প্রিন্ট এর তারিখঃ মার্চ ৬, ২০২৬, ৩:১৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ১৯, ২০২৩, ১০:৫৭ এ.এম
সদরপুরের আমন চাষিদের কপালে চিন্তার ভাজ।।

শিমুল তালুকদার
সদরপুর থেকে।।
চলতি মৌসুমে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনে ফরিদপুরের সদরপুরের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছিল । কিন্তু সেই হাসিতে বাঁধ সেধেছে ঘূর্ণিঝড় মিধিলা। গত দু’দিনে মিধিলার ঝড়োবৃষ্টিতে পাকা আমন ধানের বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিশেষ করে যে ধান এখনও ক্ষেতেই রয়ে গেছে, কেটে ঘরে তোলা হয়নি। উপজেলার মটুকচর, মজুমদার বাজার, খেজুরতলা চৈতার কোল, ঢেউখালী এলাকায় সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহকালে এই প্রতিবেদক দেখেন, অনেক ক্ষেতের ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। অনেকে পাকা ধান কেটে ক্ষেতেই রেখে দিয়েছেন, কাটা ধান অকাল বৃষ্টির পানিতে ভিজে রয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমের রোপা আমন চাষীদের কপালে চিন্তার ভাজ পরেছে।
মটুকচরের কৃষক বাতেন মুন্সী জানান, আমি ৫ বিঘা জমিতে রোপা আমন করেছি। মিধিলায় আমার ক্ষেতের কিছু পাকা ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। আশেপাশের অনেকের ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। নুয়ে পড়া ধানে পুষ্টতা আসে না। বেশিরভাগ চিটা হয়ে যায়। এটাই চিন্তার কারণ।
উপজেলার মজুমদার বাজার গ্রামের কৃষক সায়াদ জানান যে তার জমিতে নামিতে ধান রোপন করা হয়েছিল। আর দশ বারো দিন গেলে পুরোপুরি পেকে যেত। এই অবস্থায় দুইদিনের ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষেতের কিছু ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। ক্ষতি যা হবার তাতো এড়ানো যাবে না।ঢেউখালী গ্রামের হাসান জানান, তারও কিছু পাকা ধান নুয়ে পড়েছে। নুয়ে পড়া ধান ঘরে তুলতে খরচ বেড়ে যায়। সাধারণত যেখানে ৪টা কৃষাণ (লেবার) লাগে, নুয়ে পড়া ধান কাটতে ৬টা লাগে।
এ ব্যাপারে সদরপুর উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার ইসমাইল শরীফ জানান চলতি মৌসুমে সদরপুর উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নে মোট ৬২৯১ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে৷ অনুকুল আবহাওয়া, সময়মতো সার ও বীজ বপন, সঠিক পরিচর্চার কারণে আশানুরূপ ফলন হয়েছে। লক্ষমাত্রা পূরণ হবার পথেই ছিল। কিন্তু প্রকৃতির উপর কারও হাত নেই। ঘূর্ণিঝড় মিধিলার কারণে ক্ষেতে থাকা ১০ শতাংশ পাকা ধানের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা। যদি আর বৃষ্টি না হয় তবে বাকী ধান ঠিকমতো তুলতে পারবে এবং কৃষকদের সামান্য ক্ষতি হলেও তেমন প্রভাব পড়বে না।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, কোড নাম্বারঃ ৯২