
চঞ্চল,
রংপুর বিভাগে পৃথক তিনটি মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ও যানবাহনসহ ৫ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৩। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাব-১৩ এর সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সফল অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
অভিযানে মোট ৪৪৪ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিরাপ, ২০.৭ কেজি গাঁজা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে র্যাব-১৩, সদর কোম্পানি লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ উপজেলার কাকিনা-মহিপুর সড়কে একটি বিশেষ চেকপোস্ট বসায়। এসময় একটি সন্দেহভাজন প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ৩৪১ বোতল এস্কাফ, ৯৯ বোতল ফেয়ারডিল এবং ২ বোতল এস্কাফ ডিএক্স সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মোঃ জাহেনুর ইসলাম জীবন এবং নীলফামারীর সৈয়দপুরের মোঃ রাজুকে গ্রেফতার করা হয়। মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দ করেছে র্যাব।
অন্যদিকে, সোমবার সকালে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট এলাকায় সিপিসি-৩, গাইবান্ধা ক্যাম্পের একটি দল অভিযান চালিয়ে ৫ কেজি গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেলসহ মোঃ সুজন ইসলাম নামে এক যুবককে গ্রেফতার করে। তিনি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বাসিন্দা। একই দিনে বিকেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার কয়াগোলাহাট এলাকায় আরেকটি অভিযানে মোঃ সুজন ইসলাম (২২) ও মোছাঃ ছবিনুর বেগম নামে দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বসতবাড়ি থেকে ১৫.৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে র্যাব সদস্যরা।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানিয়েছে, তারা রংপুর বিভাগের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে সুকৌশলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করে আসছিল। মাদক পরিবহনে তারা নিত্যনতুন অভিনব কৌশল ব্যবহার করে থাকে।
র্যাব-১৩ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করে হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে র্যাবের এই গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

























