Dhaka , Wednesday, 10 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সাফজয়ী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার গৃহনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নগর গড়তে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে:- মেয়র ডা. শাহাদাত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জন আটক, জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা আজিজুল হক আজিজের নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু রূপগঞ্জে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন  বিশ্বকাপ উন্মাদনায় রামগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পাইকগাছায় ফ্রেন্ডশিপের পরিবেশ সচেতনতা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে খাল দখলমুক্ত করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ অভিযান হামলার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মামলার আসামি স্টার নিউজের সাংবাদিক রামুতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি নির্ভর আর্থিক সেবায় বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবন ফটিকছড়ি হতে ০১ টি দেশীয় এলজি বন্দুক ও ০৭ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধারসহ ০১ জন’কে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত একনেকে ৩ হাজার ৮৯১ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি বরখাস্ত দেশের প্রথম স্যাটেলাইটভিত্তিক ‘ওশান ডাটা সেন্টার’ উদ্বোধন করলেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ইরানি যুবককে বিয়ে করলেন মার্কিন নারী ক্রীড়াবিদ কৃষক দল নেতার ক্ষমতায় হালিশহরে বাড়ি দখলের চেষ্টার অভিযোগ নোয়াখালীতে চেকেপোস্টে তিনটি বিদেশী পিস্তল-গুলিসহ কিশোর আটক নোয়াখালীতে প্রকাশ্যে যুবককে গুলি রামগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের চার নেতা গ্রেফতার অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিপূরণ ও কৃষিঋণ মওকুফের দাবিতে দুর্গাপুরে কৃষক-ক্ষেতমজুরদের বিক্ষোভ পাইকগাছায় মাটির রাস্তা থেকে এইচবিবি: বদলে গেল জনদুর্ভোগের চিত্র ১৭ জুন রাজনগরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, উন্নয়ন দাবিতে ৯ দফা প্রস্তুত মৌলভীবাজার পিটিআইয়ে প্রশিক্ষণে এসি ও খাবারের মান নিয়ে অসন্তোষ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম মডেল সফল, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া হবে নির্ধারিত ও স্বচ্ছ:- মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক গ্রেফতার ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৮০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক, জব্দ প্রাইভেটকার চিরকুটে যুবকের নাম লিখে নবম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুনের ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:39:30 pm, Wednesday, 10 August 2022
  • 179 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুনের ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি

হযরত বেল্লাল, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

সারা বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। দুর্নীতিবাজরাই সমাজ ও দেশের উন্নয়নে এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে শিক্ষা খাতে দুর্নীতি হচ্ছে একটু বেশি। শিক্ষা খাতের শিক্ষাগুরুদের এখন নীতি নেই; অনিয়মে ঢাকা পড়েছে সব রীতিনীতি। শিক্ষা কর্মকর্তা, বড় একটা জায়গা দখল করে থাকেন। শিক্ষার্থীদের কাছে তাঁরা যেন দেবতুল্য। শিক্ষার তাহলে অবশিষ্ট আর কিছু থাকে না।

অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা। শিক্ষকরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন কিছু দুর্নীতিবাজ শিক্ষা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, উৎকোচ ছাড়া কোনো কাজ হয় না এ অফিসে। কোনভাবেই মিলছে না এর প্রতিকার। ধাপে ধাপে বাড়ছে তাদের উৎকোচ চাহিদা।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-উর- রশিদ ও সহকারি শিক্ষা অফিসার বিপ্লব হাসান মদিনার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতসহ নানা দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। টাকার বিনিময় তারা জুনিয়র শিক্ষক থেকে জিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতি করে।

প্রধান শিক্ষক ইয়াকুব আলী, নুরেহিনা আক্তার, মাছুমা খাতুন, হাসিনা বেগম, আইয়ুব হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, শিরিনা বেগম, আমজাদ আলী, সহকারি শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুসসহ অনেকেই অভিযোগ করেন। পশ্চিম শিবরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পারের হাট খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খোর্দ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লাঠশালা পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ঘগোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনারায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ২০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রত্যয়নপত্র দেয়া বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা করে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, চতুর্থ ধাপে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় উপজেলার ৯৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত বাবদ ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে প্রায় ১কোটি ৮৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেই মেরামতের বরাদ্দকৃত টাকার সম্পন্ন কাজ না করে আংশিক কিছু কাজ দেখিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা বিভিন্ন ক্লাস্টারের সহকারি কর্মকর্তারা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কাছে ১০ হাজার হতে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছে। কাজের মেয়াদ জুন/২০২২ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজ শেষ করে বিল ভাউচার জমা দিলেও তাদের টাকা ছাড়া বিলের চেন দিচ্ছে না উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন- উর-রশিদ। বিধি মোতাবেক বিদ্যালয়গুলোতে উন্নয়নমূলক কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদেরকে বিল চেক দেয়ার কথা।

এদিকে শিক্ষকরা জানান, মেরামতসহ বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ শেষ করে বিল তুলতে গেলে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে মর্মে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে হয় এবং কাজের মান যাচাই বাছাই না করে টাকা বিনিময় প্রত্যয়পত্র দিচ্ছে উক্ত অফিসের কর্মকর্তারাই। আর এই প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে অফিসকে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পযর্ন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে। আর অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-উর-রশিদ উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই শিক্ষা অফিসকে দুর্নীতি-অনিয়ম-ঘুষ বাণিজ্যের আখড়ায় পরিণত করেছেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-উর-রশিদ নিয়মতি অফিস করেন না।

এ বিষয়ে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিপ্লব হাসান মদিনার কাছে মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আপনি কল রেকর্ড চালু করে আমার সঙ্গে ফাজলামো চোদান। আপনি বেদবি করেছেন বলে ফোনটা কেটে দেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন -উর-রশিদ জানান, মেরামত বা সংস্কারের কাজ শতভাগ বাস্তবায়ন করছি এবং নিবির পর্যবেক্ষণে কাজগুলো সম্পন্ন করি। তিনি আরও জানান, প্রকল্পের কাজের কোন শিক্ষকের কাছে থেকে আমি টাকা নেয়নি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

সাফজয়ী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার গৃহনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হারুনের ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি

আপডেট সময় : 06:39:30 pm, Wednesday, 10 August 2022

হযরত বেল্লাল, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি।।

সারা বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। দুর্নীতিবাজরাই সমাজ ও দেশের উন্নয়নে এখন সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে শিক্ষা খাতে দুর্নীতি হচ্ছে একটু বেশি। শিক্ষা খাতের শিক্ষাগুরুদের এখন নীতি নেই; অনিয়মে ঢাকা পড়েছে সব রীতিনীতি। শিক্ষা কর্মকর্তা, বড় একটা জায়গা দখল করে থাকেন। শিক্ষার্থীদের কাছে তাঁরা যেন দেবতুল্য। শিক্ষার তাহলে অবশিষ্ট আর কিছু থাকে না।

অনিয়ম আর দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা। শিক্ষকরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন কিছু দুর্নীতিবাজ শিক্ষা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছে। ভুক্তভোগী শিক্ষকরা অভিযোগ করেছেন, উৎকোচ ছাড়া কোনো কাজ হয় না এ অফিসে। কোনভাবেই মিলছে না এর প্রতিকার। ধাপে ধাপে বাড়ছে তাদের উৎকোচ চাহিদা।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-উর- রশিদ ও সহকারি শিক্ষা অফিসার বিপ্লব হাসান মদিনার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতসহ নানা দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। টাকার বিনিময় তারা জুনিয়র শিক্ষক থেকে জিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতি করে।

প্রধান শিক্ষক ইয়াকুব আলী, নুরেহিনা আক্তার, মাছুমা খাতুন, হাসিনা বেগম, আইয়ুব হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, শিরিনা বেগম, আমজাদ আলী, সহকারি শিক্ষক আব্দুল কুদ্দুসসহ অনেকেই অভিযোগ করেন। পশ্চিম শিবরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পারের হাট খোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খোর্দ্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লাঠশালা পশ্চিম পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ঘগোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনারায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় ২০ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রত্যয়নপত্র দেয়া বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা করে প্রায় ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, চতুর্থ ধাপে প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর আওতায় উপজেলার ৯৪টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেরামত বাবদ ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে প্রায় ১কোটি ৮৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সেই মেরামতের বরাদ্দকৃত টাকার সম্পন্ন কাজ না করে আংশিক কিছু কাজ দেখিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা বিভিন্ন ক্লাস্টারের সহকারি কর্মকর্তারা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের কাছে ১০ হাজার হতে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ নিচ্ছে। কাজের মেয়াদ জুন/২০২২ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজ শেষ করে বিল ভাউচার জমা দিলেও তাদের টাকা ছাড়া বিলের চেন দিচ্ছে না উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন- উর-রশিদ। বিধি মোতাবেক বিদ্যালয়গুলোতে উন্নয়নমূলক কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদেরকে বিল চেক দেয়ার কথা।

এদিকে শিক্ষকরা জানান, মেরামতসহ বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজ শেষ করে বিল তুলতে গেলে কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে মর্মে প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে হয় এবং কাজের মান যাচাই বাছাই না করে টাকা বিনিময় প্রত্যয়পত্র দিচ্ছে উক্ত অফিসের কর্মকর্তারাই। আর এই প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করতে অফিসকে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পযর্ন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে। আর অভিযোগ উঠেছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-উর-রশিদ উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই শিক্ষা অফিসকে দুর্নীতি-অনিয়ম-ঘুষ বাণিজ্যের আখড়ায় পরিণত করেছেন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন-উর-রশিদ নিয়মতি অফিস করেন না।

এ বিষয়ে সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিপ্লব হাসান মদিনার কাছে মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আপনি কল রেকর্ড চালু করে আমার সঙ্গে ফাজলামো চোদান। আপনি বেদবি করেছেন বলে ফোনটা কেটে দেন।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার একেএম হারুন -উর-রশিদ জানান, মেরামত বা সংস্কারের কাজ শতভাগ বাস্তবায়ন করছি এবং নিবির পর্যবেক্ষণে কাজগুলো সম্পন্ন করি। তিনি আরও জানান, প্রকল্পের কাজের কোন শিক্ষকের কাছে থেকে আমি টাকা নেয়নি।