দেবহাটা প্রতিনিধি।।
দেবহাটায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন ও বাংলাদেশের উন্নয়ন সক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহন প্রকল্পের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার-২২ এপ্রিল-উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ক্রিশ্চিয়ান এইডের কারিগরি এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আর্থিক সহযোগীতায় নাগরিক উদ্যোগের বাস্তবায়িত প্রকল্প কার্যক্রমের অংশ হিসাবে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবর রহমান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সবুজ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জিএম স্পর্শ। নাগরিক উদ্যোগের জেলা ভলান্টিয়ার দুলাল দাসের সঞ্চলনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি অফিসার শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার আলমগীর হোসেন-উপজেলা সমাজসেবা অফিসার অধির কুমার গাইন-মহিলা বিষয়ক অফিসার নাসরিন জাহান, যুব উন্নয়ন অফিসার তামির সিদ্দিক-দেবহাটা প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর খায়রুল আলম-সাবেক সভাপতি আব্দুল ওহাব, রিপোর্টাস ক্লাবের সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান কাজল-হিজড়া সম্প্রদয়ের রাইসুল ইসলাম-চেইঞ্জ এজেন্ট উত্তরা দাস প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন নাগরিক উদ্যোগের খুলনা বিভাগীয় সমন্বয়কারী মানিক দাস।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক লিটন ঘোষ বাপি-সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন পারভেজ বাবু-রিপোর্টাস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম-ইউপি সদস্য আজগর আলী ও শ্যামলী রানী-এভোকেসি কমিটির সদস্য ফিরোজ হোসেন সহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
বক্তরা বলেন-নাগরিক উদ্যোগ পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নয়নে কাজ করে। দেশের বিভিন্ন উন্নয়নে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে সক্রিয় অংশগ্রহন করাতে হবে। কাউকে বাদ দিয়ে কোন উন্নয়ন সম্ভব না। তাই সবাইকে এক সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে। একই সাথে এই শ্রেণির মানুষের শারীরিক-মানুষিক-যৌন হয়রানি না সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। সমাজের দলিত-ক্ষুদ্রনৃগোষ্টি-প্রতিবন্ধী-হিজড়া শ্রেণির মানুষকে মুলধারার সাথে সমন্বয় করে তাদেরকে আরো এগিয়ে নিতে হবে। ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের সিটিজেন চার্টারগুলো হালনাগাদ করতে হবে-স্যানিটেশন ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে-বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করতে হবে-পিছিয়ে পড়া জনগোষ্টির দক্ষতা ও কর্মমূখী উন্নয়নে প্রশিক্ষণ-ঋণ পাওয়ার সু-ব্যবস্থা-শিশুদের শিক্ষাবৃত্তি, প্রত্যন্ত এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন এবং সরকারি সেবা ও সহযোগীয় পিছিয়ে পড়া মানুষেরা বাদ পড়ছে কি না তার জন্য মনিটরিং ব্যবস্থা রাখার দাবি জানানো হয়।
উল্লেখ্য যে, নাগরিক উদ্যোগ ১৯৯৫ সাল থেকে নাগরিকের “সুশাসন ও মানবাধিকার-এর সুরক্ষা ও বিকাশে তৎপর চালানো এবং বিশেষভাবে স্থানীয় পর্যায়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

























