Dhaka , Wednesday, 18 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চরভদ্রাসনে বিএনপি’র রিশাদ বেগের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। তিন পুলিশ প্রত্যাহার রূপগঞ্জে ঈদকে ঘিরে ৩শ’ মাদকের স্পট সক্রিয়॥ বিপুল মাদকদ্রব্য মজুদ পুলিশের উপর হামলাসহ ১২ মামলার আসামি রূপগঞ্জে সন্ত্রাসী ফয়সাল গ্রেফতার রূপগঞ্জে এমপি দিপুর নির্দেশনায় ১০০০ হাজার দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ দক্ষিণ বঙ্গপসাগর উপকূলীয় অঞ্চল থেকে আত্মসমর্পণকৃত ১২৭ জন আলোর পথের অভিযাত্রীদের মাঝে মহা-পরিচালক র‌্যাব ফোর্সেস এর পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর ২০২৬ উপলক্ষে উপহার সামগ্রী বিতরণ বিজিবির ধাওয়ায় মালামাল ফেলে পালালো চোরাকারবারীরা: ঝাউরানী ও মোগলহাট সীমান্তে মাদক ও চিনি জব্দ মধুপুরে অসহায় পরিবারকে ঢেউটিন প্রদান চরভদ্রাসনে ছাত্রদলের শামীম রেজার উদ্যোগে দরিদ্র ও অসহায়দের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ। কৃষি বিপ্লব ও মানবতার সেবায় ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু: লালমনিরহাটে বড়ুয়া খাল ও ১ টাকায় ঈদ বাজারের শুভ উদ্বোধন রাউজান থানা পুলিশের অভিযানে ০৯ জন আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সদস্য গ্রেফতার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার টাঙ্গাইলে ঈদ বাজারে ক্রেতা কম, বিপাকে ব্যবসায়ীরা ঝড়ের রাতে চরে আটকা লঞ্চ, ১৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার শতাধিক যাত্রী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল টাঙ্গাইলে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পথশিশুদের আইন দিয়ে নয় আদর দিয়ে মূলধারায় ফিরিয়ে আনুন:- আমীরুল ইসলাম ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চট্টগ্রাম জেলায় সরকারিভাবে সংগৃহীত যাকাত ফান্ড হতে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে চেক বিতরণ মির্জাপুরে নিখোঁজের ৩ দিন পর ইটভাটায় যুবদল নেতার রহস্যজনক মৃত্যু ঈদ উপলক্ষে রেলপথে তীব্র ভিড়, আসন না পেয়ে ঝুঁকি নিয়েই যাত্রা করছেন মানুষ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় বিচার না পেলে আত্মহত্যার হুমকি ভুক্তভোগীর রূপগঞ্জে সাংবাদিকদের হুমকি-অপহরণে নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের উদ্বেগ শরীয়াতপুরের পদ্মার বুকে ভাসমান মরদেহ, রহস্যে ঘেরা অজ্ঞাত তরুণের মৃত্যু লালমনিরহাটে পৌর কাউন্সিলর কল্যাণ পরিষদ গঠিত, সভাপতি সালাম, সম্পাদক সেনা নিলক্ষা ইউনিয়নের বিএনপির প্রধান কার্যালয়ে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঝালকাঠিতে খাল খনন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ, তিন দিনের মধ্যে জবাবের নির্দেশ ঝালকাঠিতে বন বিভাগের গাছ কাটা বন্ধের দাবিতে মানবন্ধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে জুয়েলার্স ব্যবসায়ী অপহরণ, উদ্ধারে ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম মধুপুরে ৩ মাদক কারবারিকে ১ বছরের কারাদণ্ড রূপগঞ্জে পথচারী ও চালকদের মাঝে ইফতার বিতরণ পাইকগাছায় অনুমোদনহীন ক্লিনিকে অভিযান; জরিমানা ও কারাদণ্ড বিজিবির ধাওয়া খেয়ে গাঁজা ফেলে পালালো চোরাকারবারী: অনন্তপুর সীমান্তে বড় সাফল্য

নীলফামারীর ৪টি আসনে জামায়াত-বিএনপির লড়াই, একটিতে শক্ত অবস্থানে জাপা সৈয়াদপুর আসন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:26:08 pm, Sunday, 1 February 2026
  • 47 বার পড়া হয়েছে

সাদ্দাম আলী,

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির এক সময়ে দূর্গ হিসেবে পরিচিত আসনগুলোতে এবার দেখা দিয়েছে ভিন্ন চিত্র। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী সেগুলো নিজের দখলে নিতে চায়।নীলফামারী জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই এখন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে দল দুটি। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে একটি আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করেছে জাতীয় পার্টি ৷ যা নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

নীলফামারী-১ আসন (ডোমার ডিমলা

আসনটিতে ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে জাফর ইকবাল সিদ্দিকী নির্বাচিত হন। পরে ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের এমপি আফতাব উদ্দিন সরকার আসনটি ধরে রেখেছিলেন। তবে এবার আসনটিতে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। আসনটি দীর্ঘ সময় জামায়াতে ইসলামী দখলে নিতে না পারলেও এবার তারা দখলে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে এটিতে এবার বিএনপির জোটের প্রার্থী হয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আব্দুর সাত্তার, জাতীয় পার্টির তছলিম উদ্দিন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদীর রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টি ন্যাপের জেবেল রহমান গনি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) সিরাজুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর জলিল ও জাতীয় পার্টি জেপি মখদুম আজম মাশরাফি। আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬০ হাজার ৭৮৫। ভোটাররা বলছেন সৎ যোগ্য ব্যক্তিকে আসনটির উন্নয়নে সুযোগ দিতে চান।

নীলফামারী-২ আসন (সদর উপজেলা)

আসনটিতে ১৯৯৬ সালে জামায়াতে ইসলামীর মিজানুর রহমান নির্বাচিত হয়। পরে ২০০১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসাদুজ্জামান নূর নির্বাচিত হয়ে দখলে রেখেছিলেন। তবে এবার জয় পেতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে বিএনপি জামায়েত দুটি দল। আসনটিতে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছে দলের সাবেক চেয়ারপার্সনের বেগম খালেদা জিয়ার ভাগিনা শাহরিন ইসলাম। আসনটিতে জামায়াত ও বিএনপি দুটি দলেই রয়েছে শক্ত অবস্থানে। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আলফারুক আব্দুল লতীফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাছিবুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সরোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট বিএনএফ সিরজুল ইসলাম, স্বতন্ত্র মিনহাজুল ইসলাম মিনজাহ। এ আসনে ভোট মোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৫।

নীলফামারী-৩ আসন (জলঢাকা)

২০০৮ সালে আসনটিতে জাতীয় পার্টির কাজী ফারুক কাদের, ২০১৪ সালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের গোলাম মোস্তফা, ২০১৮ সালে জতীয় পার্টির রানা মোহাম্মদ সোহেল ও ২০২৪ সালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের লীগের সাদ্দম হোসেন পাভেল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এতে এবার আসনটিতে জয়ের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে আছে বিএনপি ও জামায়েত। এ আসনে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর ওবায়দুল্লাহ সালফী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির আলহাজ্ব সৈয়দ আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো আমজাদ হোসেন সরকার ও জাতীয় পার্টির মো রোহান চৌধুরী। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৬।

নীলফামারী-৪ আসন (কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর)

আসনটিতে ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আমজাদ হোসেন সরকার, ২০০৮ সালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এ মারুফ সাকলান, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আসনটি দখলে রেখেছিল জাতীয় পার্টি। তবে এবার আসনটি দখলের চেষ্টায় মরিয়া বিএনপি ও জামায়েত। অন্যদিকে বিএনপির দলীয় কোন্দলে স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছেন জাতীয় পার্টি। আবার আসনটিতে ছাড় দিতে রাজি নয় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি। এতে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী মির্জা শওকত আকবর রওশন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদী মাঈনুল ইসলাম, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী রিয়াদ আরফান সরকার, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মামুনুর রশীদ মামুন, জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুর আলম সিদ্দিক, স্বতন্ত্র জোবায়দুর রহমান হীরা, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মুনতাকিম ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আব্দুর গফুর সরকার। আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮১৪।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চরভদ্রাসনে বিএনপি’র রিশাদ বেগের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত।

নীলফামারীর ৪টি আসনে জামায়াত-বিএনপির লড়াই, একটিতে শক্ত অবস্থানে জাপা সৈয়াদপুর আসন

আপডেট সময় : 08:26:08 pm, Sunday, 1 February 2026

সাদ্দাম আলী,

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির এক সময়ে দূর্গ হিসেবে পরিচিত আসনগুলোতে এবার দেখা দিয়েছে ভিন্ন চিত্র। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী সেগুলো নিজের দখলে নিতে চায়।নীলফামারী জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই এখন প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছে দল দুটি। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে একটি আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করেছে জাতীয় পার্টি ৷ যা নির্বাচনের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ভোটাররা।

নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতাকর্মীরা এলাকায় গণসংযোগ, পথসভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন।

নীলফামারী-১ আসন (ডোমার ডিমলা

আসনটিতে ২০০৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে জাফর ইকবাল সিদ্দিকী নির্বাচিত হন। পরে ২০১৪ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের এমপি আফতাব উদ্দিন সরকার আসনটি ধরে রেখেছিলেন। তবে এবার আসনটিতে তৈরি হয়েছে নতুন সমীকরণ। আসনটি দীর্ঘ সময় জামায়াতে ইসলামী দখলে নিতে না পারলেও এবার তারা দখলে নিতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে এটিতে এবার বিএনপির জোটের প্রার্থী হয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম। এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আব্দুর সাত্তার, জাতীয় পার্টির তছলিম উদ্দিন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদীর রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনাল পার্টি ন্যাপের জেবেল রহমান গনি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট (বিএনএফ) সিরাজুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আব্দুর জলিল ও জাতীয় পার্টি জেপি মখদুম আজম মাশরাফি। আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬০ হাজার ৭৮৫। ভোটাররা বলছেন সৎ যোগ্য ব্যক্তিকে আসনটির উন্নয়নে সুযোগ দিতে চান।

নীলফামারী-২ আসন (সদর উপজেলা)

আসনটিতে ১৯৯৬ সালে জামায়াতে ইসলামীর মিজানুর রহমান নির্বাচিত হয়। পরে ২০০১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রার্থী আসাদুজ্জামান নূর নির্বাচিত হয়ে দখলে রেখেছিলেন। তবে এবার জয় পেতে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে বিএনপি জামায়েত দুটি দল। আসনটিতে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পেয়েছে দলের সাবেক চেয়ারপার্সনের বেগম খালেদা জিয়ার ভাগিনা শাহরিন ইসলাম। আসনটিতে জামায়াত ও বিএনপি দুটি দলেই রয়েছে শক্ত অবস্থানে। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আলফারুক আব্দুল লতীফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাছিবুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের সরোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট বিএনএফ সিরজুল ইসলাম, স্বতন্ত্র মিনহাজুল ইসলাম মিনজাহ। এ আসনে ভোট মোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৫।

নীলফামারী-৩ আসন (জলঢাকা)

২০০৮ সালে আসনটিতে জাতীয় পার্টির কাজী ফারুক কাদের, ২০১৪ সালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের গোলাম মোস্তফা, ২০১৮ সালে জতীয় পার্টির রানা মোহাম্মদ সোহেল ও ২০২৪ সালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ যুবলীগের লীগের সাদ্দম হোসেন পাভেল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। এতে এবার আসনটিতে জয়ের লড়াইয়ে শক্ত অবস্থানে আছে বিএনপি ও জামায়েত। এ আসনে বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর ওবায়দুল্লাহ সালফী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপির আলহাজ্ব সৈয়দ আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো আমজাদ হোসেন সরকার ও জাতীয় পার্টির মো রোহান চৌধুরী। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৯৪ হাজার ৪৪৬।

নীলফামারী-৪ আসন (কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর)

আসনটিতে ২০০১ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আমজাদ হোসেন সরকার, ২০০৮ সালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এ মারুফ সাকলান, ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আসনটি দখলে রেখেছিল জাতীয় পার্টি। তবে এবার আসনটি দখলের চেষ্টায় মরিয়া বিএনপি ও জামায়েত। অন্যদিকে বিএনপির দলীয় কোন্দলে স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকায় নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করছেন জাতীয় পার্টি। আবার আসনটিতে ছাড় দিতে রাজি নয় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি। এতে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী মির্জা শওকত আকবর রওশন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদী মাঈনুল ইসলাম, সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী রিয়াদ আরফান সরকার, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মামুনুর রশীদ মামুন, জাতীয় পার্টির সিদ্দিকুর আলম সিদ্দিক, স্বতন্ত্র জোবায়দুর রহমান হীরা, বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মুনতাকিম ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আব্দুর গফুর সরকার। আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮১৪।