মুজাহিদ শেখ, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি,
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার মহেশপুর গ্রামের সিমু খাতুন নামের এক নারীর বিরুদ্ধে হয়রানীর অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। এ সময় একই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা অপপ্রচার চালানোর প্রতিবাদে দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপও সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। শনিবার দুপুরে শ্রীপুর মহিলা কলেজ সংলগ্ন উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
মহেশপুর গ্রামের ভুক্তভোগী নারী সিমু খাতুন বলেন,মহেশপুর গ্রামের নাজমা খাতুন জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া স্ট্যাম্প বানিয়ে আমার নামে ১০ লাখ টাকার মামলা করে এবং সেই স্ট্যাম্প মহেশপুর গ্রামের কামাল মৃধার কাছে গচ্ছিত রাখে। কামাল মৃধা কিছু টাকার বিনিময়ে সেই স্ট্যাম্প নাজমার কাছে বিক্রি করে দেয়। পরে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে আমার ও আমার স্বামী কামাল মৃধার নামে ২৫ লাখ টাকার মামলা করে। আর এসব ঘটনার সাথে দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপ ভাইয়ের জড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সে এর সাথে জড়িত না।
দারিয়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রফিকুল আলম প্রদীপ বলেন, ২ বছর আগে শীতের সময় জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে নাজমা খাতুন ও তাদের পারিবারিক একটি সালিশ হয়। সেখানে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে সালিশটি মিমাংসা হয়। ওই টাকাটা আমার দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকনের কাছে গচ্ছিত থাকে। আমার বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার একটা ভিডিও ফেসবুকে দেখলাম। ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেছেন, আমি নাকি তার কাছ থেকে টাকা নিয়েছি। আমি কোন অবৈধ কাজ কামের সাথে জড়িত না। আমার বিরুদ্ধে যে বা যারা অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছি। জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যদি দ্বারিয়াপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমাকে মনোনয়ন দেয়,তবে আমি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবো। এ কারণে আমাকে নিয়ে ষড়যন্ত্র ও হেয় করার চেষ্টা হচ্ছে। বিএনপির সভাপতি নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। ইউনিয়নবাসী প্রমাণ করেছে আমি কেমন মানুষ। চাঁদাবাজি বা চরিত্র হনন করে কোন লাভ হবে না।
যোগাযোগের ঠিকানাঃ মোল্লা ব্রিজ, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪। মোবাইলঃ ০১৯১৮-৪০৪৭৬০, বিজ্ঞাপনঃ ০১৭৩৩-৩৬১১৪৮