Dhaka , Thursday, 4 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নানার বাড়ি থেকে ফেরার পর নিখোঁজ, খালে মিলল যুবকের লাশ লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি১-এর ক্যাবিনেট সেক্রেটারি নির্বাচিত হলেন ড. মুহিবুল্লাহ শাহিন গণহত্যার দায়ে জামায়াত-আ.লীগ একই সূত্রে গাঁথা: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ মধুপুরে মাদকাসক্ত ১ জনকে এক বছরের কারাদণ্ড ২৬ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ‘জেল খাটা’ গোলাম কিবরিয়া এবার সাময়িক বরখাস্ত হত্যাসহ একাধিক মামলায় আত্মসমর্পণ, আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা কারাগারে কুমির সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ খাদেমের, মাজারের দিঘিতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ৩৮ বছর পর ফিরলেন স্বামী, রাগ ভাঙছে না স্ত্রীর বিহারের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৪ জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে পথসভায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন পুলিশ সুপার রামুর নবাগত ইউএনও জিল্লুর রহমানের সঙ্গে রামু প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ৫ দিনব্যাপী রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ‘হিট অ্যাকশন ডে’ কর্মসূচির উদ্বোধন ​ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি+) কর্তৃক মুরগির বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ প্রতিবেশীর হা’ম’লা’য় নবজাতক যমজ শিশুর মৃ’ত্যু’র অ’ভি’যো’গ, বিচার দাবিতে রায়পুরে মানববন্ধন অবশেষে রূপগঞ্জে দুই মহাসড়কের বিষফোঁড়া ময়লার ভাগাড় অপসারণ মানুষকে হয়রানি না করে সর্বোচ্চ সেবা দিতে হবে :- জহিরুল ইসলাম, এমপি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় সম্ভব : মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিতে নির্মিত “বাংলার ঈগল” ১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী : পানি সম্পদ মন্ত্রী আত্রাই নদীতে গোসলে নেমে দুই ভাইয়ের মৃত্যু সীতাকুণ্ডে সরকারি সড়কের দুই পাশের গাছ কাটার অভিযোগ, তদন্তের দাবি হাদি হত্যার বিচার দাবিতে মাঠে নামছে ইনকিলাব মঞ্চ, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হামে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না, দেশে মৃত্যু ছাড়াল ৬০০ মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানের চেষ্টা করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: নোয়াখালীতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হাতিয়াতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু নোয়াখালীতে বর্গাচাষীর ঘরে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, গর্ভবতী নারীসহ আহত ৬ বেতাগীর কাউনিয়ায় হামে আক্রান্তে এক শিশুর মৃত্যু 

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:41:38 pm, Thursday, 9 January 2025
  • 271 বার পড়া হয়েছে

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

 

শওকত আলম- কক্সবাজার।।

   
কক্সবাজার জেলায় বিশেষ করে উখিয়া- টেকনাফে অপহরণ হচ্ছে প্রতিনিয়তিই। যেখানে মানুষের সমাগম নাই অর্থাৎ পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের মতো ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২ দফায় অপহরণ হয়েছে মোট ২৭ জন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অপহরণ হওয়া ব্যক্তিগণ উদ্ধার হলে আইন শৃঙ্খলায় ঘটেছে চরম অবনতি।
অপহরণকারীদের টার্গেটে রয়েছে বিশেষ করে পর্যটক। অপহরণ একটি ভয়াবহ অপরাধ যা পরিবারগুলোর মধ্যে ভীতি এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। অপহরণকারীরা সাধারণত বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায় করে এবং টাকা না পেলে ভয়ানক পরিণতি ঘটে।

অপহরণের পদ্ধতি:1. পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তু:
অপহরণকারীরা সাধারণত ধনী পরিবার, ব্যবসায়ী, বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বেছে নেয়। তারা ভুক্তভোগীর দৈনন্দিন চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করে পরিকল্পনা সাজায়।

2. ধারণ এবং লুকিয়ে রাখা:
অপহৃত ব্যক্তিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ ধরনের স্থানে সিসিটিভি বা জনসমাগম থাকে না।
3. পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ:

অপহরণকারীরা প্রথমেই ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
তারা ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করে।
অনেক সময় ভিডিও চিত্র পাঠিয়ে ভুক্তভোগীর ওপর অত্যাচারের প্রমাণ দেখায়।
মুক্তিপণ আদায়ের কৌশল:
1. তাত্ক্ষণিক চাপ সৃষ্টি:
তারা বলে সময়মতো টাকা না দিলে ভুক্তভোগীর ক্ষতি হবে।
টাকা কোথায় এবং কীভাবে দিতে হবে, সেই নির্দেশ দেয়।

2. ফাঁদ তৈরি:পরিবারকে ভুল ঠিকানায় পাঠিয়ে সময় নষ্ট করে।

মুক্তিপণ সংগ্রহের সময় পুলিশের নজর এড়াতে সতর্ক থাকে।

3. ব্যাংকিং বা ডিজিটাল পদ্ধতি:

অনেক অপহরণকারী এখন ব্যাংকিং বা মোবাইল পেমেন্ট ব্যবহার করে টাকা আদায় করে।

পরিণতি:যদি মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হয়:

অনেক সময় ভুক্তভোগীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
মৃতদেহ বাড়ির কাছে ফেলে দেওয়া হয় বা এমন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয় যা শনাক্ত করা কঠিন।
সমাধান এবং প্রতিরোধ:
1. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা:
অপহরণকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
টেকনোলজির সাহায্যে ফোন ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট নজরদারি।
2. সচেতনতা বৃদ্ধি:
পরিবারের সদস্যদের চলাফেরার বিষয়ে সতর্ক থাকা।
সন্দেহজনক আচরণ বা অপরিচিত ফোন কল এড়ানো।
অপহরণের এই চক্র থামাতে সমাজ ও প্রশাসনের একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

নানার বাড়ি থেকে ফেরার পর নিখোঁজ, খালে মিলল যুবকের লাশ

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

আপডেট সময় : 05:41:38 pm, Thursday, 9 January 2025

 

শওকত আলম- কক্সবাজার।।

   
কক্সবাজার জেলায় বিশেষ করে উখিয়া- টেকনাফে অপহরণ হচ্ছে প্রতিনিয়তিই। যেখানে মানুষের সমাগম নাই অর্থাৎ পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের মতো ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২ দফায় অপহরণ হয়েছে মোট ২৭ জন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অপহরণ হওয়া ব্যক্তিগণ উদ্ধার হলে আইন শৃঙ্খলায় ঘটেছে চরম অবনতি।
অপহরণকারীদের টার্গেটে রয়েছে বিশেষ করে পর্যটক। অপহরণ একটি ভয়াবহ অপরাধ যা পরিবারগুলোর মধ্যে ভীতি এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। অপহরণকারীরা সাধারণত বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায় করে এবং টাকা না পেলে ভয়ানক পরিণতি ঘটে।

অপহরণের পদ্ধতি:1. পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তু:
অপহরণকারীরা সাধারণত ধনী পরিবার, ব্যবসায়ী, বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বেছে নেয়। তারা ভুক্তভোগীর দৈনন্দিন চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করে পরিকল্পনা সাজায়।

2. ধারণ এবং লুকিয়ে রাখা:
অপহৃত ব্যক্তিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ ধরনের স্থানে সিসিটিভি বা জনসমাগম থাকে না।
3. পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ:

অপহরণকারীরা প্রথমেই ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
তারা ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করে।
অনেক সময় ভিডিও চিত্র পাঠিয়ে ভুক্তভোগীর ওপর অত্যাচারের প্রমাণ দেখায়।
মুক্তিপণ আদায়ের কৌশল:
1. তাত্ক্ষণিক চাপ সৃষ্টি:
তারা বলে সময়মতো টাকা না দিলে ভুক্তভোগীর ক্ষতি হবে।
টাকা কোথায় এবং কীভাবে দিতে হবে, সেই নির্দেশ দেয়।

2. ফাঁদ তৈরি:পরিবারকে ভুল ঠিকানায় পাঠিয়ে সময় নষ্ট করে।

মুক্তিপণ সংগ্রহের সময় পুলিশের নজর এড়াতে সতর্ক থাকে।

3. ব্যাংকিং বা ডিজিটাল পদ্ধতি:

অনেক অপহরণকারী এখন ব্যাংকিং বা মোবাইল পেমেন্ট ব্যবহার করে টাকা আদায় করে।

পরিণতি:যদি মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হয়:

অনেক সময় ভুক্তভোগীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
মৃতদেহ বাড়ির কাছে ফেলে দেওয়া হয় বা এমন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয় যা শনাক্ত করা কঠিন।
সমাধান এবং প্রতিরোধ:
1. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা:
অপহরণকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
টেকনোলজির সাহায্যে ফোন ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট নজরদারি।
2. সচেতনতা বৃদ্ধি:
পরিবারের সদস্যদের চলাফেরার বিষয়ে সতর্ক থাকা।
সন্দেহজনক আচরণ বা অপরিচিত ফোন কল এড়ানো।
অপহরণের এই চক্র থামাতে সমাজ ও প্রশাসনের একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান প্রয়োজন।