Dhaka , Tuesday, 16 July 2024
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কোটা সংস্কার আন্দোলন- ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ।। সদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত।। দেবহাটার সরকারি কেবিএ কলেজ ও সোনালী ব্যাংক পিএলসির চুক্তি স্বাক্ষর।। দেবহাটায় জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ বিষয়ক সভা।। সন্ত্রাসী হাফিজর বহিষ্কার চান ইবি শিক্ষার্থীরা।। তিতাসে আ.লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ভুলতা-গাউছিয়া ফের হকারদের দখলে।। মধ্য ভাদুর প্রাইমারি স্কুল নির্মান বন্ধে আদালতে মামলা- শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরমে।। কোটা বিরোধী বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে নীলফামারী সাধারণ শিক্ষার্থীরা।। মোংলা বন্দরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন চেয়ারম্যান।। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়- মধ্যরাতে ক্যাম্পাসে আমি রাজাকার স্লোগান প্রতিবাদে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ।। গাজীপুরে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের দায়ে দুই জনকে জরিমানা।। শ্বশুরবাড়ি বেড়াতে এসে ঈশ্বরদীতে ট্রেনে কেটে জামাইয়ের মৃত্যু।। পাবিপ্রবির হলে শিক্ষার্থীকে মেরে হাসপাতালে পাঠালেন ছাত্রলীগ নেতা।। বরগুনায় ২ কেজি গাঁজা সহ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক।। মধ্যরাতে হঠাৎ উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হল ছেড়ে রাস্তায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ মিছিল।। শেরপুরে জাতীয় পার্টির সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ এর ৫ম মৃত্যু বার্ষিকী পালন।। দেবহাটায় যুবদের হুইসেল ব্লোয়ার হিসেবে অন্তর্ভুক্তিকরণ সভা।।  সুবর্ণচরে বৃদ্ধকে জবাই করে হত্যা অপরিচিত মুঠোফোন কলের সূত্র ধরে হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন- গ্রেপ্তার ৩।। সদরপুরে মৃত্যুর ৫ দিন পর বাড়ি ফিরলেন তরুণী ১০ মাস পর কবর থেকে তোলা হল লাশ।। তিতাসে ধ্বসে পড়ে গেল ডাকবাংলোর সীমানা প্রাচীর।। রামগঞ্জ শিশুপার্কটি ধুধু মরুভূমি- উপরে ফিটফাট-ভিতরে ফাঁকা মাঠ।। রূপগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে এলাকাবাসীর মতবিনিময়।। তিতাসে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।। বই বিক্রি যার নেশা।। হারানো মোবাইল উদ্ধার করে বুঝিয়ে দিল মোংলা থানা পুলিশ।। কোটা সংস্কারে রাষ্ট্রপতি বরাবর পবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি।। কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর- শিল্পমন্ত্রী।। রাজধানীর আশুলিয়ায় ১২ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার- গ্রেপ্তার ১জন।। পাবনার এক চরমপন্থি নেতাকে রাজবাড়ীতে পিটিয়ে হত্যা।।

সুন্দরগঞ্জে ফের তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ভাঙন অব্যাহত।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:46:39 am, Tuesday, 2 July 2024
  • 7 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে ফের তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ভাঙন অব্যাহত।।

হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ- গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
ভারি বর্ষন এবং উজান থেকে আসা ঢলে ফের তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। অব্যাহত ভাঙনে তোষাপাটসহ নানাবিধ ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। ৩০ দিনের ব্যবধানে উপজেলা কাপাশিয়া- হরিপুর -শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক বিঘা ফসলি জমি  এবং ৫০টি পরিবারের বসতবাড়ি ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 
    
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর- বেলকা -হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বা বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী।  নদী পাড়ের মানুষের দাবি- স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারনে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
           
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাশিয়া গ্রামের মিজানুর রহমান জানান- হঠাৎ করে ফের তিস্তার পানি বাড়তে থাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তার ৩ বিঘা জমির তোষাপাটসহ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তিনি আর বলেন নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামান্য ত্রাণ বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।
হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন- প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ৪ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলামের দাবি নদী খনন- ড্রেজিং- স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। তিনি জানান  ফের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তার ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
           
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির জানান- কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি চরে তিস্তার ভাঙনে তোষাপাটসহ অন্যান্য ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে এছাড়া ডুবে গেছে ফসলি জমি। এতে করে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা হয়নি। 
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- ফের তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। কিছু কিছু চরে ভাঙন দেখা দিয়েছে।  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণকে খোঁজ খবর রাখতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ত্রাণ সরবরাহ করা হবে। 
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম জানান- ভাঙন ঠেকানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনে করনীয় কিছু নেই। প্রশাসনের পক্ষ হতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তা নেয়া হয়। 
         
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান- ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। তবে স্থায়ী ভাবে ভাঙন রোধ সরকারের উপর মহলের সিদ্ধানের ব্যাপার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

কোটা সংস্কার আন্দোলন- ইবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ।।

সুন্দরগঞ্জে ফের তিস্তায় পানি বৃদ্ধি ভাঙন অব্যাহত।।

আপডেট সময় : 11:46:39 am, Tuesday, 2 July 2024
হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ- গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
ভারি বর্ষন এবং উজান থেকে আসা ঢলে ফের তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।  নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। অব্যাহত ভাঙনে তোষাপাটসহ নানাবিধ ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। ৩০ দিনের ব্যবধানে উপজেলা কাপাশিয়া- হরিপুর -শ্রীপুর ও চন্ডিপুর ইউনিয়নে পাঁচ শতাধিক বিঘা ফসলি জমি  এবং ৫০টি পরিবারের বসতবাড়ি ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 
    
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর- বেলকা -হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। প্রতিবছর তিস্তায় পানি বাড়ার সাথে সাথে বা বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী।  নদী পাড়ের মানুষের দাবি- স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারনে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
           
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাশিয়া গ্রামের মিজানুর রহমান জানান- হঠাৎ করে ফের তিস্তার পানি বাড়তে থাকায় নদী ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে তার ৩ বিঘা জমির তোষাপাটসহ নদী গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে শতাধিক বিঘা ফসলি জমি। তিনি আর বলেন নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না। অথচ দেখার কেউ নাই। সামান্য ত্রাণ বিতরণ করে দায় এড়িয়ে যান সকলে।
হরিপুর লখিয়ার পাড়া গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন- প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ৪ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলামের দাবি নদী খনন- ড্রেজিং- স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধে কল্পে বহুবার চাহিদা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু আজও কোন ব্যবস্থা সরকারের পক্ষ হতে নেয়া হয়নি। শুধুমাত্র ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। তিনি জানান  ফের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তার ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
           
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির জানান- কাপাসিয়া ও হরিপুর ইউনিয়নের কয়েকটি চরে তিস্তার ভাঙনে তোষাপাটসহ অন্যান্য ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে এছাড়া ডুবে গেছে ফসলি জমি। এতে করে কৃষকদের ক্ষতি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপন করা হয়নি। 
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- ফের তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। কিছু কিছু চরে ভাঙন দেখা দিয়েছে।  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণকে খোঁজ খবর রাখতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ত্রাণ সরবরাহ করা হবে। 
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম জানান- ভাঙন ঠেকানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনে করনীয় কিছু নেই। প্রশাসনের পক্ষ হতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহায়তা নেয়া হয়। 
         
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান- ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। তবে স্থায়ী ভাবে ভাঙন রোধ সরকারের উপর মহলের সিদ্ধানের ব্যাপার।