে সেজন্য দ্রুত নিষ্কাশন ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ লাগানোর পর  মালটা ধরার পূর্ব পর্যন্ত ধীরে ধীরে গাছকে নির্দিষ্ট আকারে দিতে হবে। যাতে কাজ উচু না হয়ে চারিদিকে সরাতে পারে। মালটা  ফলের পরিপক্ষতা সাথে সাথে ফলের গারো সবুজ বর্ণ হালকা সবুজ হয়ে  থাকে। 
বাংলাদেশের মালটা চাষের প্রতি কৃষকের আগ্রহ রেড়েছে।  রোগ বলাই কম থাকায়  উৎপাদন   লাভ বেশি  হয়। এ কারণে দিনে দিনে  মালটা চাষ  বৃদ্ধি পেয়েছে। 
আব্দুল করিম  আজাদ আরো জানান- তার ছেলে সাখাওয়াত হোসেন সৌরভ বর্তমানে অনার্সে পড়ছে। ছেলেকে চাকরি পিছনে না ঘুরে নিজে তাকে মালটা চাষ করা শিখাবেন।
তিনি আশে পাশের এলাকার মানুষকে মালটা চাষের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। 
ড.  চিওরঞ্জন রায়  মনে করেন-, দেশের মালটা চাষীদের প্রশিক্ষন দিয়ে দক্ষ করতে হবে। মালটা চাষীদের উন্নত মানের চারা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।  মানব দেহের বিভিন্ন  রোগ প্রতিরোধে মালটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা থাকে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরের ঐতিহ্যবাহী বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনস্টিটিউশন এন্ড কলেজের সভাপতি হলেন ভিপি ইব্রাহিম

মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী আব্দুল করিম।।

আপডেট সময় : 10:15:35 am, Sunday, 22 September 2024
উৎপল রক্ষিত
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
   
মালটা চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলার সখিপুর উপজেলার কালমেঘা গ্রামের আব্দুল করিম আজাদ। তিনি ১০ বছর ধরে মালটা চাষ করে আসছেন। ১৫ বিঘা জমিতে  ২ হাজার ৪ শত মালটা বপন করেছেন। মালটা বাগানে নিয়মিত ১১- ১২ জন শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। 
আব্দুল করিম আজাদ জানান- কিছু সংখ্যক মালটা চাষী অপরিপক্ক মালটা বাজারে বিক্রি করে মালটার সুনাম নষ্ট করছেন।মালটা চাষে
 তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন গ্রীন বাংলা। এ ছাড়াও কৃষি উপ সহকারী সাইদুর রহমান পরামর্শ দিয়ে থাকেন। 
বাংলাদেশে দিনে দিনে মালটা চাষ  জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে।  মালটা প্রায় সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায়।  মালটাতে রয়েছে ভিটামিন সি- ভিটামিন বি- ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম এবং চর্বি মুক্ত ক্যালরি- ভিটামিন সি এর  চাহিদা পূরণে মালটার বিকল্প নেই । বাংলাদেশের বারি-১ জাতের মালটা চাষ বেশি হয়। 
একটি গবেষণায় দেখা গেছে- মালটা খেলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বেড়ে যায়।  নিয়মিত যারা মালটা খায় তাদের দাঁতের রোগ অনেক কম হয়। ঠোঁটে ঘা- জ্বরের সময় জিব্বা  অনেক রোগ ভালো করে। মালটা  সর্দি- নাক বন্ধ থাকা ট্রান্সফারের সমস্যা গলা ব্যথা- জ্বর জ্বর ভাব হাসি কাঁশি- মাথা ব্যথা-  ঠান্ডা  সহ বিভিন্ন রোগের  মালটা উপকার করে।  এছাড়াও মালটাতে উপস্থিত- লিমিনয়েড,মূখ- ত্বক- ফুসফুস ও পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে থাকে। মালটায় হেসপেরিডিন ও ম্যাগনেসিয়াম থাকার কারনে এটি ব্লাড প্রেসার নিয়ন্রনে সাহায্য করে।এ্যান্টি-একসিডেন্ট থাকার কারনে ওজন কমাতে সাহায্য করে।মালটা শরীরের ক্ষতিকর কোলেষটেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
গ্রীষ্ম  ও শীতকালের জলবায়ু মালটা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।  মালটা গাছ আলো পছন্দ করে।  মালটা গাছ  ছায়ায় বৃদ্ধি ও গুণগত মান কমে যায়। সারাদিন রোদ পড়ে বৃষ্টির পানি জমে না, এ রকম জায়গায় মালটা চাষ ভালো হয়। মালটা চাষ করতে জমিতে  আগাছা পরিষ্কার ও আশে পাশের উঁচু গাছ থাকলে ডালপোড়া ছেঁটে দিতে হবে। 
কলমের মাধ্যমে মালটা বংশবিস্তার করা যায়।  তবে বীজ ছাড়া আমাদের দেশে মাটি আবহাওয়া সাথে সমন্বয় করে মালটা  বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। তাই মালটা  কলমের মাধ্যমে চারা তৈরি করাই  ভালো । জাম্বুরার বীজ থেকে চারা উৎপাদন করে যদি তার মালটার কলম স্হাপন করা হলে গাছ বেশিদিন স্থায়ী হয়।
শুষ্ক মৌসুমে  নিয়মিত মালটার কাছে জল দেওয়া প্রয়োজন হয়।  মালটা গাছের  গোড়ায় যেন পানি না জমে সেজন্য দ্রুত নিষ্কাশন ব্যবস্থা করতে হবে। গাছ লাগানোর পর  মালটা ধরার পূর্ব পর্যন্ত ধীরে ধীরে গাছকে নির্দিষ্ট আকারে দিতে হবে। যাতে কাজ উচু না হয়ে চারিদিকে সরাতে পারে। মালটা  ফলের পরিপক্ষতা সাথে সাথে ফলের গারো সবুজ বর্ণ হালকা সবুজ হয়ে  থাকে। 
বাংলাদেশের মালটা চাষের প্রতি কৃষকের আগ্রহ রেড়েছে।  রোগ বলাই কম থাকায়  উৎপাদন   লাভ বেশি  হয়। এ কারণে দিনে দিনে  মালটা চাষ  বৃদ্ধি পেয়েছে। 
আব্দুল করিম  আজাদ আরো জানান- তার ছেলে সাখাওয়াত হোসেন সৌরভ বর্তমানে অনার্সে পড়ছে। ছেলেকে চাকরি পিছনে না ঘুরে নিজে তাকে মালটা চাষ করা শিখাবেন।
তিনি আশে পাশের এলাকার মানুষকে মালটা চাষের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। 
ড.  চিওরঞ্জন রায়  মনে করেন-, দেশের মালটা চাষীদের প্রশিক্ষন দিয়ে দক্ষ করতে হবে। মালটা চাষীদের উন্নত মানের চারা সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।  মানব দেহের বিভিন্ন  রোগ প্রতিরোধে মালটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা থাকে।