ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রামের অক্সিজেন-দুই নম্বর গেট সড়কের স্টারশিপ এলাকায় শীতল ঝরনা খালের ওপর গত বর্ষায় ধসে পড়া সড়কসেতুটি ৬ মাসের মধ্যেই পুননির্মাণের পর যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। গত আগস্টে ধসে পড়ার পর ডিসেম্বরে সেতু নির্মাণ কাজ শুরু করে চসিক।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সড়কসেতুটি উদ্বোধন করে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। উদ্বোধনকালে মেয়র বলেন, গত বছরের ৭ আগস্ট ৫০ বছরের পুরনো সেতুটি ধসে পড়ে। প্রায় ৫০ বছর আগে নির্মিত সেতুটি আধুনিক ভারবহন ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও সেনাবাহিনীর প্রকল্পে শীতল ঝরনা খালের প্রশস্ততা ৬ মিটার থেকে ১৩ মিটারে উন্নীত করা হয় এবং গভীরতাও বাড়ানো হয়। ফলে বর্ষার সময় খালের পানির প্রবাহের গতি বৃদ্ধি পায় এবং ফাউন্ডেশনের নিচ থেকে মাটি সরে যায়। এতে সেতুর উত্তর পাশের ইটের আবাটমেন্ট ভেঙে পড়ে ও একাংশ বসে ধসে যায়। ধসে পড়া জনগুরুত্বপূর্ণ সেতুটি তাৎক্ষণিক পরিদর্শনে করে এক বছরের মধ্যে সেতুটি পুনর্নির্মাণের ঘোষণা দেই এবং ধসে পড়া সেতুর অর্ধেকাংশ অপসারণের পর গত বছরের ডিসেম্বরে সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করি। অর্থ্যাৎ ৩ মাসেই সেতুটিকে আমরা যান চলাচলের উপযোগী করতে সক্ষম হই।
মেয়র আরো বলেন, সেতুটি হাটহাজারী রোডে হওয়ায় সবসময় অত্যন্ত ব্যস্ত থাকে। এজন্য আমরা ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এ সেতুটি নির্মাণে ৭ কোটি ২০ লক্ষ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করি। সেতুটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পেলে ২৩ মিটার চওড়া হবে। যেহেতু এখানে যান চলাচল বেশি তাই যানজট এড়াতে সেতুর প্রশস্ততার অর্ধেক পাশ ধরে প্রথমে সাড়ে ৯ মিটার চওড়া সেতু নির্মাণ করে উন্মুক্ত করে দিয়েছি। এখন গাড়ি এ সেতুর উপর চলাচল শুরু করবে। আগামী ১ থেকে ২ সপ্তাহের মধ্যে পুরাতন সেতুর বাকী অংশটি ভেঙ্গে নতুন সেতুর পূর্ণাঙ্গ কাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হবে। আশা করছি আগামী ৬ মাসের মধ্যে সেতুর বাকী কাজও শেষ হবে।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী রিফাতুল করিম, মাহমুদ শাফকাত আমিন, সহকারী প্রকৌশলী জাহিদুর রশিদ ভূঁইয়া, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মশিউজ্জামান সিদ্দিকী পাভেল প্রমুখ।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮