Dhaka , Friday, 6 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জামিনের পর ‘অশালীন ভাষায়’ দুই শব্দের পোস্ট পরীমনির রোনালদোকে বিশেষ সংবর্ধনা দেবে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক যাচ্ছেন ছাত্রদল নেতা আবু হাসান নাহিয়ান ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান বিনা জামানতে ২০ লাখ টাকার ঋণ কর্মসূচি নিয়ে সতর্ক করল বাংলাদেশ ব্যাংক পাইকগাছায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস (সিজন-২)’ উদ্বোধন এনসিপিকে কড়া বার্তা সামান্তা শারমিনের নেত্রকোণায় ডিএনসির মাদকবিরোধী অভিযান: ২০ লাখ টাকার ফেনসিডিলসহ আটক ১ অক্টোবরজুড়ে পাইকগাছা থানা পুলিশের অভিযান: ৪৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত শিল্পায়নে অবকাঠামো গড়বে সরকার: প্রধানমন্ত্রী জ্যাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রথম দিন শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ২৩৫ সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন কক্সবাজারের সাহিত্য ও গবেষণা পরিষদের নেতারা রূপগঞ্জে ঢাকা বাইপাস সড়কের আন্ডারপাস ও জেব্রা ক্রসিংয়ের দাবিতে মানববন্ধন ও অবরোধ মধুপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর উদ্বোধন ফেনীর মহিপাল থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্র উদ্ধার করেছে এসআরবি-৭, চট্টগ্রাম শ্রীপুরে এমপি মনোয়ার হোসেন খানের দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালিত মধুপুরে পুলিশের পৃথক দুই অভিযানে ১৪৩ লিটার চোলাইমদ ও ৯০ লিটার উপকরণ উদ্ধার,গ্রেফতার- ৪ মধুপুরে মাদ্রাসার হেফজখানায় ১১ বছরের ছাত্রের হাত কাটা, রহস্য নিয়ে উদ্বেগ! কালিয়াকৈরে অঙ্গীভূত আনসারের সমাপনী কুচকাওয়াজ, পেশাদারিত্বের আহ্বান মহাপরিচালকের দীঘিনালায় মহিলা মাদ্রাসার ১০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন ২৩ নভেম্বর, থাকছে পুনর্মিলনী ও হাফেজাদের সংবর্ধনা হাম উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, মোট ১২৭২ প্রতিদিন জনভোগান্তি: পরিত্যক্ত সুইমিংপুল ঘীরে বিষাক্ত হচ্ছে জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামের আশপাশের পরিবেশ সকালের ধাক্কা সামলে সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের লড়াই তাসকিন-হাসানের ইনসুইংয়ে শুরুতেই চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কোলকাতায় কয়লার বিস্ফোরণে ছাদ ভেদ করে মহিলার মাথায় পাথর, স্তব্ধ বোনজেমারি ওসিপি রোহিঙ্গা পরিচয়ের অভিযোগে ফায়সালের ভুয়া এনআইডি-পাসপোর্ট, রাঙ্গুনিয়ায় আটক মাদক সেবনের দায়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলী আহম্মেদকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড ও বহিষ্কার কুড়িগ্রামে ১১৭০ ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেপ্তার, একজনের বিরুদ্ধে ২০টি মাদক মামলা ‘এই পৃথিবীর জন্য বড্ড নরম মনের মানুষ আমি’: মেঘনা আলম পাইকগাছায় নাশকতা, জুয়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:41:38 pm, Thursday, 9 January 2025
  • 372 বার পড়া হয়েছে

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

 

শওকত আলম- কক্সবাজার।।

   
কক্সবাজার জেলায় বিশেষ করে উখিয়া- টেকনাফে অপহরণ হচ্ছে প্রতিনিয়তিই। যেখানে মানুষের সমাগম নাই অর্থাৎ পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের মতো ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২ দফায় অপহরণ হয়েছে মোট ২৭ জন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অপহরণ হওয়া ব্যক্তিগণ উদ্ধার হলে আইন শৃঙ্খলায় ঘটেছে চরম অবনতি।
অপহরণকারীদের টার্গেটে রয়েছে বিশেষ করে পর্যটক। অপহরণ একটি ভয়াবহ অপরাধ যা পরিবারগুলোর মধ্যে ভীতি এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। অপহরণকারীরা সাধারণত বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায় করে এবং টাকা না পেলে ভয়ানক পরিণতি ঘটে।

অপহরণের পদ্ধতি:1. পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তু:
অপহরণকারীরা সাধারণত ধনী পরিবার, ব্যবসায়ী, বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বেছে নেয়। তারা ভুক্তভোগীর দৈনন্দিন চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করে পরিকল্পনা সাজায়।

2. ধারণ এবং লুকিয়ে রাখা:
অপহৃত ব্যক্তিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ ধরনের স্থানে সিসিটিভি বা জনসমাগম থাকে না।
3. পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ:

অপহরণকারীরা প্রথমেই ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
তারা ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করে।
অনেক সময় ভিডিও চিত্র পাঠিয়ে ভুক্তভোগীর ওপর অত্যাচারের প্রমাণ দেখায়।
মুক্তিপণ আদায়ের কৌশল:
1. তাত্ক্ষণিক চাপ সৃষ্টি:
তারা বলে সময়মতো টাকা না দিলে ভুক্তভোগীর ক্ষতি হবে।
টাকা কোথায় এবং কীভাবে দিতে হবে, সেই নির্দেশ দেয়।

2. ফাঁদ তৈরি:পরিবারকে ভুল ঠিকানায় পাঠিয়ে সময় নষ্ট করে।

মুক্তিপণ সংগ্রহের সময় পুলিশের নজর এড়াতে সতর্ক থাকে।

3. ব্যাংকিং বা ডিজিটাল পদ্ধতি:

অনেক অপহরণকারী এখন ব্যাংকিং বা মোবাইল পেমেন্ট ব্যবহার করে টাকা আদায় করে।

পরিণতি:যদি মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হয়:

অনেক সময় ভুক্তভোগীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
মৃতদেহ বাড়ির কাছে ফেলে দেওয়া হয় বা এমন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয় যা শনাক্ত করা কঠিন।
সমাধান এবং প্রতিরোধ:
1. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা:
অপহরণকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
টেকনোলজির সাহায্যে ফোন ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট নজরদারি।
2. সচেতনতা বৃদ্ধি:
পরিবারের সদস্যদের চলাফেরার বিষয়ে সতর্ক থাকা।
সন্দেহজনক আচরণ বা অপরিচিত ফোন কল এড়ানো।
অপহরণের এই চক্র থামাতে সমাজ ও প্রশাসনের একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জামিনের পর ‘অশালীন ভাষায়’ দুই শব্দের পোস্ট পরীমনির

ককসবাজারে অপহরণ কৌশল এবং ভয়ঙ্কর পরিণতি।।

আপডেট সময় : 05:41:38 pm, Thursday, 9 January 2025

 

শওকত আলম- কক্সবাজার।।

   
কক্সবাজার জেলায় বিশেষ করে উখিয়া- টেকনাফে অপহরণ হচ্ছে প্রতিনিয়তিই। যেখানে মানুষের সমাগম নাই অর্থাৎ পাহাড়ি এলাকায় অপহরণের মতো ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত ৩১ ডিসেম্বর ২ দফায় অপহরণ হয়েছে মোট ২৭ জন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ প্রচেষ্টায় অপহরণ হওয়া ব্যক্তিগণ উদ্ধার হলে আইন শৃঙ্খলায় ঘটেছে চরম অবনতি।
অপহরণকারীদের টার্গেটে রয়েছে বিশেষ করে পর্যটক। অপহরণ একটি ভয়াবহ অপরাধ যা পরিবারগুলোর মধ্যে ভীতি এবং নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে। অপহরণকারীরা সাধারণত বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে মুক্তিপণ আদায় করে এবং টাকা না পেলে ভয়ানক পরিণতি ঘটে।

অপহরণের পদ্ধতি:1. পরিকল্পিত লক্ষ্যবস্তু:
অপহরণকারীরা সাধারণত ধনী পরিবার, ব্যবসায়ী, বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বেছে নেয়। তারা ভুক্তভোগীর দৈনন্দিন চলাফেরা পর্যবেক্ষণ করে পরিকল্পনা সাজায়।

2. ধারণ এবং লুকিয়ে রাখা:
অপহৃত ব্যক্তিকে নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। এ ধরনের স্থানে সিসিটিভি বা জনসমাগম থাকে না।
3. পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ:

অপহরণকারীরা প্রথমেই ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
তারা ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণের টাকা দাবি করে।
অনেক সময় ভিডিও চিত্র পাঠিয়ে ভুক্তভোগীর ওপর অত্যাচারের প্রমাণ দেখায়।
মুক্তিপণ আদায়ের কৌশল:
1. তাত্ক্ষণিক চাপ সৃষ্টি:
তারা বলে সময়মতো টাকা না দিলে ভুক্তভোগীর ক্ষতি হবে।
টাকা কোথায় এবং কীভাবে দিতে হবে, সেই নির্দেশ দেয়।

2. ফাঁদ তৈরি:পরিবারকে ভুল ঠিকানায় পাঠিয়ে সময় নষ্ট করে।

মুক্তিপণ সংগ্রহের সময় পুলিশের নজর এড়াতে সতর্ক থাকে।

3. ব্যাংকিং বা ডিজিটাল পদ্ধতি:

অনেক অপহরণকারী এখন ব্যাংকিং বা মোবাইল পেমেন্ট ব্যবহার করে টাকা আদায় করে।

পরিণতি:যদি মুক্তিপণ দিতে ব্যর্থ হয়:

অনেক সময় ভুক্তভোগীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
মৃতদেহ বাড়ির কাছে ফেলে দেওয়া হয় বা এমন স্থানে লুকিয়ে রাখা হয় যা শনাক্ত করা কঠিন।
সমাধান এবং প্রতিরোধ:
1. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা:
অপহরণকারীদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া।
টেকনোলজির সাহায্যে ফোন ট্র্যাকিং এবং ডিজিটাল পেমেন্ট নজরদারি।
2. সচেতনতা বৃদ্ধি:
পরিবারের সদস্যদের চলাফেরার বিষয়ে সতর্ক থাকা।
সন্দেহজনক আচরণ বা অপরিচিত ফোন কল এড়ানো।
অপহরণের এই চক্র থামাতে সমাজ ও প্রশাসনের একসঙ্গে কাজ করা অত্যন্ত জরুরি। এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান প্রয়োজন।