Dhaka , Monday, 2 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন পাইকগাছা পৌরসভা বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় মৎস্য লীজ ঘের নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে উত্তেজনা গাজীপুরে ইয়াবাসহ ৯ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লুটপাটের শিকার কারখানা মালিকের সংবাদ সম্মেলন পতাকা বিধিমালার তোয়াক্কা নেই লালমনিরহাট খামারবাড়িতে; নিয়ম জানেন না খোদ উপ-পরিচালক! ভঙ্গুর সংযোগ সড়কে মরণফাঁদ: মোগলহাটে ৬৯ লাখ টাকার সেতুতে জনভোগান্তি চরমে রামগঞ্জে সন্ধ্যার পর কোন শিক্ষার্থী বাহিরে থাকতে পারবে না শাহাদাত হোসেন সেলিম এমপি ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে আকাশপথে অচলাবস্থা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ আটকা কয়েক হাজার যাত্রী মির্জাপুরে মাটিবোঝাই ট্রাক ঢুকল ঘরে, চাপা পড়ে ঘুমন্ত বৃদ্ধ নিহত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে খাল খনন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে: পানি সম্পদ মন্ত্রী হাজীদের কষ্ট দিলে শাস্তি পেতে হবে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের ওপর হামলার ঘটনায় দুই মাসের মধ্যে চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ’র বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন নৌমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম নরসিংদীসহ সারাদেশে খুন-ধর্ষণের প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে মশাল মিছিল ট্র্যাব এর পক্ষ থেকে ঢাকা-১৬ আসনের নবনির্বাচিত এমপি কর্নেল (অব:) মোহাম্মদ আব্দুল বাতেনকে ফুলেল শুভেচ্ছা এই জনপদ আমাদের সন্তানদের জন্য উপযোগী করে রাখতে হবে- প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা: চবি এলাকায় মসজিদ সংস্কার কার্যক্রম রামগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত “বরকল ইউনিয়নের কানাইমাদারী লেসন ভিউ একাডেমি’র শিক্ষার্থীদের সাফল্য অর্জন “ স্যার কে.জি. গুপ্ত : কৃতিত্ব থাকলেও পালন করা হয় না জন্মবার্ষিকী পলিথিন বর্জন ও পরিবেশ রক্ষায় সদর উপজেলা প্রশাসনের পাটের ব্যাগ বিতরণ কর্মসূচি জনগণের ‘দুলু ভাই’-এর নির্দেশে রমজানে বড়বাড়ীতে ‘জনতার বাজার’: অর্ধেক দামে মিলছে দুধ-মাংস সাতকানিয়ায় অবৈধ মাটিকাটার বিরুদ্ধে মধ্যরাতের অভিযান, ২ এস্কেভেটর বিকল সাতকানিয়ায় টপসয়েল কাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ট্রাক-এক্সেভেটর জব্দ, জরিমানা ৪০ হাজার আইসিটি খাতে ১০লাখ লোকের কর্মসংস্থান করা হবে: তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ঝালকাঠিতে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোচালক নিহত নোয়াখালীতে নিখোঁজের ২ দিন পর ডোবায় মিলল শিশুর মরদেহ স্বামীর দেয়া আগুনে দগ্ধ অন্তঃসত্ত্বা আমেনা (২০) বেতন ভাতা, শ্রমিক নির্যাতন ও ছাটাই এর প্রতিবাদে রূপগঞ্জে শ্রমিক অসন্তোষ, শ্রমিক পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ২০, ৫ ঘন্টা ঢাকা সিলেট মহাসড়ক অবরোধ, ১৮ কিমি যানজট

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:41:38 pm, Thursday, 9 January 2025
  • 193 বার পড়া হয়েছে

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

 

শওকত আলম- কক্সবাজার।।

   
কক্সবাজার জেলায় বিশেষ করে উখিয়া- টেকনাফে অপহরণ হচ্ছে প্রতিনিয়তিই। যেখানে মানুষের সমাগম নাই অর্থাৎ পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের মতো ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২ দফায় অপহরণ হয়েছে মোট ২৭ জন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অপহরণ হওয়া ব্যক্তিগণ উদ্ধার হলে আইন শৃঙ্খলায় ঘটেছে চরম অবনতি।
অপহরণকারীদের টার্গেটে রয়েছে বিশেষ করে পর্যটক। অপহরণ একটি ভয়াবহ অপরাধ যা পরিবারগুলোর মধ্যে ভীতি এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। অপহরণকারীরা সাধারণত বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায় করে এবং টাকা না পেলে ভয়ানক পরিণতি ঘটে।

অপহরণের পদ্ধতি:1. পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তু:
অপহরণকারীরা সাধারণত ধনী পরিবার, ব্যবসায়ী, বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বেছে নেয়। তারা ভুক্তভোগীর দৈনন্দিন চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করে পরিকল্পনা সাজায়।

2. ধারণ এবং লুকিয়ে রাখা:
অপহৃত ব্যক্তিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ ধরনের স্থানে সিসিটিভি বা জনসমাগম থাকে না।
3. পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ:

অপহরণকারীরা প্রথমেই ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
তারা ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করে।
অনেক সময় ভিডিও চিত্র পাঠিয়ে ভুক্তভোগীর ওপর অত্যাচারের প্রমাণ দেখায়।
মুক্তিপণ আদায়ের কৌশল:
1. তাত্ক্ষণিক চাপ সৃষ্টি:
তারা বলে সময়মতো টাকা না দিলে ভুক্তভোগীর ক্ষতি হবে।
টাকা কোথায় এবং কীভাবে দিতে হবে, সেই নির্দেশ দেয়।

2. ফাঁদ তৈরি:পরিবারকে ভুল ঠিকানায় পাঠিয়ে সময় নষ্ট করে।

মুক্তিপণ সংগ্রহের সময় পুলিশের নজর এড়াতে সতর্ক থাকে।

3. ব্যাংকিং বা ডিজিটাল পদ্ধতি:

অনেক অপহরণকারী এখন ব্যাংকিং বা মোবাইল পেমেন্ট ব্যবহার করে টাকা আদায় করে।

পরিণতি:যদি মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হয়:

অনেক সময় ভুক্তভোগীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
মৃতদেহ বাড়ির কাছে ফেলে দেওয়া হয় বা এমন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয় যা শনাক্ত করা কঠিন।
সমাধান এবং প্রতিরোধ:
1. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা:
অপহরণকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
টেকনোলজির সাহায্যে ফোন ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট নজরদারি।
2. সচেতনতা বৃদ্ধি:
পরিবারের সদস্যদের চলাফেরার বিষয়ে সতর্ক থাকা।
সন্দেহজনক আচরণ বা অপরিচিত ফোন কল এড়ানো।
অপহরণের এই চক্র থামাতে সমাজ ও প্রশাসনের একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

আপডেট সময় : 05:41:38 pm, Thursday, 9 January 2025

 

শওকত আলম- কক্সবাজার।।

   
কক্সবাজার জেলায় বিশেষ করে উখিয়া- টেকনাফে অপহরণ হচ্ছে প্রতিনিয়তিই। যেখানে মানুষের সমাগম নাই অর্থাৎ পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের মতো ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২ দফায় অপহরণ হয়েছে মোট ২৭ জন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অপহরণ হওয়া ব্যক্তিগণ উদ্ধার হলে আইন শৃঙ্খলায় ঘটেছে চরম অবনতি।
অপহরণকারীদের টার্গেটে রয়েছে বিশেষ করে পর্যটক। অপহরণ একটি ভয়াবহ অপরাধ যা পরিবারগুলোর মধ্যে ভীতি এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। অপহরণকারীরা সাধারণত বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায় করে এবং টাকা না পেলে ভয়ানক পরিণতি ঘটে।

অপহরণের পদ্ধতি:1. পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তু:
অপহরণকারীরা সাধারণত ধনী পরিবার, ব্যবসায়ী, বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বেছে নেয়। তারা ভুক্তভোগীর দৈনন্দিন চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করে পরিকল্পনা সাজায়।

2. ধারণ এবং লুকিয়ে রাখা:
অপহৃত ব্যক্তিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ ধরনের স্থানে সিসিটিভি বা জনসমাগম থাকে না।
3. পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ:

অপহরণকারীরা প্রথমেই ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
তারা ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করে।
অনেক সময় ভিডিও চিত্র পাঠিয়ে ভুক্তভোগীর ওপর অত্যাচারের প্রমাণ দেখায়।
মুক্তিপণ আদায়ের কৌশল:
1. তাত্ক্ষণিক চাপ সৃষ্টি:
তারা বলে সময়মতো টাকা না দিলে ভুক্তভোগীর ক্ষতি হবে।
টাকা কোথায় এবং কীভাবে দিতে হবে, সেই নির্দেশ দেয়।

2. ফাঁদ তৈরি:পরিবারকে ভুল ঠিকানায় পাঠিয়ে সময় নষ্ট করে।

মুক্তিপণ সংগ্রহের সময় পুলিশের নজর এড়াতে সতর্ক থাকে।

3. ব্যাংকিং বা ডিজিটাল পদ্ধতি:

অনেক অপহরণকারী এখন ব্যাংকিং বা মোবাইল পেমেন্ট ব্যবহার করে টাকা আদায় করে।

পরিণতি:যদি মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হয়:

অনেক সময় ভুক্তভোগীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
মৃতদেহ বাড়ির কাছে ফেলে দেওয়া হয় বা এমন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয় যা শনাক্ত করা কঠিন।
সমাধান এবং প্রতিরোধ:
1. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা:
অপহরণকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
টেকনোলজির সাহায্যে ফোন ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট নজরদারি।
2. সচেতনতা বৃদ্ধি:
পরিবারের সদস্যদের চলাফেরার বিষয়ে সতর্ক থাকা।
সন্দেহজনক আচরণ বা অপরিচিত ফোন কল এড়ানো।
অপহরণের এই চক্র থামাতে সমাজ ও প্রশাসনের একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান প্রয়োজন।